আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভ্যি দেখা বা না দেখা: হালাল হারাম প্রসঙ্গ - সন্ধ্যাবাতি
- চঞ্চল মন আমার মানে না বারণ - ওয়ালী
- কুঁ ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক... - ওয়ালী
- ফিল্মী জীবন - ওয়ালী
- ইয়ে মানে তেমন কিছু না - ওয়ালী
- বই এর জগতে আমি - ওয়ালী
- হাইওয়ে জুস কেলেঙ্কারী - ওয়ালী
- আন্ডা সমাচার - ওয়ালী
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- সুখপাখির সুখের পৃথিবীতে আমি - ওয়ালী
- বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি! - ওয়ালী
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- ব্লগ কর্তৃপক্ষের প্রতি: প্রতিক্রিয়াশীলদের উস্কানিতে বিভ্রান্ত হবেন না - ওয়ামি
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- "গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ": হুমায়ূন আজাদ - সন্ধ্যাবাতি
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইউনেস্কোর তথ্য শূন্যতা !! - থার্ডআই
- মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি: উৎস্বর্গ চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির হর্তাকর্তা হুজুরে শাহ পীরে আউলীয়া এস্কিমো ওরফে উত্তর মেরুর দুপেয়ো এবং তাহার কমরেডদের - মুক্তি
- "তাদের" এই অধঃপতন রোধের দাওয়াই কি? - ওয়ামি
- চরম জেনেরেলাইজেশন হইছে মানি, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননার চেষ্টাও করি নাই - ওয়ামি
- পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ - মাহবুব মোর্শেদ
শান্তির অম্লান, শ্যামায়িত আরমান- হেজাজের ঝড়ে বীভৎস বাধা দলছে © ওয়ালী. ১৯৮৩ এবং পরবর্তী ;)

কেন?
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ২:৩৮
1757 সালে পলাশীর অম্রকাননে জগত শেঠদের বিশ্বাস-ঘাতকাতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় বরণের পর থেকেই স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে নবাবের সেনাপতির বিশ্বাস ঘাতকতার কারনের নবাব বাহীনির যারা অংশগ্রহণ করার সূজগ পায়নি তারা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েন এক বুক ক্ষোভ নিয়ে। পরবর্তীকালে মীর কাসিমের স্বাধীনতা পূনরুদ্ধার সংগ্রামে এবং আরো পরে ফকির মজনু শাহের নেতৃত্বে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামে এদের অনেকেই অংশগ্রহন করেন।
মুলমানদের হাত থেকে ইংরেজরা রাষ্ট্রিয় ক্ষতা কুক্ষিগত করে বলেই মুসলমানরাই স্বাধীনতার সংগ্রামে সক্রিয় হয়ে ইঠে। 1757 থেকে 1857 পর্যন্ত প্রধানত মুসলমানরাই সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করে। এসময় হিন্দুরা বৃটিশদের সহোযগিতায় নিজেদের আখের গোছাতে ব্যাস্ত। 1857 সালের সিপাহী বিপ্লবের ব্যার্থতার পর 1905 সালে নবাব সলিমুল্লার সমর্থনে বৃটিশ সরকার ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ এবং আসাম নামে একটি নতুন প্রদেম গঠন করে। এতে করে সুবিধাভোগী নব্য হিন্দু জমিদার গোষ্ঠি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দলন শুরু করে। তাদের কুপরামর্শের কাছে নতি স্বীকার করে 1911 সালে বিট্রিশরা বঙ্গভঙ্গ রদ করে। পরবর্তীতে মুসলমানদের ক্ষোভ প্রশমনার্থে ঢাকাতে একটি বিশ্ব বিদ্যালয় দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধেও কলিকাতার দাদারা ধূতি পড়ে নেমে যান। যুক্তি হচ্ছে " পূর্ব বঙ্গের লোক মুসলমান কৃষক, তাই তাদেও উচ্চ শিক্ষার জন্য কোন বিশ্ব বিদ্যালয়ের দরকার নেই।" অনেক কষ্টের পর 1921 সালে পূর্ববঙ্গে বিশ্ব বিদ্যালয় হয়। নিখিল ভারত মুসলিম লীগ 1940 সালের প্রস্তাব ছিলো মূলত মুলমানদের অধিকার রক্ষা।
