somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হাসিনা খালেদা তারেক জয় ৫ মিলিয়ন ডলার হইতে তৌফিক এলাহী কিন্তু আমাদের গোলাম রহমানের কি খবর?


ছবির লুকটার কোন খপর নাই।


দেশের মানুষ সবার খবর নেয় শুধু গোলাম রহমানের খবর নিলো না!! হাসান মাশহুদ খ্রাপ লোক ছিলো কিন্তু গোলাম রহমান ভালা লুক হইয়া ঘুমাইতাছে কেন? উনি আমাদের জননেত্রীর সচিব ছিলেন এর উপরে আর কিতা লাগে কন? গোলাম রহমানের খবর জানি না! কোন লড়াছড়ার ও খপর পাইলাম না। হেতে কি বাঁচি আছে নাকি ঘুমাই গেছে দিন বদলের ক্যাপসুল খাইয়া? তার কোন খোজ খবর জানলে আমারে একটু আওয়াজ দেন........... মিলিয়ন ডলার না টেকা লইয়া আমি বসে আছি.....: ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29099965 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29099965 2010-02-17 23:08:56
আমি আমার নাম পরিবর্তন করতে চাই! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
দেশে যে ভাবে দিন বদলের পরিবর্তনের হাওয়া লাগছে তাতে আমি ও আমার নাম পরিবর্তন করতাম চাই!!<img src=" style="border:0;" /> দেশে চামচাদের চামচামি দেখে তের নদী সাত সমুদ্রের পারে থেইকা ও নাম নিয়া বড় হাইহুতাসের মইধ্যে আছি<img src=" style="border:0;" /> । বাপ মা'য় যে নাম দিছে তা আর ভালা লাগতেছে না! ছাত্র জীবনে যখন ছাত্রলীগ করতাম তকন পোলাপানে নানা নামে ডাকতো... <img src=" style="border:0;" /> সেই যুগ গত হয়েছে এখন এই মধ্য বয়সে একখান কালো কুর্তা মার্কা নাম নিতে চাই। <img src=" style="border:0;" /> নামের প্রথমে অবশ্যই শেখ অথবা বঙ্গবন্ধু থাকতে হৈবো<img src=" style="border:0;" /> , তয় ভাই বোনেরা আমারে একখান দিন বদলের নাম প্রস্তাব করিয়া আমার এই হাইহুতাসা দূর করুন।<img src=" style="border:0;" />

যেমন<img src=" style="border:0;" />br />
১. শেখ বঙ্গবন্ধু।

২. শেখ কামালউদ্দিন রহমান

৩. শেখ রাসেল রহমান।

৪. শেখ সলিম।

৫. শেখ সাফারি পার্ক

৬. শেখ হাসপাতাল

৭. শেখ সেতু

৮. শেখ স্টেডিয়াম

৯. শেখ সোনার বাংলা।

১০. বঙ্গবন্ধু শেখ ঠাঠারী

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29098660 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29098660 2010-02-16 00:37:57
কিছু বলার নাই!! শুধু শিবির.... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> ! ছাত্রলীগে শিবির, আ.লীগে শিবির /<img src=" style="border:0;" />, মন্ত্রীসভায় শিবির, একটু আগে এক বিম্পি সমর্থকে কইলো হাসিনা ও নাকি শিবির..., সৈয়দ আশ্রাফের বউ নাকি ভারতীয় শিবির থেকে...., শিবির কেম্নে অনুপ্রবেশ করে যদি চেতনা খাঁটি হয়? কেউ কয় শিবির বুদ্ধিমান তাইলে লীগেরা কি আবাল বলদ? শিবির খ্রাপ তারা স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির সমর্থক কিন্ত ব্যবাক ছাত্রলীগ কর্মীরা কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমর্থক? নাকি তারা ভর্তিবানিজ্য, হল দখল,টেন্ডারবাজির সমর্থক...., এটা সত্য যে অন্যের পাছার কাপড় দিয়ে আমাদের চেতনাবাদীরা নিজেদের অপরাধ এবং ব্যর্থা ঢাকতে মরিয়া বর্তমানের জন্য! সবাই কইতাছে শিবির নিষিদ্ধ কর তাইলে কি বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে আর হত্যাকান্ড, হল দখল,টেন্ডারবাজী চলবে না? হাঁ সব ঠিক হয়ে যাবে! তবে আরেকখান শর্ত হইলো ছাত্রদল নিষিদ্ধ করতে হইবে <img src=" style="border:0;" /> এরাও খুপ খ্রাপ। যদি পারা যায় ছাত্র ইউনিয়ন ও নিষিদ্ধ করতে হৈবে<img src=" style="border:0;" /> স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত যত ছাত্র ছাত্রী হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে সবই শিবিরে করছে...

এই কিছু দিন আগেরকার ১/১১ সরকার ও শিবির করতো! এটা কিন্তু আমার কথা না! এই ব্লগেই এই রকম কাহিনী দেখছিলাম। মইন শিবির করতো! আর্মিতে শিবির ঢুকছে এটা কিন্তু আমার কথা না আ.লীগ সমর্থক কূটবিদ ওয়ালিউর রহমানের। এই আইজকা খবরে দেখলাম পুলিশে শিবির ডুকছে। নুর মোহাম্মদের জামাতা বিডিআর বিদ্রোহে নিহিত হেই ও নাকি শিবির করতো! কর্নেল ফারুক কইছিলো বিডিআর বিদ্রোহে ও নাকি জঙ্গি শিবিরে করছিলো! তবে কিছু দিন আগে নেত্রী কইছে বিম্পি করছে। লেদার লিটন শিবির করতো তার বাপে বিএনপি করতো। ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি করতে সরকার বলেছে কিন্তু চালের ভিতরে শিবির অনুপ্রবেশ করেছে। এই ঢাকার এক ভয়ংকর গেরিলা মুক্তিযুদ্ধা বিনা কারনে জেলের ভিতরে পচতেছে কারন তার মাথার মধ্যে শিবির অনুপ্রবেশ করেছে। তার অপরাধ সেই হত্যাকারীর ভাই।

যাই হোক দিন বদলের ভিতরে ও শিবির অনুপ্রবেশ করেছে তবে ভারতীয় বিএসএফ কিন্তু বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে না। শুনলাম ভারতী শিবির বিএসএফের পোশাক পরে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। ভারত-বাংলাদেশের চুক্তির মধ্যে শিবির অনুপ্রবেশ করেছে যারা কারনে জাতীয় সংসদে চুক্তি গুলা উপস্হাপন করা যাচ্ছে না! কারন যদি সংসদটাই শিবির হয়ে যায়! তৌফিক এলাহী শিবির করে না কিন্তু তেল গ্যাসের মধ্যে শিবির অনুপ্রবেশ করে ৫ মিলিয়ন ডলার ইনকাম করছে। না এটা অপবাদ! রটিয়েছে পেট্টোবাংলার অনুপ্রবেশকারী শিবিরেরা।

যাক বাবা সব কিছুর মধ্যে খালি শিবির ডুকতাছে...<img src=" style="border:0;" /> আমার এই লেখার মইধ্যে ও শিবির অনুপ্রবেশ করছে কারন আমার নীতি আর্দশ চেতনা সবই হাওয়া হয়ে গেছে গা। এখন যে দিকেই তাকাই ডানে কি বামে উপরে কি নিচে সব জায়গাই শিবির.....:-* শিব মামারে বাদ দিয়ে শুধু 'র' ডাইল খাইয়া আমি হুশ হারা আমারে ক্ষেমা করেন। কারন শুনছি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোলাপানেরা যে ডাইল খায় তাতে ও নাকি শিবির ডুকছে<img src=" style="border:0;" /> ভয়ানক খপর।

সামুতে ও শিবির অনুপ্রবেশ করছিলো শুনছিলাম... এখন ও কি শিবিরের দখলে আছে?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29095077 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29095077 2010-02-11 02:24:32
চেতনাজীবি সমন্বয়কারীদের সমন্বয়

সবার মনে আছে কি? এর আগে বিডিআর বিদ্রোহের তদন্তকারী সংস্হা সমূহের সমন্বয়কারী কে ছিলো? অবসর প্রাপ্ত কুর্নেল ফারুক। সে সমন্বয়ের নিয়োগ পাইয়া-ই তদন্তের পুর্বে ঘোষনা দিয়েছে বিডিআর বিদ্রোহে জঙ্গি জড়িত!! একই রকমের নিউজ করে ছিলো ভারতীয় মিডিয়া তাদের গোয়ান্দা সংস্হা "র" এর সূত্রানুসারে! যাই হোক সেইটা ইতিহাস হয়ে গেছে। সমন্বয়কারী কুর্নেল ফারুকের সমন্বয়ের পরে ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রকাশ পাইয়াছে যে..
আওয়ামীলীগের স্হানীয় নেতা এবং তার ছেলে লেদার লিটন জড়িত। আর একটু উপরে গেলে কিন্তু শরীর কাঁপবো<img src=" style="border:0;" /> কারন চাচা ভাতিজার( শেখ তাপস আর শেখ সেলিম) সাথে বিডিআর বিদ্রোহীদের অনেক প্রকারের মিটিং হয়েছে..., দাবী দাওয়ার আলু গম নিয়া। যাই হোক মালু আখন্দোর ক্ষমতাই বা কত? তারা কে? আলু গম নিয়া মিটিং করার? রাজনীতিতে তাপোইস্সার নাক চাপলে দুধ বাহির হইবে কিন্তু হেই ও বিডিআর বিদ্রোহীদের সাথে মিটিং করে!! তাও নির্বাচনের পুর্ব থেইকা! আর সেলিমের চুলে চুলে পাপের চিন্হ লাইগা আছে। তার দাবী দাওয়ার আলু গমের গোপন মিটিং একমাত্র শয়তানের কাছে গ্রহন যোগ্যতা পাইতে পারে। যাই হোক যেটা বলার জন্য লেখা.. সমন্বয়কারী নিয়োগ দিয়া জাতী কুর্নেক ফারুক থেইকা কিছু পায় নি তবে আ.লীগ পাইছে অনেক কিছু। কর্নেক ফারুক কে হয়তো আগামী বিএনপি সরকার আইসা বাবরের মতো কোম্বার চেংগিতে দিবো...। ফারুক যে একটা ভারতীয় দালাল তা নিয়া সন্দেহ করা ও ঠিক নয়। হয়তো অনেকেই কইবো ফারুক ক্যা? পুরা মা কালি হইতে পুরোহিত ঢোল বাদক পর্যন্ত দালাল।


এক সমন্বয়কারীর সমন্বয় থেইকা জাতী সঠিক বিডিআর বিদ্রোহের ইতিহাস জান্তে পারছে। জাতি উনার কাছে চির দিনের মতো রিনী হইয়া গেলু<img src=" style="border:0;" />। বাংলাদেশে পরিবারতন্ত্রের ভূত রোগ মনে হয় সহজে চারবো না! এর আগের আ.লীগ সরকারের সময় গো বেচারা ফুপা মোস্তাফিজরে অবসর থেইকা আইনা জিনারেল করে সেনা বাহিনীর প্রুধান করে ছিলো জননেত্রী শেখ হাসিনা। এবার কি করছে? এবার ক্ষমতা পাইয়া শেখ হাসিনা শেখ রেহানার দেবর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জিনারেল শেখ তারেক আহমেদ সিদ্দিকী কে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা বানিয়েছে! যাই হোক হেই সামরিক উপদেষ্টা হইবার পরের মাসেই বিডিআর বিদ্রোহ হইলো। শেখ হাসিনার সাথে সেনা কর্মকর্তাদের মিটিং এ অনেকই তার বিরুদ্ধে কথা বলেছে। এখন মনে হয় তার অপছন্দের সব সেনাকর্মকর্তাদের অপসরন করা হচ্ছে। ভাইয়ের শশুর আব্বা কে বাপ বুলাইয়া ও শেখ হওয়া যাইতেছে! তাইলে ক্যান বিনা কারনে শুধু মাত্র বাপের পরিচয়ের জন্য গোলাম আযমের পুত্র কে তার কর্ম জীবনের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বন্চিত করা যাবে না সেনা বাহিনী থেকে বহিস্কার করে। রাতকানা আন্ধাদের অবশ্য ভালো লেগেছে। যাই হোক তাপস হত্যা চেষ্টায় তাপসের বালে বালুর কণা পর্যন্ত লাগলো না! অথচ শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামী মুক্তিযোদ্ধা ডালিমের ভাই স্বপন কে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। ছোট অবুঝ বাইচ্ছা পর্যন্ত সমন্বয়কারীর সমন্বয়কৃত কমিটিতে হাজিরা দেয়!! মানুষ যখন নিজের ক্রোদ দমনের জন্য হিংস্র হইয়া যায় তখন
এইরাম করে আর কি! যাই হোক প্রতি দিন পত্রিকা খুলার পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার গল্প
এবং বক্তার পরিচয়ের আগে বিশাল টানে বীরররররর মুক্তিযুদ্ধা.... ছন্দ শুনতে পাই! অথচ প্রায় সকল পত্রিকা ডালিমের পরিচয়ে স্বপন কে পরিচিত করলো! ভুইলা গেলো তার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়!! দেশের ব্যাপক সাংবাদিকেরা আবালে বিবর্তীত হইতেছে!! স্বগোত্রীয় কাউ কে দেখলে-ই হাম্বা করে টান মারে। হইবো না ক্যান আবালদের হুজুরে কইছে খুতবায় আব্বার নাম নেয়ার জন্য।যাই হোক শেখ তারেক আহমেদ সিদ্দিকী যেভাবে সমন্বয় করিতেছে তাতে বুঝায় যায় পরিকল্পনার দিন বদল সঠিক পথেই চলতেছে।


সর্বপরি বর্তমান সরকারের সমন্বয়কারী এবং প্রায় সব গুলা উপদেষ্টাই দালাল। দালাল দিয়ে দিন বদল হইতেছে। সেনাবাহিনীকে ভারতপ্রেমী করে বাংলাদেশীদের লিঙ্গের গোড়া বরাবর কাইটা শেকুলার করা হচ্ছে!! এই দায়িত্ব পালনের জন্য শেখ তারেক( তারেক জিয়া না কিন্তু<img src=" style="border:0;" /> ) কে সমন্বয়কারী করা হয়েছে। জননেত্রী তিন দিনের সফরে যাইয়া মনে হয় এবার এশিয়ান হাইওয়ের নাম করে করিডোর,টিফাইমুখ, সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা করার লাইসেন্স সহ বিডিআর বিএসএফের সীমান্ত টহলের ব্যবস্হা করে আসবো। আপনারা আরেকটা বন্ধুত্বপুর্ন দর্জি ভিত্তিক সিকিমের জন্য তৈরি
থাকুন। খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে বহু আগে, ফ্যাক্টিস ম্যাচ ও হয়েছে, এখন ভারত ব্যাটিং করছে শচীন চক্কা মারতেছে! কারন আমাদের শেখ তারেক জয় ভাইরা ম্যাচ পাতাইয়া মাল পানি কামাইতেছে!! অথচ ভাতিজা দুবাই যাইয়া আইএসআই হয়ে ছিলো আইসিসির!!<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু একন সবাই রক্ত সূত্রের "র" যইপা ও দেশ প্রেমিক। অথচ ব্লগে নাকি অন্য বিষয় নিয়া আহত নিহত হইতেছে অনেকে.... ইহা পুরানা খেলা। শাক দিয়া মাছ ঢাকতে নাস্তিকেরা এই সব করে....., আর কেলকেশিন এক বাল এই সব বালছাল সামুতে দিয়া সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করে।

মা কালির চরণে দেশ আর মাথায় মাতাম।
জয় মা কালি কী.......


বিঃদ্রঃ-- এই লেখা হয়তো শেখ তারেক আহমেদ সিদ্দিকী সামুর মাধ্যমে সমন্বয় করিতে পারে<img src=" style="border:0;" />। তাই .............

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29042082 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29042082 2009-11-12 07:37:34
আব্দুল গাফ্ফার চৌঃ কে কি পুরস্কার দেয়া যায়? জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন।


আইজকা সকাল সকাল বিডিনিউজ খুইলাই দেখি আ গা চৌ' মানবতাবাদী হয়ে গেছে! আগা চৌ মানুষের সন্তান ... হইয়া কিভাবে এত মানবাতাবাদী হইলো? আমার সন্দেহ হয়! এর অতীত ইতিহাস বড় ভয়ংকর। এই যে একটা লোভী স্বার্থবাদী ধান্দাবাজ অনেকই তাদের লেখায় প্রকাশ করেছে। একটি বিশেষ ধর্ম কে নিয়ে তার বিদ্বেষী ভাব সে বহুবার প্রমান করেছে। এ হলো যায় একটা পা চা টা প্রাণী। যাই হোক তার জীবনে সে ২১ ফেব্রুয়ারী নামে একটা কবিতা বা গান লেখছে এইটাই তার সম্পদ। এ ছাড়া তার কিছুই নাই। কিছু দিন সে লেখে ভোরের কাগজে তারপরে যুগান্তরে হের পরে প্রথম আলোতে এভাবে একটার পর একটা!! এটা তার স্বাধীনতা কিন্তু ছেড়ে আসা পত্রিকার মালিক এবং সম্পাদকদের নিয়ে তার বিদ্বেষী গেয়ান ডেলে যাওয়ার কারন। বুঝা যায় সে এক জনের ধন সম্পদ নিয়া খুশি নয়! বিভিন্ন জনের ধন সম্পদ সে পাইতে চায়।

সে গত বিশ বছরের ও বঙ্গবন্ধু'র জীবনি লেখার টাইম করে উঠতে পারে নাই। বড় আফসুসের কথা হইলো তারপরে ও সে হাসিনার কদ্মবুসি করে পুরুস্কার ভাগাইতাছে। সবার মনে আছে কি না জানি না কয়েক বছর আগে সে দুনিয়া বাজিয়েছে যে বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে সে মুভি বানাবে সেই মুভির কেন্দ্রীয় চরিত্রে(বঙ্গবন্ধু) বলিউডের অমিতাভ বচ্চন, এবং তার ছেলে অভিনয় করবে। ভালো কথা! দুঃখের বিষয় হলো সেই মুভি এখনো পর্যন্ত জাতি দেখতে পাইলো না! হের উপরে অমিতাভ বচ্চন অস্বীকার করলো যে এমন মুভিতে তার অভিনয় করা নিয়ে কোন কথাই হয় নি!! অথচ সে বাজার বাজিয়েছে! নিশ্চয় কিছু ইনকাম করতে চেয়েছে। না হলে অমিতাভ মিথ্যাবাদী। এমন মিথ্যাবাদী ভন্ড নাকি আবার মেয়ের বয়সের রাধুঁণী লইয়া প্রগতি চর্চা করে! ব্যায়াপক নির্লজ্জ মিথ্যেবাদী মানুষ যদি বঙ্গদেশ কখনো জন্ম নিয়া থাকে তবে সে কিন্তু তালিকার প্রথম দিকে থাকবে।

আ গা চৌ পাকিস্তান বিদ্বেষী। ভালো কথা। কিন্তু ইতিহাস অনুযায় সে বিট্টিশ বিদ্বেষী হওয়ার ও কথা ছিলো। সে এখন থাকে কোথায়? ৭১'র যাদের স্মরণে আছে তারা অবশ্যই পাকিস্তান বিরুধীতা করবে এতে মন্দের কিছু নাই। তবে সাথে সাথে পরম ভারত প্রেম নিশ্চয় বাংলাদেশ প্রেম বুঝায় না? এখন প্রশ্ন হলো পাকিস্তানীরা বাংলাদেশ তথা পুর্ব পাকিস্তান কে কত দিন শাসন করেছে? ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ তার মানে ২৪ বছর?

আগ্গে ঠাকুর আ গা চৌ এখন কও তো বিট্টিশেরা এই দেশ কত বছর শাসন করেছে? নিশ্চয় সে জানে এবং আপনারা সবাই জানেন। ২০০ বছর। কত লুটপাট করেছে? কত মানুষ মেরেছে? আজকের বাংলাদেশ যে ক্ষুদ্র সীমানা নিয়ে বেঁচে আছে বাঙালীত্ব নিয়ে তার পিছনে কে ছিলো? লর্ড জিন্নাহ কি? নাকি লর্ড বেটেন? তোমার পুর্ব পুরুষদের কে যারা ২০০ বছর শাসন করেছে লুটপাট করেছে স্বাধীনতা সূর্য্য ডুবাইয়া দিছে এবং নিখিল বঙ্গ কে ভাগ করেছে তাদের প্রতি তোমার কোন ঘৃণা জাগে না? ক্যাম্নে জাগবো? তোমার মতো আ গা দের কে কুত্তার ভাতা দিয়া পালতেছে? তাহলে মীর জাফর কি দোষ করেছে? অথচ তুমি বাঙালীত্বের গেয়ান দিতেছো লন্ডনে বসে! শুনছি অনেক রাজাকার ও নাকি সেখানে তোমার মতো ভাতা খায়? তাহলে পার্থক্যটা কুতায়? একই পাতিলের খানা তুমি আর রাজাকারে খাইতাছো! আর মানবতার গিয়ান বিতরণ করতাছো মহিউদ্দিনের হয়ে কারনটা কি? সে তোমাকে মুভি বানানোর জন্য টেকা দিয়েছে তাই? দেখো তোমারে অনেকবার লেংটা করা হয়েছে কিন্তু তোমার কোন শরম নাই সেই প্রাণীটার মতো।


এখন তার( আ গা'র) আরো কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাক ..... ২০০৭ সালের আগষ্ট মাসের ২৭ তারিখে নিউ ইয়র্কে উদীচীর সম্মেলন সর্বজান্তা আ গা চৌ আহবান জানিয়েছেন যে " সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই"
Click This Link (সাথে দ্বীপ বালক ভাইয়ের পোষ্ট টি পইড়েন আর কি।) এমন আহবান পাকিস্তানী জারজ অথবা ভারতীয় পালিত কুত্তা ছাড়া কেউ কামনা করতে পারে না। অথচ হের পরে স্বাধীনতা পুরুস্কার টা আ গা চৌ পেয়েছে!! যাই হোক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সশস্ত্র সংগ্রাম তোরাব আলী সেলিমেরা শুরু করার পর জনাব আ গা চৌ কি বলেছে জানেন? কইতাছি তার আগে বিডিআর বিদ্রোহের পর ভারতীয় মিডিয়ার "র" মারফত পাওয়া সংবাদ সমূহ এবং আমাদের কর্নেল ফারুক, আবেদ খান ও সেক্টর কামন্ডারেরা কি বলে ছিলো মনে আছে? জামাত তথা যুদ্ধাপরাধী এবং জঙ্গিরা বিডিআর বিদ্রোহ করেছে! তোরাব আলী, তার ছেলে লেদার লিটন বাংলা ভাইয়ের গেলমান আছিলো? না কি জামাতের শেখ সেলিম, শেখ তাপসেরা তৌহিদের সাথে মিটিং করেছে? যাই হোক সবাই তো সব অনেক কথা বলেছে কিন্তু আ গা চৌ কি বলেছে?

