আমার প্রিয় পোস্ট
- বুফে : ঢাকায় বুফের হালচাল এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকার বিখ্যাত বুফে রেস্টুরেন্ট(বিস্তারিত) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ইংরেজি শব্দের মজার তথ্য (২য় পর্ব) - শামুক
- ইংরেজী নিয়ে মজার তথ্য
- শামুক
- আপনি কি ফেসবুক ব্যবহার করেন? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্যেই ( না পড়লে পস্তাবেন টাইপ টেকি পোস্ট) - মোঃ আরিফ রায়হান মাহি
- দাদাগিরি প্রোগ্রামের গুগলি কালেকশন (সবার জন্য ঈদ উপহার) (সমাধান দেওয়া হয়েছে) - তাজুল ইসলাম মুন্না
- অল রেসিপি ফর বাবুনিমনি , খানাপিনা ফর অল ভাইয়া এ্যান্ড আপুনি......
- অপ্সরা
- ****** বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর ****** - রাজ_বাবু৯৯
- শাজাহান সাজুর মা মারা গেছেন......... - মাহবুবা আখতার
- সম্পর্ক ২ - মন মণষা
- ধাঁধাঁর চেয়েও জটিল তুমি! - দ্রোহি
- নবীনদের জন্য - নাদান
- বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ রব তুলে খাইতে থাকুন.............. - জেনন
- ক ব র - জসীমউদ্দীন - ইউটার্ন
- উদাসী কথন: আমার বাবা-মা যত গরীবই হোক না কেন আমার বাবা মা, আমার দেশ যত খারাপই হোকনা কেন আমারি দেশ! - উদাসী স্বপ্ন
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- দাম্পত্য - রাসেল ( ........)
- আমি তোর নামটাও ভুলে গেছি!! - আকাশচুরি
- কিছু কিছু কান্নার অশ্রু দেখা যায় না! - উদাসী স্বপ্ন
- গোপন ব্যথার নীরব রাত্রী হোক আজি অবসান - অপ্সরা
বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর-৬
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
এ বছরের বাচ্চাদের নিয়ে নতুন একটা পোষ্ট দিতে অনেকদিন থেকেই চাইছিলাম কিন্তু লিখতে গেলেই দেখছি সেই একই ধরনেরই লেখা হয়ে যাচ্ছে। সেই একই দুস্টুমি, একই দুরন্তপনা, একই ভালবাসা ঠিক গত বছরের বেবিদের মত। এ বছরও আমার ক্লাসরুমটিতে যে রাজপুত্র আর রাজকন্যারা বিচরণ করছে তাদের মাঝে রয়েছে কিছু দার্শনিক যারা অধিকাংশ সময় গালে হাত দিয়ে জানালা দিয়ে মাঠে বিচরণ করা কুকুরগুলোর দিকে তাকিয়ে তাকিয়েই গোটা সময় টুকু পার করে দেয়, কিছু রয়েছে সংগীত বিদ্বেষী সিডি তে রাইমস ছাড়া মাত্রই যাদের তার স্বর চিৎকারে কান পাতা দায় আবার কিছু রয়েছে পাকনা বুড়ো যাদের পাকা পাকা কথা শুনলে আমার নিজের ছোট খাট হার্ট এ্যাটাক হয়ে যায় কয়েক বার। এমনই এক পাকনা বুড়ো কে প্রথম দিন ওর নাম জিজ্ঞেস করলাম। ও গম্ভীর কন্ঠে ওর নাম বল্ল। ভুলো মন আমার। তাছাড়া প্রথম দিনেই তো সবার নাম মুখস্ত হয়না। তাই কিছুক্ষন পর যেই আবার ওর নাম জিজ্ঞেস করতে গিয়েছি, দেখি ও গালে হাত দিয়ে চুপচাপ বসে আছে। নামটা আরেকবার জিজ্ঞেস করতেই ও ভুরু কুচকে আমার দিকে তাকাল। অতঃপর একরাশ বিরক্তি নিয়ে তার উত্তর-
"বাবা, এরই মধ্য ভুলে গেছ? এখুনি না বল্লাম!"
