আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভ্যি দেখা বা না দেখা: হালাল হারাম প্রসঙ্গ - সন্ধ্যাবাতি
- চঞ্চল মন আমার মানে না বারণ - ওয়ালী
- কুঁ ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক... - ওয়ালী
- ফিল্মী জীবন - ওয়ালী
- ইয়ে মানে তেমন কিছু না - ওয়ালী
- বই এর জগতে আমি - ওয়ালী
- হাইওয়ে জুস কেলেঙ্কারী - ওয়ালী
- আন্ডা সমাচার - ওয়ালী
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- সুখপাখির সুখের পৃথিবীতে আমি - ওয়ালী
- বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি! - ওয়ালী
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- ব্লগ কর্তৃপক্ষের প্রতি: প্রতিক্রিয়াশীলদের উস্কানিতে বিভ্রান্ত হবেন না - ওয়ামি
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- "গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ": হুমায়ূন আজাদ - সন্ধ্যাবাতি
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইউনেস্কোর তথ্য শূন্যতা !! - থার্ডআই
- মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি: উৎস্বর্গ চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির হর্তাকর্তা হুজুরে শাহ পীরে আউলীয়া এস্কিমো ওরফে উত্তর মেরুর দুপেয়ো এবং তাহার কমরেডদের - মুক্তি
- "তাদের" এই অধঃপতন রোধের দাওয়াই কি? - ওয়ামি
- চরম জেনেরেলাইজেশন হইছে মানি, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননার চেষ্টাও করি নাই - ওয়ামি
- পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ - মাহবুব মোর্শেদ
শান্তির অম্লান, শ্যামায়িত আরমান- হেজাজের ঝড়ে বীভৎস বাধা দলছে © ওয়ালী. ১৯৮৩ এবং পরবর্তী ;)

ইহুদী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশী অপরাধ প্রবণ একটি জাতি
২৪ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:৪১
হেগনা আর ইরগুন নামে দু'টি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন দিয়ে বর্তমান ঈসরাইল রাষ্ট্র। 1947 সালের 29 শে নভেম্বর 33-13 ভোটে ফিলিস্তিন বিভাগের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিলো। 10 টি দেশ ভোট প্রদানে বিরত ছিলো আর 1টি দেশ পরিষদে অনুপস্থিত ছিলো। জাতিসংঘের এই প্রস্তাব গ্রহণ করার 100 দিনের মাঝে ফিলিস্তিনে 17 হাজার মুসলমানকে হত্যা করা হয়। খুব বেশী দিন হয়নি সিরিয়া লেবানন ছেড়ে চলে এসেছে। এখন তাই সুযোগ হয়ে গেছে মুসলমান হত্যা করার।
জাতি হিসেবে ইহুদীরা খুবই অপরাধ প্রবণ এবং মানবতা বিরোধী একটি জাতি। ফরাসী রাষ্ট্রবিপ্লব এদের মুক্তির পয়গাম বয়ে নিয়ে এসেছিলো। 19 শতকের শেষ ভাগে ফ্রান্স, ব্রিটেন, জার্মানী, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া ইহুদীদের পূর্ণ নাগরিক আধিকার দান করে। কিন্তু পূর্ব ইউরোপে তাদেরকে তখনও ঘৃণার চোখে দেখা হতো। যাক সে কথা।
তুকর্ীর খিলাফত উচ্ছেদের ইহুদী ষড়যন্ত্র কারো না জানা নয়। এরপরের 26 বছরে ফিলিস্তিনের অংশ বিশেষ ইহুদীদের দখলে চলে যায়। ইয়াহুদদের প্রধান অন্তরায় ছিলো সুসংগঠিত ইখওয়ানুল মুসলিমুন। 1948 সালের যুদ্ধে ইখওয়ানরা প্রমাণ করেছিলো তারা আসলেও ইয়াহুদদের সাফল্যের পক্ষে কাঁটা। অর্ধ মাসকাল যুদ্ধের পুরো ভাগে ছিলো ইখওয়ান মুজাহিদরা। বিপক্ষে ছিলো যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র আর ফ্রান্সের মতো শক্তিধরেরা। আর এখন ইয়াহুদদের পথের কাঁটা হামাস এবং হিজবুল্লাহ।
মিশরের বাদশাহ ফারুকের হয়তো অনেক দোষ ছিলো কিন্তু সে আরব ঐক্যের ব্যাপারে খুবই সচেষ্ট ছিলো। এই আরব ঐক্যের কারনেই ঈসরাইল এর চারপাশের মুসলিম দেশগুলো ঈসরাইলকে স্বীকার করে নেয়নি। আর তার এই প্রচেষ্ঠাকে ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য সি.আই.এ আর বৃটিশ ইন্টালিজেন্স সার্ভিস একযোগে কাজ করে তাকে অপসারণে জন্য। আমার মাথাতে ঢুকেনা প্রায় 57 লক্ষ ইহুদীর বসবাস ছিলো আমেরিকাতে। নিউ ইয়র্কের নাম একসময় পরিচিত ছিলো জিউ ইয়র্ক হিসেবে। কেন আমেরিকাতে এতো জায়গা থাকতে ইহুদীদের জন্য একটা প্রভিন্স দিয়ে দিয়ে দিলোন। কিংবা তাদের যখন আফ্রিকাতে যায়গা দিতে চাওয়া হলো তখনই বা তারা কেন গেলনা আফ্রিকায়। কেন ইহুদীদের আরব বিশ্বের উপর চাপিয়ে দেয়া হলো? মানবতা লংঘন করে মুসলিম নিধনের জন্য ইয়াহুদদের আরবদের মাঝে প্রতিষ্ঠত করাই ছিলো মূল লক্ষ আর আন্তরালে ছিলো অস্ত্র আর তৈল ব্যবসার হর্তাকর্তা হবার শখ।
ইখওয়ানুল মুসলিমুন নিষিদ্ধ ঘোষণার পরে তাদের উপর যে অত্যাচার চালু করা হয়েছিলো সেই সকল খবর জীউইশ অবজারভার পত্রিকায় শিরোনাম পেতো সুখবর শিরোনামে। জাতীয়তাবাদের নবী আখ্যা পাওয়া নাসেরের ইতিহাসও কারো অজনা নয়। কায়রো রেডিও থেকে তখন প্রচার করা হতো জাতীয়তাবাদের ধোয়া। কুয়েত সহ আরবী ভাষাভাষী ছোট ছোট শেখ শাসিত রাজ্যগুলো নাসেরের ভয়ে ভীত থাকতো। ইরাকের রক্তক্ষয়ী বিপ্লবকে কায়রো বেতার অভিনন্দিত করেছিলো। নাসের এতো দাম্ভিকে পরিনত হয় যে যুদ্ধের সময় কোন আরব রাষ্ট্র প্রধানদের সাথে যুক্ত কমান্ড গঠণ তো দূরের কথা পরামর্শও নেয়নি। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। আর মিশর প্রধানের এইসব কার্যকলাপে ইয়াহুদরা ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছিলো।