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রোববার গাফফার চৌধুরী বলেন, "খালেদা জিয়া, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠালে এই ষড়যন্ত্রের কথা বের হয়ে যেতো। আসল অপরাধী ধরা যেতো।" তিনি বলেন, "২৫ ফেব্র"য়ারি বিডিআর সদরদপ্তরে যা ঘটেছে তা নতুন ঘটনা নয়। ১৯৫৪ সাল থেকেই এই ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র চলছে।" (ঢাকা, মার্চ ৮ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ২০০৯) কিন্তু ২০০৭ এ সে কেন আহবান জানিয়েছে? ২০০৭ সাল টা কি ১৯৫৪ এর পরে?

১/১১ পরে হাসিনা কে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখন আমাদের সাংবাদিক তাসনীম খলিলের সাথে এক সাক্ষৎকারে জনাব আ গা চৌ বলেছেন ....বাংলাদেশের যে সেনাবাহীনী তা মূলত পাকিস্তানের.... এ রকম কিছু।( সেই সাক্ষৎকারের অডিও লিংকটা খুজতে হবে) যাই হোক অথচ মঈন দীপকের ঘোড়া নিলো ভারত থেইকা! জলিল বলিলো ক্ষমতা লাভের সমঝোতার কথা। এরশাদ বলিলো সেনাবাহিনীর সহযোগিতা ছাড়া মহাজোটের ক্ষমতা পাওয়া কোন দিন সম্ভব ছিলো না! আগা চৌর কথা অনুসারে এখন প্রশ্ন হলো পাকিস্তানের এ দেশীয় সেনাবাহিনীর সাথে হাসিনার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দলের সাথে সমঝোতা হইলো ক্যাম্নে আ. গা চৌ? এখন তুমি বলো যারা পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সাথে ক্ষমতা পাওয়ার জন্য সমঝোতা করে তারা কি রাজাকার?




এখন জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন আ গা চৌ কে আর কি কি পুরুস্কার দেয়া যায়? স্বাধীনতা পুরুস্কার তো বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের আহবান জানিয়ে পাইলো। আর কি কি পুরুস্কার দেয়া যায়? দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের আহবানের জন্য তার কি বিচার হওয়া উচিত?


এই খবরটা পড়েন আজকের খবর.....

আ গা চৌ গতকাল শনিবার বিকেলে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এক স্মরণ সভায় বলেন, "তারা মেয়র মহিউদ্দিনকে তার মরনাপন্ন মেয়েকে দেখতে দেয়নি। তারা মানুষ নয়, নরপশু।' "এর জন্য দায়ী সাবেক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুল মতিন, আনোয়ারুল ইকবালসহ অন্যদের মানবতাবিরোধী কাজের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার করা উচিত। আমি আজকের স্মরণ সভায় কাঁদতে আসিনি, বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি।"



কিন্তু উপরের ছবিটা দেখুন.... সে (আ. গা চৌ ) মানিক মিয়া পুরুস্কার পাইয়া মঈনুলের কথা ভুলে গেছে.... এখন মতিন, ইকবালদের কাছে কত টাকা চায় আ গা চৌ?


তারপরে এই খবরটা পড়েন..... ৫ এপ্রিল ২০০৯ এর খবর।

অমর একুশের রচয়িতা কবি ও প্রখ্যাত সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে গতকাল নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট প্রদান করেন চট্টগ্রামের মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী - যাযাদিন।


বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেছেন, (সরকার গঠন করেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই। আওয়ামী লীগ ইজ ইন অফিস, বাট নট ইন পাওয়ার) ক্ষমতা রয়েছে সামরিক বাহিনী, পুলিশ, বিডিআর, আমলা ও মৌলবাদীদের হাতে। দেশ এখন গভীর সঙ্কটে। এ সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য শেখ হাসিনাকে শত্রু-মিত্র চিনতে হবে। সংগ্রামের সঙ্গী বাছাই করে নিতে হবে। গতকাল নগরীর লালদীঘি ময়দানে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ, প্রফেসর গাজী সালেহউদ্দিন, কবি আসাদ চৌধুরী, প্রফেসর শাহ আলম, আফরোজা কালাম প্রমুখ। ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানার নৃশংস হত্যাকা-ের ব্যাপারে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, গৃহযুদ্ধ বাঁধানোর উদ্দেশ্যে পিলখানা হত্যাকা- ঘটানো হয়। এ উদ্দেশ্য সফল হলে দেশে স্বৈরতন্ত্র কায়েম হতো। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতৃপ্রদত্ত সাহস দিয়ে সঙ্কট মোকাবেলা করেছেন। সভায় সিটি মেয়র বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মুভি তৈরি করার জন্য আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী রচনার যাবতীয় খরচ বহন করার এবং চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনের রাস্তাটির নাম আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সড়ক করার ঘোষণা দেন।


২০০৭ সালের গৃহযুদ্ধের আহবান কিভাবে ২০০৯ এ ঘটলো? এখন আ গা চৌ কে কি রিমান্ডে নিয়া জিগ্গেস করা হবে? জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন? মেয়র মহিউদ্দন নিশ্চয় তার আব্বার সম্পত্তি দিয়া আ গা চৌ খুশি করে নাই। শুধু সুযোগ করে দিয়েছে। কোন নীতিমালায়? আ গা চৌ তা কিভাবে ভুলে যাবে? তবে সে ভুলে যাবে মহিউদ্দিন থেকে টাকা পাওয়া বন্ধ হওয়া মাত্র। যাক সে যে হেতু টাকা খেয়ে আবেগী হয়ে কবিতা আউলাইছে আমি কেন আউলাইতে পারুম না?



আমি ও পোষ্টাইতে আসি নাই আ গা চৌর বিচার চাইতে আসিয়াছি কারন সে বিডিআর বিদ্রোহের ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত। আবদুল মতিন, ইকবালদের বিচার হোক বা হবে কিন্তু আ গা চৌ'র কি হবে? জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29027652 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29027652 2009-10-18 01:29:57
দেশের স্বার্থঃ- এশিয়ান হাইওয়ে এবং জননেত্রীর জুজু'তে ভয় না পাওয়ার কারন। চেষ্টা করলমা আর কি....


আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এশিয়ান হাইওয়ে নিয়ে সংসদে বলেছেন..

"প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে বাংলাদেশ হয়ে আবার ভারতীয় ভূখণ্ডে যাবে বলে স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ অংশে মহাসড়কের নিয়ন্ত্রণ ঢাকার হাতেই থাকবে।"(ঢাকা, সেপ্টেম্বর ০৯ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

কি এমন আশ্বাসের নমুনা! বাংলাদেশের অংশ বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না তো কি জাপানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে? অথচ দেশের স্বার্থ নিয়ন্ত্রণের চিন্তা নাই!! জুজু'র ভয় কেন বাংলাদেশ পাবে না? তেমন আচরণ কি ভারত স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত করে নি? যে ভারত তাদের নিরাপত্তার জুজু'র ভয় দেখিয়ে দুই ক্ষুদ্র প্রতিবেশী নেপাল-বাংলাদেশ কে ৪০ কিলোমিটারের ট্রানজিট দেয় নি আজ পর্যন্ত।

যে এশিয়ান হাইওয়ে দিয়ে ইউরোপ আমেরিকার স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে সেই হাইওয়ে দিয়ে পাশের দেশ বার্মা যেতে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার পথ ফাড়ি দিতে হবে! এমন কি সরাসরি নেপালের সাথে কোন রুট পর্যন্ত নাই! বর্তমান সরকারের প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে রুট দিয়ে শুধু ভারত-ই সব চেয়ে উপকৃত হবে। যা তাদের দ্বীর্ঘ দিনের দাবী। ট্রানজিট। এই গত কেয়ার টেকার সরকারের সময় পিনাক বাবু জোর গলায় বলেছে.. যত দিন ভারত ট্রানজিট না পায় তত দিন দাবী করে যাবে! অথচ আমাদের শেখ হাসিনায় বলছে এশিয়ান হাইওয়ে হচ্ছে ট্রানজিট হচ্ছে না!! অন্তত হাসিনার উচিত না দেশের মানুষ কে দিন কানা ভাবা। বাংলাদেশ কেন নিজের স্বার্থ না দেখে শুধু মাত্র ভারত নির্ভরতায় থাকবে?? এশিয়ান হাইওয়ের নমুনা পড়ুন এখানে( Click This Link ) সাথে জ্বিন ভাইয়ের মন্তব্য গুলাও পইরেন আরকি।


দেশের স্বার্থ জড়িত এই এশিয়ান হাইওয়ে নিয়ে ব্লগে কেন? কোন লেখা লেখি নাই!! আ.লীগ রাজপথে, মিড়িয়া জগত অন্য ইস্যুতে জটবদ্ধ করে রেখেছে? আরে করবে না কেন? স্বয়ং মন্ত্রী আবুল হোসেন মিথ্যাচার করে যাচ্ছে!! এই খানে...( Click This Link )

আমাদের এই সামু পর্যন্ত পুঁজিবাদের পাচাটা অবাক দের দিয়ে অন্য ইস্যু খাওয়াচ্ছে ধর্ম নিয়ে সুরসুরি দিচ্ছে আর এশিয়ান হাইওয়ে, টিপাইমুখ বাঁধ, তেল গ্যাস চুক্তি,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ডুবিয়ে দিচ্ছে?? অপ বাক উরপে রাসেল (.. ..) কিন্তু টিপাইমুখ বাঁধের ভক্ত। নাস্তিক প্রগতিশীলতার ভাব ধরলে কি হবে সে কিন্তু ল্যামপোষ্টের বিরুদ্ধে বলেছে যা বলার। এই কিছু দিন আগে যে সব ব্লগার তেল গ্যাস চুক্তি নিয়ে এক সাথে প্রতিবাদ করেছে দল মত নির্বিশেষে আজ তারা-ই অন্য আরেক জনের আস্তিক - নাস্তিক ইস্যুতে ডুবে যাচ্ছে!!! আর স্বার্থ পন্হিরা আস্তিক নাস্তিক উভয় দেশ প্রেমিকদের চক্কর খাওয়াচ্ছে/<img src=" style="border:0;" /> বা তারা খাচ্ছে! আস্তিক নাস্তিকের হাইওয়েতে দেশের স্বার্থ উষ্ঠা খাচ্ছে..... আমাদের কবির চৌধুরী অবশ্য এই কিছু দিন আগে বিবৃতি দিয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতারের জন্য!! তাহলে বাবা আদলতের কি প্রয়োজন? আমি ঐ কুলাংগাদের সমর্থন করছি না। শুধু আইনের কথা বলছি। অথচ এই কবির চৌধুরীরা তেল গ্যাস, টিপাইমুখ নিয়ে একটা বিবৃতি ও দেয় নি!! ভাবতে অবাক লাগে তাদের প্রগতি কি শুধু হাসিনার জন্য কাজ করে?

আগে যে সব ব্লগার রাত দিন পোষ্টের পর পোষ্ট দিতো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে তারা এখন নিরব<img src=" style="border:0;" /> । অথচ সামু'র স্বনাম ধন্য এক ব্লগার বিডিআর বিদ্রোহের দিন ২৫ তারিখে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে পোষ্ট দিয়ে ছিলো!! কয়েক জন ব্লগারের অনুরোধে সেই লেখা ৪/৫ দিন স্টিকি ছিলো!!! দেশের তখনকার পরিস্হিতি এবং সামু'র মড়ুদের উপলদ্ধি দেখে শুধু অবাক হই নি! ভেবেছি দুনিয়া সত্যেই নানা পন্হার তেলের জায়গা।
বা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার জায়গা। অথচ তখন স্বয়ং শেখ হাসিনা পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়া ভাবছে কি না তা গবেষণা করে দেখা লাগবো!! এখন সেই ব্লগারদের খুজে পাওয়া যায় না<img src=" style="border:0;" />


যাই হোক যে বিষয়ে বলার জন্য লেখা...

আমাদের বামপন্হিরা টিপাইমুখ বাঁধ, দেশের স্বার্থ বিরুধী তেল গ্যাস চুক্তি নিয়ে সরব, রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর নিয়ে নিরব!? কেন? কথিত বঙদেশের মধ্য দিয়ে যাইবে এমন কাগুজে আন্তঃ মহাদেশী সড়ক যে সাত রাজ্যের চিপা গলিতে জান্নাতুল রামরাজ্য খুজবে চীন থাইল্যান্ড নেপাল বাদে। তাতে যে বঙদেশের ভবিষৎতের বারোটা বাজবে সে চিন্তাটা কি করা উচিত না বামপন্হিদের? আবার পত্রিকায় সিপিবির বিবৃতি পড়েছিলাম যে তারা এশিয়ান হাইওয়ের ব্যাপারে একমত। কিন্তু হাইওয়েটা যে চিপারাজ্য দিয়া হইতেছে তা মনে হয় তাদের অজানা!! নাকি জেনে বুঝে পুঁজিবাদের স্বার্থ হাসিলে একমত?

আবার শুধু তেল গ্যাস চুক্তি বাদে টিপাইমুখ বাঁধ এবং এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর নিয়ে জাতীয়তাবাদী ইসলামীরা শরগোল করছে মিড়িয়াতে দেলওয়ার রাজপথে কেউ নাই!? বিএনপির ঈমান এখন শক্ত আছে কি না বুঝতে পারতেছি না তবে "মাটির নিচে তেল গ্যাস রেখে কি লাভ"? এ রকম পুঁজিবাদের সেবা করার হাই হুতাসের পরে ও যে ক্ষমতার কেন্দ্র ধরে রাখা যায় নি! কারনটা কি? এখানে একবার না পারিলে দেখ শতবারের প্রবাদ বাক্যতে ভিজে না পুঁজিবাদের তৃষ্ণা। তাই এক দল না পারিলে শত দলের জন্ম দাও তবু কাল ক্ষেপন করা যাবে না। আ.লীগ নীতিতে অটল থাকলে জনগনো মন পার্টি নামের হাজার খানেক না হোক ১০/১২ দল ক্ষমতার রস খেতে চেষ্টা করিতো।

যে শেখ হাসিনা গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খোদ ক্লিনটনের সামনে দাঁড়িয়ে ৫০ বছরের রিজার্ভের কথা বলেছে দেশের জ্বালানী নিরাপত্তার জন্য। অথচ সেই শেখ হাসিনা ২০০৯ এ কিভাবে প্রায় ১০ বছরের ব্যবধানে "জ্বালানী নিরাপত্তার" সেই ৫০ বছরী থিউরী খাইয়া পালাই ও<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> তার উপরে চেতনার ব্যাপারী আ.লীগেরা সব ইস্যুতেই নিরব রাজপথে কি ব্লগে!! রাজপথে না হয় হাসিনার ভয় আছে কিন্তু ব্লগে কিসের ভয়? নাকি চাটার অভ্যাসের আর্চুয়াল ভার্চুয়াল বলে কোন সীমানা নাই? হাসিনা কে কি যাদুতে মনমোহনের ভারত দিওয়াওনা মাস্তানা করিলো যে.. আ.লীগের মন্ত্রী এমপি গৃহপালিত গরুমাথার বুদ্ধিজীবিরা পর্যন্ত >

টিপাইমুখ বাঁধের মধ্যে ডিজিটাল উন্নতি খুজে পায়!! কারন ষাটের দশকে নির্মিত ফারাক্কা এনালগ পদ্ধতির ছিলো!

সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সাথে মিউ মিউ আপোষ রফার দীপা-আলোর ভ্রমন চলে! প্রতিবাদের ভাষা যেন মোদের বন্ধুত্বের জিব কাঁটে। কি যে বলো! কিন্তু বার্মার সাথে আপোষ রফার কোন চেষ্টায় চালানো যাবে না!! ব্লগার ভাইরা কি মনে করেন বাংলাদেশ বার্মার সাথে যুদ্ধ করে সমুদ্রসীমানা আদায় করবো? মিছা কথা শুধু শুধু সুরসুরি দেয়ার জন্য কক্সবাজার বিমান বন্দর কে হাইলাইটস করা হচ্ছে। কারন তাতে এশিয়ান হাইোওয়ের লিংক না জানি সে দিক দিয়ে করা লাগে। আবার আমেরিকা ভারত জোটের দিলে যেন চোট না লাগে! ভারত বার্মার ভালোবাসা গনতন্ত্র আর জান্তার মৈত্রী। হাসিনা মনমোহন মৈত্রী শুধু আসন দেয়ার বিনিময়ে নাজরানা নেয়া। ঐ দিকে আমাদের নৌ পরিবহন মন্ত্রী খুলনায় ঘোষনা দিয়েছে যে সোনাদিয়াই গভীর সমুদ্র বন্দর হলে তাতে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে!! এইটা কি জুজু না? কারণ বার্মা! যার কারণে তিনি মনে করেন খুলনার আকরাম পয়েন্টে করলে ভালো হয়!! নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করা লাগবে না! শুধু ঐ মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন ভারত গত জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সীমান্তে কত জন বাংলাদেশী কে হত্যা করেছে আর বার্মা কত জন বাংলাদেশী কে হত্যা করেছে??

শুধু শুধু বার্মার সাথে রেষারেষি করে এই বাংলাদেশের সুদূর প্রসারী কোন লাভ হবে না!! হাঁ লাভ যা হবে তা পুঁজিবাদের নব্য দুই রাক্ষোস আমেরিকা আর ভারতের হবে। আমেরিকান কোম্পানী বাংলাদেশের তেল গ্যাস নিবে আর ভারত এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর, টিপাইমুখ বাঁধ, সহ অন্যান ভারতীয় স্বার্থ আদায় করবে। ফাঁকে বার্মিজ চিপা বাশে বাংলাদেশীরা আস্তিক- নাস্তিক তত্ত্ব খুজবে!! অথচ সেক্যুলারের মুখোশে লুকিয়ে থাকা বর্ণচোরারা ঠিকই ইউরোপ আমেরিকায় আশ্রয় নিবে!

হয়তো কেউ জুজু'র ভয়ে আক্রন্তের কথা বলবেন। ভাইয়েরা দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে এশিয়ান হাইওয়ের মুলনীতি সিটি টু সিটি বাধ দিয়ে এবং কোন রকমের চেষ্টা না করে কেন আপায় ইউরোপ আমেরিকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে?? চুক্তি করতে কেন তারা মরিয়া? অথচ এখনো পর্যন্ত অনেক দেশ চুক্তি করে নি! তা ছাড়া শেখ হাসিনার সব কিছুর কেন্দ্র বিন্দু যে সংসদ সেই সংসদে কেন কোন আলোচনা হচ্ছে না? এশিয়ান হাইওয়ে নিয়ে?? শুধু হাতে গোনা দশজন স্হায়ী কমিটির এমপির মাধ্যমে শেখ মুজিবের সুপারিশে কি দিন বদল বুঝায় ? নাকি নাকে খত দেয়ার ডিজিটাল যুগ বুঝায়? এমপি শেখ মুজিবের যুক্তি এইখানে( Click This Link ) কোন এক কালে ঐ দেশের বুদ্ধিজীবি মানুষ গুলো এই রকম ছিলো( Click This Link )

সব শেষের শেষে আমার ব্লগের ব্লগার বাউলের পোষ্টে করা জ্বিনের বাদশা ভাইয়ের মন্তব্য দিয়ে শেষ করবার চাই....