তিন বছরের এক পিচকির মুখে এমন স্পস্ট ভাষা শুনে তো আমার ভিমরী খাবার দশা। যাই হোক নিতান্তই অনিচ্ছাসত্বে সে তার নাম দ্বিতীয়বার উচ্চারণ করল। আমিও তাবিজ পড়ার মত তার নাম মনে মনে আওরিয়ে একদম মুখস্ত করে ফেল্লাম। কারণ আর একবার ওর নাম জিজ্ঞেস করার মত মনের জোর আমার ছিলনা। কিছুক্ষন পর দেখি ও ওর সিটে বসে হাত নেড়ে আমাকে ডাকছে। আমি কাছে গেলাম। ও জিজ্ঞেস করল-"তুমি তো আমার টিচার?" আমি ভয়ে ভয়ে মাথা নাড়লাম।
"তুমি জান, আমার বাবা সবাই কে বলদ বলে ডাকে?" "কি??" আর্তনাদ বের হল আমার গলা দিয়ে। "হুমম আমার বাবা কারও উপর রাগ হলেই বলে, এই বলদ যা।"
আমি কি বলব বুঝতে না পেরে শুকনো মুখ নিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি ওর সামনে। না জানি কখন সে তার বাবার কাছ থেকে শেখা বিশেষণ আমার উপর প্রয়োগ করে বসে। অতঃপর আরেক বাচ্চা ডাকতেই সে যাত্রা রেহাই পেলাম। সেই থেকে এই পাকনা বুড়োটার পাকা পাকা কথার শুরু। মাঝে মাঝে ওর কথার তোড়ে আমি নিজেই খেই হারিয়ে ফেলি আর মনে মনে ভাবি সত্যিই এর বয়স তিন তো? তিন তিরিশে নব্বই না তো?
এবার আরেক রাজপুত্রের গল্প বলি। বাবা আর মামনির চোখের মণি সে। বাবা সেনাবাহিনীর বড় কর্মকর্তা তাই দেশের বাইরে গিয়েছেন মিশণে। মামনিটাও অনেক ব্যস্ত। তাই একা বাসায় তার সারাটা দিন কাটে টিভিতে নিক চ্যানেলে কার্টুন দেখে। কিন্তু যেহেতু ভার্চুয়াল চরিত্রগুলো ওর কাছে কোনও রেসপন্স আশা করেনা তাই ও কারো ডাকে যে সাড়া দিতে হয় এই ব্যাপারটা শিখে উঠেনি। ও শুধু ওর মতই কথা বলে যায় কিন্তু কেউ তাকে হাজার বার ডাকলেও সে কোনও সাড়া দেয়না। ও যে শুনতে পারেনা এমন কিন্তু না। সর্বনাশের চুড়ান্ত হল তখন যখন ওর মা একদিন অবাক হয়ে দেখলেন যে ও ওর মা কে জিজ্ঞেস করছে,"মাম্মি বারিশ হো রহিহে কেয়া?" সারাদিন নিক চ্যানেল দেখে দেখে সে বাংলার সাথে হিন্দী মিশিয়ে এক জগাখিচুরী ভাষা শিখে ফেলেছে। এই বাচ্চাটি আমার ক্লাসে যেদিন প্রথম এল সেদিন এক যোগে চার পাঁচটি বাচ্চা গলা ফাটিয়ে চিৎকার শুরু করে দিল। কারণ আর কিছুই না, তার বিপুল স্বাস্হ্য। আমি নিজেও যে একটু ভয় পাইনি তা না কারণ আমার স্কুলের প্রথম দিনের সেই মোটুর ঘুসির স্মৃতি তখনো মন থেকে মুছে যায়নি।
কিছুদিন লক্ষ্য করে দেখলাম বাচ্চাটির স্বাস্হ্যটাই যা একটু বেশি কিন্তু এমনিতে সে খুবই নিরীহ। কাউকেই কখনো সে মারেনা। বরং উল্টো সবাই কে সেই ভয় পায়। বয়স অন্য বাচ্চাদের চেয়ে একটু বেশিই কিন্তু ম্যচিউরিটি অন্যেদের চেয়ে কম। সবচেয়ে মায়াকাড়া তার চেহারাটা। কিন্তু সমস্যা তার সাথে কথা বলতে গেলে। আমি যা বলব ও সেটাই বলতে থাকবে। আমি যদি ওর নাম ধরে ডাকি ও ওর নামটাই ডাকবে। আমি যদি বলি "এদিকে এস" ও উল্টো বলবে "এদিকে আছো"। তবে টিফিন পিরিয়ডে ওর একদিনও ভুল হবেনা । টিফিন বক্সটা হাতে নিয়েই সে আমার খোঁজ করবে। আমাকে দেখতে পেলেই তার পাশে সে আরেকটা চেয়ার টেনে নিয়ে আমাকে ডেকে বলবে,"মিছ আছো, ম্যাগী নুডুস"। অর্থাৎ আমাকে এখন তার পাশে বসে তাকে ওর টিফিন খাইয়ে দিতে হবে। আমি যদি জিজ্ঞেস করি" আমি খাইয়ে দিব?" ও তখন এক গাল হেসে উত্তর দিবে ,"আমি থাইয়ে দিব"। এখন আমার যুদ্ধ চলছে একে নিয়েই। দেখা যাক ওকে অন্যর সাথে কমিউনিকেট করা শেখানো যায় কিনা।
এভাবেই চলছে আমার ছোট্ট তরী ছোট্ট ছোট্ট যাত্রীদের নিয়ে। জানিনা কতদিন চালাতে পারব। তরী তো চলবে তার আপন গতিতেই শুধু কান্ডারী হয়ত পরিবর্তন হবে এই যা।
পৃথিবীর কোনওকিছুই কি কারও জন্য থেমে থাকে কখনও?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সিরাজ বলেছেন:
ভালো
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
পারভেজ বলেছেন:
কাছ থেকে একসাথে অনেক বাচ্চাকে দেখছেন বলে বুঝতে পারছেন, প্রত্যেকটা বাচ্চাই কতোটা ইউনিক, কতোটা আলাদা আলাদা করে নজরের দাবী রাখে। খুব ভালো লাগলো পড়ে।তবে, পিচ্চিটা কি কায়দা করে বাবাকেই( এই বলদ) অনুসরণ করলো?