উপমাহদেশে বৃটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় পূর্ববঙ্গের জনগোষ্ঠী হিসেবে মুসলমানরা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় পাকিস্থান আন্দোলন বাংলাদেশই সর্বাধিক সাফলতা পায়। পাকিস্থান ইসু্যতে 1946 সালের নির্বাচনে মুসলমানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু এই দাবীর বিরূদ্ধে বৃটিশ সরকার এবং কংগ্রেস ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। 1946 এ লাহোর প্রস্তাব কাট ছাট করে উত্তর পশ্চিম ও পূর্বনঞ্চলকে একাধিক রাষ্ট্রের বদলে আপাতত একটি রাষ্ট্র (পাকিস্তান) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বৃটিশরা গ্রহন করে। 1947 এর বৃটিশ শাসনের অবসানের পর সিলেট সহ পূর্ববঙ্গ, উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু, পাঞ্জাবের কিছু অংশ এবং বেলুচিস্থান নিয়ে পাকিস্থানের অবির্ভাব। এই আন্দোলনে বাঙ্গালী মুসলমানদের অবদান সর্বাধিক থাকলেও পাকিস্থান রাষ্ট্র পূর্ববঙ্গের আশা পূরণে ব্যার্থ হতে থাকে। এই ক্ষেত্রে প্রথম আশা ভঙ্গ হয় সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখের ভাষা নিয়ে। 1947 সালে উদর্ূর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ববঙ্গের শিক্ষ ও অফিস আদালতের বাহন করারা দাবীতে আন্দোলনের ডাক দেয় তমদ্দুন মজলিস। আর এভাবেই ভাষা আন্দোলনের সুত্রপাত। 1948 এর 11ই মার্চ এবং 1952 এর 21 শে ফেব্রুয়ারীর ভাষার গণবিষ্ফোরন একই সুত্রে গাথা।
1947 এর মূলে ছিলো পূর্ববঙ্গের মুসলিম স্বাতন্ত্রতা আর বাংলাদেশ যদি মুসলিম অধু্যষিত অঞ্চল হিসেবে পাকিস্তানের অনর্্তভূক্ত না হতো তাহলে পরবর্তীতে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বতন্ত্র বাংলাদেশ রাষ্ট্রছিলো অসম্ভব একটি ব্যাপার। আর এই ভাষা আন্দোলনের মাঝেই লাহোর প্রস্তাবের বাস্তবতা। এবং এই লাহোর প্রস্তাবই স্বাধীন বাংলাদেশের রুপরেখা। ড: দীনেশ চন্দ্র সেন বলে ছিলেন বখতিয়ার খিলজীর বঙ্গ বিজয়ের মাধ্যমে এদেশে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে ভাষা ও সাহিত্যেও সমৃদ্ধিও স্বর্ণদ্বার উম্মূক্ত হতো না। এই ভাষার আন্দোলনে রক্তও দিয়েছে মুসলিম তরুণরা। আর পশ্চিমবঙ্গের বাংলাপ্রেমীকেরা হিন্দীকে রাষ্ট্র ভাষা পেয়েই সন্তুষ্ট থাকেন।
স্বাধীন বাংলাদেশের বিকাশে ইসলাম এবং বাংলা ভাষা উভয়রই ছিলো ঐতিহাসিক ভূমিকা। বাংলাদেশকে স্বাধীন জাতীসত্তা হিসেবে ভাষার সমৃদ্ধি যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন মুসলিম বৈশিষ্ঠ্য গুরুত্বেও সাথে বিকশিত করা। পলাশী থেকে আজকের বাংলাদেশ পর্যন্ত কোথাও ধর্মনিরপেক্ষতার স্থান ছিলোনা। ভ্রান্তরা ইতিহাস পরিবর্তনের মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে জাতীকেও ভান্ত্র করতে চায়। হায়রে ভ্রান্ত, বীণ বাজালে সাপও নাচে। আর মানুষ নাচে ধর্মনিরপেক্ষতার বীণে।
আকাশনীলা বলেছেন:
না, প্রথমে তমুদ্দিন এবং পদার্থ বিদ্যা বিভাগের আবুল কাসেম আলোচনা করেন।অ্যাসেম্বলীতে তুলেন ধীরেন বাবু।মানে সরকার পর্যায়ে ধীরেন বাবু প্রথম তুলেন।
নাবাবের পরাজয়ের পিছনে মীরজাফর ও ছিল। সে ই প্রধান ছিল।
পূর্ববাংলায় 80%মুসলমান। তাই যেকোন আন্দোলনে তদের অবদান ই চোখে পড়বে, তাই বলে অন্য কোন ধর্মের মানুষ এর সাথে জড়িত ছিল না তা সঠিক নয়।ইতিহাস বলে না যে কোনো আন্দলন কারী বলেছে ,এই আন্দোলন সুধ মুসলমানের , বা ইসলামের আন্দোলন ।তারা নিরপেক্ষ আন্দোলন করেছে। তারা ধর্মের জন্য লড়াই করে নি। তারা ভাষার জন্য লড়াই করেছে। এই ভাষায় ই এই বাংলার হিন্দু মুসলিম সবাই কথা বলে। এটা ধর্মিয় আন্দোলন হাবে কেনো?