জ্বিনের বাদশা ১৭ জুন ২০০৯ ১২:৪৮ অপরাহ্ন 40

আপনার সাথে প্রায় সবসময়েই আমার মত মিলে তবে এই পোস্টে বেশ কিছু দ্বিমত হয়ে গেলো … ভারতবিরোধিতার যে ধুয়া সেটার সাথে একমত, তবে সরকার এরকম বেকুবের মতো সিদ্ধান্ত কেনো নিচ্ছে তা মাথায় ঢুকছেনা

প্রথমতঃ বাংলাদেশ যে তিনটা গেটওয়ে পাইলো তার মধ্যে উত্তর-পশ্চিমে বাংলাবান্ধা, দক্ষিণ পশ্চিমে বেনাপোল — এই দুটা ঠিক আছে, কিন্তু এই দুই পথে বাংলাদেশ ভারত ছাড়া আর কারো সাথে বাণিজ্য করে? অলমোস্ট করেনা। এই পথগুলো দিয়ে যাওয়া যাবে পাকিস্তান, আফগান, ইরান — যেসব জায়গার সাথে ভারতের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য চালানো রাজনৈতিক কারণেই প্রায় অসম্ভব … দুদিন পরপরই যদি আপনার গাড়ী জঙ্গীসন্দেহে আটক হয়, ব্যবসা চলবেনা … কাজেই, এক নেপাল ছাড়া ঐ দুই গেটওয়ে আমাদের বাড়তি কোন সুবিধা দিবেনা … স্থলপথে আমাদের মূল বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা পূর্বে … থাইল্যান্ড, চীন, মালয়শিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান … আরো কত!!! … আমাদের একটা ভালো গেটওয়ে দরকার পূর্বে … অথচ আমরা পাচ্ছি “তামাবিল!” এই পথে কোন বাণিজ্য হয় কেউ শুনছে? বলেন? এই তামাবিল দিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্সে যাওয়া ছাড়া আর কোন কাজ আসলে কোনদিন হবে? তামাবিল হয়ে বার্মায় ঢুকতে ভারতের দূর্গম পাহাড়ী অঞ্চল ক্রস করতে হবে, সেখানে টোল দাও, তারপর বার্মা সীমান্ত থেকে মান্দালয় পর্যন্ত আসতেও খালি পাহাড় আর পাহাড় …দেখা যাবে যে এর চেয়ে জলপথে রেঙ্গুন হয়ে ব্যাংকক যাওয়া বেটার! যত যাই বলেন, পূর্বদিকে আমাদের মাস্ট দরকার ছিলো দক্ষিণ দিক (মে বি টেকনাফ) হয়ে বার্মায় ঢুকে মান্দালায়ের সাথে যুক্ত হওয়া … এটা নিয়ে বিএনপি সরকার অনেক নেগোসিয়েশন করছে কিন্তু মিয়ানমার রাজী না হওয়াতে তারা সফল না হইলেও দেখা যাচ্ছে (Click This Link) যে ২০০৮ এর অক্টোবরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে মিয়ানমারের আলোচনা অনেকটা পজিটিভ ছিলো। সেই আলোচনার জের ধরে বর্তমান সরকারের মাস্ট উচিত ছিলো টেকনাফ টু মান্দালয় রাস্তাকে যাতে মিয়ানমার এশিয়ান হাইওয়েতে এ্যাপ্রুভ করে সেটা নিয়ে কূটনীতি করা। তারপর সাইন করো। এশিয়ান হাইওয়ের সাইন তো যখন ইচ্ছা করা যায় বলে মনে হচ্ছে। সম্ভবতঃ ৮ টা দেশ বাকী আছে সাইন করার, এরা সবাই সাইন না করলে এই হাইওয়ে কার্যকরও হবেনা। আমার আপত্তি হলো লক্ষণ ভালো থাকা সত্ত্বেও বার্মার সাথে যথাযথ নেগোসিয়েশন না করে এত তাড়াহুড়োর দরকার কি ছিলো সরকারের? এত তাড়াহুড়ো করাতে কিন্তু ভারতেরও কোন লাভ হবেনা, কারণ এশিয়ান হাইওয়ে এ্যাক্টিভেট হতে এখনও অনেক দেরী, সরকার সময় নিতে পারতো। এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটা তথ্য হলো মিয়ানমারের সাথে নেগোসিয়েশনে বাংলাদেশের চীনকে দরকার হয়েছিলো। সেখানেই যে প্রশ্নটা এড়ানো যায়না তা হলো, বর্তমান সরকার কি শুধুই ভারতীয়-অক্ষকে খুশী করার জন্য, মানে দেখানোর জন্য যে আমরা চীনের ব্লক না, তোমাদের ব্লকে আছি, সেজন্যই কি এই দ্রুত পদক্ষেপটি নিলো?


***জ্বিনের বাদশা জুন ১৭th, ২০০৯ ২:৩২ অপরাহ্ন

@আশিক,
এএইচ ৪১ এর ব্যাপারটা বলি … বাংলাদেশের অরিজিনাল প্রস্তাব ছিলো এএইচ৪১ মংলা–ঢাকা–চট্টগ্রাম হয়ে বার্মায় ঢুকবে … সেই রুট বার্মায় মান্দালয়ের সাথে মিলে দক্ষিণে রেঙ্গুন হয়ে থাইল্যান্ডে যাবে … সেটা নিয়ে বাংলাদেশ আর মিয়ানমারের নেগোসিয়েশন চলছিলো, এবং নিচের লিংকে জানা যায় যে মিয়ানমার আর চীন বেশ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিলো Click This Link কিন্তু এখন সেই এএইচ ৪১ কে মডিফাই করে মংলা থেকে শুরু করিয়ে চিটাগাংয়ে নিয়ে মিয়ানমার সীমান্তে শেষ করে দিয়ে যে প্ল্যানটা প্রপোজ করা হচ্ছে, সেই এএইচ৪১ দিয়ে কি হবে? কিছুই হবেনা? … এই রুটতো পুরোটাই বাংলাদেশের ভেতরে!!!! সেটার আবার এশিয়ান হাইওয়ে হবার দরকার কি? এর উপযোগিতা একটাই, তা হলো বিদেশী যানবাহন শুধু এএইচ ১/২ না, এএইচ৪১ দিয়েও চলতে পারবে, মানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যাতে সরাসরি ভারতীয় গাড়ী মালামাল ডাউনলোড করতে পারে সে ব্যবস্থাটা হলো … অথচ বাংলাদেশ এখানে একটা ভালো ব্যবসা করতে পারতো!!!


ভারতের বন্ধুত্বের নমুনার কিছু এখানে( Click This Link ) এবং ঐখানে দেখতে পারেন জুজুর কারন কত প্রকার ও কি কি( Click This Link )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29007862 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/29007862 2009-09-10 05:54:03
পরিবারতন্ত্রের হালচাষ। >>( ১)এটা বানাইতে যে টাকা লাগছে তার বিন্দু পরিমান অংশ মনে অয় নিচের ছবির(২) মানুষটির ও আছে। কবরের ভিতরের মানুষ এবং এই মানুষটির পার্থক্য?





>> জাতির সব স্বপ্ন নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের দেশে কিন্তু দালানের মাজারের টাকার কিছু অংশ মনে অয় উপরের(২) ছবির মানুষটির ও আছে। জয় বাংলা....


কবর পূজা বা মাজার পূজা, পীর পূজা বা নেতা পূজা, দল পূজা।

পূজার কোন শেষ নাই<img src=" style="border:0;" /> ! এত পূজার মইধ্যে ও পরিবারতন্ত্রের পূজায় বাংলাদেশের মানুষ মহামারী ভাবে আক্রান্ত<img src=" style="border:0;" /> । শুধু একটা প্রশ্ন মাথার মইধ্যে ঘুরে<img src=" style="border:0;" /> বঙ্গবন্ধু বা জিয়াউর রহমান কি মৃত্যুর আগে ভক্তকূল কে তাহার প্রতি এবং তাহার পরিবারের প্রতি পূজা দিতে বলিয়া গিয়াছে? তবু তারা আমাদের রাম, কৃষ্ণ হয়ে গেছে<img src=" style="border:0;" /> । শুধু তারা রাম কৃষ্ণ হইলে তো বাঁচা যেত কিন্তু বংশ ক্রমের চানাপোনারা ও যে স্বরসতী, রাধা হয়ে গেছে<img src=" style="border:0;" /> । জানি দেশের নিম্ন পর্যায় থেকে মধ্য, উচ্চ পর্যায়ের এই বিশাল মনুষ্য প্রানীকূলের চিকিৎসা অসম্ভব ব্যাপার<img src=" style="border:0;" />। সেইকাল থেকে আজ পর্যন্ত কোন বাংলাদেশী এই রোগের কোন টিকা আবিস্কার করতে পারে নাই<img src=" style="border:0;" /> । কত মতের কত ল্যাব অথচ আবিস্কার শুন্য<img src=" style="border:0;" /> । আবিস্কারের চেষ্টা হয়তো হয়েছে তবে দেবীদের পদ লেহনকারী সুশীলতার আড়ালে স্বার্থ চিন্তাকারী বুদ্ধিখোর অতি নিশি জেগে পূজাকারীরা দিনের আলোয় সত্য কে লুকিয়েছে এবং লুকিয়ে যাচ্ছে! তাতে যদি দেবীদের পরশে কিছু পাওয়া যায়। অনেক চুনোপুটি এমন লীলা খেলার পরশ পাইলো যে রাতারাতি রুই কাতল বোয়াল হয়ে গেলো<img src=(" style="border:0;" /> । আমার কথা গুলা অতি পূজা বিদ্বেষী
হইবার কোন কারন নাই! কারণ আমার জিল্লু কাহায় কইচে ওনার দেবী কোন ভুল করতে পারে না।(পা চাটতে দে দেবী..)তাহলে আমি কিভাবে বিদ্বেষী হইলাম?? অথবা রাধার ঘুমে যে গনতন্ত্র নামের পরিবারতন্ত্রের অদল বদলে নয় ছয় হলো। সে ভুল কি রাধা পূজাকারীর দেবরেরা আজ পর্যন্ত স্বীকার করেছে? তাহলে দোষ কার? মইনের। কিন্তু জমি চাষ করেছে কে? দুই বলদ দেবী নয় কি?

>> কে বাঁশি বাঁজাবে?




যাই হোক আসল কথায় আসি "গনতন্ত্র" নামের শব্দটারে নিয়া এত কথা শুনেছি বা এখনো শুনি গত দুই বছর এবং ৯০য়ের সময়। আসলে কি এই দেশের মানুষ গনতন্ত্র নামের শব্দটার অর্থ বুঝে? হাঁ বুঝে ৫ বছর পর পর ভোট দিয়া আসে পরিবারতন্ত্রের বাক্সে।<img src=" style="border:0;" /> তারপর দেবীরা বুঝায় গনতন্ত্র কেমন ও কত প্রকার। বঙদেশের দেবীদের বিনোদন গুলা মাঝে মাঝে আমারে বড়ই আনন্দ দেয় তবে টিভি বা ফিল্ম না! এই যেমন গনতন্ত্রের মানস কন্যা! কন্যাটা হয়েছে কিন্তু অগনতান্ত্রিক পন্হার গর্ভ থেকে। ডটার অব পিচ<img src=" style="border:0;" /> প্রয়োজনে মাস বছর হরতাল দেয়া হবে।<img src=" style="border:0;" /> শুধু ভাবি বার্মার সূ চি কেন এই রকম হরতাল দেয় না? সে কেন ডটার অব পিচ পায় না? জননেত্রী। অথচ নেত্রী খাচার মধ্যে বসে ভাষন দেয়!


>> রাজ পরিবারের আর্শীবাদ।

দেশ নেত্রী। যে দেশের চিন্তা না করে কোকো রহমানের চিন্তা করে। ভাগ্য ভালো যে উনি এখন ও কোন ডক্টরেট পায় নাই। আশাকরি পাইবো লেহনকারীর অভাব নাই।

আব্দুল জলিলের অনেক সমালোচানা হয়েছে, আমি ও করেছি এ ব্লগে। তবে তার প্রতি গনতন্ত্রের নামে অগতান্ত্রিক অবিচার করা হয়েছে। এক পত্র লেখিয়া আব্দুল জলিল আ.লীগের জন্য তার শত ট্রাম্পকার্ডের অর্জন ধুলোয় মিশিয়ে দিলো? শত কিছুর পরে ও সে একজন মুক্তিযোদ্ধা। এই দেশের জন্য তার বিন্দু পরিমান অবদান হলে ও আছে। জানি সেই বিন্দু হাজার ভুল রাজনীতির ছায়ায় ঢাকা পড়েছে। কিন্তু প্রশ্ন ট্রাম্পকার্ডের সূত্র কোন দেবী তাকে দিয়েছ? পরিবারতন্ত্র তুমি সত্যেই মহান। কি বিচিত্র যৌবনে যে পদ্মাতে গর্জন হতো আজ এই কাল বেলায় ধোলাই খালের মেশিন চোরের গলায় সে গর্জন!! আব্দুল জলিল পত্র লেখার ট্রাম্পকার্ডে পরাজিত কিন্তু শেখ সেলিম সারা পৃথিবীতে রেকর্ড বাজিয়ে পুরস্কিত হইলো!!! "শেখ" দিয়ে শুরু বলে কথা। পরিবারতন্ত্র মেশিনে যা বানায় তাতে রক্ত থাকে। আমু, তোফায়েল, রাজ্জাকতে কি আসে যায়? যদি স্বয়ং দেবী উহাদের চেয়ে উত্তম হইতেন। পরিবারতন্ত্র বলে কথা। যে কার্ডে জলিল ব্যর্থ হইয়া দু' পা কবরে দিয়া ক্রদনরত সেই কার্ডের শেষ খেলা খেলিয়া আশরাফ আজ সফল। জয় দেবী কী..। কিন্তু না উহাতে ও পরিবারতন্ত্র আছে। অগনতান্ত্রিক ভাবে সিলেক্ট সাধারণ সম্পাদক হইয়া সিনিয়র কাদেরের স্বপ্নে বাঁশি বাজিয়ে দিলো। অথচ এই কাদের ও কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধ। সকল জাগায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পদ ভাগাভাগির কারবার যোগ্যতায় কি আসে যায়? তবে তার যোগ্যতা কি কম?

যাগ্গে পরিবারতন্ত্র নিয়া অনেক মন্ত্র পাঠ করলাম। জানি ফলাফল সেই শুন্য সংস্কারবাদ।
সংস্কারবাদী আতন্কে অনেক হৃদ রোগী আজ দিশেহারা! দুই দেবীর দরবারেই সংস্কারবাদীদের লিংগ সংস্কার করা হচ্ছে। এই যে সংস্কারের পন্হা এটা গনতান্ত্রিক? নেত্রী বিরুদ্ধীতা করা কি দল বিরুদ্ধীতা? যেখানে বিরুদ্ধীতা নাই সেখানে গনতন্ত্র নামের আজব জিনিষটা বাস করে কিভাবে? ঐ যে পরিবারতন্ত্র ভিক্টোরীয় দুই দল বিশিষ্ট রাজতন্ত্র। বাঙালীরা যেমন ছিলো তেমনই থাকতে চায় উন্নতি বা অর্জনের চেয়ে যতটুকু সম্ভব নীচুতে বাস করতে ভালোবাসে। তারা নিজেরা নায়ক হতে চায় না। স্বপ্ন দেখে না! দেবীদের স্বপ্নে নিশি জাগে! তবে নানা স্হানের কাহিনীতে পোষা নায়ক নায়িকাদের স্বপ্নের দিন বদলের নির্মিত ইশেতাহারের রুপ কথা শুনে পন্চো বছর পর পর হায় মাতাম তোলে....., সেই পরিবার।

যাই হোক আল্লাহ না করুক। হায়াত মোত উপর ওয়ালার কাছে। আজ না হোক কাল অথবা ৫ বছর না হোক ১০ বছর পরে কিন্তু ঠিকই এই দুই দেবী পরপারে যাইবেন। সেখানে অবশ্য পরিবারতন্ত্র বলে কিছু নাই/<img src=" style="border:0;" /> । দুই দেবী রাস্তা ক্লিয়ার করবেন আশাকরি জেন্দা অবস্হায়। তবে প্রশ্ন হলো পরিবারতন্ত্রের হালচাষের রাজা রাণী কে হবে? এক রাণী, এক রাজা? নাকি দুই এ হবে রাজা? তারা যোগ্যতার কারনেই রাজা রাণী হবে। আর পরিবারহীন জাতির এতিম সন্তানেরা বাপ রাজা না থাকার শোক পুষে লেহন করবে আজন্ম। সেই পরিবারতন্ত্রে.......,

জয় হোক তোমাদের।

আমাদের বুদ্ধিখোর টকশোওয়ালা অতি লেহনেরকারীদের ভেজা ভেজা একটা বাণীর মর্ম কথা দিয়ে শেষ করি....<img src=" style="border:0;" />

"দেশের গনতন্ত্রের জন্য পরিবারতন্ত্রের দরকার আছে। এই দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার পিছনে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার অবদান কেউ অস্বীকার করতে পারবে না!" <img src=" style="border:0;" /> দেবীর পা চাটাতে স্বর্গ মিলে...

কস কি রে (অ)মমিনের দলেরা ? আমি যে গনতন্ত্র দেখি নি<img src=" style="border:0;" /> দেখেছি পাঁচ বছর পর শেখ'ময় আর জিয়া'ময়ের লেহন <img src=" style="border:0;" /> ,ধ্বনি শুনেছি পাঠা কন্ঠের ভ্যাঁ..<img src=" style="border:0;" /> ।

>> এই জায়গাটার মালিক আমরা(জনগণ)। এই দুই ম্যুরাল বানাইতে যে টাকা লাগছে তা আমাদের। ভাঙতে যে টাকা লাগতেছে তা আমাদের। খেলা তাদের....


সব কিছুর পরে এইটাই সত্য যে আমরা সেই কালে আবার ফিরে যাবো......
যেভাবে ঢেকে যাচ্ছে প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রয়োজনীয় আবেগে বর্তমান। সব চেয়ে সুখের বিষয় "শেখ" পরিবার লেহন শেষে আজ আমাদের রমেশ, ফারুক, দীপু, আবুল হোসেন, এমপি শেখ মুজিবুর রহমান, রাজ্জাক, এবং উপদেষ্টারা আন্তর্জাতিক লেহনে ও মন দিয়েছে তাতে দুই কাজ এক সাথে হচ্ছে। টিপাই আর করিডোর।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28993973 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28993973 2009-08-15 03:30:35
মিয়ানমার(বার্মা) পরমাণু বোমা বানাইতাছে আর আমাদের পরমাণু বিদুৎতের কোন খবর নাই!! " style="border:0;" /> । পরমাণু বিদুৎ কি জাতি পাইবে? না পাইলে শুধু শুধু ৫ বছর পর পর কেন সুরসুরি দেন?? আবার আম্নেরা দিনে দিনে ভুইলা যান<img src=" style="border:0;" />
সরকার যায় না! সরকার সব সময় থাকে শুধু হাসিনা খালেদা যায় আর আসে<img src=" style="border:0;" /> । হাজার সমীক্ষার হাজার কোটি টাকা হাওয়া মিলা যায়<img src=" style="border:0;" /> ! সেটা হাওয়ার ষড়যন্ত্র। জনগণের টাকা মাইরা খাইয়া জননেতা নেত্রী!! কেউ কিছু কইতে পারবো না!!<img src=(" style="border:0;" />
মামলা তো দূরের কথা। কারন আমাদের নেত্রীরা ফেরেস্তাকূলের মনুষ্য প্রজাতির মাত্র দুই খান সেম্পল।


যাই হোক ডটার অব পিচ জননেত্রী হাসিনা আমরা কি দিন বদলের এই জামানায় পরমাণু বিদুৎ পামু?<img src=" style="border:0;" /> নাকি আপ্নেরে আরো ২৫/৩০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাখতে হৈবো? ভিশনের সূত্রানুসারে? এক গু খাওয়া কুত্তা জাতির ঘেউ ঘেউতে বাঁচি না<img src=" style="border:0;" /> শুধু দৌড়ের উর্প্রে আছি কি পানি, কি বাণিজ্য, কিংবা করিডোর সমুদ্রসীমা। হের মইধ্যে ঐ দিকে শিয়ালের পারমাণু বোমার খায়েশ দেইকা এই অন্ধকারে ভয়ে আমার হাত পা....
পরমাণু বিদুৎ কি জাতি পাইবো...???????]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28987472 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28987472 2009-08-02 04:04:32
ভারত যেভাবে এই বঙ্গদেশের বন্ধু হয়েছে এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর এবং টিপাইমুখ বাঁধ কে না বলুন।


জননেত্রী হাসিনা খাচার মইধ্যে<img src=" style="border:0;" />


আমাদের জননেত্রী ড. শেখ হাসিনা বলেছেন "আমরা এ বিশ্বায়নের যুগে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারি না।"

ওয়েল কাম টু ইউনাইটেড স্টেট অব ইন্ডিয়া

এ অবশ্য সেই সিকিমের মতো হবে না!) দর্জি দালাল হইয়া প্রমান করিয়াছে সে সিকিম প্রেমিক ছিলো না! হাসিনা ভারত প্রেমিক হইয়া প্রমান করিলো সে বঙদেশ নহে বিশ্বায়নের বাঁশ নেত্রী।

ভারত(ইন্ধিরা সরকার) হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধুর সাথে তিন বিঘা করিডোরের চুক্তি করে ছিলো কিন্তু দেয়নি আজ পর্যন্ত। কারন মামায় যদি না দেয় কি করার আছে/<img src=" style="border:0;" /> । কিন্তু মামায় ভাগিনীর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে কয় এটা বিশ্বায়নের যুগ...<img src=(" style="border:0;" /> ভাগনি কয় হ মামু <img src=" style="border:0;" />এইটা বিশ্বায়নের যুগ কিন্তু মামু বাঙালী গর্দবের বাচ্চারা তা জানে না/<img src=" style="border:0;" />! মামায় মুচকি হাসে আর মনে মনে কয় বাঙালীদের বাঁশযুগে ফিরিয়ে নিতে হবে।/<img src=" style="border:0;" />

কিন্ত মামুরা চির দিনের জন্য আমাদের বেরুবাড়ি নিয়ে গেছে( ভাগনি তাতে খুশি আর রমেশ, সৈয়দ আবাল হোসেনদের মতো শুধু মুখ খুলে কইতে পারতেছে না শরমে! তাই আবাল হোসেন আর রমেশ কে দিয়ে বলাইতেছে:-*

সীমান্তে বাঙালী প্রাণী নামের পশু শিকারে রাস্তার বুদ্ধিজীবি কুকুর গুলার চেতনা চুপসে যায়! যেমন যায় ছাইয়ের মাঝে তরল পানি। পাকিরা আমাদের শত্রু তার চেয়ে বেশী মামুর দেশ ভারতের। চীন আমাদের বন্ধু ভারতের হাত পা কাঁপানো শত্রু। কিন্তু আমাদের চির বন্ধু মামায়ে এ তাল গাছ কেমনে তার কাঁটার বেড়া দিলো? এই প্রশ্ন যদি সুশীল মুজাফ্ফর, রেহেমান সুবাহান, মতি, আনাম, শাহরিয়ার খবির, আবিদ খান,
মুনায়েম সরকার, খবির চুদ্রী, হাসান ইমামদের জিগায় তারা উত্তরে পিজুসের তুই রাজাকার মহিমায় আমার মতোদের ভাসায় দিবো। জয় বাংলা। বাংলা ভাষা কি কলিকাতায় চলে?

তালপট্টি নিয়া কথা বলা পাপ কারন সুচীল আবেগী ব্লুগারে কয় ভারতের দাই দাই উন্নতির কারনে বাঙালীরা হিংস্রা করে! কেউ আমাদের শান্তি মতো হাগতে ও দিবো না শুধু দৌড়ের উপ্রে রাখবো মাগার আমরা কিছু কইতে পারুম না!/<img src=" style="border:0;" /> কইলে তাদের সর্বা অঙ্গে জ্বলে। ঐ ভারত বিদ্বেষী। কিন্তু বন্ধুত্ব যে সমতার ভিত্তিতে হয় এইটা কইলে বৃহৎ বাইঙ মাছের মতো পিচলাইবো<img src=" style="border:0;" />

বানিজ্য বৈষম্য এইটা নিয়ে আমাদের কামলারা গবেষনা করতে করতে ুন্দের চুল মাথার চুল সব শেষ কইরা পালাইচে। অবশেষে সেই কামলার ছেলের প্রশ্ন বাবা ডাইল(ফেনসিডিল) আমদানি কি উন্মুক্ত করা যায় না? কামলায় তার ছেলের প্রতিত্তরে কয় যে হেতু বিডিআর সীমান্তে নাই তাই আশা করা যায় ডাইলের দাম কইমা যাইবো। ডাইল কিন্তু আমাদের দেশের অনেক সুচীলদের প্রাণের জিনিষ। প্রথম আলুর মতি মাদক কে না বলুন বলে শ্লোগান মারে কিন্তু মতির বাপ লতিফের ইশারায় সীমান্তের ওপারের ডাইল কারখানা নিয়া কিছু লিখে না!!!