লেখক বলেছেন: হুমম প্রতিটি বাচ্চাই আসলে স্পেশাল।
আমার মনে হয় পিচ্চিটি আসলে প্রথম দিন বলে আমাকে সতর্ক করে দিল। :``>> :`> ![]()
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন:
ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, আপনার লেখা পড়ে।আমার এক বন্ধু ছিল, ও চুরি করে আমার টিফিন খেয়ে ফেলতো।
কেন যে বড় হতে হয়?
লেখক বলেছেন: বড় হওয়ার একটা সুবিধা আছে। এই যে এখন আর কেউ আপনার টিফিন চুরি করে খায়না।
উল্টো মানুষ বলেছেন:
আমার ছেলেও একটা ইংলিস মিডিয়াম স্কুলে প্লেতে পড়ে। সম্ভবত সে কারনেই আপনার বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর সিরিজের লেখা গুলো আমাকে খুব আকর্ষন করে। খুব ভালো লাগে যে কোন টিচার এই বাচ্চাগুলোকে ভালবেসে এতটা আবেগময় লেখা লিখেছে। দারুন নিরাপদ বোধ করি কারন জানি ভালবাসা না পেলে কেও মানুষ হতে পারেনা। ধন্যবাদ আপনাকে।আমার এই লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: বাবা মারা যখন একটি বাচ্চা কে ভর্তি করেন স্কুলে তখন কিন্তু তারা তাদের সবচেয়ে প্রিয়,সবচেয়ে মূলযবান সম্পদ তাদের সন্তানটিকে কিছু সময়ের জনয তুলে দেন একজন টিচারের হাতে। এটা কি কম বড় দায়িত্ব? জানিনা এই দায়িত্ব কতখানি পালন করতে পারি । শুধু চেস্টা করি তাদের সেই ভরসার মান রাখতে।
ভাল থাকবেন সবসময়।
লেখক বলেছেন: কে বলেছে আমি ওদের টিচার? ওরাই তো আমার টিচার। ওদের কাছ থেকেই তো আমি কতকিছুই না শিখছি প্রতিদিন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধনযবাদ আপনাকে।
আজম বলেছেন:
হুম...বাচ্চা ভয়ংকর। আমার ৩ বছরের ভাগনীকে দেখে সেটা বুঝি....শিশুদের নিয়ে লিখেছিলাম কিছু পোস্ট।দেখতে পারেন।
আপনি যেহেতু টিচার,ব্যাপার গুলোনিয়ে তাদের আগ্রহী করে তুললে ভালো হয়......
Click This Link Click This Link Click This Link
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনার লেখাগুলো পড়লাম। খুব ভাল লাগল। সবচেয়ে ভাল লাগল বাচ্চাদের নিয়ে আপনার ভাবনা। বাচ্চারা এমনিতেই অনেক আগ্রহী। শুধু দরকার তথযগুলো তাদের গ্রহনোপযোগী করে পরিবেশণ করা।
অনেক শুভকামণা রইল আপনার জনয।
গোয়েবলস বলেছেন:
বাচ্চাদের ওপর তার বাবা-মায়ের প্রভাব সব থেকে বেশি।বাবা-মায়ের একটু অবহেলা,,অযত্ন বাচ্চাদের মনে যে গভীর দাগকেটে দেয় আমাদের সমাজের কয়টা বাবা-মা সে খবর রাখে?লেখাটা ভাল লাগল আপু। আরও ভাল লাগল যে তুমি আবার লেখায় ফিরে এসেছ।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছ। বাবা মার একটু উদাসীনতা বাচ্চাদের জীবনে যে কি ভয়াবহ প্রভাব ফেলে তার প্রমাণ এই বাচ্চাটি।
লেখক বলেছেন:
তাজা কলম বলেছেন:
এখনকার বাচ্চারা জন্ম থেকেই ম্যাচুরড। পিতামাতার ভাল গাইড লাইনেই এরা হয়ে ওঠবে ভবিষ্যতের সুনাগরিক।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
হুমম..অবশেষে একটা লেকাহ তাহলে পাওয়া গেলো। এইসব কিউট বাচ্চা কাচ্চা যে এতো বুড়ো হয় সেটার প্রমান শুধু একটা কথাতেই," দুনিয়াতে দুই ধরনের মানুষ সরল চিন্তা করে, একখান হইলো পিচকি গুলান আরেকখান হইলো ৮০-৯০ পার করা বুড়া গুলান!"মাঝখানে যারা থাকে তারা খালি ভিড়মি খায় এমুন জিনিস চিন্তায় কেমনে!