"সকল মুসলিম এক হয়, ভাষার জন্য লড়াই কর" বা " পূর্ব বাংলার মুসলমান স্বাধীনতা কাইড়া আন"
কোন আন্দোলনের স্ললোগানই এমন ছিল না।
বাংলােেদশে স্বাধীনতায় বিধর্মিদের আবদান তুমি অস্বিকার করতে পারবে না। হিন্দু কোনো রাজাকারের খবর আমি জানি না। তবে হিন্দু মুক্তিযুদধা প্রচুর।
আকাশনীলা বলেছেন:
তমুদ্দি মজলিস ও আবুল কাসেমের আলোচনা টা খুব ঘরোয়া মানে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল এ হয়েছিল। এটা তখন জাতীয় ভাবে প্রকাশিত কিছু ছিল না।
অতিথি বলেছেন:
আকাশনীলা এই বিষয়টা বোঝাতে পারলেও হতো যে ভাষা আন্দোলনের কোনো ধর্মপরিচয় ছিলো না। তমুদ্দিন মজলিস আন্দোলনে নামে জিন্নাহ ঢাকা আসার পর।
অতিথি বলেছেন:
ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরূদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের যুক্তি ছিলো এরকম।কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ মেধাবী ছাত্র ছিলো পূর্ববঙ্গের, হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগোষ্ঠী ছিলেন অবধারিতভাবে কলিকাতাকেন্দ্রিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে তাঁদের অনেককেই ঢাকায় নিয়ে আসা যেতো না। কিন্তু পক্ষান্তরে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন স্থানের মেধাবী যুবকরা কলিকাতার বদলে নিকটবর্তী ঢাকায় এসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতো। এতে করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বঞ্চিত হতো মেধাবী ছাত্র থেকে, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঞ্চিত হতো প্রতিভাবান শিক্ষক থেকে। সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ সমর্থন করা হয়েছিলো শুধু, "মুসলিম কৃষকের উচ্চশিক্ষা" রোধের জন্য নয়। বহু মুসলিম কৃষকের সন্তানেরা কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে পরবর্তীতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন।
বঙ্গভঙ্গ করেও বৃহত্তর মুসলিম সমাজের কোন উপকার হয়নি। ইংরেজ গোষ্ঠী তাদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতি অনুসরণ করেছিলো শাসনকাজের খাতিরে। তৎকালীন ভারতে এই বিভাজনের সুযোগ নিয়েছে বিড়লা-টাটা-আদমজী-ইস্পাহানির মতো বড় বড় বণিকগোষ্ঠী, সাধারণ মানুষের কোন ক্ষতি হয়নি। আবার দেশবিভাগের সময় যে সাম্প্রদায়িক হানাহানি হয়েছে, তাতে বণিকগোষ্ঠীর গায়ে আঁচড়টাও লাগেনি, সাধারণ মানুষই একে অন্যকে আঘাত করেছে। এর জন্য দায়ী সেই সময়ের নষ্ট রাজনীতি।
ওয়ালী, মীর জাফরের নামটা বোধহয় শোনেননি, বিশ্বাসঘাতকের তালিকায় জগৎশেঠের আগেই বসানো হয় ওকে।
অতিথি বলেছেন:
প্রথম প্রবন্ধ লিখেন শহিদুল্লাহ 29শে জুলাই 1947।ঘটনপঞ্জিতে কালানুক্রমিকতা বজায় রাখা দরকার।
আমার হাতের কাছে উমরের বইটা নেই, তাই কালানুক্রমিক সূচি বলতে পারছি না, যাই হোক কারো হাতে থাকলে সে কি হালকা সাহায্য করবে??
