সরসিজ আলীম_এর কবিতা
চলছে একরকম চলে যাচ্ছে
ঘুম থেকে জাগে খুব সকালে,
মশারির ভেতর থেকে বের হয়,
একটি খাট তার বিছানা-বালিশ
গুছিয়ে রাখে।
তাওয়ালটি বউয়ের হাত ধ’রে
বাথরুমে নিয়ে যায়,
সাবান-শ্যাম্প্যুরা ফেনা তোলে,
শাওয়ারের অনেক জল ঝরায়,
তবেই তাহারে ঝকঝকে করে তোলে,
স্নান সেরে বসিয়ে দেয়
ব্যালকনির চেয়ারটাতে,
তবেই একগুচ্ছ গোলাপ ধরিয়ে দেয় হাতে।
একটা ব্যালচা বাড়ায় হাত
ব্যালকনি দিয়ে,
জানালার কার্ণিশে বাসীভাত রেখে যায়।
শালিক, চড়ূই, কাক, বুলবুলি
এসে বসে তখন, ভাত খুটে খুটে খায়।
এইদৃশ্য উপভোগ করে গুচ্ছগোলাপ।
আমাদের উনুন হাত বাড়ায় তাকে,
আটা-সুজি নামিয়ে আনে
হালুয়া-রুটি বানায়,
দুই একটা ডিমও ফাটায়।
প্লেটে প্লেটে খাবার উঠে আসে ডাইনিং টেবিলে।
ফ্রীজ খুলে টেবিলে লাফিয়ে পড়ে তাজা ফল,
আমাদের তিনবেলা খাবার জুটে যায়।
মেঝের ধুলোরা গা ধুতে যায়,
লাল-নীল বালতিগুলো কাপড় ধোয়,
আর ছাদের রোদ্দুরে শুকায়।
বোতলভর্তি ঠান্ডাজল আমাদের
পিছে পিছে থাকে।
প্রতিদিন কেউ কেউ শুভেচ্ছা পাঠায়,
আমরা প্রতিদিন করি শুভেচ্ছা বিনিময়।
মাঝে মধ্যে ধুলোর মধ্যে গড়াগড়ি করি,
তারপর ঘাসের পর নৃত্য করি,
মাঝে মাঝে সকাল-সাঁঝে
খড়ের গাদায় লুটোপুটি করি।
মাঝে মধ্যে মাঠগুলো ফাঁকা হয়ে যায়,
ফাঁকা মাঠে আমরা দৌড় দিতে যায়।
০৯. ১২. ২০০৯, ঢাকা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