নব্য শতাব্দীতেতো ঘরে ঘরে নসেরের জন্ম। আর এই নব্য নাসেরেরা ইয়াহুদদের শক্তিশালী হতে ইন্ধন যোগাচ্ছে। আমার এখনো কেন যেন বেশীরভাগ আরব রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্র প্রধানদের ইহুদীদের দোসর মনে হয়। মনে পরে খন্দকের ইতিহাস। ইহুদী গোত্র বনী কুরাইজা বিশ্বাষঘাতকতা করে আক্রমনকারীদের সাথে যুক্ত হয় কিন্তু খন্দকের যুদ্ধে মুসলমানরা জয় লাভ করে এবং এই বিশ্বাষঘতকতার জন্য বনী কুরাইজার আবাসিক এলাকা দখল করে। তিন সপ্তাহ অবরোধের ফলে ইহুদীরা চুক্তি দেয় বনী কুরইজার মিত্রপক্ষ 'আওস' গোত্রের সরদার সায়াদ বিন মায়াজ (রা
যে ফয়সালা দিবে তা তারা মেনে নিবে। মুহাম্মদ (সা
তাদের এই দাবী মেনে নিয়ে এর বিচার ভার সায়াদ বিন মায়াজের হাতে দিয়ে দেন। আর সায়াদ বিন মায়াজ খুব ভালভাবেই ইহুদীদের চিনতেন। তিনি রায় দিলেন "ইহুদীদের সকল পুরুষদের হত্যা করা হোক, এবং এদের সকল সম্পত্তি মুসলমানদের নিকট বন্টন করে দেয়া হোক।"
হতে পারে দেশ রক্ষার জন্য হিজবুল্লাহ এর ক্ষমতা খুব একটা বেশী না। আবার এইটাও সত্য যে, আবাবিলরা কঙ্করের জোড়ে হস্তি বাহিনী রুখে দিয়েছিলো। বিজয় আপেক্ষিক বিষয় কিন্তু হিজবুল্লাহ লেবানন রক্ষায় লড়ে যাবে এইটাই সাফল্য।
ইহুদীদের মুসলিম বিদ্বেষ আজ পর্যন্ত বিন্দু মাত্র কমেনি বরং পুরুষানুক্রমে এদের অন্তরের এই বিদ্বেষ ক্রমে ক্রমে বেড়েই চলেছে কারণ ইহুদী ঘরে জন্ম নেয়া ছাড়া ইহুদী হওয়া যায় না। এই বিষয়টা ধর্মের অনুসারীর মনে সংর্কীনতা সৃষ্টি করে যার ফলে ইহুদীরা দুনিয়ার অন্যান্ন মানুষদের নিজেদের মধ্যে গ্রহণ করে নিতে পারেনি আর আগামীতেও পারবেনা। এই একটা স্থানে ইহুদী এবং হিন্দুদের বেজায় মিল।
যদি সামর্থ্য থাকতো সালাহ্দিনের মতো 1000 অশ্ব পাঠিয়ে দিতাম!
ছাবি দেখুন
অতিথি বলেছেন:
ওয়ালী ভাই, অশ্বের দিন শেষ। পাকিস্তান নাকি পরমাণু বোমা বানায়। অর দু'একটা না পাঠালে ইহুদীদের শায়েস্তা করা যাবে না। আল্লাহ ওদের প্রতি গায়েবী এবং স্বপ্নেপ্রাপ্ত গযব নাযিল করুন।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
আমি একজন সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর পথ পানে চেয়ে আছি।
অতিথি বলেছেন:
তথ্যবহূল কিন্তু খুবই সামপ্রদায়িক এবং উস্কানিমূলক পোস্ট ... আরবদের বর্তমান এই অবস্থাগুলোকে মহানবী (সাঃ)র সময়ের ঘটনার সাথে আ্যানালজিকালি সেট করে 'ইসলামিক ফ্লেভার' দেয়ার প্রচেষ্টাটা আমি ভালভাবে নিতে পারছিনা ...
মনে রাখবেন, মিডল-ইস্টে যা হচ্ছে তার সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই ... ঈসরাইল কখনই এমন কিছু বলছেনা যে মুসলিমরা যদি ইসলাম ত্যাগ করে তবে তাদের আঘাত করা হবেনা ...
শুধু শুধু একটা বড় প্রবলেমকে লোকালাইজ না করাই ভাল ...
আর সব ইহুদী খারাপ মানুষ না ... ঈসরাইল রাষ্ট্রের সমালোচনা করতে পারেন।
আপনার কি ধারণা মধ্যপ্রাচ্যে তেলের এত জমজমাট না হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে হাতবাড়াতো?
অতিথি বলেছেন:
ভোদাই। কারে কই? না, না , নিজেরেই।
আরাফাত রহমান বলেছেন:
জি্বনের বাদশাকে বলছিঃইহুদীদের সম্পর্কে একটু খানি পড়াশোনা করলেই যে কেউ ওয়ালী ভাইয়ার কথায় একমত হবেন। ইহুদীরা অপরাধ প্রবণ জাতি। মহানবীর (সঃ) সময়কার ইতিহাস পড়লেও দেখা যাবে যত নষ্টের মূলে ইহুদীরা। কোরআনে বহুবার তাদের অপকর্মের কথা বলা আছে। ইতিহাসে তো আছেই।
এই পোস্টটি যদি সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক হয়ে থাকে তহলে ইহুদীরা যে মানুষ হত্যা করছে সেটা কি অসাম্প্রদায়ীক উস্কানিমূলক হত্যা ? ধিক এরকমের অসাম্প্রদায়িক হত্যা যজ্ঞের। এমন অসাম্প্রদায়িকতার প্রয়োজন নেই এই পৃথিবীর কারো।
অতিথি বলেছেন:
জি্বনের বাদশার সাথে একাত্বতা প্রকাশ করছি।রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের প্রতি আমার বিরাট কোন দুর্বলতা নেই, তবে মানুষ ও জাতি হিসেবে ইহুদী দের প্রতি আমার সমবেদনা রয়েছে। প্যারেষ্টাইনি ও লেবাননী দের প্রতি রয়েছে আরো বেশী সমবেদনা। তারপরেও জাতি হিসেবে কাউকে ঘৃণা করার অধিকার আমার আছে বলে আমি মনে করি না। তাছাড়া জার্মানীর বিভিন্ন ইতিহাস ঘেটে জানি, জার্মানীতে কিভাবে ওদেরকে খুন ও অপমান ও অত্যাচার করা হয়েছে দ্্বিতীয় বিশ্বযুদ্্বের সময়। একটি জাতিকে এ ভাবে ঘৃনা ও ধ্বংস করার অধিকার স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও দিয়েছে কি না বলে আমার সন্দেহ রয়েছে।
অদ্ভুত এই লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি। ওনি যাকে তাকে নাজী বলে গালি দেন, আবার নিজেই মুসলিম নাজী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এ ধরণের বক্তব্য নাজীদের বক্তব্যের সাথে একেবারেই আলাদা নয়।
আরাফাত রহমান বলেছেন:
আমার কথাগুলো মনে হয় আমি ঠিক মত বোঝাতে পারিনি। হতে পারে। উত্তেজনা থাকলে এমটি হয়। সাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে আমি অত বুঝি না। তবে সাম্প্রদায়িকতার ধুয়াতুলে যারা মুসলিম হত্যা করে তাদের বিপক্ষে দাড়ালে যদি সাম্প্রদায়িকতা হয় তাহলে আমি বলব আমি সাম্প্রদায়িক। অসাম্প্রদায়িক হতে পারলাম না বলে দুঃখিত।
অতিথি বলেছেন:
আরাফাত সাহেব, আপনি বাচ্চামানুষ, উত্তেজনায় যা মুখে আইছে, কইছেন। ব্যাপার না। Man is mortal.