টিপাইমুখ নিয়া কথা বলে কি হবে? যেখানে কুর্নেল ফারুকে কয় কিছু না জেনে শুধু
শুধু আমাদের মতো ছাগল জনতা বেএএএএ বেএএএএএ করে যাচ্ছে/<img src=" style="border:0;" />। জাতির
পানি মন্ত্রীয়ে কইলো সরকার টিপাইমুখ নিয়ে তেমন কিছু জানে না!(কিন্তু ফারুক কিভাবে জানে?) আবার রমেশে কইলো..ভারত কে ক্ষেপানো উচিত না!! কোনটা উচিত না অনুচিত সেইটা তো তোমার দেখার কাজ না! দেশের স্বার্থ দেখা তোমার কাজ। কিভাবে কি হবে? মোজ্জামেল বাবু কয়...I am a water resource Engineer(বা ল চা ল) আমি জানি টিপাইমুখের কারনে বাংলাদেশ সব সময় পানি পাইবো<img src=" style="border:0;" /> এখন হেরে যদি আমি জিগায় ফারাক্কার কারনে কি পরিমান পানি বাংলাদেশ পায়? হেই কিন্তু পিচলাইবো আর কইবো রাজকার এবং পাকিরা আমাদের মা বোনদের ধর্ষণ করেছে। ভারত আমাদের বন্ধু তাই পানি ছাড়া মারিতে পারে। আবার পানিতে ডুবিয়ে মারিতে পারে।/<img src=" style="border:0;" /> কিন্তু I am a water resource Engineer আমি জানি টিপাইমুখ বাঁধ হইলে বাংলাদেশ সব সময় পানি পাবে <img src=(" style="border:0;" /> । দালালের হিন্দি কি?

টিপাইমুখের মতো আমাদের কে ইন্দিরা গান্ধী রান দেখাইয়া প্রায় ৪০ বছর পার করে
দিলো ফারাক্কা দিয়ে। এখন টিপাইমুখ দিয়ে সোনিয়া গান্ধি কত বছর পার করে দিবো উপর ওয়ালায় কইতে পারবো/<img src=" style="border:0;" />। এই তো আবার ইতালিয়ান সাদা<img src=" style="border:0;" /> আমাদের রমেশ, আবুল হোসেনারা ক্ষমতা সহ্য করতে পারবো তো<img src=" style="border:0;" />


এই কিছু দিন আগে বন্ধু রাষ্ট্র ভারত হাসিনার বিশ্বায়নে বিশ্বাসী হয়ে...দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের সঙ্গে বাংলাদেশের মূল ভূ-খণ্ডের সংযোগ তিনবিঘা করিডোরের রাস্তার দুই পাশে রাতারাতি কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী-বিএসএফ। তবু এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর দিতে হবে কি মা কালি?


করিডোরে মারলো, পানি না দিয়ে মারলো, পানি দিয়ে ভাসিয়ে মারলো, তাল পট্টিতে তাল গাছ লাগিয়ে মারলো, সীমান্তে পাকিদের মতো পাখি শিকারে মারিতেছে, বন্ধুত্বের মাঝে কাটা তারের বেড়া দিয়া ভারত মাতার চেতনায় মারিতেছে, বানিজ্য বৈষম্যের ফেনসিডিল দিয়া মারতাছে, শান্তিবাহিনী দিয়া অশান্তিতে মারলো, চাল ব্যবসার চালষামতিতে মারিলো, সমুদ্রসীমানা সীমানা সীমানা খেলতাছে, এতের কিছুর পরে ও এক রাডারে বন্ধুত্ব ধরে রেখেছে! কি প্রেমে? বাংলাদেশ প্রেমে নাকি ভারত মাতার প্রেমে? বলে দে মা কালি... তোর চরণে (.....)?

টিপাইমুখ আর করিডোর কি স্বপ্নের দিন বদল? বুঝিয়া পাইনা<img src=" style="border:0;" /> শুধু অংকের খাতায় কাটা ছেড়া করিতেচি মিলিতেছে না! মা কালি তুমি মোরে গেয়ান দাও... রমেশ, আবুল হোসেন, ফারুক অথবা দীপু মনির মতো......, যাইগ্গাযাইগ্গা রাত নিশি হৈয়া গেলো<img src=(" style="border:0;" />
কুনো বন্ধু পাইলাম না<img src=" style="border:0;" /> করিডোর দিয়ে ভারত মাতার বিশ্বায়নের বন্ধুত্বে যোগ দিন।<img src=" style="border:0;" />

জয় বাংলা।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28965173 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28965173 2009-06-16 00:51:22
বিডিআর বিদ্রোহের রুই কাতল। চাই নিরপেক্ষ বিচার।




বিডিআর বিদ্রোহের সাথে জড়িত অনেক রুই কাতলের নাম মিড়িয়া-ই এসেছে। গোয়ান্দা সংস্হার তদন্তে এমন কি আনিচুজ্জামানের মুখ থেকে ও কিছু কিছু নাম শুনা গেছে। তাদের মধ্যো থেকে আজ নাসিরু উদ্দিন পিন্টু কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভালো খবর। এর আগে জামাতের নেতা ব্যারিষ্টার রাজ্জাক কে সিআইডির আকন্দ ডেকে আলাপ করেছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো আ.লীগ কি সেই বিএনপি জামানার বাবরীয় কাহিনী সাজাইবো বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে? তা না হলে আ.লীগের রুই কাতলদের এই পর্যন্ত সিআইডির আকন্দ, আনিসুজ্জামানদের ডাকতে শুনলাম না! আর সেনাবাহিনীর তদন্ত কমিটি কে তুলনা মূলক কম গভীরে যাওয়ার সরকারী আদেশের হেতু বুঝলাম না! সেনাবাহিনীর তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে জঙ্গি ভয়ে হাত পা কাঁপানো বাণিজ্যমন্ত্রী, বেগম সাহারা, বেগম মতিয়া, সৈয়দ বংশের পোলা আশরাফ সহ অনেকেই তাদের নেতাদের নাম দেইখা হাসতে হাসতে রাইগা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র খুজতেছে!!!/<img src=" style="border:0;" />







আকন্দ এবং সিআইডি কি নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করিতেছে? আনিসুজ্জামানের তদন্তের ঘষা মাজা অংশের বিশেষ বিশেষ সাহারা অংশ মিড়িয়াই প্রকাশ করেছে তার মধ্যে কি শেখ সেলিম, ব্যারিষ্টার তাপস, মির্জা আযম, স্হানীয় সরকারের প্রতিমন্ত্রী বাশ ওয়ালা কন্ঠের নানক, আইন প্রতিমন্ত্রী তাইজুল এদের নাম ছিলো কি? দুই জনের নাম তো আনিস সাবে কইছে তাদের সাথে নাকি তৌহিদদের আলাপ আলোচনা হৈছে! কি কি আলাপ আলোচনা হয়েছে? জাতি কেমনে তাগোরে বিশ্বাস করবো? আ.লীগের গুন্ডামির গডফাদার হৈলো যায় শেখ বংশের পোলা সেলিম। পিন্টু, তাপস, সেলিম,নানক, মির্জা, তাইজুল,সহ সকল রুই কাতল কে ডিম থেরাপি দিয়া জিগানো হোক। শুধু পিন্টু কে থেরাপি দিয়া ষড়যন্ত্রের পথ খুলা উচিত হৈবো না। বাংলাদেশের সরকার এবং বিরুদ্ধী দল হৈলো অষ্টা আশ্চার্যের তারা সব কিছুর মধ্যে ষড়যন্ত্র আবিস্কার করে ভয়ে হাত পা কাঁপানো কুর্নৈল ফারুকের মতো।

মনে রাখতে হবে এই দিন দিন নয়! আরো দিন আছে! এই দিনের আকন্দ আবার সেই দিনে খুলে তদন্তের অ আ পড়বে দশ ট্রাকের উপর বসে। সে সুযোগ যে আসবে না বা দেয়া হবে না এমন কিন্তু ভাতিজা তারেক ও ভাবছিলো একন ভাগিনা জয় ভাবতেছে কিন্তু টি২০ খেলার নিয়ম হৈলো যে যে সময় ভালো করবো সে জিতবো যদি বাকনার কাগু উল্টাপাল্টা কিছু না করে অথবা ম্যচ রেফারি আমেরিকান ভারতীয় বংশদূত কিছু ঝাড় ফু না দেয়। আর প্রত্যকেবার যে শুধু নৌকায় ফু দিবো এমনো কিন্তু নয়! কারন তারা দেনা পাওনায় বিশ্বাসী সে দেনা দিতে গিয়ে দিন বদলের অনেক দেশীয় এজেন্ডা গায়েব জয় বাবা ডিজিটাল তুমি শান্তিতে থাকোসাত সমুদ্র তের নদী অথবা পরপারে বসে সেক্যুলারের তজবি যইপা.... আমি আছি যেমন তেমন হাত পাতা স্বভাবের হাইকোর্টের সামনে। । হাইকোর্টের সামনে অথবা আশে পাশে গন্জিকা সেবন নিষিদ্ধ করা হোক<img src=" style="border:0;" /> কারন জাতির ....................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28959386 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28959386 2009-06-02 23:33:26
এশিয়ান হাইওয়ে এবং ভারত কে ট্রানজিট দেয়ার মধ্যে পার্থক্য কি?



বাংলাদেশের মধ্যে দিয়া যাবে এশিয়ান হাইওয়ের AH1 এবং AH2 রুট দুইটির পরিকল্পিত প্রস্তাব ভারতের! তাতে বাংলাদেশের কি কি উন্নতি সাধিত হৈবে? এখন দেশ প্রেমের চেতনার এজেন্ট ওয়ালার একটু বলেন তো বাংলাদেশ- ভারত ট্রানজিটের ভারতের প্রস্তাবিত রুট কেমন ছিলো? এখনো আছে(এশিয়ান হাইওয়ের মধ্যে লুকানো)। আমরা তাদের কে ট্রানজিট ও দিমু আবার মামা না বলে আব্বা ও বলাইতে হইবো!! তার মানে তাগোরে ট্রানজিট ও দিমু আবার তাদের মধ্যে(ভারতের) দিয়ে চীনে যাওয়া যাবে না!! তার জন্য এ আরেকটা রুট হবে( মাশ-আল্লাহ) AH41!! মংলা- ঢাকা-টেকনাফ- বার্মা-চীন!! তারপরে জাহান্নামে/<img src=" style="border:0;" />। কিন্তু আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রী পানিমন্ত্রী রমেশের মতো আউলা যাউলা বইলা যাইতেছে!!! শুধু টোল দিয়া আমাদের কি হইবো? ভারত আমাদের মধ্যে দিয়া সব কিছু সুইয়ের মতো ঢুইকা আদায় করার মিশন দিন বদলে আছে। জানুয়ারি থেইকা সেই মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের তরিকা দেখাতাছি!! হাসিনা শো..-পিস অব কাউ্উার গু হয়ে গন ভবনে পইরা রইচে<img src=" style="border:0;" /> বানিজ্যমন্ত্রী ফারুইক্কা অনেক আগে লাভের অংকা দিছে(শুধু টোল মসল্লা)! তাও চেতনাপন্হিদের কাছে ইজারা দেয়া হবে কারন জাতির পিতা স্বপ্ন দেখ ছিলো/<img src=" style="border:0;" /> তয় আমি কিন্তু গত ৫ মাসে কয়েক জন মন্ত্রীর পাংখা হইয়া গেছি ১. পানিমন্ত্রী রমেশ ২. দিপা মনি ৩. ফারুক ৪. আফচার ৫. যুগাযুগ মন্ত্রী আবুল ৬. তাজ ৭. অবশ্যই বেগম সাহারা। আল্লায় এদের অনেক হায়াত দেউক। তারা যেন তাদের বাকী জীবনটা মামার গোলামী কইরা যাইতে পারে......! না হইলে পিনাকের সাথে আফচার কেমনে একমত হয়!!!! আফচার কইটাছে গত সরকার চুক্তি না কইরা ভুল করছে! একন সে চুক্তি কইরা তার মামু গোরে এএইচ ১ ও ২ দিয়া দো-জাহানের অশেষ টোল আদায় করিবো। এর পরে ও ভাদাকার খুঝা নিয়া টাইম নষ্টের কোন মানে আছে? পানি ডালোনের সাথে সাথে গর্ত থেকে ভাদাকারেরা বাহির হইতেছে<img src=" style="border:0;" />

তয় খালেদার উচিত পোলাপানের মামলা, দশ ট্রাকের হাবিজাবির দিকে না তাকিয়ে দেশের স্বার্থে কথা বলা ( তারা আপনারে ভয়ে ডরে রাখচে )। এবং ঘোষনা দেয়া যে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আবাললীগের সব দেশ বিরুদ্ধী চুক্তি বাতিল করা হবে। সে ক্ষমতায় আসার পথ অবশ্য আবাল লীগ না রাখার চেষ্টায় আছে সব দিক দিয়া। চেতনার ভিশন ২০২১ দিন বদলের সেক্যুলার তত্ত্ব কায়েমের স্বপ্ন। ভারতীয় স্বার্থের অনেক ইস্যু বাস্তবায়িত করার স্বপ্নিল বাসনার জন্য সেই জানুয়ারি থেইকায় কাম চালাইতে!!!! বিডিআর বিদ্রোহ সেই বদলেরই প্রথম পর্ব... আহ্ রে... আবালেরা... ব্যঙের বুদ্ধি নিয়া লাফাইলে কিতা হইবো? ঠিকই তোমাদের তিরিং বিরিং বন্ধ হইবো! তখন তোমাদের এক ঠেং উপরে আরেক ঠেং নিচে দিয়া মাঝ খানে ভাগ গুন করা হবে।

এ-রোই মাইনষে কিন্তু দেখাতেছে আ'কাম করা ছাড়ো...<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28954357 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28954357 2009-05-22 23:30:59
ড. ওয়াজেদ মিয়া কে নিয়ে করা যে কোন একটা তথ্য বহুল পোষ্ট কে স্টিকি করুন.... ড. ওয়াজেদ মিয়া কে নিয়ে বিভিন্ন ব্লগার পোষ্ট দিয়েছেন। তার মধ্য থেকে যে কোন একটা পোষ্ট কে স্টিকি করুন। উনি প্রধানমন্ত্রী হাসিনার স্বামী বলে না। ড. ওয়াজেদ মিয়া দেশের একজন কৃতি সন্তান সৎ আদর্শবান মানুষ ছিলেন। মহান আল্লাহ ড. ওয়াজেদ মিয়ার আত্মায় শান্তি বর্ষিত করুক এই দোয়া করি।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28948591 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28948591 2009-05-09 23:34:39 জননেত্রী, দেশনেত্রী, গনতন্ত্রের মানস কন্যা, আপোষহীন নেত্রী রাতের ঢাকা কেমন??

নিচের লেখাটা পড়ে বলুন গত ১৫ /২০ বছর ধরে এমন শহরে(ঢাকায়) আমাদের দুই জন মহিলা প্রধানমন্ত্রী বাস করেছে। অনেকের কাছে নেত্রী হাসিনা খালেদা পুজাময় আবার রাতের হাসিনা খালেদা ভোগের!! নারী অধিকারের নামে কিছু কিছু এনজিও অভাবী নারীদের দিয়ে কি যৌন ব্যবসায় লিপ্ত? বা তাদের কে উৎসাহ দেয় কি? লজ্জার বিষয় হলো গত ১৫/২০ টা বছর এই দেশের রাষ্ট্র প্রধান দুইজন মহিলা! তারা হজ্বে যায়! নেতারা মন্দিরে দিনের বেলায় পুজা দেয় কুমারীর, রাতে তারা এবং তাদের শীর্ষ্যোরা কুমারী যৌন কর্মী খুজে বেড়ায়! মানবতাবাদীরা অধিকারের কথা বলে আবার এই বাংলার নারীদের কে যৌন ব্যবসায় যাইতে উদার মনার পরিচয় দেয়। স্বাধীন দেহ ব্যবসা নিয়া চুল পাকায় দুই চার খান লালু সালু রচনা করে রাতের সরাবে বুদ হয়ে। আবার তারা ইতিহাস পড়ায় জানো ৭১রে আমাদের মা বোন দের পাকিরা ধর্ষন করেছে লাইনে দাঁড়িয়ে। তারা না হয় দেশের জন্য নিজেদের স্বত্তা দান করেছে। আমরা তাদের ত্যাগের কাছে নত আজন্ম। আবার সেই স্বাধীন দেশের মা বোনদের স্বদেশীয় মনুষ্যত্বহীন কুকুর কাছে দিনের মহলে; রাতের জোৎস্নার আলোয় বিক্রি হতে দেখে লজ্জা করে না? নাকি এতে প্রগতির জোৎস্নার আলো উপচাইয়া উপচাইয়া পরে? আমি দুঃখিত এ ধরনের প্রগতিতে মোর ঘৃণা।