ওয়ালী বলেছেন:
সুমন ভাই বিষয়টি মুসলিম লীগ বা জামায়াতের নয়। জামাত ঘোর বিরোধী ছিলো ঠিকি কিন্তু তাদের যুক্তির মূল্যায়ন কেউ করেনি এবং শুধু ধর্মের জন্য রাষ্ট্র ভাগ হচ্ছে বিধায় তারা ভোট দিয়েছিলেন কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষেই। মওদুদী সাহেব জামায়াতের রোকনদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন বলেছিলেন এটা আপনাদের একান্ত ব্যাক্তিগত মতামত। তবে যেহেতু ধর্মের নামে রাষ্ট্র ভাগ হচ্ছে আমি পাকিস্তানকেই ভোট দিবো।
অতিথি বলেছেন:
আচ্ছা ওয়ালী, আপনি জামাত না মুসলিম লীগ ? বৃটিশ বিরোধী সংগ্রামে তাদের অবস্থন ছল বিপরীত । জামাত পাকিস্থনি প্রস্তাবের ঘোর বিরোধী ছিল ।
অতিথি বলেছেন:
মূদ্রণ প্রমাদের জন্যে দুঃখিত
ওয়ালী বলেছেন:
মীরজাফর ছিলো কিন্তু আমি নামটা আনিনি শুধুমাত্র একটি কারনে। তা হচ্ছে আমার কিছু বন্ধু আছে যারা কথা দিয়ে কথা না রাখলে একে অন্যকে বলে বেটা মীরজাফরগীরী করলি। কেউ বলেনা বেটা জগত শেঠগীরী করলি বা উর্মি চাঁদগীরী করলি তাদের নামটাও আনা প্রয়োজন নয়কি? এটা সচেতনতা মাত্র। মুখফোড় যুক্তি হিসেবে মুসলিম কৃষক শ্রেনীর ব্যাপারটাই ছিলো মূখ্য আর আপনি যে যুক্তির কথা বললেন তার মানে কি এই নয় উন্নয়ন যতটুকু হয়েছে ততোটুকুই সীমাবদ্ধ থাকুক আর উন্নয়নের প্রয়োজন নেই।আমি স্বীকার করি অনেক ধর্মের লোক আন্দলনে ছিলো কিন্তু লাহোর প্রস্তাব ছিলো মুসলমানদের অধিকার আদায়ের। এবং এটা কোন ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলন ছিলনা। সকল ধর্মের মানুষ এক হয়েই আন্দোলন করলে সেটা ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলন হয়না। আন্দোলনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যটা মূল বিষয়। আমি লেখাতে বলেছি যে মুসলমানরাই এই স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রগামী ছিলো। আমি বলিনি হিন্দুরা কোন আন্দোলন করেনি। পলাশী থেকে আজকের বাংলাদেশ কোন আপেক্ষিক বিষয় নয়।
আর আমি ইতিহাস নিজের মতো সাজাচ্ছিনা। তমদ্দুন মজলিসই প্রথম ভাষা আন্দোলনের ডাক দেয়। একটু ইতিহাসের দিকে তাকান।
দয়া করে সকলে আমার শেষের প্যারাটি আবার পড়ে নিবেন সকলে। আমার ধারণা সু-স্পষ্ঠ। এত ভূল নেই।
অপ বাক বলেছেন:
ওয়ালি ভাই হাতের কাছে বরফ থাকলে মাথায় দাও, উত্তপ্ত মস্তিস্ক তোমার। এবং খাওয়ার আগে চিবিয়ে তারপর খাবে কোৎ করে গিলে ফেলবে না তাতে শরীর খারাপ হবে, তোমাকে একটা গোপন কথা বলি, আসলে পাকিস্তান হওয়ার সম্ভবনা দেখে রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার সুপারিশ করে প্রথম আমার পিতামহ, সেটা 46এর শেষের দিকের কথা, তিনি মুসলিম লীগের পান্ডা গোছের নেতা ছিলেন। তার এই প্রস্তাব আলোচিত হয় সরিষাবাড়ীর এক ছোট্ট সম্মেলনে, সেখানে মুসলিম লীগের কয়েকজন বর্ষিয়ান নেতাও উপস্থিত ছিলেন। এ কথা মেনে নিতে পারেন নি অনেকেই, 17ই মে 1947 হায়দ্্রাবদে তাদের একজন চৌধুরি খালেকুজ্জামান ঘোষনা দেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হওয়ার যোগ্যতা আছে উর্দুর। এর প্রতিবাদে মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ আজাদ পত্রিকায় 29শে জুলাই 1947 এ লিখেন , বাংলা ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত। এটা আসলে কোলকাতা এবং বাংলাদেশের মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দের ক্ষমতায়নের নগ্ন বহি ঃপ্রকাশ। আর তমুদ্দুন মজলিশের কোনো লোক 1947 এর কোনো সময়ই রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই এ আন্দোলন করেন নি, 1948এ তারা রাষ্ট্রভাষার সপক্ষে আন্দোলন শুরু করে।
আর ভাষা আন্দোলনের মধ্যে মুসলিম বাঙালির অবদানের কথা তোমাকে ভুলে যেতে হবে, বাংলা ভাষাভাষি মুসলিম জনগন আন্দোলনটা গড়ে তুলে নি, এটার কোনো ধর্মিয় সেন্টিমেন্ট ছিলো না, বরং কোনো কোনো ছাগল( এদের একজন সীরাতুন্নবি লিখেছে) উর্দু হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব করেছিলো এ যুক্তিতে যে ওটা আরবির কাছাকাছি বর্নমালা।
আর যেভাবে তুমি দাবি করতে চাইছো ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলন বলে কোনো কিছুই ছিলো না বাংলাদেশে এটা কি কনিয়াকের প্রভাব??
71 এ বাংলাদেশের মুসলিম উম্মাহ স্বাধীনতার দাবিতে ভারতের প্ররোচনায় পাকিস্তানের অখন্ডতার বিরুদ্ধে লড়েছে, তারা সবাই ভারতের চর এবং দুস্কৃতিকারি, এদের ধরে ধরে মেরে ফেলেছে বা পাকিস্তানি সেনাবাহিনির হাতে তুলে দিয়েছে রাজাকার, আল বদর আল শামস বাহিনীর লোকজন।
1971ও একটা ধর্মিয় প্রেক্ষাপটে আন্দোলন ছিলো??
দেখো ইতিহাস সম্পর্কে না জানা দোষের কিছু না, কিন্তু নিজের মতো ইতিহাস বয়ান করে যাওয়া, এটা একটু কেম লাগে না, তুমি তো মাত্র 40 থেকে 50 বছর আগের কথা বলছো, এখন লোক জন বাচে 70 80 বছর, সে সময় দেখেছে এমন মানুষের সংখয়া কিন্তু কম না। আর এই সময়ে প্রকাশিত অনেক পেপারের সংকলন পাওয়া যাবে একটু ঘাটলেই। তুমি একটা ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে কথা বলছো, এবং এমন ভাবে বলছও যে তোমার কথাই সঠিক।
যাই হোক ইসলামে ূরা পান নিষিদ্ধ করা হয়েছে, এটা মনে রাখবে। আর গ্লাসে যা আসবে তাই চোখ কান বুজে গিলে ফেলবে না।
ওয়ালী বলেছেন:
অপবাক একটু শান্ত হউন। আপনি কার (পিতামহ) কথা বলছেন বুঝতে পারছিনা। আর বিষয়টি আপনার পারিবারিক ইতিহাস না বানালেই মনে হয় ভাল। তমুদ্দন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অধ্যাপক আবুল কাসেম 1947 সালের 15ই জানুয়ারী (তারিখটার ব্যাপারে আমার একটু সন্দেহ আছে। কিন্তু সাল ঠিক আছে)"পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উদর্ূ " নামক একটি বই প্রকাশ করেন। সেই বইতেও তিনি বাংলা ভাষার দাবীতে গন আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। বইটি এখনো বাজারে এভেইলেবেল।ইসলামে পান নিষিদ্ধ নয় তবে মদ্য পান নিষিদ্ধ এবং এটা কয়বারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সে সম্পর্কেও জানি। আমাকে উপদেশ না দিয়ে নিজে একটু উত্তেজনা প্রশমিত করূন। প্রয়োজনে ডাক্তারের কাছ থেকে স্লিপিং পিল নিয়ে পরিমানমতো গ্রহণ করে। একটু ঘুমান।
অতিথি বলেছেন:
কিন্তু ওয়ালী ভাই, জামাতের বিরোধিতার যুক্তি আসলে কি ছিল ?