অতিথি বলেছেন:
আরাফাত, শুধুমুসলিম নয়, যে কোন হত্যার বিপক্ষে দাড়ানোর সাহস থাকা দরকার...।
অতিথি বলেছেন:
আরাফাত,ভাইরে এটা তো বুঝেন যে এই ইসরাইল-প্যালেস্টাইন-লেবানন সমস্যাটা জিইয়ে আছেই এইজন্য যে এটার মাধ্যমে একটা বিশেষ গোষ্ঠীর অনেক লাভ হচ্ছে ...
আমরা যত বেশী এই সমস্যাটাকে 'ইহূদী-মুসলিম' সমস্যা হিসেবে কালার করব, সেই বিশেষ গোষ্ঠীর ততবেশী লাভ হবে ...
আমাদের মানে সাধারণ জনগনের কি হবে? ... কিছু রক্তগরম আরব যুবক আত্নহত্যা করবে ... আর অসংখ্য নির্দোষ শিশুরাসহ সিভিলিয়ানরা মরবে ... এইতো, তাইনা?
মনে রাখবেন, আপনি যখন এটা ধর্মভিত্তিক সমস্যা হিসেবে নেবেন, ভাববেন ঘোড়া পাঠিয়ে কিছু একটা করে ফেলি ... তখন এক ইহূদী যুবকও সেটাকে ধর্মিয় সমস্যাই ভাববে ... বেশী করে শ্যারণদের ভোট দেবে ... সমস্যার কি সমাধান হবে?
এখন প্রশ্ন, কোন পথে যাবেন?
আর, যখন তখন এই ব্যাপারগুলারে ইসলামের ইতিহাসের সাথে গুলায়া ফেললে যে নবীজি (সাঃ) কে হেয় করা সেটা বোঝেন?
চিন্তা করেন,
নবী কুরাইশদের হাত থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য ডাক দিলেও জিহাদের ডাক হয়,
আবার সাদ্দামের মতো '.... (গালিটা লিখলামনা)' যুদ্ধের লাইগা ডাক দিলেও জিহাদ হইয়া যায় ...
নবী (সাঃ) এর মানসম্মানকে ামরা কোথায় নিয়ে গেলাম!!! ... আপনিই বলেন।
হিমু বলেছেন:
দুঃখিত, নাসেরের পিছে আঙুল দিয়ে রাজা ফারুকের মতো একটা অপদার্থের প্রশংসা করা মেনে নিতে পারলাম না। একজন গামাল আবদেল নাসের ছিলো বলেই মিশর তুর্কি আর ফ্রেঞ্চ প্রতাপ কাটিয়ে একটা স্বাধীন শক্তি হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে। নাসেরের কারণে "ইয়াহুদ"রা শক্তিশালী হয়েছে, এটা শুনলে "ইয়াহুদ"রাও হাসবে। তখন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র আর ফ্রান্স মিলিতভাবে সমর্থন দিয়েছে ইজরায়েলকে, তাদের শক্তির রহস্য হচ্ছে এসব দেশে ধনবান ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রভাব।
অতিথি বলেছেন:
চুড়ানত বেকুব ছাড়া কেউ অন্তত ইহুদী প্রশ্নে নাসেরে বিরোধিতা করবো না ..তবে সৌদি পলিটিক্স বইলা কথা ...অরা তো জনম ভইরাই পি.এল.ও র বিরুদ্ধে !
অতিথি বলেছেন:
ওয়ালি,সমীকরণটা হয়তো অতো সহজ নয়। আর আমরা যত বেশি সাম্প্রদায়িক চিন্তা করব, তত বেশিই এ সমস্যা বাড়বে। ওরা সাম্প্রদায়িক বলে আমরাও সাম্প্রদায়িক হতে যাব কেন?
সমস্যার মুল দুটো
1. মুসলমানদের ইসলামের উদারতার শিক্ষা ভুলে গিয়ে সংকীর্ণ ধ্যান ধারনা লালন, ও ইসলামের মূল শিক্ষা বর্জন; এবং
2. সাম্রাজ্যবাদি শক্তির উত্তান ও অন্ধ ক্ষমতালিপ্সা।
এ যুদ্ধ ইসলামের বিরুদ্ধে ঠিকই তবে তার কারণ ইসলামবিদ্ধেষ নয়, বরঞ্চ মুসলমানদের জাগরণ যা সম্রাজ্যবাদের জন্য হুমকি স্বরুপ।
এর পরিত্রান আসার জন্যও দরকার সব শান্তিকামী মানব গোষ্টির ঐক্য - জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে।
উৎস বলেছেন:
লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো, দরকারী বক্তব্য, মনে যা ছিল লেখায় প্রায় তা-ই এসেছে, সবাই সাহস করে লিখতে পারে না, ওয়ালী ভাইয়ের খুটির জোর শক্ত হওয়ায় উনি নির্ভয়ে লিখতে পারছেন। এই লেখাটা রেফারেন্স হিসেবে সমাদৃ ত হওয়া উচিতঃ মুসলিম, ইহুদী, হিন্দু, খৃষ্টান যে ধর্মেরই হোক না কেন সামপ্রদায়ীকতার ভাষা সব জায়গায় এক, বিশ্বের বৃহৎ জনগোষ্ঠী এই ভাষায় কথা বলে, ঘরে, ডাইনিং টেবিলে, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আড্ডায়, ব্লগে অনেকে ইনিয়ে বিনিয়ে একই কথা বলতে চেয়েছেন, তবে ওয়ালী ভাই সবচেয়ে পরিস্কার ভাবে লিখেছেন, হাতে সময় থাকলে আরও কিছু দেন।
অতিথি বলেছেন:
নাসের প্রায় গুছাইয়া ফেলছিল ...কিন্তু ব্যাটা বিরাট বোকামী করছিল ঐ নীলনদের বাঁধটা বানাইয়া ...বেশী জোশ আইসা গেছিল আরকি!!
