আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভ্যি দেখা বা না দেখা: হালাল হারাম প্রসঙ্গ - সন্ধ্যাবাতি
- চঞ্চল মন আমার মানে না বারণ - ওয়ালী
- কুঁ ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক... - ওয়ালী
- ফিল্মী জীবন - ওয়ালী
- ইয়ে মানে তেমন কিছু না - ওয়ালী
- বই এর জগতে আমি - ওয়ালী
- হাইওয়ে জুস কেলেঙ্কারী - ওয়ালী
- আন্ডা সমাচার - ওয়ালী
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- সুখপাখির সুখের পৃথিবীতে আমি - ওয়ালী
- বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি! - ওয়ালী
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- ব্লগ কর্তৃপক্ষের প্রতি: প্রতিক্রিয়াশীলদের উস্কানিতে বিভ্রান্ত হবেন না - ওয়ামি
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- "গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ": হুমায়ূন আজাদ - সন্ধ্যাবাতি
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইউনেস্কোর তথ্য শূন্যতা !! - থার্ডআই
- মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি: উৎস্বর্গ চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির হর্তাকর্তা হুজুরে শাহ পীরে আউলীয়া এস্কিমো ওরফে উত্তর মেরুর দুপেয়ো এবং তাহার কমরেডদের - মুক্তি
- "তাদের" এই অধঃপতন রোধের দাওয়াই কি? - ওয়ামি
- চরম জেনেরেলাইজেশন হইছে মানি, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননার চেষ্টাও করি নাই - ওয়ামি
- পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ - মাহবুব মোর্শেদ
শান্তির অম্লান, শ্যামায়িত আরমান- হেজাজের ঝড়ে বীভৎস বাধা দলছে © ওয়ালী. ১৯৮৩ এবং পরবর্তী ;)

খবিতা
১৩ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩২
কবিতা আমারে টানেনা তাও একটা লিখলাম। শুনছিলাম সাঁতার না জানলে নাকি ষোল আনাই মিছা। তাই চেষ্টা করলাম। এইখানে বিভিন্ন কবির ছড়িতা দেখে আমার কবিতা+ ছড়িতা লেখার ইচ্ছা হলো তাই নাম দিলাম "খবিতা"। দাড়ি কমার ব্যবহার ঠিকমতো হয় নায়। সবাই দেখলাম একটা কইরা ছড়িতা লেখছে। টেরাই মারলাম তাই। আগে খালি রাতে তারা দেখতাম এখন দিনে দেখতাছি তাই খবিতা (কবি সমাজ মাইন্ড খায়েন না) লেখার প্রয়াস। হি হি হি হি হি. . . . . . .
তাদের ঘিলু জন্মাইনি এখনো
ভয়াবহ বিশ্বযুদ্ধের দামামা কাপায়নি তাদের মন
শুনেনি তারা
গুয়ানতানামো আর আবু গারীবের মতো ফ্যাসিষ্ট প্রিজনের খবর
তাদের হৃদয় সর্্পশ করেনি সেই প্রিজনারদের আর্তনাদ
নাগাসাকি আর হিরোশিমা তাদের কাঁদাতে পারেনি
জানি না মানুষকে নিয়ে গবেষণা কেমন হবে
কঠিন না সহজ?
থামেনা তারা
কয় মত প্রকাশের স্বাধীনতা
আমি হাসি, কই ক্যামনে?
হেরাও হাসে কয় এ্যামনে এ্যামনে
হাসতে হাসতে গড়াগড়ি
কয় ধর আমারে পইল্লাম তো।
তারা কয় আরেকটু কপচায় লই
অশ্লিলতাই মত প্রকাশের স্বাধীনতা
আমিও তাই লেখি
দাম্ভিক কণ্ঠে কয়, ইহা ব্যাক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী বাছা
আমি কই ক্যামনে
কয় এ্যামনে এ্যামনেই।
আরো কয় ইহা কাউকে নির্দিষ্ট করিয়া নয়
কাউকে উদ্দেশ্য করিয়া নয়
আমি কই কে ইডা ক্যামুন কথা,
বলি ব্যাক্তি কি সমাজের বাইরে
হেরা হাসে
কয় নিয়ম আমগো ব্যালায় চেঞ্জ
তোরা অশিক্ষিত, মূর্খ, কপমুন্ডক, গালিবাজ, মৌলবাদী, রাজাকার
জিগাই কেলা?