রাতের ঢাকা: হাতে মোবাইল ফোন, কড়া মেকআপ

পারফিউমের গন্ধ ছড়িয়ে অপেক্ষা


কাফি কামাল: বট গাছের আলো-আঁধারির মধ্যে পুলিশের সঙ্গে যৌনকর্মীদের জমজমাট আড্ডা। আরেক জায়গায় মোবাইল ফোনে খদ্দেরের সঙ্গে দীর্ঘ সময় দর কষাকষি। যৌনকর্মীর সাবধানবাণী ‘ভাই, চলে যান ওরা ছিনতাইকারী, পকেটে ক্ষুর আছে।’ এ হচ্ছে রাজধানীর রাতের খণ্ডচিত্র। রাতের ঢাকার আসল চেহারা। দিনভর পরিশ্রমে ক্লান্ত ঢাকাবাসী যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন রাজপথের মোড়-বাঁকে জেগে থাকে কিছু মানুষ। তারাই জমিয়ে তোলে অন্যরকম এক সাম্রাজ্য। গড়ে দেয় রাজধানীর রাত-দিনের পার্থক্য। উগ্র সাজগোজ, হাতে মোবাইল ফোন, কড়া মেকআপ ও পারফিউমের গন্ধ ছড়িয়ে মাদকতা ছড়ানো চোখে খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করে নিশিপরী। পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ছুড়ে দেয় নানা মন্তব্য আর করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি। তাদের আশপাশেই ঘুরঘুর করতে থাকে রিকশা, ধীরগতিতে চালানো ট্যাক্সিক্যাব ও সিএনজি ট্যাক্সি। নিরাপদ সুযোগ-সুবিধার লোভ দেখিয়ে নানা কণ্ঠে আর আকারে-ইঙ্গিতে হাঁক দেয় চলাচলরত লোকজনের উদ্দেশে। কিছু অভিজাত যৌনকর্মীকে দেখা যায় হঠাৎ পাশে এসে দাঁড়ানো দামি গাড়ি বা মোটরসাইকেলের পেছনে চড়ে বসতে। আবাসিক হোটেলগুলোর সামনেই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে নিশিপরীদের আনাগোনা। দেখা যায় কারও বগলদাবা হয়ে হোটেলে ঢুকতে বা দ্রুত বেরিয়ে যেতে। রাত গভীর হলেই রাজধানীর ফার্মগেট থেকে রমনা-হাইকোর্ট পর্যন্ত অর্ধশতাধিক স্পটে বসে মাদকবিক্রেতা ও যৌনকর্মীদের মেলা। সারারাত ফার্মগেটের চারটি ওভারব্রিজ, খেজুরবাগান, ইন্দিরা রোড, খামারবাড়ি, তেজকুনি পাড়ার মোড়, এফডিসি, কাওরানবাজার মোড়, বাংলামোটর মোড়, মন্ত্রিপাড়া, সবজিবাগান, শেরাটন মোড়, রমনা ওভারব্রিজ, হাইকোর্ট চত্বর, শিশুপার্কসহ ওইসব স্পটের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় মাদকসেবী, মাদক বিক্রেতা আর যৌনকর্মীদের দখলে। রাত ১২টা থেকে ভোর চারটা পর্যন্ত ফার্মগেট থেকে রমনার ওসব স্পটে কিছু দূর পর পর দেখা যায় যৌনকর্মী ও নানা বয়সী খদ্দেরের জটলা। এলাকাভেদে বিভিন্ন শ্রেণী ও দরদামের এসব যৌনকর্মীর কেউ কেউ আবার বিভিন্ন এনজিও কর্মী বলে পরিচয় দেয়। ওভারব্রিজ, আন্ডারপাসসহ পার্কগুলোতে যৌনকর্মীদের পাশাপাশি সতর্ক দৃষ্টিতে আসর জমিয়ে তোলে মাদকসেবী ও বিক্রেতারা। সক্রিয় হয়ে ওঠে ছিনতাইকারী ও ছিঁচকে মাস্তানরা। অতি আগ্রহ দেখালেই তেড়ে আসে। আশপাশে থাকা টহল পুলিশও হয়ে পড়ে সে সাম্রাজ্যের অংশীদার। কোথাও আবার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘিরেই জমে ওঠে আড্ডা। আড্ডা জমে ওইসব স্পটের একাধিক চায়ের স্টলেও। নানা বয়সী লোকজন স্টলের টেলিভিশনে বিভিন্ন ছবি দেখতে দেখতে নানা বিষয়ে আড্ডা মারছেন। আড্ডারত পুলিশের সামনে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলেও তারা হয়ে পড়ে নীরব দর্শক। রাস্তায় রাস্তায় পুলিশের অস্থায়ী চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশদের মাদক ও যৌনকর্মীদের চেয়ে পণ্যবোঝাই ট্রাক থামাতেই বেশি আগ্রহী দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ফার্মগেট, কাওরানবাজার, রমনা এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। রাত সাড়ে ১২টার সময় ফার্মগেটে ছাউনি দেয়া ওভারব্রিজের কোণায় এক আদিবাসী মেয়েসহ কয়েকজন তরুণীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল। কড়া পারফিউম আর মেকআপ করা এসব তরুণীর সঙ্গে কথা বলছে তরুণ থেকে বিভিন্ন বয়সী খদ্দের। ফার্মগেট থেকে কাওরানবাজার, এফডিসি এলাকায় একাধিক যৌনকর্মীকে দেখা গেল মোবাইল ফোনে দীর্ঘ সময় কথা বলতে। কথা বলতে বলতেই ট্রাকে ওঠে গেল একটি মেয়ে। ছবি তুলতে গেলেই এক যৌনকর্মী মুখ ঢেকে নিয়ে বলে- ছবি তুলে তো ব্যবসা করবেন। ১০ টাকা তো সাহায্য করবেন না। চোখের সামনেই দুই তরুণীকে নিয়ে কয়েকজন রিকশায় চড়ে গ্রিন রোডের দিকে চলে যেতে দেখা গেল। আনন্দ সিনেমার সামনে খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করছিল কয়েকজন। তাদের একজনের কাছে জানতে চাইলে বললো, আশপাশেই তাদের থাকার সুবিধা আছে। আশপাশেই রিকশা বা সিএনজি ট্যাক্সি দাঁড়ানো। কাউকে এলোমেলো হাঁটতে দেখলেই ধীরগতির ট্যাক্সিক্যাব ও সিএনজি ট্যাক্সি চালকরা উঁকি দিয়ে বলে, লাগবে ওস্তাদ। চলে যান, কোন সমস্যা নাই। একই রকম কাওরানবাজার, মন্ত্রিপাড়ায় ধীরগতিতে চালানো ট্যাক্সিক্যাব নিয়ে চালকদের একই কথা বলতে শোনা গেছে। রাত আড়াইটার সময় ফার্মগেট আনন্দ সিনেমার সামনে যখন একটি ট্যাক্সিক্যাব থেকে তিনজন তরুণী নেমে পাশের একটি হোটেলে ঢুকছিল তখন অদূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সৌম্যদর্শন এক ব্যক্তি। এক তরুণী মুচকি হেসে তাকে হাতের ইশারা করেই ভেতরে ঢুকলে সৌম্যদর্শন ব্যক্তিও পাশের নিউ স্টার হোটেলে ঢুকে পড়েন। একটু পর ফার্মগেট ছাউনি ওভারব্রিজের পূর্বদিক থেকে দুইজন, পশ্চিম দিক থেকে তিনজন যুবককে ওভারব্রিজে উঠতে দেখা গেল। তাদের পিছু নিয়ে ব্রিজে উঠেই দেখা গেল হাতে পোঁটলা টানাটানি করছে। একজন মোবাইল ফোনে দেরি হওয়ার জন্য সমানে গালাগালি করছিল। অদূরেই দাঁড়িয়ে আছে পুলিশ ভ্যান। ছবি তুলতে গেলেই তেড়ে আসে ফার্মগেট ওভারব্রিজের ওপর মাদকসেবীরা। টানাটানি করে ক্যামেরা নিয়ে। একজন ফোনে কাউকে জানায়- ভাই সাংবাদিক আইছে। আমাদের ছবি তুলতেছে। আরেকজন বলে, আমাগো ভাইবেরাদর আছে, ছবি তুলে কিছু হবে না। ঝামেলা করলে খবর কইরা দিমু। এ সময় সিভিল ড্রেসের টহল পুলিশের গাড়ি দেখেই দ্রুত ওভারব্রিজ থেকে নেমে পালিয়ে যায় মাদকসেবীরা। কিছুক্ষণ পর ক্যামেরা হাতে ফার্মগেটের আরেকটি ওভারব্রিজে উঠতেই পুলিশ হুইসেল দিয়ে টহল হম্বিতম্বি শুরু করলো। ওদিকে ব্রিজের উপর জড়ো হওয়া পাঁচজন পশ্চিম দিকে নেমেই দ্রুত আনন্দ সিনেমা হলের দিকে ছুটে গেল। আরও কিছুক্ষণ পর ফার্মগেট বড় ওভারব্রিজে উঠতে গেলেই পাশে অপেক্ষাকারী জানতে চায়, কি দরকার। সতর্ক করে- ওদিকে যাইয়েন না। রাত দুইটায় এফডিসি’র সামনে দেখা গেল অপেক্ষা করছে ভাল সাজগোজের কয়েকজন যৌনকর্মীকে। সোয়া দুইটার সময় হঠাৎ একটি দামি গাড়ি থামতেই দ্রুত দুই যৌনকর্মী গাড়িতে চড়ে বসল। একইভাবে মোটরবাইকের পেছনে তরুণীদের নিয়ে দ্রুতগতিতে বিভিন্ন দিকে ছুটে যেতে দেখা গেল। মিন্টু রোডের পেছনেই সবজিবাগান এলাকায় কয়েকজন যৌনকর্মীকে দেখে এগিয়ে যেতেই পালিয়ে যেতে দেখা গেল এক খদ্দেরকে। অপ্রস্তুত অবস্থায় ছবি তুলতেই এক যৌনকর্মী তেড়ে এসে গালাগালি শুরু করল। সে পাশেই দাঁড়ানো কয়েকজন খদ্দেরের দিকে ইঙ্গিত করে বলল- পারলে ওদের ছবি তোলেন। ওই সময় সবজিবাগানের দুই দিকের গলি থেকে মুহূর্তেই সেখানে হাজির হয় কয়েকজন মধ্যবয়সী পুরুষ। কড়া গলায় জানতে চাইলেন- এখানে ছবি তোলার অনুমতি কে দিয়েছে। এ সময় ফটো সাংবাদিক শাহিন কাওসার পুলিশের অনুমতির কথা বলতেই একজন ক্যামেরায় হ্যাঁচকা টান দিয়ে বলেন, তোদের ওই বাপদের আমরা মাসোহারা দেই। ওগুলো এখন তাদের কাছেই নেব। পরে অনেক তর্কবিতর্কের পর একজন তরুণ এগিয়ে এসে হুমকির সুরে বলল, ছবি ছাপলে (...) ভইরা দেব। যা ভাগ। ওই সময় গাড়ির সামনে প্রেস লেখা একটি পিকআপ ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে বুয়েসল অফিসের সামনে। রাত দুইটার সময় হোটেল শেরাটনের সামনে বেশকিছু খালি সিএনজিচালিত ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে আছে। ছবি তুলতে গেলেই একজন তেড়ে আসে, ছবি তুলবেন না নিষেধ আছে। অনেক কথাবার্তার পর একজন বললো, রাতে কিছু মহিলা যাত্রী রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় যায়। তাদের নেয়ার জন্য তারা অপেক্ষা করছেন। কথা বলতে বলতেই এক সুন্দরী তরুণীকে দ্রুত একটি ট্যাক্সিতে উঠতে দেখা গেল। একটু পরেই শেরাটনের উত্তর গেটে দাঁড়ানো গোমটা দেয়া এক তরুণী মোবাইলে কাকে যেন দ্রুত আসতে বলছিলেন। এ সময় পাশেই দাঁড়ানো ট্যাক্সিচালক বলেন, শেরাটনকেন্দ্রিক তাদের নিয়মিত কিছু যাত্রী রয়েছে। রাত আড়াইটার সময় রমনা ওভারব্রিজের উপর কয়েকজন খদ্দেরকে দেখা গেল যৌনকর্মীদের সঙ্গে দামদর করতে। ছবি তুলতে গেলেই তেড়ে এলো একদল যৌনকর্মী ও কয়েকজন খদ্দের। এনজিওকর্মী পরিচয় দেয়া মালেকা নামে’র এক মধ্যবয়সী মহিলা তেড়ে এসে বললো- কার অনুমতি নিয়ে ছবি তুলছেন। এখনই মুছে ফেলেন। পরে টহল পুলিশ এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় খদ্দেররা। মালেকা জানান, তিনি যৌনকর্মীদের নিয়ে কাজ করা এনজিও কেয়ার এর কর্মী। তিনি রমনা থেকে চানখাঁরপুল পর্যন্ত ভাসমান যৌনকর্মীদের মধ্যে কনডমসহ নানা ওষুধ বিতরণ ও তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। ঢাকা শহরে যৌনকর্মী ও এনজিওগুলোর এলাকা ভাগ করা আছে। এক এলাকায় অন্যরা যেতে পারে না। শিশু পার্কের দিকে এগুতেই দেখা গেল কয়েকজন যৌনকর্মী লাইন ধরে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উল্টো পাশে খদ্দেরদের সঙ্গে খোশগল্প করতে দেখা গেল বেশ কয়েকজন যৌনকর্মীকে। কারও কারও হাতে কনডমের প্যাকেট। কারও হাতে সিগারেট ও গুল। ছবি তুলতেই পাশে বসা কয়েকজন তরুণ তর্ক জুড়ে দিয়ে বললো, যান ফুটেন। এক যৌনকর্মী পাশে ডেকে নিয়ে বললো ভাই, চলে যান ওরা ছিনতাইকারী, পকেটে ক্ষুর আছে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন যমুনার আশপাশেও একই দৃশ্য দেখা গেছে। ১২টার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চারুকলা অনুষদ ও দোয়েল চত্বরের সামনে দু’টি চেকপোস্ট বসানো হলেও হাইকোর্ট চত্বরের চিত্র ছিল ভিন্ন। হাইকোর্টের দক্ষিণ গেটের তালা খুলে এক তরুণকে কয়েকজন মেয়ে ভেতরে নিয়ে যেতে দেখা গেল। পাশেই বট গাছের আলো-আঁধারির মধ্যে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা চারপাশে কয়েকজন যৌনকর্মীকে নিয়ে দিচ্ছেন জমজমাট আড্ডা। পাশেই গাঁজার কল্কি টানছে কয়েকজন। ১০ মিনিট পরেই প্রেসক্লাবের দিক থেকে চিৎকার করতে করতে ছিনতাইকারীর পেছনে দৌড়াতে দেখা গেল এক মধ্যবয়সীকে। ছিনতাইকারীটি সচিবালয়ের দিকে দৌড়ে পালিয়ে গেলেও হাইকোর্ট চত্বরের পুলিশ ছিল নির্বিকার। রাত দেড়টায় বাংলামোটর-সার্ক ফোয়ারার মাঝামাঝি পুলিশ চেকপোস্টে দুই তরুণসহ এক কিশোরীকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেল। তাদের কিছুক্ষণ আগেই দেখা গেছে শহীদ মিনারের সামনে থেকে তড়িঘড়ি করে রিকশায় চড়তে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলেও একপর্যায়ে তারা প্রেমিক-প্রেমিকা বলে জানায়। ছেলে দু’টি নিজেদের ফল বিক্রেতা পরিচয় দিলেও মেয়েটি চুপ ছিলেন। ছবি তুলতে গেলেই তেড়ে আসে পুলিশ। রাত ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত কাওরানবাজার আন্ডারপাসের পশ্চিম পাশে সারিবদ্ধভাবে বসে গাড়ির অপেক্ষা করছিলেন কয়েক শ’ মানুষ। ঢাকা থেকে সবজি চালান খালাস করা খালি ট্রাকে করে তারা যাবেন উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। তাদের কেউ রাজধানীতে রিকশা চালান, কেউ করেন দিনমজুরির কাজ। ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা ভাড়ায় তারা যাবেন কাওরানবাজার থেকে বগুড়া, রংপুর, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন জেলায়। রাত গভীর হতেই জমে ওঠে কাওরানবাজারের কাঁচাবাজার। সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা সবজি ও মাছবাহী ট্রাক লোড-আনলোড করতে সবাই ব্যস্ত। সমানে চলছে বিভিন্ন গ্রুপের চাঁদাবাজিও। ট্রাক ও পণ্যের ওপর নির্ভর করে চাঁদার হার। রাত তিনটার সময় মিন্টু রোডেই দেখা গেল একদল হিজড়া। পাশেই এলোমেলোভাবে ঘোরাফেরা করছে কিছু খদ্দের। একটু দূরেই ফুটপাতে একটি বছর দেড়েকের শিশু বসে আছে ঘুমন্ত মায়ের পাশে। যেন ঘুমন্ত মাকে পাহারা দিচ্ছে। রাত সোয়া তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চারুকলার সামনে দেখা গেল- সারজাহান বেগম তরুণী মেয়ে রোজিনাকে নিয়ে ফুলের দোকানের আবর্জনা পরিষ্কার করছেন। জানালেন, সপ্তাহ শেষে দোকান প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকায় আটটি দোকানের আবর্জনা পরিষ্কার করেন। দিনে করেন ফুলের দোকানের বিভিন্ন কাজ। পাশেই রাস্তায় পলিথিন ঘেরা আশ্রয় স্থলে শুয়ে আছেন সারজাহান বেগমের অসুস্থ স্বামী। সাড়ে চারটায় বড় রাস্তাগুলোতে দেখা গেল সিটি করপোরেশনের মহিলা ঝাড়ুদারদের। সেই সঙ্গে কিছু বয়স্ক মানুষকে ‘জাগো মুসলিম জাগো, ফজরের নামাজে চলো- জাগো’ বলে হাঁক দিতে।



http://www.manabzamin.net/lead-05.htm]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28948280 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28948280 2009-05-09 07:18:20
আইনমন্ত্রী ষফিক এবং বেসরকারি ইমো<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />

এই চোখে তাকিয়েও না তুমি বেসরকারি হয়ে যাবে.........<img src=" style="border:0;" />




দুর্নীতি দমন কমিশনের গত দুই বছরের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকে গেছে বলে মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ করেছেন। তিনি বলেন, "দুদককে আর রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হবে না। আমরা চেষ্টা করছি কেউ যেন পিছন থেকে দুদককে আর ব্যবহার করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে।" <img src=" style="border:0;" />

কেমনে কি?<img src=" style="border:0;" /> সব কিছু ধর্ম নিরপেক্ষতার মতো "নিরপেক্ষ" হয়ে যাচ্ছে! তেবরোপতিবাদ<img src=" style="border:0;" />


মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "গত দুই বছরে দুদক আইনের অপ-প্রয়োগ, অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। দুদকের এসব কর্মকাণ্ড প্রতিষ্ঠানটি নিজেই পরিচালনা করেছে, নাকি পেছনের কোনো শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকে গেছে। " /<img src=" style="border:0;" />

প্রশ্ন গুলা কেমন? ও কি কি? <img src=" style="border:0;" /> জনগণ বলতে কাকে বুঝায় উহার সংঘা কি? কত জন মানুষের সমষ্টি কে জনগণ বলে? নাকি জননেতাদের উচ্চারিত শব্দ কে জনগণ বলে?<img src=" style="border:0;" />

বাবর এবং ম খা আলমগীরের সমর্থকদের জনগণ বলে <img src=" style="border:0;" />


গত দুই বছরে দুদকের করা মামলা প্রত্যাহার করা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ওই সময়ে বেশিরভাগ মামলাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেতাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল। পরে দেখা গেছে মামলাগুলো ভিত্তিহীন। এসব উদ্দেশ্যমূলক ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা উচিত। সরকারের পক্ষ থেকে এসব মামলা প্রত্যাহারে অনুরোধও যেতে পারে।"


শব্দঝটঃ- ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক<img src=" style="border:0;" />

হাসিনা সহ আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিদের সব মামলাই ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক<img src=" style="border:0;" /> দেশ জাতি সরল মনে ভোট দিয়ে তা প্রমান করিয়াছে জাতি ভুল করে নাই।<img src=(" style="border:0;" />

ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক তা আদলতেই বলতে পারে। প্রমান হইবার পুর্বেই কাদম্বিনী ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক নিরপেক্ষতা পাইলো<img src=" style="border:0;" />



তবে যেসব মামলার ভিত্তি রয়েছে সেগুলো চলবে জানিয়ে শফিক আহমেদ বলেন, "ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দুদকের রয়েছে। কিছু কিছু মামলার ভিত্তি আছে। সেসব মামলা চলতে কোনো বাধা নেই।"

ভিত্তিযুক্ত মামলা কিভাবে নির্ধারিত হইবো? সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সচিব কে এই জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে<img src=" style="border:0;" />


দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন-২০০৪ এর সংশোধনীর বিষয়ে মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুদক আইনের সংশোধনীতে দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।
এর ফলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত মামলার তদন্ত আর দুদককে করতে হবে না। এছাড়াও দুদকের মামলায় এতদিন রাষ্ট্রকে পক্ষ করা হতো। সংশোধিত আইনে দুদক নিজেই পক্ষ হবে।"


বেসরকারিরা দেশের মানুষ না!<img src=" style="border:0;" /> আমি বেসরকারি হইতাম চাই।<img src=" style="border:0;" />

"ধর্ম নিরপেক্ষতা" হৈবে মাগার আইন নিরপেক্ষ হৈবে না কারন সেক্যুলার এই রকম খাইলে খান না খাইলে পুন্ডেন ধর্ম নিরপেক্ষ সংবিধান চাই। নিরপেক্ষ আইন চাই না।


আইনমন্ত্রী জানান, দুদকের মামলা জট কমাতে প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই আইনের সংশোধনী আনা হয়েছে। তবে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা বহাল থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলাও তদন্ত করতে পারবে দুদক।


দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা ও তুইলা দেন<img src=" style="border:0;" /> ডিজিটাল পদ্ধতিতে

সরকারি কর্মচারীরা সরকারি নাগরিক(বেসরকারি নাগরিক নয়) তাই তাদের বিচার করা যাবে? বেসরকারিদের বিচার করা যাবে না! কারন তারা গনপ্রজাতন্ত্রিক বাংলাদেশের বেসরকারি নাগরিক<img src=(" style="border:0;" />


আইনমন্ত্রী বলেন, "বর্তমানে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে যাকে সরকার নিয়োগ দিয়েছে তিনি সৎ ও দক্ষ। আমরা মনে করি তিনি দুদকের কাজকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিতে পারবেন।"



গোলাম রহমান( সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সচিব) তিনি সৎ ও দক্ষ এ রকম সৎ ও দক্ষ তো বিচারপতি কে এম হাসান ও ছিলো<img src=" style="border:0;" /> শুধু ষাফিকের জায়গায় মোতুত ছিলো।<img src=" style="border:0;" /> তাইলে সৎ দক্ষ মাপার যন্ত্রের নাম কি? হাসিনা আর খালেদা। তারা বেসরকারি তাই তাদের মামলা ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক। দেশ জাতি ষাফিকের সেক্যুলার কানে কানে বলে গিয়েছে ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক।




সূত্রঃ- ঢাকা, মে ০৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28946854 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28946854 2009-05-05 23:15:20
চেতনা বদলের কাল।


আওয়ামী লীগ গত নির্বাচনী ইশতেহারে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। দেশের মানুষ কে স্বপ্ন দেখিয়েছে। সে নির্বাচনী ইশতেহারের কি কি এ পর্যন্ত আওয়ামী রেখেছে? আমরা কি সেই ১/১১ পুর্ব রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছি না? এক নির্বাচনী রায়ে ৫ বছরে যা কিছু করার করা যাবে। কেউ তাদের বাধা দিতে পারবে না! বিরুদ্ধী দল কে ৫ বছরের জন্য শান্ত ছেলের মতো বসে বসে দেখতে হবে। কিন্তু ক্ষমতাবান সরকারের যা কিছু মন চায় তা করবে!




আওয়ামী লীগ শুধু সরকারে থেকে কেন, ক্ষমতায় না থেকে ও যা খুশি তা করার ক্ষমতা রাখে! কারন দেশটা জাতির পিতার। নীতি পরিবর্তন হয় কিন্তু ক্ষমতার চেতনা অপরিবর্তীত থাকে। গত ১৫/২০ বছরের গনতন্ত্রের নানা ক্রটি বিচ্যুতি দেশের মানুষ কি পরিমানে হতাশ করেছে সে উপলব্ধি আমাদের রাজনীতিবিদের হয়নি! এ দেশের সব রাজনীতিবিদেরা দুই পরিবারের পালক কুকুরের মতো। তাদের যা কিছু সাধানা আরাধনা সবই হাসিনা খালেদা কেন্দ্রিক। যার কারনে মনিব কুকুরদের শত অন্যায় অপরাধের মধ্যে ও রাজনীতির ষড়যন্ত্র আবিস্কার করে। তাতে অবশ্য নিপুন ভাবে সাড়া দেয় আমাদের হাইকোর্ট সুপ্রিমকোর্ট।








আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে একমাত্র এরশাদ ছাড়া আমাদের বিচার বিভাগ কি কোন দুর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্রকারি কে শাস্তি দিয়েছে? ঝুলিয়ে রাখা ছাড়া? শুধু চাষা ভূষা অসহায় গরীব মানুষের বিচার করার জন্য তো হাইকোর্ট সুপ্রিমকোর্ট গঠন করা হয়নি? অন্যতম এক বড় পালাতক দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী বাফুফে কে ২০০ কোটি টাকার জমি দান করে মইন সালাউদ্দিন ঘটা করে তা প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করে! শাহ আলমেরই বা কি দোষ যদি সালাম এফ রহমান আ.লীগের নেতা হয়? মইন চেতনা বদল করেছে! নাকি লুংগির তলে লুকিয়ে রেখে ছিলো? হয়তো আগামী কয়েক বছর পরে তারে বিশাল এক সুশীল লেংটা হয়ে নয়তোবা আ.লীগের বিশাল নেতা হয়ে হাজির হবে। যেই দিন থেকে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী কে সরানো হয়েছে আর্মি থেকে সেই দিন থেকেই সব চোর বাটপার ফালুরা সে আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে টাকার পুজা করে! নীতি তুমি এখন কোথায়? দুর্নীতির সে সব মামলা ঘুমাইবো যুগ কে যুগ হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টে! কেন? আবার সে আইনজীবি, রাজনীতিবিদেরা আইনের শাসনের কথা বলে ফেনা পালাইবো। আওয়ামীলীগ বিএনপি সরকারের আমলে দায়ের করা মামলা ক্ষমতায় এসে প্রত্যাহার করবে রাজনীতির ষড়যন্ত্রের চুতো খুজে! তবে আদালতে যাবে না রায়ের জন্য! কারন রায় যদি ধানমন্ডি অথবা মইনুল রোডে দেয়া যায় আদলতে যেয়ে কি হবে কিন্তু গরীব জজ মিয়ারা ঠিকই জেলে যাবে। বিনা অপরাধে ৭/৮ বছর জেলে পইচা মরবে! কিন্তু দুর্নীতির মামলায় ২২ বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী মহিউদ্দিনীরা আদলত থেকে জামিন নিয়ে নেত্রীর কদমবুচি করে নির্বাচনে প্রার্থী হবে প্রতীক পাগল জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবে! নেত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলবে কিন্তু সাজাপ্রাপ্ত( জামিন আছে) মহিউদ্দিন কে আইন বিষয়ক সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি বানাবে! মহিউদ্দিন নেত্রীর নির্দেশে সেই হাসান মাশহুদের স্হায়ী কমিটিতে তলব করবে! অনেকটা এ রকম চোর সুযোগ পেয়ে বিচারপতি কে কান ধরে উঠ বস করাবে! প্রতিশোধ। চির বিরুদ্ধী বিএনপি ও এই খুশিতে আত্মহারা! নির্শতে একমত। বাকী সবে দ্বিমত। গত কিছু দিন যাবৎ প্রায় শ'খানেক দুর্নীতিবাজ মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছে! সবই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র!