পরে অবশ্য সি.আই.এ এজেন্ট (নাম মনে নাই) স্বীকার করছিল যে নাসেররে কুবুদ্ধিটা তারাই দিছে ...
ইসরাইল খালি ভয় দেখায় মিসাইল দিয়ে বাঁধ ভাইঙ্গা দিমু ... নীলনদের দুইপাশের লাখলাখ মানুষ ভাইসা যাইব ... আর মিশর কোঁৎকোঁৎ করে ভয় গিলে!!
অতিথি বলেছেন:
উৎস, বাছাধন, আপনের কথা এত বাঁকা কেন? দেইখেন ভর্ৎসনাকে উৎসাহ মনে না করলেই হয়।
ওয়ালী বলেছেন:
হুমসকলের অবগতির জন্য বলছি। বিবেচনায় এই পোষ্টটা হইতে পারতো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মুসলমানদের পক্ষে কথা বলাতে। তাই এই পোষ্টে অনেকেই সাম্প্রদায়িকতা আবিস্কার করবে। এটা স্বাভাবিক। কারণ ঈসরাইলের বিভিন্ন দেশে এ্যটাক করা হচ্ছে ডিফেনস আর হামাস আর হিজবুল্লার স্ট্র্যাটিজি এবং ডিফেনস হয় ট্যারোরিস্ট একটিভিটিস। জি্বনের বাদশা বিবেচনা করুণতো আমার পোষ্টটা সাম্প্রদায়িক নাকি উতসের মন্তব্যটা? তীরন্দাজ এর কথা ভিন্ন ভদ্রলোক প্রথম থেকেই ব্যাক্তিগত আক্রমনে পটু ব্যাক্তি। ভদ্রলোক কয়েকটি বিষয়ে আমার রেফারেনস টেনেছেন, যা আমি কোন দিন বলিনি। এবং এমনটা কেন হলো প্রশ্ন করার পরে ভদ্রলোক বারবার পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। তবে হ্যা আমি 'নাজি' শব্দটি ব্যবহার করেছি কিন্তু প্রেক্ষাপটটি ছিলো সম্পূর্ন ভিন্ন এবং এর জন্য আমি এক্সকিউজ হয়েছি আরেকজন ডয়েচ ব্লগারের কাছে। ভদ্রলোক সেই আলোচনা কন্ট্রিবিউট করেছিলেন কিনা সেটাও আমি জানিনা। এটা আগেও দেখা গিয়েছে ভদ্রলোকের লেখার মাঝে থেকে আগে পরের লাইন কেটে শব্দ তুলে আনা হবি। তবে এটা কখনো ভেবে দেখিনি শব্দটি উনার একার জন্য প্রযোজ্য কিনা?
হিমু এবং সুমনদা
হ্যাঁ এটা ঠিক একজন নাসের এর উধাহরণ হিসেবে আনা হয়ছে বাট প্লিজ ডোন্ট টেক ইট লিটার্যালি। নাসেরের চাইতে বড় বড় কালপ্রিট আছে।
পোষ্টটিতে আমি কোন সমিকরণ টানিনি বরং ইহুদীদের পরিচয়টা ফুটিয়ে তুলেছি। এটা উস্কানি মূলক পোষ্ট কি ভাবে হয় আমার বিবেচনায় আসেনা। ভাই খুটির জোর বাংলাদেশে কার নাই বলেন, দোতালা বাসের হ্যান্ডেল ধরে ঝুইলা যাওয়া পাবলিকেরও মন্ত্রির সাথে হট লাইন কানেকশন থাকে নাকি শুনছি!
এখানে মহানবীর সময়কার ইতিহাস তুলে ধরার করাণ ছিলো শুধু মাত্র তাদের পরিচয় তুলে ধরা যে তারা প্রথম থেকেই বিশ্বাষঘাতক একটি জাতি। যারা মানবতা এবং সত্যের বিপক্ষে। এখানে লোকালাইজ করার চিন্তা আদৌ আমার ছিলোনা। লোকালাইজ করার ইচ্ছা থাকলে বর্তমান পরিস্থিতিকে হিজবুল্লাহ'র জিহাদ বলতাম লেবানন রক্ষা বলতাম না। আমি শায়েখ নই তাই সঠিক ভাবেও এটাও বলতে পারবো না এটা জিহাদের পর্যায় পরে কিনা।
সমস্যাটা অবশ্যই ধর্মভিত্তিক মুসলমানরা যদি ঐকের মাঝে থাকতো, তারা যদি ঠিকমতো ধর্ম পালন করতে থাকতো তাহলে, রাসূলের দেয়া পথে চলতে পারতো তাহলে আজকে অসমাজিক কাজগুলো পৃথিবী থেকে বিদায় নিতো, যে কাজগুলো ধর্ম বিদ্্বেষী মানুষদের প্রতিদিনের চলার সাথি। আর এটি মাত্র একটি সেক্টর আরো আনেক কিছু আছে, সুদ ব্যবসা থেকে শুরু করে প্রষ্টিটিউশন পর্যন্ত। তাদেরকে রাসূলের পথে থেকে বিরত করা, সত্য ধর্ম পালন থেকে বিরত রাখার কাজগুলো এভাবে ইহুদীরা করে যাচ্ছে। কোথাও স্ট্যাবল হতে পারছেনা মুসলমানরা। আর অন্তরালে তেল আর অস্ত্র ব্যবসার বুলি। সবাইকে বোঝানে এটা অর্থনৈতিক আগ্রাসন। হ্যা অর্থনৈতিক আগ্রাসন বাট মেজর ধর্ম। এর তার জন্যই মধ্য প্রাচ্যের দিকে হাত বাড়ানো। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার এবং বোনাস হিসেবে তেল।
ওয়ালী বলেছেন:
হুমসকলের অবগতির জন্য বলছি। বিবেচনায় এই পোষ্টটা হইতে পারতো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মুসলমানদের পক্ষে কথা বলাতে। তাই এই পোষ্টে অনেকেই সাম্প্রদায়িকতা আবিস্কার করবে। এটা স্বাভাবিক। কারণ ঈসরাইলের বিভিন্ন দেশে এ্যটাক করা হচ্ছে ডিফেনস আর হামাস আর হিজবুল্লার স্ট্র্যাটিজি এবং ডিফেনস হয় ট্যারোরিস্ট একটিভিটিস। জি্বনের বাদশা বিবেচনা করুণতো আমার পোষ্টটা সাম্প্রদায়িক নাকি উতসের মন্তব্যটা? তীরন্দাজ এর কথা ভিন্ন ভদ্রলোক প্রথম থেকেই ব্যাক্তিগত আক্রমনে পটু ব্যাক্তি। ভদ্রলোক কয়েকটি বিষয়ে আমার রেফারেনস টেনেছেন, যা আমি কোন দিন বলিনি। এবং এমনটা কেন হলো প্রশ্ন করার পরে ভদ্রলোক বারবার পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। তবে হ্যা আমি 'নাজি' শব্দটি ব্যবহার করেছি কিন্তু প্রেক্ষাপটটি ছিলো সম্পূর্ন ভিন্ন এবং এর জন্য আমি এক্সকিউজ হয়েছি আরেকজন ডয়েচ ব্লগারের কাছে। ভদ্রলোক সেই আলোচনা কন্ট্রিবিউট করেছিলেন কিনা সেটাও আমি জানিনা। এটা আগেও দেখা গিয়েছে ভদ্রলোকের লেখার মাঝে থেকে আগে পরের লাইন কেটে শব্দ তুলে আনা হবি। তবে এটা কখনো ভেবে দেখিনি শব্দটি উনার একার জন্য প্রযোজ্য কিনা?
