সবার নিশ্চয় মনে আছে ২০০৭ সালের আগষ্ট মাসের ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে
ঢাবির ছাত্র মেহেদীর সাথে সেনা সদ্যসের অপ্রীতিকর ঘটনার কথা। সে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সারা দেশে ভাঙচুরের খেলা চালিয়ে ছিলো ছাত্র নামের দেশের সূর্য সন্তানেরা। কত নিরীহ মানুষ ছাত্রদের হিংস্রতার শিকার হয়ে ছিলো। তখন আমাদের কথিত স্বঘোষিত ঢাবির জাতীর বিবেকেরা ছাত্রদের সংগ্রামের বারুদে আগুন দিয়ে ছিলো। প্রগতির আগুন যে কেমন তা দেশের মানুষ দেখেছে। যাই হোক সে বিবেকেরা অনেক জ্বালাময়ী ভাষন দিয়ে ছিলো... আমরা শুনেছি নেচেছি ... সেই নৈরাজ্যকর পরিস্হিতিতে সরকারি নির্দেশ ছিলো ছাত্র ছাত্রীদের হল ত্যাগের... কিন্তু তার বিপরীতে ঢাবিতে মাইকিং করা হয় বিবেকদের নির্দেশে.. ছাত্র ছাত্রীদের হল ত্যাগ না করার জন্য!! মেহেদির সাথে সেনা সদ্যসের তুচ্ছ ঘটনার জন্য আমাদের বিবেকেরা খাড়াইয়া গেছিলো। জরুরী অবস্হার বিরুদ্ধে ভাষন দিয়ে ছিলো! মেহেদীর সাথে জরুরী অবস্হার মিক্সিং করে জাতীর বিবেকের গেয়ান ডাইলা কত সুন্দর কালো ব্যাজ পরে ছিলো, দাঁড়িয়ে ছিলো দিবা নিশি! জাতীর চক্ষে পানি আইয়া গেছিলো
যাই হোক.... জরুরী অবস্হা চলে গেলো নির্বাচন হৈলো চেতনার বাক্সো ভারী হৈলো.. জাতীর বিবেকেরা পদ ভাগাইলো! কিন্তু ছাত্ররা কি পেয়েছে?? এখন জরুরী অবস্হা নেই। এখন ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী নেই! এখন ফুটবল খেলার বদলে হল দখল খেলা চলে। এখন সেনাবাহিনীর অস্ত্রের প্রদর্শন বিশ্ব বিদ্যালয় গুলোতে হয় না তবে চেতনার বন্দুকের শব্দের মিছিল হয়! তবে বিবেক এখনো ঘুমাইতেছে! জাইগা উঠতে পারে নাই! কালো ব্যাজ পাইবো কই? সব কালো ব্যাজ জলপাইরা খাইয়া পালাইছে। এখন একই চেতনার সূর্য সন্তানদের শিকার হয় তাদের দলের ছাত্র ছাত্রী! প্রায় সব বিশ্ব বিদ্যালয় গুলো আজ বন্ধ। এখন বিবেকের দুয়ারে তালা মেরেছে কে? সেনাবাহিনী?
দুঃখের বিষয় হলো এই গনতান্ত্রিক সরকারের গত কয়েক মাসে যত ছাত্র নির্যাতন
এবং হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে তা গত দুই বছরের কেয়ারটেকার সরকারের আমলে ও হয়নি! অথচ তকন ঢাবি, চবি, রাবি, শাবির শিক্ষকদের চেতনা জেগে ছিলো এখন কোন মিছিল নাই কালো ব্যাজ নাই! স্বঘোষিত জাতীর বিবেক ঘুমাইতেছে!
আমি ডাকিতাছি বিবেক তুমি ঘুমাইছো নাকি.......?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