রাজনীতির দুই দলীয় খেলায় যে কেউ কাটা পড়তে পারে। তা গনতন্ত্রের স্বার্থে মেনে নিতে হবে। তা নিয়ে কিছু দিন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে কালো ব্যাজ ধারন করতে হবে নুর হোসেনের জন্য। কিন্তু ২০০৮ সালে স্বৈরাচার কে একই মন্চে নেয়ার জন্য টানা টানি করতে হবে! হে চেতনা হে আপোশহীন নীতি তুমি কোথায় থাকো তখন?




এই কিছু দিন আগে ঢাকার এক আদালত এরশাদের ক্ষমতা দখল কে বৈধতা দান করেছে(মানে মামলা প্রত্যাহার করেছে)! কার ইশারায়? যাদের ইশারায় এরশাদের ক্ষমতা দখল কে বৈধতা দেয় তারা(ইশারা দাতারা) কোন মুখে জিয়ার সমালোচনা
করে? এই আওয়ামী লীগ জামাতের সাথে আন্দোলন করেছে! কিন্তু কেন? হে চেতনা তুমি কেন তখন ঘুমিয়ে ছিলে? কেন তখন ঘুমিয়ে ছিলো আমাদের সেক্টর কমান্ডারেরা? এ সব বলতে নেই তাতে চেতনার লুঙ্গি খুলে যায়। আর মানুষ লজ্জাজনক পরিস্হিতিতে পড়লে সাধু ভাষায় রচনা লিখে<img src=" style="border:0;" /> কেউ শুইতে পারবে কিন্তু আপনি কইতে পারবেন না! ইহা রাজাকারীর লক্ষণ। বড় রকমের ব্লগীয় বিনোদন<img src=" style="border:0;" /> । যদি ও হাসিনা এই পর্যন্ত সেই আওয়ামী লীগ জামাতী জোটের অন্তররঙ্গ আন্দোলনের জন্য ক্ষমা চায় নি! এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না কারন রাজাকাদের সাথে চেতনা শুয়ে ক্ষমতা জন্ম দিতে পারবে কিন্ত উপাদানের গুনা গুনের কথা লেখা যাবে না!






এই সরকারের প্রথম মাসে বিডিআর বিদ্রোহ হয় যদি ও তা বিদ্রোহ ছিলো না। এই ঘটনার সাথে কিছু মন্ত্রী/ সাংঘাতিক সম্পাদকের জঙ্গি কানেকশন আবিস্কার! তাদের নিজস্ব শিরা সূত্রের!তদন্ত কমিটির নয়। আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি জঙ্গিদের তিন নম্বর স্তরের নেতা! বড়ই সুস্বাদু প্রচারনা। সেক্যুলার বলে কথা। যেখানে নীতি ঘুমায় সেখানে সেক্যুলার জাইগা উঠে। সেক্যুলারিত্বের জন্য অনেক গোপন গেম খেলা লাগে। জয়েরে গবেষনা, আব্দুল গাফ্ফার চৌ গৃহযুদ্ধের আহবান জানিয়ে স্বাধীনতা পদক পায়! , শাহরিয়ারের বর্বর ইসলাম ধর্ম এবং বর্বর সেনাবাহিনী সূত্র, "র" এর সাবেক প্রধানের বিডিআর প্রবন্ধ, সাবেক ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধানের নজর, সাবেক মার্কিন রাষ্টদূত বলে ছিলেন বাংলাদেশ ভারতীয় গোয়ান্দা সংস্হা এবং পাকিস্তানের গোয়ান্দা সংস্হার খেলার ময়দান।




ছাত্র রাজনীতির নামে যে ছাত্ররা ক্ষমতা লোভী নেতাদের হয়ে কাজ করে তা প্রমানিত সত্য। শুধু যে রাজনীতিবিদেরা ছাত্রদের ব্যবহার করে এমন ও নয় প্রায় সব ক্ষমতা লোভী চক্র জড়িত। তার মধ্যে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, মাদক চক্র সবই জড়িত। বর্তমান যুগের ছাত্র সমাজ যে সেই ৬০/৭০ দশকের নীতি আদর্শের মধ্যে নেই তা দেশের প্রতিটি সাধারন মানুষ বুঝতে পারলে ও আমাদের রাজনীতিবিদেরা বুঝে ও না বুঝার ভানে আছে! কারন ৯৯% রাজনীতিবিদের ছেলে মেয়েরা বিদেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়া লেখা করে। রাজনীতিবিদের দায়িত্ব শুধু টাকা কে ডলার বানিয়ে বিদেশে পাচার করা। ওহ্ শুধু যে রাজনীতিবিদের ছেলে মেয়েরা বিদেশে পড়া লেখা করে তাও নয়! বলা যায় এই গরীব এদেশের এলিট শ্রেনী ওয়ালাদের সব ছেলে মেয়ে
বিদেশে পড়া লেখা করে। তার মধ্যে আমলা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবি ভন্ডচেতনাবাদী পত্রিকার সম্পাদকদের ছেলে মেয়েরা পর্যন্ত আছে! তাই তারা পত্রিকায় লিখে গাছের গোড়া কাটলে তো সমস্যার সমাধান হবে না প্রয়োজন পরিবর্তন। কুত্তার লেজ কি সোজা হয়? গোড়া বারাবর না কাটিলে?


বিডিআর বিদ্রোহ, ছাত্রদের নৈরাজ্যের কারনে প্রায় সব কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় বন্ধ, বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা অবস্হা তাই ৩০০০ কোটি টাকার সহায়তা। এর মাঝে আওয়ামীলীগ বুদ্ধিজীবিদের মাথায় মইনুল রোডের বাসাটা নাযিল হয়েছে!! অনেক কিছু ঢেকে দেয়ার জন্য খালেদা জিয়ার বাড়ির
লিজ বাতিল করা হয়েছে। এটা কি পরে করা যেত না? তার মধ্যে বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার প্রক্রিয়া অন্যতম। শুধু তদন্তের তারিখ পরিবর্তনের খেলা চলিতেছে। কত সমস্যা সৃষ্টি করা যায়..



৩০০০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা দেয়া হবে! কাকে কাকে দেয়া হবে? যাদের অনেক তেল তাদের কে আরো তেল দেয়া হবে? পৃথিবীর সবচেয়ে সুবিধা ভোগী ব্যবসায়ী সমাজের বাস বাংলাদেশে। যারা হাজার রকমের সুবিধা ভোগ করার পরে ও
তারা .... ১. শ্রমিকদের সঠিক সময়ে বেতন না দেয়া ২. অতিরিক্ত সময় কাজ করিয়ে নেয়ার পরে ও ওভার টাইমের পয়সা না দেয়া । ৩. কাজের সুস্হ পরিবেশ নাই। ৪. টাক্স
ফাঁকি দেয়া। আবার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন!(লজ্জা শরম বলতে কি এদের কিছু আছে?) ৫. বিদেশে অর্থ পাচার ৬. শেয়ার মার্কেট নিয়ে খেলা।
৭. গোপন কারসাজির মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ পত্র মজুদ করে দ্রব্যমুল্যের দাম বাড়িয়ে অতি মুনাফা ভোগ করা। ৮. মেয়াদত্তীর্ণ পন্যো বাজারজাত করা। ৯. সঠিকমান নির্ধারন না করে উৎপাদন করা। ১০. রাজনীতিবিদের অর্থ দিয়ে অবৈধ সুযোগ লাভ করা।

আরো অনেক অপরাধ আছে যার সাথে প্রায় ৮০% ব্যবসায়ী সমাজযুক্ত। দেশের ১৫ কোটি মানুষের মাথায় কত টাকার ভোজা দিয়ে এই ৩০০০ কোটি টাকার সহায়তা দেয়া হবে? নাকি লুটপাট করা হবে। এখন দেখতাছি আমাদের আমপন্হি বামেরা চুপ!!! ঘটনাটা কি? তাদের কে কি হাসিনা মুহিতের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফেরা খরিদ
কইরা পালাইছে? আমি জানি না ঠিক আমাদের দেশের শ্রম আইনের কি অবস্হা। আইনে যাই থাকুক তার যে কোন কার্যকারিতা নাই তা প্রমান হয়েছে। শ্রমমন্ত্রনালয়ের
কর্মকর্তাদের কোন কাম নাই। বাংলাদেশের প্রয়োজন একটা কঠোর শ্রম আইন এবং তার
প্রয়োগ। না হলে ৩শ হাজার কোটি টাকায় শুধু ধনীরা ধনী হবে আর শ্রমজীবি মানুষ সে ৩০০০ কোটি টাকার দেনা মাথায় নিয়া ঘুরবে।




>> আরো অনেক কিছু কইবার ছিলো! আরো অনেক ফটুক দিবার ছিলো কিন্তু... <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28939166 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28939166 2009-04-17 04:36:16
আমি ডাকিতাছি বিবেক ... তুমি ঘুমাইছো নাকি ?




সবার নিশ্চয় মনে আছে ২০০৭ সালের আগষ্ট মাসের ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে
ঢাবির ছাত্র মেহেদীর সাথে সেনা সদ্যসের অপ্রীতিকর ঘটনার কথা। সে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সারা দেশে ভাঙচুরের খেলা চালিয়ে ছিলো ছাত্র নামের দেশের সূর্য সন্তানেরা। কত নিরীহ মানুষ ছাত্রদের হিংস্রতার শিকার হয়ে ছিলো। তখন আমাদের কথিত স্বঘোষিত ঢাবির জাতীর বিবেকেরা ছাত্রদের সংগ্রামের বারুদে আগুন দিয়ে ছিলো। প্রগতির আগুন যে কেমন তা দেশের মানুষ দেখেছে। যাই হোক সে বিবেকেরা অনেক জ্বালাময়ী ভাষন দিয়ে ছিলো... আমরা শুনেছি নেচেছি ... সেই নৈরাজ্যকর পরিস্হিতিতে সরকারি নির্দেশ ছিলো ছাত্র ছাত্রীদের হল ত্যাগের... কিন্তু তার বিপরীতে ঢাবিতে মাইকিং করা হয় বিবেকদের নির্দেশে.. ছাত্র ছাত্রীদের হল ত্যাগ না করার জন্য!! মেহেদির সাথে সেনা সদ্যসের তুচ্ছ ঘটনার জন্য আমাদের বিবেকেরা খাড়াইয়া গেছিলো। জরুরী অবস্হার বিরুদ্ধে ভাষন দিয়ে ছিলো! মেহেদীর সাথে জরুরী অবস্হার মিক্সিং করে জাতীর বিবেকের গেয়ান ডাইলা কত সুন্দর কালো ব্যাজ পরে ছিলো, দাঁড়িয়ে ছিলো দিবা নিশি! জাতীর চক্ষে পানি আইয়া গেছিলো/<img src=" style="border:0;" /> ব্লগে কত জ্বালাময়ী বিবেকের গুন গান হুনছিলাম। তাদের যোগ্যতা নিয়ে কুন প্রশ্ন নাই কারন এই জাতীর বিবেকিত শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয় সারা পৃথিবীর মধ্যে ৫০০০ তম।


যাই হোক.... জরুরী অবস্হা চলে গেলো নির্বাচন হৈলো চেতনার বাক্সো ভারী হৈলো.. জাতীর বিবেকেরা পদ ভাগাইলো! কিন্তু ছাত্ররা কি পেয়েছে?? এখন জরুরী অবস্হা নেই। এখন ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী নেই! এখন ফুটবল খেলার বদলে হল দখল খেলা চলে। এখন সেনাবাহিনীর অস্ত্রের প্রদর্শন বিশ্ব বিদ্যালয় গুলোতে হয় না তবে চেতনার বন্দুকের শব্দের মিছিল হয়! তবে বিবেক এখনো ঘুমাইতেছে! জাইগা উঠতে পারে নাই! কালো ব্যাজ পাইবো কই? সব কালো ব্যাজ জলপাইরা খাইয়া পালাইছে। এখন একই চেতনার সূর্য সন্তানদের শিকার হয় তাদের দলের ছাত্র ছাত্রী! প্রায় সব বিশ্ব বিদ্যালয় গুলো আজ বন্ধ। এখন বিবেকের দুয়ারে তালা মেরেছে কে? সেনাবাহিনী?


দুঃখের বিষয় হলো এই গনতান্ত্রিক সরকারের গত কয়েক মাসে যত ছাত্র নির্যাতন
এবং হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে তা গত দুই বছরের কেয়ারটেকার সরকারের আমলে ও হয়নি! অথচ তকন ঢাবি, চবি, রাবি, শাবির শিক্ষকদের চেতনা জেগে ছিলো এখন কোন মিছিল নাই কালো ব্যাজ নাই! স্বঘোষিত জাতীর বিবেক ঘুমাইতেছে!

আমি ডাকিতাছি বিবেক তুমি ঘুমাইছো নাকি.......?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28935514 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28935514 2009-04-08 23:40:25
আ গা চৌ কে নাকি স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে! কি জন্য?

বিশিষ্ট আ গা চৌ কে স্বাধানীতা পুরস্কার দেয়া হবে ২৫ মার্চ। কিন্তু কি জন্য? গৃহযুদ্ধের জন্য? বাংলাদেশে বিশিষ্টজনের অভাব পড়েছে মনে হয়। তাই বিট্রিশদের পোশা বিলাতী আ গা চৌ কে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে?!

এই সেই আ গা চৌ যে ২০০৭ সালে দেশে গৃহযুদ্ধের আহবান জানাই ছিলেন! অথচ এখন তারেই স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে! কি ডিজিটাল পদ্ধতি!


জয় মা ডিজিটাল কালি( হাসিনা)।
তুমি ধন্য! জাতির পিতা ও মনে অয় ধইন্যো।
এইরাম স্বপ্ন হে ও দেহে নাই!!!
তুমি জাতির পিতার স্বপ্নোরে ও
ছাইরা গেছো!!

জয় নাতিপুতি। জয় আবিতাল দিন বদল।



আ গা চৌ'র সে ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আহবান


নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক "বাংলা পত্রিকার" রিপোর্ট (আগস্ট ২৭, ২০০৭) নিউ ইয়র্কে উদীচীর অনুষ্ঠানে আব্দুল গাফফার চৌধুরী - সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই
==============================
বিখ্যাত কলামিস্ট ও লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সকল সমস্যার উত্‌স হচ্ছে সেনাবাহিনী। বঙ্গবন্ধু, ৪ নেতা সহ দেশের সেরা সন্তানদের হত্যা করেছে ওরাই। এরাই এখন চক্রান্ত করছে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে শেষ করার। এজন্য বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই।

উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী ও দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

গত শনি ও রোববার নিউ ইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়াতে অবস্থিত পি.এস. ১১২-তে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলন।

আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের নয়। ওরা ভাড়াটে পাকিস্তানী। ৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে। আর এবার যুদ্ধ করতে হবে পাকিস্তানী দাসদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, এই সেনাবাহিনী প্রতিটি হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী। বাংলাদেশের জাতীয় নেতা ছাড়াও উদীচী ও রমনা বটমূল বোমা হামলার নেপথ্য নায়ক হচ্ছে তারা। এজন্য এদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া জাতি মুক্তি পাবেনা।


Click This Link


Click This Link


এখন প্রশ্ন হইলো এর মতো একটা বদ হা গা চৌ কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পুরস্কার পায়?বিশিষ্ট আ গা চৌ কে স্বাধানীতা পুরস্কার দেয়া হবে ২৫ মার্চ। কিন্তু কি জন্য? গৃহযুদ্ধের জন্য? বাংলাদেশে বিশিষ্টজনের অভাব পড়েছে মনে হয়। তাই বিট্রিশদের পোশা বিলাতী আ গা চৌ কে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে?!

এই সেই আ গা চৌ যে ২০০৭ সালে দেশে গৃহযুদ্ধের আহবান জানাই ছিলেন! অথচ এখন তারেই স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে! কি ডিজিটাল পদ্ধতি!


জয় মা ডিজিটাল কালি( হাসিনা)।
তুমি ধন্য! জাতির পিতা ও মনে অয় ধইন্যো।
এইরাম স্বপ্ন হে ও দেহে নাই!!!
তুমি জাতির পিতার স্বপ্নোরে ও
ছাইরা গেছো!!

জয় নাতিপুতি। জয় আবিতাল দিন বদল।



আ গা চৌ'র সে ঐতিহাসিক গৃহযুদ্ধের আহবান


নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক "বাংলা পত্রিকার" রিপোর্ট (আগস্ট ২৭, ২০০৭) নিউ ইয়র্কে উদীচীর অনুষ্ঠানে আব্দুল গাফফার চৌধুরী - সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই
==============================
বিখ্যাত কলামিস্ট ও লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সকল সমস্যার উত্‌স হচ্ছে সেনাবাহিনী। বঙ্গবন্ধু, ৪ নেতা সহ দেশের সেরা সন্তানদের হত্যা করেছে ওরাই। এরাই এখন চক্রান্ত করছে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে শেষ করার। এজন্য বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই।

উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী ও দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

গত শনি ও রোববার নিউ ইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়াতে অবস্থিত পি.এস. ১১২-তে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলন।

আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের নয়। ওরা ভাড়াটে পাকিস্তানী। ৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে। আর এবার যুদ্ধ করতে হবে পাকিস্তানী দাসদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, এই সেনাবাহিনী প্রতিটি হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী। বাংলাদেশের জাতীয় নেতা ছাড়াও উদীচী ও রমনা বটমূল বোমা হামলার নেপথ্য নায়ক হচ্ছে তারা। এজন্য এদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া জাতি মুক্তি পাবেনা।


Click This Link


Click This Link


এখন প্রশ্ন হইলো এর মতো একটা বদ হা গা চৌ কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পুরস্কার পায়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28926188 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28926188 2009-03-18 21:28:05
ওএসডি হইতাম চাই। চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ চাই। মিষ্টার টেন/ টুয়ান্টি পারসেন্ট হইতাম চাই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ কিছু দিন আগে ভাষণ দিয়ে
ছিলেন যে জোট সরকারের সময় সব সেক্টরে দলীয় করন করা হয়েছে। সিঙ্গল আউট করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের কে। কিন্তু এখন কি হইতেছে? ও দিন বদল হইতেছে! যাক সব চেতনার লোকদেরই চাকরি করার অধিকার আছে। শুধু চেতনাবাদীরা খাইবে আর অন্য সাধারন পাবিলিকেরা পাছায় ট্যাগ লাগিয়ে বসে জনগণের ট্যাক্সের টাকা খাইবে? কাজ ছাড়া টাকা দিন বদল এভাবেই হয়? এখন প্রতিদিন দিন বদল হইতেছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে! আগে এনালগ পদ্ধতিতে হইতো। বিএনপি যা করেছে যদি আওয়ামীলীগ ও তা করে দিন বদলের নামে তাহলে দেশের জনগণ কে পাছা মারা খাওয়া ছাড়া অন্য কোন উপায় তো দেখতেছি না! কি আর্মি, কি পুলিশ, কি বিশ্ব বিদ্যালয়ের কেরানি, বিডিআর তো গেছে! সব জায়গায় চেতনার
ভূত আরাম কইরা বসতেছে! কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নাই! কাজের ও দরকার নাই! শুধু মুজিব কোট লাগাইয়া কিছু ভাবের কথা কইয়া যাইবেন।

ছাত্রলীগের পোলাপানদের পড়া লেখার কোন প্রয়োজন নাই। শুধু চেতনার রামদা হকস্টিক লইয়া অন্য পক্ষ কে দৌরাইবেন। পাস এমনেতেই মিলবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। চাকরি তো রেডি চেতনার জন্য। শুধু আপনার জন্য না! আপনার বাপ দুলা ভাই ও ইহাতে উপকৃত হইবে চুক্তি ভিত্তিতে। আর চাকরি না পাইলে কি হইবে টেন্ডারবাজি বা টেন টুয়ান্টি পারসেন্ট তো রেডি! শুধু জয় বাংলা চাই...... আর কালো কোর্তার ট্যাগী চেতনা চাই।

দিন বদলের ডিজিটাল যুগ বলে কতা...... কেউ কিছু জানে না বুঝে না! শুধু স্মরনে রাইখেন এই ডিজিটাল যুগের কথা।

জয় বাংলা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28924373 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28924373 2009-03-14 22:29:55
আব্দুল গাফ্ফার চৌঃ গৃহযুদ্ধের আহবান জানাই ছিলেন সেই ২০০৭ এ !!! কিন্তু ২০০৯ ..? ২০০৭ এ গাফ্ফা চৌ যা বলে ছিলেন

দ্বীপবালক ভাইয়ের সে পোষ্ট....
Click This Link
নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক "বাংলা পত্রিকার" রিপোর্ট (আগস্ট ২৭, ২০০৭) নিউ ইয়র্কে উদীচীর অনুষ্ঠানে আব্দুল গাফফার চৌধুরী - সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই
==============================
বিখ্যাত কলামিস্ট ও লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সকল সমস্যার উত্‌স হচ্ছে সেনাবাহিনী। বঙ্গবন্ধু, ৪ নেতা সহ দেশের সেরা সন্তানদের হত্যা করেছে ওরাই। এরাই এখন চক্রান্ত করছে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে শেষ করার। এজন্য বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া মুক্তির পথ নেই।

উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী ও দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

গত শনি ও রোববার নিউ ইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়াতে অবস্থিত পি.এস. ১১২-তে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলন।

আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের নয়। ওরা ভাড়াটে পাকিস্তানী। ৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে। আর এবার যুদ্ধ করতে হবে পাকিস্তানী দাসদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, এই সেনাবাহিনী প্রতিটি হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী। বাংলাদেশের জাতীয় নেতা ছাড়াও উদীচী ও রমনা বটমূল বোমা হামলার নেপথ্য নায়ক হচ্ছে তারা। এজন্য এদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ছাড়া জাতি মুক্তি পাবেনা।
............................
গাফফার চৌধুরীর বক্তব্য রিপোর্টে আরো অনেক উস্কানীমূলক কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আমি তা আর উল্লেখ করে পাঠকদের বিরক্তি উত্‌পাদন করতে চাইনা।
কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার। তার বক্তব্য সুস্পষ্টভাবে গৃহযুদ্ধের আহবান। সেনাবাহিনী এবং সরকারের বিরুদ্ধে "সশস্ত্র সংগ্রামকে" গৃহযুদ্ধ ছাড়া আর কিছু বলা যায় কিনা আমার জানা নেই।

কি চান, মিঃ আগাচৌ? যারা তার মতো করে ভাবেন তারাও কি চান? দেশটাকে ছারখার করলে কার লাভ? গৃহযুদ্ধ লেগে গেলে লাভ হবে কাদের? দুনিয়ার অসংখ্য সশস্ত্র সংঘাত থেকে আমরা কি কোন শিক্ষালাভ করতে পারিনা?