হিমু এবং সুমনদা
হ্যাঁ এটা ঠিক একজন নাসের এর উধাহরণ হিসেবে আনা হয়ছে বাট প্লিজ ডোন্ট টেক ইট লিটার্যালি। নাসেরের চাইতে বড় বড় কালপ্রিট আছে।
পোষ্টটিতে আমি কোন সমিকরণ টানিনি বরং ইহুদীদের পরিচয়টা ফুটিয়ে তুলেছি। এটা উস্কানি মূলক পোষ্ট কি ভাবে হয় আমার বিবেচনায় আসেনা। ভাই খুটির জোর বাংলাদেশে কার নাই বলেন, দোতালা বাসের হ্যান্ডেল ধরে ঝুইলা যাওয়া পাবলিকেরও মন্ত্রির সাথে হট লাইন কানেকশন থাকে নাকি শুনছি!
এখানে মহানবীর সময়কার ইতিহাস তুলে ধরার করাণ ছিলো শুধু মাত্র তাদের পরিচয় তুলে ধরা যে তারা প্রথম থেকেই বিশ্বাষঘাতক একটি জাতি। যারা মানবতা এবং সত্যের বিপক্ষে। এখানে লোকালাইজ করার চিন্তা আদৌ আমার ছিলোনা। লোকালাইজ করার ইচ্ছা থাকলে বর্তমান পরিস্থিতিকে হিজবুল্লাহ'র জিহাদ বলতাম লেবানন রক্ষা বলতাম না। আমি শায়েখ নই তাই সঠিক ভাবেও এটাও বলতে পারবো না এটা জিহাদের পর্যায় পরে কিনা।
সমস্যাটা অবশ্যই ধর্মভিত্তিক মুসলমানরা যদি ঐকের মাঝে থাকতো, তারা যদি ঠিকমতো ধর্ম পালন করতে থাকতো তাহলে, রাসূলের দেয়া পথে চলতে পারতো তাহলে আজকে অসমাজিক কাজগুলো পৃথিবী থেকে বিদায় নিতো, যে কাজগুলো ধর্ম বিদ্্বেষী মানুষদের প্রতিদিনের চলার সাথি। আর এটি মাত্র একটি সেক্টর আরো আনেক কিছু আছে, সুদ ব্যবসা থেকে শুরু করে প্রষ্টিটিউশন পর্যন্ত। তাদেরকে রাসূলের পথে থেকে বিরত করা, সত্য ধর্ম পালন থেকে বিরত রাখার কাজগুলো এভাবে ইহুদীরা করে যাচ্ছে। কোথাও স্ট্যাবল হতে পারছেনা মুসলমানরা। আর অন্তরালে তেল আর অস্ত্র ব্যবসার বুলি। সবাইকে বোঝানে এটা অর্থনৈতিক আগ্রাসন। হ্যা অর্থনৈতিক আগ্রাসন বাট মেজর ধর্ম। এর তার জন্যই মধ্য প্রাচ্যের দিকে হাত বাড়ানো। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার এবং বোনাস হিসেবে তেল।
অতিথি বলেছেন:
নাহ! সারাজীবন অবগতিই থাইকা যাইবো। ঊর্ধগতির দেখা ইহজনমে পামু না।
অতিথি বলেছেন:
আমি ওয়ালী ভাইয়ের মন্তব্যের শেষ প্যারার প্রথম বাক্যের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি।
অতিথি বলেছেন:
ভাইরে ওদের তো অনেক শক্তি। তাই নিজে আগে ঐরকম শক্তি অর্জন করে ওদের পাছায় আঙ্গুল দিও। একটা ঢিল মেরে যদি 10টা জীবন যায় এটাকে কি বলা যায়?? মহাবোকার দল।Be Practical। শুধু কোরআন আর হাদিস তোতা পাখির মতো পড়লে তো হবে না। আর মুসলমান ঐক্য ঐক্য করে গলা ফাটালে ও চলবে না।
অতিথি বলেছেন:
ফ্রি লিংক, কেমুন আছেন?
অতিথি বলেছেন:
http://www.fromisraeltolebanon.com/ভয়ংকর ছবির আরেকটা সাইট। আমি শুধু প্রথম ছবিটা দেখেছি।
আপনার শিরোনামের ব্যপারেই আমার এলার্জি আছে ওয়ালী, আমি পুরো 'ইহুদী' জাতিকে এভাবে এক রঙে দেখতে চাই না। আমি আরেকবার পড়ে নেই, মন্তব্য দিচ্ছি।
অতিথি বলেছেন:
ফ্রাস্ট্রেশনটা পুরোপুরি লেজিবল ওয়ালী, কিন্তু কথাগুলো একটু অন্য ভাবে বলায় জনমত আপনার পুরো উলটো দিকে গেল।মাত্র ভাইয়া একটা বুকলেট এনে দিল। আমাদের পুরো ইউনিভার্সিটি ছেয়ে গেছে হলুদ কাভারের বুকলেটটায়। নাম 'কমবেটিং হিজবুল্লাহ'। প্রকাশ করেছে জুইশ সোসাইটি। কি করব ভাই, হিজবুল্লাহর পক্ষে একটা কথাও কেউ বলবে না, কারণ অস্ট্রেলিয়ান সরকার হিজবুল্লাহ আর হামাস দু'টো সংগঠনকেই টেররিস্ট সংগঠন ঘোষণা করেছে।
সেদিন নিউজ শুনে হাসছিলাম খুব। আমেরিকান জার্নালিস্ট অবাক হয়ে গেছে হিজবুল্লাহ আর হামাসের একাত্মতা দেখে। ওমা, হিজবুল্লাহ শিয়া সংগঠন, আর হামাস সুন্নী। কি করে হল?