অতিথি বলেছেন:
আমি নিশ্চিত যে প্রোফাইলে ওয়ালীর 23 বছর বয়সটিই বিভ্রান্তির মূলে। ওখানে 53 লেখা থাকলে এক বিতর্ক করতো না কেউ। এড়িয়ে যেত।
অপ বাক বলেছেন:
এই যে আমার পিতামহের মহান অবদানটা ভুলে গেলেন। আর কাসেম সাহেবের বিষয়টা পরিস্কার নয়। তমুদ্দিন মজলিসের একটা প্রচার পুস্তক বের হয়েছিলো তবে ওটা 48এ কোনো ভাবেই 47এ নয়। যাই হোক আমার পারিবারিক ইতিহাস আপনি মনগড়া বললেন বড় ব্যাথ্যা পেলাম মনে, এটা একদিন প্রমানিত হবেই, আপনি না মানলেও এটা ভুল হয়ে যাবে না
তবে আপনি ভাষা আন্দোলন ঐসলামিক ভাবধারার আন্দোলন ছিলো এটা প্রমানের চেষ্টা করেছেন এখানে, যেমন আপনার কাছে 71 মানেই একটা ঐসলামিক জাগরন, এমন ভ্রান্ত কোনো দাবি নয় আমারটা।
অতিথি বলেছেন:
হ্যাঁ, মজলিস 47 এ এই বিষয়ে কথা বলেছে কিন্তু আন্দোলনের ডাক দেয় নাই। তারা এটা নিয়ে আনোচনা করেছে।বই টা ওসত্য । তার পর তারা কি করে তা নিশ্চয় জানেন ? তারা একটা রাজনৈতীক দ ল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এটা মনে হয় সেপ্টেম্বর এর কথা। ডিসেম্বরে তখনকার শিক্ষামন্ত্রি প,পা গেলে এক ই কথা উঠে ।
মার্চ'48 এদত্তসাহেব এটা নিয়ে সংসদে যুদ্ধ চালান।
তখন এটা ছাত্র ও বুদ্ধিজিবী সমাজে আন্দোলনের প্রসত্তুতি নেয়। এর জন্য আলাদা কমিটি করা হায়। সেটার প্রধান আবুল কাসেম না। সেটা মজলিস এর ব্যানার ও ছিল না। ষেটা ভাষা আন্দোলনের সর্বজনীন কামিটি। তারা ই পরে আন্দোলন সুরু করে। তারা ই সকল সতরের মানুষের মাঝে আন্দোলনের ডাক দেয়।
মজলিস আন্দোলনের ডাক দেয় নাই বা তাদের ব্যানারে আন্দালন হয় নাই।
সে সময় হিন্দু মুসলিম সবাই আন্দোলন করেছে। এটা ইসলামের জন্য আন্দোলন না। আমার মানে হায় বাংলাদেশে ইসলামের জন্য আন্দোলনের কোনো দরকার আছে। আমরা এই সব আন্দোলন না থকলে ই ভাল থাকি। কোন হিন্দু তো মুসলমানের উপর আক্রমন করছে না।
অপ বাক বলেছেন:
ওয়ালি ভাষার প্রশ্নে দ্্বিধা বিভক্তি কোনো মংড়া কল্পকাহিনী না, এটা একটা বাস্তবতা, আর রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় এটা নিয়ে একটা বিভেদ ছিলোই।কলকাতা বা ঢাকা বা হায়দ্্রাবাদ বা পাঞ্জাব , সব জায়গার নেতৃত্ব ভাষার প্রাধান্য বিষয়ে ভিন্নমত ধারন করেছেন।