দেশের নাগরিকরা যারা নানামূখী রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে দিশেহারা তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সমস্ত ধংসের দূতদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ছাড়া এখন আর কোন বিকল্প নেই। সশস্ত্র যেকোন সংগ্রামকে রুখে দেয়ার জন্য আমাদেরকে তৈরি থাকতে হবে।






২০০৯ এ গাফ্ফা চৌ যা বলেছেন


ঢাকা, মার্চ ৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করে রিমাণ্ডে পাঠালে বিডিআর সদরদপ্তরের ঘটনার পেছনের ষড়যন্ত্র বেরিয়ে আসতো বলে মনে করেন বিশিষ্ট কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল গাফফার চৌধুরী।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রোববার গাফফার চৌধুরী বলেন, "খালেদা জিয়া, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠালে এই ষড়যন্ত্রের কথা বের হয়ে যেতো। আসল অপরাধী ধরা যেতো।"

তিনি বলেন, "২৫ ফেব্র"য়ারি বিডিআর সদরদপ্তরে যা ঘটেছে তা নতুন ঘটনা নয়। ১৯৫৪ সাল থেকেই এই ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র চলছে।"

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে সন্ধ্যায় ৭ই মার্চ উপলক্ষে যুবলীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

জিয়াউর রহমানকে বঙ্গবন্ধু ও জেল হত্যার 'পৃষ্ঠপোষক' অভিহিত করে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, "জিয়া বিচারের নামে প্রহসন করে ১৩শ' সামরিক অফিসারকে হত্যা করেছে। খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক নেতা হয়ে ক্যান্টনমেন্টে বসে ষড়যন্ত্র করছে।"

তিনি বলেন, "দেশের যা অবস্থা দ্রুত খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের করে দেওয়া উচিত। শেখ হাসিনা যদি এ সময় সাহস দেখাতে না পারেন, তাহলে দেশে আর একটি ১৫ আগষ্টের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।"

গাফফার চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনা গ্রেপ্তারের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন না।

কোনো নেতার নাম না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য যুবলীগের নেতাদেরকে আন্দোলন না করার জন্য বাংলাদেশ থেকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, "বিডিআরের ঘটনার পর সরকারের কাঁধে দায় চাপাতে বিরোধী দলীয় নেত্রী একদিন সংসদে গেলেন।

"আর তিনিই বলেন, 'সংসদকে কার্যকর করার জন্য সকল কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে ।' অথচ তিনি এখন সংসদের বাইরে নানারকম বক্তব্য দিচ্ছেন।"
কৃষি মন্ত্রী বলেন, বিডিআরের পাঁচ নম্বর গেটে কার বাড়ী জনগন তা জানে। কারা বিডিআর জনতা ভাই ভাই শ্লোগান দিয়েছে- জাতি তা জানে।

তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে এবং উৎখাতের জন্য এ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, "খালেদা জিয়া বলেছেন, 'তিনি নির্বাচনের আগেই জানতেন এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটবে।' তাহলে তিনি কেন আগে থেকে সরকারকে তা জানালেন না।"

তিনি বলেন, এখন কাদা ছোঁড়াছুড়ির সময় নয়। সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ১/ ১১ এর পর শুধু আওয়ামী লীগই ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। বিএনপিরও ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং যুবলীগের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ২৫ ফেব্র"য়ারির বর্বরোচিত ঘটনার সমাধানের লক্ষ্যে সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গৃহযুদ্ধ ঠেকাতে বিডিআর সদরদপ্তরে যাই। অথচ এখন আমাদের দিকে অনেকেই সন্দেহের তীর ছুঁড়ছে।

তিনি বলেন, "বিডিআরের পাঁচ নম্বর গেটে নাসিরউদ্দিন পিন্টুর লোকেরা মিছিল করেছে আর দোষ দেওয়া হয় আমাদের।"

নানকের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. খন্দকার বজলুল হক, বঙ্গবন্ধুর প্রেস সেক্রেটারি আমিনুল হক বাদশা, যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মীর্জা আজম প্রমুখ।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28921725 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28921725 2009-03-09 02:10:25
পিলখানা হত্যাকান্ডের সঠিক তদন্ত এবং বিচার কি হবে? আমার মনে হইতেছে না।

প্রথমে বইলা নি যদি মিথ্যা হয় তাইলে আমার ফাঁসি চাইয়েন...:-*

অপ্রমানিত বা তদন্ত হইতেছে এমন কোন বিষয়ে অন্য কারো প্রতি আলে মাল আঙ্গুল তুইলা অগ্রীম বয়ান দেয়া কতটুকু বৈগ্গানিক গেয়ানের? জানি না তবে আমাদের বৈগ্গানিক বাঙালী বুদ্ধিজীবীদের বুদ্ধির সীমানা দেইকা হাসি না দুঃখে কান্দি ও না খালি আনচান আনচান করি! তারা কেমনে এইরাম কতা কইয়া যায়? সন্দেহোবাদী জাতির
.... ন্দে যে নব্য নব্য মীর জাফর, ঘষ্টি বেগমেরা বাঁশ দিবো পরে টের পাইবো ঠিকই কিন্তু তখনো সন্দেহে থাকিবে বাঁশ কি দিয়েছে?! কারন খাইতে খাইতে দিশেহারা একন অন্য কেউ দিলে ও কইতে পারে না!

অনেকে অনেক কথা কইবেন জানি! আমি বা কেমনে জানি প্রশ্ন করবেন। তবে আকাশ
দেখলে বুঝা যায় বৃষ্টি হবে নাকি কালো মেঘে ঢাকা থাকবে। ঘটনার শুরু থেকে এখন
পর্যন্ত বাঙালীরা বিভক্ত। শুধু আইজ কাইলকার থেইকা না! জন্মের পর থেইকা! রাজনীতিবিদ, অতি বুদ্ধির বুদ্ধিজীবিরা,সাংবাদিক, ব্লগার, টকশোওয়ালারা দলীয় আমজনতা কি পাশেরদেশী! কেউ আছে ধান্দায় কেউ আছে গুজবে আর কেউ আছে সাধারনের অসাধারন তত্বের সূত্র খুইজা চক্কর খাইতেছে। কেউ আছে বিদ্বেষে কেউ আছে নেত্রীর বয়ান বিলাইতে। কেউ বাঁচতে চায় বিপদ থেকে কেউ কলেমা পড়তেছে মরন আইতেছে এই জন্যে আবার কেউ আদি ঢোল বাজাইতেছে ভানে সব কিছুতে আলু পোড়ানোর গন্ধ খুজে। মা কালি আছে বিপদে কারে কেমনে তিনি পুজায় রাখবেন ব্যস্ত। হাত পা নড়ে না! নড়ে না চোখ তবু তিনি কান্নায় ব্যস্ত! চোখের নদী শুকায় গেছে ভাবিতে ভাবিতে....,

চেনা শত্রু কে চেনা যায় অচেনা শত্রু কেমনে চেনা যাইবে ? যদি চেনা শত্রুর পোন্দেই
লাইগা থাকি? সকল আ'কামের জন্য তারা দায়ী ভালা কামের জন্য হাসু আর খালিদা!!
যদি ও তারা কাদা নিয়ে কাদা কাদি করে ইহার মাঝেই খুজি গনতন্ত্র , প্রগতি আমদানি রপ্তানি। সামনের শত্রু অনেক ভালা পিছনের ছুপা লাদাকার থেইকা। তাই দয়া কইরা
হগ্গলে তদন্ত ণা হওয়া পর্যন্ত ব্লগে পত্রিকার পাতায় টিভির টকশোতে সন্দেহের লাদি
ছুটাছুটি করবেন না। তবে শুনলাম কয়েক শিয়াল এসেছে মুরগির রোগ অনুসন্ধানে দিল্লীরশ্বর থেইকা? শেষ পর্যন্ত মুরগি রোগ না জানি(সাজানো) বাঘের প্রজজনে হইচে এমন শুনি!! কারন শিয়ালই অভয় দিয়েছে মুরগি কে বাঁচানো হৈবে! মুরগি বুদ্ধি দিয়ে
শিয়ালের রুপ ধরতে পারেনি! তাইলে এক ঢিলে দুই পাখি না শিকার করতেই থাকিবে
নিশ্চন্তে........




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28921671 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28921671 2009-03-08 23:46:34
ব্লাডি ইন্ডিয়ানই কি ব্লাডি সিভিলিয়ানে বিবর্তীত হৈচে ঝাকরাচুল হেলিয়া কয়.. ব্লাডি সিভিলিয়ান। প্রগতির চা'র কাপ চুমাইয়া নিরব ভঙ্গিতে সহযুদ্ধা কে বিনা পয়সায় পায়চারি দিয়া ব্লাডি সিভিলিয়ানের মহিমা বুঝায় আবার কেউ কেউ সস্তা তরু লরু ময় ব্লাডি সিভিলিয়ান খবিতা লেখিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে বুদ্ধির ভিক্ষা করে মাত্র দুইজন পিছনে লইয়া। চিলা মিয়ারে কানের জন্য রোদের মইধ্যে খুজে
দিশেহারা হুজুগে বাঙালী। বর্তমান দুনিয়াটা ভাব ধরার! যে যত ভাব ধইরা জাতীরে ফ্রী ভারি ভারি গেয়ান দিতে পারবো সে হলো যাই মহা গেয়ানি। কিন্তু ব্যক্তি জীবনে মাংসপুজায় যতটুকু বাঘ তারা দিনের সমাজে নিরামিষ অরুপ সুন্দরী কে ও মা কালি বলিয়া নমস্কার দেয়। রাতে মা কালির আশায় আশায় রাত পার করিয়া ব্লাডি রজনী লেখিয়া পদক পদলেহন পায়। যাক অনেক কতা কইয়া পালাইছি.... ব্লাডি ইন্ডিয়ানের আবিস্কার করছে বিট্রিশেরা সে ২০০ কি ৩০০ বছর আগে। সে যুগ এখন আর নাই। সে গালি খাইয়া অনেকের এখনো একই ধরনের গালি খাইবার ইচ্ছা জাগে বা নিজেরা নিজেরা আবিস্কার কইরা অন্যের বিরুদ্ধে জয়গান গাইয়া যায়। কিন্তু আমার কথা হইলো যারা সেনাবাহিনীর এরা কারে কারে বা কোন সময় ব্লাডি সিভিলিয়ান গালি দিছে। যদি সেনাবাহিনীর কোন সৈনিক বা কর্মকর্তা কাউকে ব্লাডি সিভিলিয়ান গালি দিয়া থাকে তা কেমনে এত প্রচার পাইলো? সে গালি গালিরাজে মহিমান্মিত হইলো? অথচ রাজনীতিবিদেরা আমগোরে কত গালি দিতেছে... একটা গালি ও মনে হয় আম জনতা সিভিলিয়ানদের স্মরনে নাই! সেনাবাহিনীর মানুষেরা বিট্রেন থেইকা আসে নাই তারা এই ভূমিরই সন্তান। তাদের বাপ মা ভাই বোন সবাই সামরিক বাহিনীতে চাকরি করে না তাই তারা ও আমার মতো সিভিলিয়ান। তেমনই সব রাজনীতিবিদের বাবা মা ছেলে মেয়ে ও রাজনীতিবিদ নয়। প্রত্যেক পেশায় কেউ না কেউ জড়িত। কিন্তু শুধু মাত্র সিভিলিয়ান নন সিভিয়ানের গালি নিয়া প্রচারনা চালাইয়া কি কোন লাভ হইতেছে? বিদ্বেষ ছাড়া? আজকাল বিডিআরের বিদ্রোহীদের জন্য অনেকের পুড়তেছে আর আর্মি ধুইতেছে ব্লাডি সিভিলিয়ানের লোকমুখের স্মৃতির বয়ান লইয়া। কিন্তু বিডিআর কি সিভিলিয়ান? প্রত্যেক পোশাক পরা মানুষই রঙের কারনে বিভিন্ন নাম নিয়েছে কর্ম ভিন্নতায় ও তা হয়। কিন্তু আমরা সবাই মানুষ বাংলাদেশী কি ভাবা যায় না?

আমি জানতে চাই যে এ ব্লগের কতজন ব্লগার কে ব্লাডি সিভিলিয়ান বলে সেনাবাহিনীর সৈনিক বা কর্মকর্তারা গালি দিয়েছে?? শুধু চিলের পিছে ব্লাডি সিভিলিয়ানের দৌড়ানির চেয়ে প্রত্যেক সিভিলিয়ান ব্লগারের উচিত নিজের কান কে জিগ্গেস করা সে এই গালি শুনেছে কি না?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28919766 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28919766 2009-03-04 02:12:25
কর্নেল গুলজার কে কেন বদলি করা হয়ে ছিলো?

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28917795 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28917795 2009-02-28 01:13:12
রাজনীতির খেলা না খেলে সঠিক তদন্ত করুন। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28917187 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28917187 2009-02-26 23:45:50 দুপুর ২টার মধ্যে অস্ত্র সমর্পণে সম্মত পিলখানার বিদ্রোহীরা
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২৬ (বিডিনিউজ ২৪ ডটকম)- কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সঙ্গে আলোচনার পর বিদ্রোহী বিডিআর এর প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, বেলা ২টার মধ্যে তারা অস্ত্র সমর্পণ শেষ করবেন। (আরও তথ্যসহ-২)

পিলখানা সদরদপ্তরে আটকেপড়া পরিবারগুলোকে উদ্ধারের জন্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর নেতৃত্বে সরকারের একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার সকাল সাতটার দিকে সদরদপ্তরের গেটে যান। পরে বিডিআর সদরদপ্তরের অদূরে হোটেল আম্বালা ইন-এ সকাল ১০টার দিকে তাদের মধ্যে এ আলোচনা শুরু হয়।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন- এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংসদের হুইপ মির্জ্জা আজম, সাংসদ ফজলে নূর তাপস, পুলিশের মহা-পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ ও মহানগর পুলিশ কমিশনার নাইম আহমেদ।

আলোচনার পর বিদ্রোহী বিডিআর'র প্রতিনিধি ১০ জওয়ানের একজন সাংবাদিকদের বলেন, "দুপুর ২টার মধ্যে অস্ত্র কোঁতে জমা দেওয়া হবে। চাবি থাকবে তৌহিদ স্যারের কাছে। আমরা সকল জওয়ানকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।"

সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য স্থানীয় সাংসদ ফজলে নূর তাপস সাংবাদিকদের বলেন, "সিনিয়র বিধায় ডিএডি তৌহিদকে বিডিআর সদস্যরা তাদের নেতা হিসেবে মেনে নিতে সম্মত হয়েছেন। তারা তার অধীনে অস্ত্র সমর্পণ করবেন। এরপর সকল জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।"

এর আগে বুধবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের কয়েক দফা আলোচনা হয়।

বিডিনিউজ ২৪ ডটকম/এলএইচ/এসআইটি/এজে/এইচএ/১২৩০ ঘ. ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28916821 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28916821 2009-02-26 13:29:55
আমেরিকা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সহযোগিতা করবে!!!! ইতিহাস কি বলে?
হাসুম না কান্দুম বুঝতে পারতেছি না! কারন এই সে দেশ যারা ৭১'রে আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধীতা করেছে। যে রকম ইসরাইল কে দিয়ে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা হচ্ছে। তেমনই পাকিস্তানীদের কে দিয়ে আমাদের মা বাপ ভাই বোনদের হত্যা করা হয়েছে। কিসিন্জারের সে ব্যঙ্গ উক্তি তলা বিহীন ঝুড়ি। আমাদের সোনার বাংলা আর কি। আমেরিকা যে বঙ্গবন্ধু হত্যার কারসাজিতে যুক্ত ছিলো তা লিখিত কাগজের সত্য না হলে ও অলিখিত সত্য। ৭১'রে পাকিস্তান তাদের বন্ধু ছিলো। ওসামা বিন লাদেন ছিলো রাশিয়া কে হটিয়ে আফগানিস্তান দখলের গুটি.. ফেয়ারের দোস্ত। যেই সে আমেরিকার আসল খায়েসে বাদা দিলো ( আমরিকার স্বার্থ অনুযায় আফগান সরকার চালানো মানে রাশিয়ার পরিবর্তে আমেরিকীয় শাসন)। তেমনেই সে সন্ত্রাসী! সে কি আগে সন্ত্রাসী ছিলো না? স্বার্থের জন্য আমেরিকা সব করে! আমেরিকা যার বন্ধু তার নাকি শত্রু'র প্রয়োজন নাই। ইহা এক খান বিখ্যাত নয় অমর বাণী<img src=" style="border:0;" /> বর্তমানে আমেরিকার বড় দোস্ত হইলো যায় ইসরাইল , ভারত অথচ এই ভারত ৭১রে ছিলো শত্রু রাষ্ট গুলোর মধ্যে একটি! এমনো হতে পারে ভবিষৎতে ইসরাইলীদের বিচার হবে ফিলিস্তিনীদের গনহত্যার! এবং তা আমেরিকান সরকারের সহযোগিতায়! :-* তখন পৃথিবীর মানুষ হাসবো বিচার পেয়ে। আমি কিন্তু কান্দুম <img src=" style="border:0;" />

এ পৃথিবী বিচিত্র নয়! শুধু পৃথিবীর আমেরিকাই বিচিত্র।

পুজিঁবাদীদের লাভের হিসাবের চোখ যে কোন সময় কোন আকাশে চক্কর মারে ঈশ্বর
পর্যন্ত মনে হয় জানে না! হয়তো জানে তবে খেলা দেখিতেছে মানুষ কিভাবে ভুলে যায়
অতীত!

খেলেছো এ বিশ্বলয়ে বিরাট ও শিশু আনমনে........
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28908572 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28908572 2009-02-09 02:26:21
টিফা, ট্রানজিট চুক্তির জন্য বর্তমান সরকার (আওয়ামীলীগ) এত মরিয়া কেন?






আদা, পেন্টু টি শার্ট ও গগলাস হাবিল উরপে বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খানে পাঠান
কেন এত ব্যস্ত হয়ে পড়লো টিফা এবং ট্রানজিট(আওয়ামী ভাষায় ট্রানজিট যাকে করিডোর বলা হয়) চুক্তির নিয়ে? আপার লেজে মনে হয় জলদি করতে বলেছে...<img src=" style="border:0;" /> মাত্র তো আইলেন একতু ধীরে ধীরে বিক্রি করেন। একটা পুরানা জুকচের কতা মনে পইরা গেলো এর আগে ও মনে হয় কইচিলাম... কেউ আবার খারপ ভাবে নিয়েন না কারন কারো মুখের বুলি কারো কাছে গালি<img src=" style="border:0;" /> যাই হোক জুকসটা বইলা পালাই..

আমার এক সিলোটি দুস্ত আচিলো হে একদিন কয় দুস্ত নতুন ভো... জ্বলে বেশী আমি
শুইনা ভাষা হারাই :-* চুপ থাকি... তার পরে হে কয় দুস্ত সিলোটীরা কেরোসিন চেরাগ
বাতির সুতা কে ভোদা বলে!!!! সত্য মিথ্যা জানি না!! আগুন দিলেই নাকি দপ কইরা জ্বইলা উঠে<img src=" style="border:0;" /> তয় হাসিনার লেজে কি আগুন দিলো ফারুকের চেরাগে দিতেই দপ কইরা জ্বইলা উঠছে!! দপ কইরা জ্বইল্লে যে পুস কইরা নিভতে হয় তা মনে হয় ফারুকে খিয়াল কইরা উঠতে পারতেছে না! নাকি ইহাতে ও রাজনীতির কুনো কিছু আচে.......। টিফা ট্রানজিট চুক্তির জন্য আওয়ামীলীগ এত মরিয়া কেন? ভাবে সাবে তো
মনে হয় এসব চুক্তির চেতনার জন্যেই যেন প্রণাম করে ক্ষমতায় এসেছে? না হলে এত তাড়াহুড়া কেন? আমিলিগারের ক্ষেইপা যাইয়েন না! কারন জনগণের ভুটে নির্বাচিত ষাড়কার কিভাবে জাতীয় সংসদ বাদ দিয়ে চুক্তির স্বপ্ন দেখে? মন্ত্রীসভার অনুমোদনেই যদি সব কিছু হয় তাহলে জাতীয় সংসদের কি দরকার? ওরা মাত্র ২০/২১ জনে
কি আর কইবো... একুক সংখ্যা গরিষ্ঠ আবালেরা থাকতে! এখন প্রশ্ন চুক্তির পরে নাকি চুক্তির আগে সংসদে টিফা, ট্রানজিট নিয়া আলোচনা করা হবে? চুক্তির আগে তা সংসদে নেয়া হোক এবং মিড়িয়া কে দেয়া হোক।

সবাই লাভের হিসাব দিতেছে!! লসের হিসাব টা তো দেয়া দরকার। জনগণের ভুটে
নির্বাচিত জাতীয় সংসদের এমপি, সরকারের মন্ত্রী নিশ্চয় লসের হিসাবটা ও আপনের
দেয়া উচিত জনগণ কে।

সা.ইনে অনেক গেয়ানি ব্লগারেরা আছে তারা অবশ্য এ নিয়ে আলোচনা করতে পারে।
কিন্তু দলীয় স্বার্থের কারনে দেশের স্বার্থ নিয়ে তাগো ভাবনার টাইম নাইক্কা.....:-*
দেশের স্বার্থে নিজেদের গেয়ানের পানি একতু হইলে ও ঢালুন... সা.ইনে...