আল্লাহ, কি বলব... পুরো পৃথিবী অন্ধ হয়ে আছে... ইসরাইলের একজন মরে তো লেবাননের শত শত মানুষ মরে। ইসরাইল শুধু নিজেকে প্রটেক্ট করে।
তবু, ইহুদীদের এভাবে লেবেল অাঁটা আমি সমর্থন করি না। কারণ কিছু ভাল ইহুদী আমি দেখেছি। ভাল, সংবেদনশীল, সচেতন, যারা ইসরাইলী জায়োনিজমকে সমর্থন করছে না। আপনি জায়োনিস্টদের টাইটেলে ওভাবে আনতে পারতেন, কিন্তু ইহুদীদের না। মনে রাখবেন, ইহুদীদের আর খ্রীষ্টিয়ানদের কিন্তু ইসলামে বিশেষ সম্মান দেয়া হয়েছে, 'পিপল অফ দ্যা বুক', আহলুল কিতাব হিসেবে। ইবরাহীম (আ) পর্যন্ত আমাদের ইতিহাস এক, সেই সূত্রে আমরা বিশ্বাসের দিক দিয়ে ভাই না হলেও কাজিন
পুরো পৃথিবী জামর্ানীর অপরাধের দায় মিটাতে গিয়ে আরও কত মানুষকে অত্যাচারিত করছে, বুঝতে পারছে না!
অতিথি বলেছেন:
আহলুল কিতাব নারীদের সাথে মুসলিম পুরুষদের বিয়ে ঠিক আছে, কিন্তু মুশরিক নারীদের সাথে নয়... এটা কি প্রমান করে না, ইহুদী আর খ্রীষ্টিয়ানদের ইসলামে বিশেষ সম্মান দেয়া হয়েছে? ইহুদী বিশ্বাসটাকে অপমান করার মত তাই কিছু বলেন না প্লীজ, হ্যা, জায়োনিজমের বিরুদ্ধে বলেন... যে কোন সচেতন মানুষ আপনার পাশে দাঁড়াবে।
অতিথি বলেছেন:
চোর, আপনার বুদ্ধি দেখে আমি পুলকিত! অশ্ব পাঠানো বলতে আপনি যা বুঝেছেন তাতে আমি সত্যিই বিস্মত!! লোল!!!!!জি্বনের বাদশা সাম্প্রদায়িকতা বলতে কি বুঝেন? ইহুদীদের সত্যিকার ইতিহাস বলাটা সাম্প্রদায়ীকতা?
অনেক কিছু লিখে ফেলেছিলাম মন্তব্যে.. পরে ভাবলাম সবার মন্তব্যগুলো পড়ে দেখি... ওয়ালী জি্বনের বাদশার মন্তব্যের সুন্দর জবাব দিয়েছেন। বাকীরাও চমৎকার বলেছে.. আমার আর কিছু বলার নেই তাই..
তবে মুসলমানদের পক্ষে কোন কিছু বলতে গেলে যেসকল মুসলমানরা সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ খুঁজে বের করার চেষ্টা করে তারা সম্ভবত হিন্মনতায় ভুগছে।
ধন্যবাদ ওয়ালীকে এত সুন্দর তথ্যবহুল ও সময়োপযোগী একটি পোষ্ট করার জন্য।
অতিথি বলেছেন:
আস্তমেয়ে, ইহুদী আর খ্রিষ্টানদের যে সন্মানটা দেয়া হয়েছে ইসলামে সেটা যারা মূল ইহুদী ও খ্রিষ্ট ধর্ম পালন করবে তাদের জন্য। মূল ব্যাপারটি এখন কোথাও নেই আপনি জানেন। খ্রিষ্ট ধর্মের মূল বাণীকে নিজেদের মত করে বর্তমানে যে খ্রিষ্ট সমাজ প্রতিষ্ঠিত তাদের ব্যাপারে ইসলামের কোন দায় নেই। আর যাই বলেন, ত্রিত্ববাদীতা ইসলামের মেীলিক একটি বিষয়ের পরিষ্কার লংঘন ছাড়া আর কিছুই নয়। ইহুদীদের ক্ষেত্রেও এরকম অনেক ব্যাপার রয়েছে। আর কোরানেই পরিষ্কার বলে দেয়া হয়েছে ওরা কখন মুসলমানদের বন্ধুরুপে গ্রহন করবে না। আল্লাহ ভাল জানেন কার মনে কি রয়েছে। বেশী উদারতা দেখাতে গিয়ে নিজেদের পায়ে কুঠার মারাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
তবে ইসলাম তাদের যতটুকু সন্মান দেখাতে বলেছে (এজ এ ননমুসলিম) তাতে কোন মুসলমানেরই কোন রকম কার্পন্য থাকা উচিত নয়। তাই বলে বর্তমানের বিকৃতি ইহুদীবাদ ও খৃষ্টবাদকে ইসলামের কাতারে এনে বিবেচনা করার কোন কারন দেখি না।
অতিথি বলেছেন:
এজন্যই আমি 'জায়োনিস্ট'দের ঘৃণা করি। কিন্তু ঢালাও ভাবে ইহুদী লেখাতে আমার বাঁধে।
হিমু বলেছেন:
ত্রিভূজ ভাই, ইহুদিদের সত্যিকার ইতিহাস কিন্তু ইসলামের উন্মেষলগ্ন থেকে শুরু হয়নি। এরা বহুৎ পুরানা মাল। ওয়ালী ভাইয়ের ওয়াজ শুরু হয়েছে খন্দক থেকে, যেখানে উনি ইহুদিনিধন সংক্রান্ত খুৎবা পেয়েছেন। ইজরায়েল প্রতিষ্ঠিত হবার আগ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি সমস্যা কোন ইসু্য ছিলো না, তখন কেউ এইসব ওয়াজ করার প্রয়োজন বোধ করে নাই। ঐ আমলের লোকদের আপনি কী বলবেন? মুসলিমদের বিপক্ষে এখানে কেউ বলছে না। কিন্তু মুসলিমদের পক্ষে কী বলা হচ্ছে সেটাও ভেবে দেখার বিষয়। মুসলিমদের যদি সম্প্রদায়কাতর দাঙ্গাবাজ হবার জন্য আহবান জানানো হতে থাকে, তাহলে সেই আহবানে সাড়া দিয়ে নিজেকে সচেতন মুসলিম ভেবে খুশি হবার কিছু নেই। ওয়ালীদের মুখে এসব কথা তুলে দিয়ে লাভবান হচ্ছে ঐ ইয়াহুদেরাই। আমাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে অসহিষ্ণু এক সম্প্রদায় হিসেবে। সারা দুনিয়ায় যতো ইহুদি আছে, ঢাকা শহরে বোধহয় তারচেয়ে বেশি মুসলিম আছে, তারপরও তাদের এত ক্ষমতা কেন? একটু ভেবে দেখবেন।
হামাস আর হিজবুল্লাহর সংগ্রামকেও খাটো করে দেখার কোন প্রয়াস আমার নাই। এরা মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই টেররিস্ট বলে উড়িয়ে দিতে চায়। এদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা ইজরায়েল নিয়েছে, সেটাও সন্ত্রাস, বরং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।