এইজন্য বেশীরভাগ নোবেল লরিয়েটগুলান বুড়া বুড়া!
লেখক বলেছেন: হুমম আমাদের ভীমরি খেতে খেতেই দিন যায় কারণ আমরা ওদের মত সরল চিন্তা করতে পারিনা। নকল একটা মুখোস মুখে এটে বুড়ো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি।
ইচ্ছে বলেছেন:
লেখাটা ভাল লাগল। আরও ভাল লাগল যে আপনি আবার লেখায় ফিরে এসেছেন দেখে, ভাল থাকবেন......
লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনি কেমন আছেন?
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
যাক ব্লগের বাচ্চা কাচ্চা যারা আপনার লেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলো, তারা এইবার শান্তিতে ঘুমাতে পারবে
লেখক বলেছেন: আপনিও তো একটা বাচ্চাই। বাচ্চা দাঁড়কাক।
লেখক বলেছেন: বাচ্চাদের খুব কাছে গেলে এমনতেই অনেক মায়া এসে যায়।
অনেক শুভেচ্ছা রইল। ভাল থাকবেন সবসময়।
দ্রোহি বলেছেন:
অনেক দিন পর!
কাব্য বলেছেন:
ঐ মুটু পোলারে কতগুলান কার্টুনের ডিভিডি ধরায়ে দিয়া কমু, ভোর আপুর নাকের উপ্রে ঘুষি জোরসে মারো।
কাব্য বলেছেন:
ঐ মুটু পোলারে কতগুলান কার্টুনের ডিভিডি ধরায়ে দিয়া কমু, ভোর আপুর নাকের উপ্রে জোরসে ঘুষি মারো
লেখক বলেছেন: তোমার কথা শেষ হওয়ার আগেই সে তোমার নাকের উপরই ঘুষি মেরে বসবে।
অফটপিক: গত কিছুদিন থেকে এত ঝামেলায় আছি যে ব্লগে আসতেই ইচ্ছা করেনা.... অভ্যাস বসে মঝে মাঝে আসলেও চুপি চুপি চলে যাই........অনেকদিন পর আজ ঢুকলাম কেমন আছেন???
লেখক বলেছেন: বাচ্চারা তাকেই পাত্তা দেয়না যাকে তারা খুব আপন ভাবে। কাজে আপনার চিন্তার কিছু নাই।
আমারও আগের মত ব্লগে আসা হয়না। তবে ভাল আছি।
লেখক বলেছেন: হুমম অনকদিন পরই আসলাম। একটু অসুস্হ তবে ভাল আছি।
শায়মা বলেছেন:
মজার লেখাটায় +++
রাগ ইমন বলেছেন:
মিছ আছো , থোলা থাই ( ছোলা খাই)
আরিয়ানা বলেছেন:
অসাধরন ভাল লেগেছে। ভাল থাকবেন আপনার বাচ্চাদের নিয়ে।
সুন্দরের মন খারাপ,মাধুর্যের জ্বর বলেছেন:
অনেক ভালো লেগেছে। আপনার লেখায় অনেক আবেগ,মায়া... পড়তে পড়তে নিজেও আবেগতাড়িত হই......নতুন লিখার অপেক্ষায় রইলাম
শায়মা বলেছেন:
এতদিনেও আর কোনো লেখা নেই কেনো?
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর ব্লগে এলাম। আবার নিয়মিত যেন লিখতে পারি সেই দোয়া চাইছি সবার কাছে।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
টিং---
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ব্লগে কি ফিরছেন? দেখা যায় না কেন ইদানিং, ম্যাসেন্জ্ঞারে আর ব্লগে? কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: খুব ইচ্ছা থাকা সত্বেও সময় বের করতে পারিনা। অনেকদিন পর আজ বসতে পারলাম। নতুন লেখাও দিয়েছি।আপনি কেমন আছেন?
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
ইস.. মায়া লাগছে বাচ্চাটির জন্য
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