জয় বাংলা।







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28906897 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28906897 2009-02-05 01:24:12
আওয়ামী লীগের সাংসদ ম খা আলমগীর বলেছেন .... এবং কিছু প্রশ্ন?

১.তিনি বলেন, "আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিপাহী-শাস্ত্রী হাতে বন্দুক পেয়ে আর যাতে রাষ্ট্রের মালিক হয়ে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। না হলে আগামী প্রজন্ম আমাদের মাফ করবে না।" :-*

>> সেনা বাহিনী যে রকম জনগণের করের টাকায় খায় তেমনি তুমি ও খাইতেছিলা। তুমি ছিলা বাংলার জনগণের চাকর। সে তুমি কেমনে জনতার মন্চে দাঁড়াইয়া ছিলা এবং চাকর হইয়া তুমি কেমনে জনগনের রাষ্টের নিয়ম লংঘন কইরা ছিলা? তোমারে সচিবালয়ে কোন পার্টি করার জন্য জনগণ টেকা দেয়নি! তোমারে কতবার ফাঁসি দেয়া উচিত? নাকি হেরে হের পুলা মাইয়ারা মাফ কইরা দিছে?


২.রাষ্টপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দিতে গেয়ে মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেন....
এই মুহূর্তে ব্যবস্থা না নিলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) 'দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত' হবে এবং দুদকের কার্যক্রম যাচাই করার জন্য সংসদীয় কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে সাবেক এই পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, "কোন ক্ষমতা বলে কর্মচারী দিয়ে দুদক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম সমীক্ষা করেছে ? দুদকের চেয়ারম্যানের নিয়োগ কী সঠিক ছিলো ? তারা যেসব মামলা করেছে তা কী সঠিক ছিলো ? দুদক কোন অধিকার বলে তাদের পাবলিক প্রসিকিউটরদের পারিতোষ দেয়েছে ?"

>> হাঁ দুদক কে কিভাবে (যাতে ১৯৯৬ সালের মতো দূর্নীতির ১ নাম্বারে যাওয়া যায়)আখড়ায় পরিনত করা যায় সে জন্য ম খা আলমগির কে সংসদীয় কমিটির সভাপতি বানানো হোক।

>> যারা জনগনের টাকা খাইয়া পোলা মাইয়া উৎপাদন করে এবং জনতার মন্চে নৃত্য মারে তারা হগ্গলেই কর্মচারী ম গা আলগির। সবাই তো কর্মচারি! তাহলে কর্মচারি ছাড়া কিভাবে তোমার আপার তদন্ত চলাইতো?? বিদেশ থেইকা আমদানি করতে হইবো? না ১/১১ পরের কোন নিয়োগই সঠিক ছিলো না!! তাইলে তুমি যে ভুটে নির্বাচিত হয়েছো সে ভুট ও অবৈধ!

৩.দুদকের কর্মকর্তাদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়ার দাবি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, "১৮ জনের মধ্যে কোন আইনে নিরাপত্তা বাহিনী থেকে ১২ জন পরিচালক নেওয়া হয়েছে। সততার মানদন্ড কী শুধুই নিরাপত্তা বাহিনী। আক্ষরিক অর্থেই দুদক দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।"

মহিউদ্দিন খান আলমগীর তার বক্তব্যে দুদকের চেয়ারম্যান হাসান মশহুদকে 'নির্লজ্জ' হিসাবে আখ্যায়িত করেন।

>> আগে তোমারা যারা সংষদে গেছে মাইনষের ভোটে তারা হিসাব দাও। তারপরে অন্যের পোন্দে হাত দিয়ো..। না ১৮ জন কে নিরাপত্তা বাহিনী থেইকা নিয়োগ না দিয়া তোমার মতো সিঁদকাটা চোরদের নিয়োগ দেয়া উচিত চিলো। আক্ষরিক অর্থেই আমাদের হাইকোর্ত, সুপরিমকোর্ট তোমার মুল্য বুঝচে!!! রফিক ব্যপক দূষিত আইনের গেয়ান রাখে। হাসান মাশহুদ নির্লজ্জ!! তবে তোমার লজ্জা যে একতু বেশী তা বুঝা যাইতেছে..

৪.তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "বিদ্যুত উৎপাদন একটুও না বাড়িয়ে সংবিধান লংঘন করে সিটিজেন চার্টার উপস্থাপন করা হয়েছে। এক দিকে বেটার বিজনেস ফোরাম গঠন করা হয়েছে, আর অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের নামে কাউকে টাকা লুটের অধিকার দেওয়া হয়নি।"

>> হ তারা বিদুৎ উৎপাদন না কইরা সংবিধান লংঘন করেছে! কিন্তু তুমি জনতার মন্চে নাইচা ও কিছু করো নাই!! কারন তুমি পা চাটা কু...। ব্যবসায়ীদের কাছে থেইকা জোর করে টাকা আদায় কইরা তারা নিয়া গেছে! হাসান আল মামুনের মতোরা বিচাল ব্যবসায়ী!! সংবিধানের নামে অন্য জেলার উন্নায়নের টেকা তোমার জেলায় ডালোনের অনুমতি দিয়েছে?

৫. তিনি বলেন, "আমাকে ১৩ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর একদল সদস্য চেয়েছেন নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে। আমাকে বলা হয়েছিলো আমি যদি আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেই তাহলে বাড়িতে চলে যেতে দেওয়া হবে। আমি জানতে চেয়েছিলাম আমি মিথ্যা সাক্ষী না দিলে কী হবে। এর জবাবে বলা হয়েছিলো, আমার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হবে।"

>> সেনা বাহিনী তারে কারাদন্ড দিয়েছে!! তোমার মতো বদমাইশদের ১৩ হাজার বছর কারাদন্ড দেয়া উচিত। হ সেনা বাহিনী এখন ক্ষমুতায় মইন প্রধানমন্ত্রী!



এর মতো ম গা আলমগিরারে নিয়া পোষ্ট দিতে মন চাইতে ছিলো না! তারপরে ও
দিলাম! কারন.... এই ম খা আলমগিরা কিভাবে যে আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত
হয়! কিভাবে ১৩ বছর কারাদন্ডের পরে ও নির্বাচন করার অনুমুতি পায়?? সরকার
দলীয় লোকদের আইন মানা লাগে না! যার কারনে এই সব চোর বাটপার আমাদের করের টাকায় সংসদে শীতল হাওয়া খায়! আবার কেউ কেউ(হাজি সেলিম,ডাঃ ইকবাল) মাটির নিছ থেইকা .... উইঠা স্বগৌরবে জননেত্রীর সাথে মিটিং করে!! ডিজিটাল পদ্দুতি বলে কথা।


তয় আজকে হাসিনারে একটা ধন্যবাদ দিতে মন চায়....কেন? আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আবার চালু করার জন্য। অনেকককককককককককককককককককককককক
ধন্যবাদ। তবে বাচুর গুলার দিকে খেয়াল রাইকেন ... তারা যেন অন্যের জমিতে
মুখ না দেয়...<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28905507 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28905507 2009-02-02 00:57:33
অবৈধ মানব ব্যবসায়ী দালাল বা আদম ব্যপারীদের বিচার কে করবে?? কিছু প্রশ্ন..।



অবৈধ মানব পাচারের কাহিনী নিয়ে কিছু দিন পর পরই বিশ্ব মিড়িয়াই তোলপাড় করা খবর হয় বাংলাদেশের। কিছু লোভী নির্দয় মানব পশুর প্রতারনার শিকার হয়ে কেউ ফাড়ি দিচ্ছে পায়ে হেটে মরু সাহারা আবার কেউ ছোট্র নৌকায় ফাড়ি দিচ্ছে ভারত মহা সাগর, ভূ-মধ্যো সাগর! জেনে শুনে অসহায় মানুষদের সব সহায় সম্বল নিয়ে নিষ্টুর ভাবে তাদের কে হত্যা করা হচ্ছে। হয়তো কেউ বলবেন যে মানুষ কেন তাতে সাড়া দেয়? সে প্রশ্ন আমার ও কেন? আমাদের রাষ্ট বা সরকার কে তার উত্তর দেয়া উচিত। যে দেশের প্রতিটি স্তরেই সাধারন মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়, সে দেশের সেই মানুষদের বেঁচে থাকার জন্য কি বা করার আছে?? উন্নায়নের জোয়ারে কিভাবে দেশের মানুষ ভেসে যাচ্ছে?
এই ধরনের মানব হত্যা কে কিভাবে মেনে নেয়া যায় তাও আবার যুগ কে যুগ? আজ পর্যন্ত একজন আদম ব্যপারীর ও ন্যায় বিচার হয়নি!! তারা এত শক্তিশালী যে রাষ্টীয় আইন পর্যন্ত তাদের কাছে অসহায়? এই মাস কয়েক আগে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক মরক্কো থেকে সমুদ্র পথে ইউরোপে যেতে গিয়ে সাগরে সমাধিত হয় ! যাদের সুক্ষ প্রতারনার কারনে দেশের সহজ সরল মানুষ নির্মম ভাবে জীবন দিচ্ছে তাদের শাস্তি কি হওয়া উচিত?

গত কিছু দিন ধরে বিশ্ব মিড়িয়াই বাংলাদেশের কিছু খবরের মধ্য একমাত্র তোলপাড় করা খবর হলো.... (গত ১/২ মাসে) হাজার খানেক রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশী ছোট ইন্জিন চালিত নৌকায় করে মালয়শিয়া যাত্রা কালে থাইল্যান্ডে আটক এবং সে দেশের নৌ বাহিনীকৃত নির্মম নির্যাতনের পর বিনা খাদ্য পানি ছাড়া ইন্জিন বিহীন নষ্ট নৌকায় তুলে দিয়ে থাইল্যান্ড ত্যাগে বাদ্য করা হয়! তারপর সে মানব সন্তানদের শ'কয়েক রাত কে দিন সাগরের ঢেউর সাথে যুদ্ধ করে ইন্দোনিশিয়ার আচে প্রদেশের উপকূলে এবং ইন্ডিয়ার আনন্দোমান দ্বীপে আশ্রয় পায়। বাকীরা নিখোজ অথবা সাগরে সমাধিত
হয়েছে।

এখন আমার প্রশ্ন

১.বাংলাদেশের কোস্টগার্ড , নৌ বাহিনীর চোখ কিভাবে পাকি দিলো হাজার খানেক মানুষ? স্হানীয় পুলিশ বা অন্যান গোয়ান্দারা কি কোন খবরই জানতো না?

২. বাংলাদেশ সরকার কি থাইল্যান্ড সরকার কে কিছু বলেছে বা সে দেশের রাষ্টদূত
কে এ বিষয়ে কিছু জিগ্গাসা করেছে?

৩. যে সব আদম ব্যবসায়ীর কারনে দেশের মানুষ নির্মম ভাবে জীবন দিচ্ছে মরু ভূমিতে, মহাসাগরে, গহীন জঙ্গলে তাদের বিচার কি হবে? আর যারা বেঁচে গিয়ে ও নরপশুদের নির্মম নির্যাতনে দিন পার করছে কোন পতিতালয়ে অথবা মরুভূমির মেষ পালক হিসেবে। একটা স্বাধীন রাষ্টের সন্তান হিসেবে তারা কি নুন্যতম অধিকারের ছায়াটুকু ও পাবে না ? নাকি এখানে ও স্বজন প্রীতি করা হবে? গভীর ষরযন্ত্রের গন্ধ খুজে যাইতে হইবে?
এই সব নরপশুরা কোন দিক দিয়ে রাজাকারের থেকে ও বড় অপরাধী নয় আমি জানতে চাই?

৪. কিভাবে মানুষ কে আর্ন্তজাতিক বন্দর দিয়ে পাচার করা হয়!! এই অবৈধ মানব পাচারের সাথ দেশের প্রতিটি স্তরের নরপশুরা জড়িত। যারা টাকার বিনিময়ে দেশের
অসহায় ভাই মা বোন অবুঝ শিশুদের কে অতল অন্ধকারে নিক্ষেপ করে, তাদের শাস্তি
কেমন হওয়া উচিত?


অথচ ক্ষমতাবান রাষ্টীয় সম্পদ লুটপাটকারী বা রাষ্টীয় অপরাধীরা হাইকোর্ট সুপ্রিমকোটের মহব্বতী কায়দায় রাষ্টীয় টাকা দিয়ে সেই সব দেশে (সিংগাপুর,লন্ডন, মালয়শিয়া, ব্যংকক, আমেরিকা) চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশ জারি করে!! কোটি কোটি টাকার কারবারী চিকিৎসা চলে.... আর অন্য দিকে শুধু বেঁচে থাকার জন্য বা মাসে হাজার কয়েক টাকার জন্য সে সব দেশে যেতে প্রাণ দিচ্ছে!!! তারা সেখানে চিকিৎসা তো দূরে থাক এক গ্লাস জল ও পায় না! হায় হায় কবে জানি এ সব অসহায় মানুষদের জন্য জনস্বার্থের রুল জারি করবে আমাদের ঈশ্বর! যদি ও ঈশ্বর কে ঈশ্বরবিধেরা লাথি উষ্ঠা মারে তবু ও তারা সভ্য প্রানী! তারা ঈশ্বরের থেইকা ও ক্ষমতাবান....!

একটা গনতান্ত্রিক দেশের উচ্চ আদালত হচ্ছে ঈশ্বরের মতো ক্ষমতাবান, তবে সে ঈশ্বর নয়।

স্বাধিনতার পর থেকে সময় তো কম হয় নাই অনেকে এলো গেলো কিন্তু এমন একটা হাসপাতাল বানাইতে পারলো না যেটার মধ্যে শুধু তারাই চিকিৎসা নিতে পারে!!! আবার এরাই আমাদের স্বপ্ন দেখায়!! বিদেশ থেকে প্রবাসীরা ডলার পাউন্ড পাঠায় আর তারা( রাজনীতিবিদেরা) ডলার পাউন্ড দিয়ে চিকিৎসা নেয় অবকাশ যাপন করে, সে সব দেশের ব্যংকে ডলার জমা করে, বাড়ি কিনে!! একই দেশের নাগরিক আমরা..!! হায় বৈষম্য...... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28900210 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28900210 2009-01-21 02:42:33
আ'লীগের পুলাপান (ছাত্রলীগ) কি শুরু করেছে!! আপার ডিজিটাল বাংলার কি হবে??



আমার কেন জানি মনে হইতেছে আ'লীগের বর্তমান সরকার ব্যর্থ হবে! অনেক গুলো কারনের মধ্যে ছাত্রলীগের সে পুরানা জামানার রাজনীতি হইলো যায় একটা। এই গত নির্বাচনে আ'লীগের বিজয়ের পরপরই ছাত্রলীগের পোলাপান যে ভাবে হল দখল নিয়ে হাঙ্গামা শুরু করছে তাতে হাসিনার ডিজিটাল বাংলার স্বপ্নের বারোটা বাজাইবো!! হল দখল
নিয়ে নিজ দলের মধ্যেই হামলা পাল্টা হামলা চলতেছে! আল্টিমোটাম তো আছে! অবাক হইবার কিছু নাই! যেইটা... ২০০৮ এর আগে লাউ ছিলো সেইটাই ২০০৯ এ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কদু হয়ে আসিয়াছে...!! পরিবর্তন কেমনে হইবো?? ছাত্রলীগ কি শ্রমিকলীক, যুবলীগ কি ঘাটলীক সবাই সেই পুরানা উত্তরাধিকার<img src=(" style="border:0;" /> সূত্র'রে প্রাপ্ত তাদের বাপ এর সম্পদ দখলে ব্যস্ত!!! কিন্তু প্রশ্ন হইলো এই সব অপকর্মের গরু ঠাউর কেড়া কেড়া?? হাসিনা বু'র উচিত ঠাউরদের পাছায় লাথি দিয়ে জেলের মধ্যে ডুকিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতির
কালাকানুন তাদের কিছু শেখানো..... নাইলে কিন্তু মাইনষে আর স্বপ্ন খাইতো না সেটা ডিজিটাল হোক আর বঙ্গবন্ধুর হোক !! সোজা ২০০ মাইনাস করবো জাতীয় সংসদ থেইকা।

এই আজকে আমাদের অর্থমন্ত্রী আব্দুল মাল মুহিত কইলো.... সরকার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে চায়!! কিন্তু কেমনে? তারা তো হাসিনা, সাহারা খাতুন, আশরাফ হোসেনের দমকের পরে ও থাইমা নাই!! তার মানে হইলো এদের রক্তের মধ্যে দোষ আছে...., নাকি আ'লীগের নেতা নেত্রীরা চোররে কয় চুরি কর জনগণ কে কয়
হজাগ থাকতো!!!! তারপরে ও যাই হোক অন্তত হজাগ থাকতে তো কইছে<img src=" style="border:0;" /> হের
লাইগা তাগোরে ধইন্যবাদ...., তয় অনেক আ'লীক আবাল আছে তারা হয়তো কইবো
অবশ্য প্রায় তারা এইরাম বক্তিমা মারে... পুরানা কাসুন্দিরসুরে....<img src=" style="border:0;" /> এইটা পেশীবাদী
চারদলীয় জোটের ষরযন্ত্র..., ছাত্রদল এবং শিবিরের দলীয় কোন্দলের কারনে নৈরাজ্য চলতেছে...। প্রগতিবাদী ছাত্রসংঘরা শুধু মাত্র হাত এবং পিস্তল দিয়ে তা প্রতিহত করবে..<img src=" style="border:0;" /> অথবা তারা গত চার দলীয় সরকারের সময়ের উদাহরন দিবে....<img src=" style="border:0;" /> যে ছাত্র
দল, শিবির এরাম করছে.... আমরা করলে দোষ কি?? না কোন দোষ নাই<img src=(" style="border:0;" /> শুধু ...
আপনাদের ফেয়ারের আপার ডিজিটাল বাংলা এবং পরিবর্তনের মহাকাব্য খানি মনে
রাইখেন আর কি...., আর লাউ কদুর পার্থক্যটা যে কি সেইটা ও মনে রাইখেন....

এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে ... সে দিনের আগে মনে হয় কেয়ামত হইবো না<img src=" style="border:0;" /> তয় সে দিন কিন্তু মাইনষে (জনগণে) আপনাদের( আ'লীগের) আগা গোড়া....
সব কাচি দিয়া মাইনাস করবো....<img src=" style="border:0;" /> কোনটা আগাছা আর কোনটা ফলদি গাছ সেইটা
তহন মাইনষে খাইতো নয়.... তখন মাইনষে খালি মাইনাস করবো....., খালিদা নিজামীদের কি করছে দেখচেন তো..... পুরা আকাশ থেইকা বুরিগঙ্গাতে পালাইচে...
<img src=" style="border:0;" /> আপনাদের ডুবানোর সময় যদি বুরিগঙ্গা না থাকে তয় বঙোপসাগর তো আচে<img src=" style="border:0;" /> হে হে হে হে তাই চিন্তা কইরা চলেন.... হোগারপোলাদের সামলান......।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28898824 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28898824 2009-01-18 00:28:32
ফিলিস্তিনীদের প্রেসিডেন্ট আব্বাসের কি খবর???

আব্বাস চা না শরাব পানে ব্যস্ত......<img src=(" style="border:0;" />






ইসরাইলীরা নিচের ইরাম ক্রিকেট খেলা দেইকা নিজ দলের লাল বিজয়ে হাসিখুশিতে
৮খান....





ফিলিস্তিনিদের প্রেসিডেন্ট আব্বাস মনে হয় মাল পানি বালাই কামাইতেছে..... তার
কোন সাড়া শব্দ দেখি নাই আজ পর্যন্ত..!!! হামাস এবং তার দলের দ্বন্দের জন্যেই কি
সে বা তার সরকার নিঃচুপ থাকবে?? আর নিরীহ মানুষ গনহত্যর শিকার হবে!!!!

তয় সবার কাছে আমার একতা প্রশ্ন ঃ- জাতিসংঘ নামের ৫জাতির খোয়াড় ঘরের কি আদো কোন প্রয়োজন আছে?? চিন্তা কইরা দেহেন তারা গত এক বা দুই দশকে কি কি কাম করছে?? আমার তো মনে হইটেছে তারা মুসলিম নিধনের মিশন নিয়ে খালি পেটে নামছে...... আরো রক্ত চাই!!!!!!! ৫ জাতির হাতে হাত আর ইসরাইলীদের মাথায় লইয়া।

আমাদের মীর জাফর আলী খান কিন্তু ব্রিটেনে জন্মে নাই!!! বানানো হয়েছে.... এইটারে ও মীর জাফরের মতো ক্ষমতার লোভ দেখানো হয়েছে.....

সৌদি, জর্ডান, আমিরাত, অন্য আরব জাহানের রাজা বা রাষ্ট প্রধানেরা মনে হয় আমেরিকান
পর্ন্য মুভি দেখায় ব্যস্ত..... তাই সময় কুলাইতে পারতেছে না!!! হুজুরে আম..... নির্দেশ
দিলে তারা কিছু কইবে তহন....... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28896204 http://www.somewhereinblog.net/blog/vbiblog/28896204 2009-01-12 00:55:24