অতিথি বলেছেন:
হিুম ভাই, ইসলামের পুর্বে হোক বা পরে হোক ইতিহাস ইতিহাসই। আগেরগুলো যেমন সত্য তেমন পরেরগুলোও সত্য। এখানে আলোচনাটা করা হয়েছে ইহুদীদের মুসলিমদের প্রতি করা আচরনের বিষয়ে। ইসলামের উষালগ্ন থেকে ইহুদীদের বিভিন্ন আচরন ও ঘটনা'র ইতিহাসের কথা বলছিলাম আমি। সেগুলো পড়লেই বুঝা যাবে ইহুদীরা ইসলামের প্রতি কিরুপ মনোভাব পোষন করে। আর আপনি এই ইতিহাস সম্পর্কে সম্ভবত একটু কম জানেন... হতেই পারে। সবার সবকিছু জানার ব্যাপারে উৎসাহ না থাকাটা দোষের নয়। তবে যে ব্যাপারে উৎসাহ কম সে ব্যাপারে মন্তব্য করার সময়ে একটু সতর্ক থাকলে ভাল হয়। ইজরায়েল প্রতিষ্ঠার আগে ইহুদী কোন সমস্যা ছিল না এটা আপনি কিভাবে বলেন? নবী মোহাম্মদ (সা
বিষয়টি নিয়ে একটু গভীর ভাবে ভেবে দেখুন।
অতিথি বলেছেন:
দ্্বিতীয় প্যারার 8 নাম্বার লাইনে উপস্থাপনায় একটু ভুল হয়েছে- 8নম্বর লাইনটির জায়গায় নিচের কথাগুলো না দিলে বুঝতে সমস্যা হতে পারে অনেকের।------------------------------------------------
... কিন্তু এটা ছিল নন-মুসলিমদের প্রতি মুসলমানদের কিরকম আচরন করতে হবে সে সম্পর্কিত ইসলামের বিধান এর কারনে। যা ইসলামের একটি চমৎকার দিক। যেটার অভাব রয়েছে ইহুদী বা খ্রিষ্টবাদে। (মূলত ওরা নিজেদের মত করে সাজানোর ফলে হয়েছে এসব ব্যাপার।)
------------------------------------------------
অতিথি বলেছেন:
ওয়ালী, এমন কিছু একটাই চাচ্ছিলাম বেশ কিছুদিন থেকে, কিন্তু বিভিন্ন সংকীর্ণতার কারণে নিজেও পারছিলাম না। অনেক ধন্যবাদ।যে কোন ব্যাপারকে কিছু কিছু মানুষ শুধু বাহ্যিক দিকটা দেখেই বিচার করে থাকে। সঠিক বিবেচকই মাত্র পূর্বাপর ইতিহাস ঘেঁটে আড়ালের সত্যগুলোকে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়। ইয়াহূদীরা কখনোই মেনে নিতে পারেনি নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আইহি ওয়াসাল্লামকে আর শত্রুতার শুরু সেখান থেকেই। প্রতি যুগেই পরিবেশ-পরিস্থিতি সেই শেকড়গত শত্রুতায় শুধুমাত্র পন্থা ও প্রয়োগের পরিবর্তনই এসেছে; মূলগত কোন পরিবর্তন আসেনি। আসবে কি করে, তাদের, আমাদের, সকলের স্রষ্টা সর্বশক্তিমান আল্লাহই যেখানে তাদেরকে বলেছেন- "মাগদুব" বা "অভিশপ্ত"। এছাড়া অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি তো রয়েছেই, যা সেই মূল শত্রুতার সমসাময়িক ইন্ধন শুধু।
হিমু বলেছেন:
নিশ্চয়ই আমি কম জানতে পারি। মাঝে মাঝে কম জানাটা দোষেরও হতে পারে বৈকি। কিন্তু এমনও হতে পারে, আমি কম না-ও জানতে পারি। ইহুদিরা তো খোদ যীশুখ্রীষ্টকেই ক্রুশে টাঙিয়ে মারার বন্দোবস্ত করলো। তবুও এখন ক্রিশ্চানদের সাথে তাদের মারপিট হয় না কেন (তবে আগে হয়েছে)? গভীর ভাবে ভাবুন দেখি।
আজকে পৃথিবীতে একশো কোটিরও বেশি মুসলিম এক কোটি ইহুদির বিপরীতে দুর্বল কেন? নিযর্াতিত হচ্ছে কেন? গভীর ভাবে ভেবে দেখেছেন? মুসলিমদের কূটনৈতিক যোগাযোগের মান এত খারাপ কেন, ভেবে দেখেছেন? সৌদী পেট্রোডলার কেন মার্কিন ইহুদির ব্যাঙ্কে বিনিযুক্ত হয়, ভেবে দেখেছেন গভীরভাবে?
অতিথি বলেছেন:
হিুম ভাই, খ্রিষ্টানদের সাথে বর্তমানে ইহুদিদের গোলমাল লাগছে না কেন সে সম্পর্কে কিছু বলি (অনেকদিন আগে পড়েছিলাম.. তাই পরিষ্কার বক্তব্য দিতে পারব না মনে হয়) -খ্রিষ্টানদের একটি ভ্রান্ত ধারনা রয়েছে। তাদের বর্তমান ধর্ম বিশ্বাসেই এরকম একটি ব্যাপার রয়েছে যে, ইহুদীরা একসময় তাদের জন্য রক্ষা ঢাল হিসেবে আবিভূত হবে। তখন ইহুদীরা দলে দলে প্রান দিয়ে খ্রিষ্টানদের রক্ষা করবে। (আসলে পুরো বিষয়টি আমার মনে নেই.. কারো জানা থাকলে একটু ডিটেইলস লিখুন প্লিজ).. সেকারনে ইহুদীদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। অনেকটা বলির পাঁঠার মত ব্যাপারটি।
আর আপনার পরের প্রশ্নগুলো আমার মনেও রয়েছে। কিন্তু এই প্রশ্নগুলো নিয়ে ভেবে আপনি কি উত্তর পেয়েছেন আর আমি কি পেয়েছি তার মাঝে পার্থক্য থাকতে পারে। সম্ভবত আছেও। তবে ব্যাপারটা আসলে সব দিক থেকে দেখার সীমাবদ্ধতা থেকে হচ্ছে বলেই আমার মনে হয়। তবে কিছু ব্যাপার থাকে যা ইউনিভার্সেল... আপনি যতই অবিশ্বাস করতে চান না কেন, আপনার অবচেতন মনে তা প্রতিষ্ঠা পেয়ে থাকবে। তা অস্বীকার করারও কোন উপায় নেই। তবে বাহ্যিক ভাবে বলতে পারেন আমি মানি না। সেটা আলাদা ব্যাপার।
অতিথি বলেছেন:
খ্রিষ্টান দের সাথে ইহুদিদের আর মারপিট হয় না কারন যিশু খ্রিষ্ট যায়গাটা এখন জোর্জ ডাবলু বুশ দেয়া হয়েছে।
অতিথি বলেছেন:
রামছাগল [ইটালিক]নুডুস[/ইটালিক] খেলেও রামছাগলকাঠালপাতা খেলেও রামছাগল..