আর এটা নিয়ে ছোটো পর্যায় থেকে বড় পর্যায় পর্যন্ত আলোচনা হয়েছিলো বিধায় হায়দ্্রাবাদ সম্মেলনে ভাষার প্রশ্নে বিভক্তি রোধে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষা হবে এই দাবির সপক্ষে আমার পিতামহ প্রধান স্বর ছিলো এমন কিন্তু আমি দাবি করি নি, আমি শুধু একটা সভায় তার এ প্রশ্ন উত্থাপনের কথা বলেছি, জেলা পর্যায়ের সম্মেলনে।
আর ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ আমার কাছে হাস্যকর একটা বিষয় মনে হয়, আমি ধর্মের জন্য মানুষ খুন সমর্থন করি না, আমি 71এ বাংলাদেশের মানুষের ভুমিকা এবং তাদের সাথে ভারতের ভুমিকা এবং অবদান স্ব ীকার করি, এটা বাস্তবতা, আমি এটাও বিশ্বাস করি না যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতের চক্রান্তের ফল। এসব বিষয়ে আমার পিতামহের সাথে আমার মত দ্্বৈততা থাকবেই, আমার তাকে ভ্রান্ত মনে হলে আমি সেটা প্রমানের চেষ্টা করবো কিন্তু এর মানে এই না যে তার কোনো সীমিত অবদান অস্ব ীকার করবো।
ওয়ালী বলেছেন:
অপবাক বিষয়টি আপনি নিজেও বিশ্বাস করেননা (আপনার পিতামহের ইতিহাস)। এর আগে আপনি আপনার পিতামহকে ভ্রান্ত প্রমাণ করেছেন। হয়তো তাই আপনি আপনার নিজের নাম এবং আপনার পিতামহের নামটা সব সময়, এড়িয়ে চলেন। তবে আশা করি ব্যাথা হিসেবে নিবেন না শাব্দিক অর্থে গ্রহন কারটাই বুদ্ধিামনের কাজ।এই পোষ্টটির একটি ইনফরমেশন (তমদ্দুন মজলিশের 1947 সালের আন্দোলনের ডাক) ভ্যারিফাই কারার জন্য আমাকে দেরি করতে হয়েছিলো। একটা গঠনমূলক লেখা বা মূল বিষয় লেখতে গেলে সময়ের প্রয়োজন হয়। লেখা কোন মায়ের হাতের মোয়া নয়। লেখাটা আমার 23 শে ফ্রেব্রুয়ারীতে লেখার ইচ্ছা ছিলো।
ওয়ালী বলেছেন:
সরহীন (যুক্তাক্ষর আসছেনা) আমি কিন্তু তমদ্দুন মজলিশের ভাষার দাবীতে আন্দোলনের ডাকের কথাই বলেছি এবং যা ছিলো ভাষা আন্দোলনের মূল শেকড়।অপবাক আমি আসলে যেটা বোঝাতে চেয়েছি তা হচ্ছে এটা কোন ধর্ম রিপেক্ষ আন্দোলন ছিলো না এবং মুলমানরাই এত অগ্রগামী ছিলো।
ধণ্যবাদ


















তাকে সমর্থন করেন কাজি মোতাহার হোসেন, মুহাম্মদ শহিদউল্লাহ।
তমুদ্দিন মজলিসের আগমন 48 এর পরে।
ইতইহাস নিজের মতো সাজিও না, ভাষা আন্দোলনের উপর উমর সাহেবের একখানা ছোটো কিন্তু তথ্যপুর্ন বই আছে, সেটা পড়ে ফেলো।
লেখকের নাম বদরুদ্দিন উমর।