ওই ছাগলা! হ্যাট হ্যাট.. যা! যা! ঘাস খা..
ওয়ালী বলেছেন:
আমি জানি জায়োনিজম এবং ইহুদ এক ক্যাটাগরির মধ্যে পরে না। কিন্তু বিপরীতে দিকে একটি মুসলমানের ভুলকে লোকালাইজ করে সমগ্র জাতিকে যখন প্রশ্ন বিদ্ধ করা হয় সেটা থেকে আমরা যারা সঠিক দ্্বীনের পথে চলতে চাই তাদের দু:খ লাগতে পারে এই বিষয়টি ভাবা উচিত।আহলুল কিতাবের নর নারী বিয়ের ব্যাপারে যেই কথা উল্ল্যেখ করা আছে তার থেকেই মনে হয় সায়াদ বিন মায়ায এর সিদ্ধান্ত শুধু মাত্র পুরূষদের ক্ষেত্রে প্রযজ্য ছিলো। যাই হোক আমার মূল বিষয় সায়াদ বিন মায়ায এর বিচারের রায়টি নয়, মূল বিষয় যেটা ছিলো সেটা হচ্ছে তারা যে মানবতা বিরোধী এবং বিশ্বাস ঘাতকতার করে আসছে সেটা তুলে ধরা। এর মাঝে থেকে কিছু ইহুদী যে ভাল না বা জায়োনিষ্ট নয় সেটা আমিও অস্বীকার করি না। তারপরেও আমি এধরনের শিরনামের জন্য দ:খ প্রকাশ করলাম, ইহুদী না দিয়ে জায়োনিষ্ট দেয়া প্রয়োজন ছিলো।
আরো একটি মূল বিষয় ছিলো। পৈত্রিক সূত্র ছাড়া ইহুদী হওয়া যায় না যার জন্য তারা পৃথিবীর অন্যন্নমানুষদের তারা নিজেদেরে মাঝে গ্রহণ করে নিতে পারে না। আর এই বিষয়টি মনের সংকীর্নতা, যার জন্য যুগ যুগ হয়তো বিভাজন এবং রেশারেশীটা পরম্পরা হিসেবে চলে আসবে বিশেষ করে মুসলমানদের সাথে কারণ তাদের আগ্রাসন প্রতিরোধ করার ক্ষমতা মুসলমানরাই রাখে। আর তাই হিমুর শেষ মন্তব্যটাও আমাদের ভেবে দেখা দরকার। একদিক দিয়ে আমি হই র্যাডিকাল (নাকি জোর করা প্রমন করার চেষ্টা) ভিন্ন দিকে অন্যজন হন কর্মাশিয়াল তৈল ব্যবসায়ি আর যারা বাকী থাকে তাদের কে পুছে। দু:খ হয় তারিক রামাদনকেও আমেরিকায় যাওয়া আসায় বাধা প্রদান করে র্যাডিকাল প্রুফ করা হয়।
আবারো দু:খ প্রকাশ করছি শিরোনামের বিষয়ে। কিন্তু কম বেদনা থেকে এই শিরোনাম তুলে ধরিনি।
ওয়ালী বলেছেন:
আমি জানি জায়োনিজম এবং ইহুদ এক ক্যাটাগরির মধ্যে পরে না। কিন্তু বিপরীতে দিকে একটি মুসলমানের ভুলকে লোকালাইজ করে সমগ্র জাতিকে যখন প্রশ্ন বিদ্ধ করা হয় সেটা থেকে আমরা যারা সঠিক দ্্বীনের পথে চলতে চাই তাদের দু:খ লাগতে পারে এই বিষয়টি ভাবা উচিত।আহলুল কিতাবের নর নারী বিয়ের ব্যাপারে যেই কথা উল্ল্যেখ করা আছে তার থেকেই মনে হয় সায়াদ বিন মায়ায এর সিদ্ধান্ত শুধু মাত্র পুরূষদের ক্ষেত্রে প্রযজ্য ছিলো। যাই হোক আমার মূল বিষয় সায়াদ বিন মায়ায এর বিচারের রায়টি নয়, মূল বিষয় যেটা ছিলো সেটা হচ্ছে তারা যে মানবতা বিরোধী এবং বিশ্বাস ঘাতকতার করে আসছে সেটা তুলে ধরা। এর মাঝে থেকে কিছু ইহুদী যে ভাল না বা জায়োনিষ্ট নয় সেটা আমিও অস্বীকার করি না। তারপরেও আমি এধরনের শিরনামের জন্য দ:খ প্রকাশ করলাম, ইহুদী না দিয়ে জায়োনিষ্ট দেয়া প্রয়োজন ছিলো।
আরো একটি মূল বিষয় ছিলো। পৈত্রিক সূত্র ছাড়া ইহুদী হওয়া যায় না যার জন্য তারা পৃথিবীর অন্যন্নমানুষদের তারা নিজেদেরে মাঝে গ্রহণ করে নিতে পারে না। আর এই বিষয়টি মনের সংকীর্নতা, যার জন্য যুগ যুগ হয়তো বিভাজন এবং রেশারেশীটা পরম্পরা হিসেবে চলে আসবে বিশেষ করে মুসলমানদের সাথে কারণ তাদের আগ্রাসন প্রতিরোধ করার ক্ষমতা মুসলমানরাই রাখে। আর তাই হিমুর শেষ মন্তব্যটাও আমাদের ভেবে দেখা দরকার। একদিক দিয়ে আমি হই র্যাডিকাল (নাকি জোর করা প্রমন করার চেষ্টা) ভিন্ন দিকে অন্যজন হন কর্মাশিয়াল তৈল ব্যবসায়ি আর যারা বাকী থাকে তাদের কে পুছে। দু:খ হয় তারিক রামাদনকেও আমেরিকায় যাওয়া আসায় বাধা প্রদান করে র্যাডিকাল প্রুফ করা হয়।
আবারো দু:খ প্রকাশ করছি শিরোনামের বিষয়ে। কিন্তু কম বেদনা থেকে এই শিরোনাম তুলে ধরিনি।
