কয় এ্যামনেই এ্যামনেই।
থামেনা তারা
জিগায় বিদেশ থেকে কি কর?
আমি কই লেকাপলা লেকাপলা কলি চাচ্চু
না থুক্কু থুক্কু বলা উচিত ছিলো
তোমগো লাহান উপন্যাস লিখি।
হাসে ক্য় বেটা তুই অশিক্ষিত ছোট লোক ইতর
কে ছোট হইছিতো কি হয়ছে
ফুসফুসে কি দম নাই
চিন্তায় কি স্বপ্ন নাই।
আমি কই
মুনাফেকদের সিংহাসন টিকাতে
কুটিলতার আর অশ্লিলতার প্রদর্শনী
একদিন নির্ঘাত ধোপে টিকবেনা।
তোরা জানিস না
রাতের নিকষ আঁধার চিরস্থায়ী হয়না
ভূগোল জুড়ে অত্যাচারের রপ্তানী
বন্ধ হবেই একদিন।
আমি কই
ক্লান্ত, শান্ত, ভ্রান্ত সবাই
আর আত্মঘাতির আত্মহনন।
তোরা মুড়ি খা
মু্উহাহাহাহাহাহাহাহ.. . . . . . . . . . .
অতিথি বলেছেন:
আমি কখনও কবিতা লিখিনি এখানে। লিখেছে হিমু, রাসেল, সুমন চৌধুরী। মাশীদ আর হাসান ছড়িতা লিখে মজা করে। আপনি তাদেরকে ইঙ্গিত করছেন তো। তো ওরা আপনাকে ছোট বলে ছেড়ে দিতে পারে। কিন্তু আমি এত স্নেহশীল নই।
ওয়ালী বলেছেন:
দীক্ষক শোভনতা একটা চর্চার বিষয়। আপনি অযথা ব্যাক্তিগত আক্রমণ করছেন কথাতে না পেরে। আপনার সমস্যাটা কোথায়?
অতিথি বলেছেন:
শোভনতা তো চর্চার বিষয়, কবিতাও তাই। আর খবিতা--এটা কিসের বিষয়। বলেন কিসের বিষয়, আমি না বললেও লোকে বলবে....
অতিথি বলেছেন:
আপনি যখন মুখে থুতু দেয়ার কথা বলেন। বেসবল ব্যাট দিয়ে পিটানোর কথা বলেন, তখন শোভনতার কথা মনে থাকে না?
অতিথি বলেছেন:
কবিতা +ছড়িতা = খবিতা (?) হয় না। এটা হবে
খবিস +মুতা=খবিতা।
খবিসরা মুতো দিলে খবিতা হয়।
ভালোই মুতেছেন ওয়ালী। মুতা ভালো হয়েছে। এখন পানি লন। নাহলে কাপড় নাপাক হবে।
অতিথি বলেছেন:
যা পারেন না তা চেষ্টা না করাই ভালো, শুধু শুধু কলম ভেঙে আর যাই-ই হোক কবিতা হয় না, সেই পুরোনো সবাই অকবি, শুধু কেউ কেউ কবি। তাই আমরা এখন থেকে আপনাকে 'খবি'(শ) নামেই ডাকবো কেমন? কারণ আপনিতো তাই-ই লিখেছেন, তাই না?এর জন্য আপনি যদি ব্যাটবল দিয়ে পেটান তাহলেও আপত্তি নেই কারণ এই প্রকার 'খবি'(শ) রা এটাই করে থাকে, কারণ এর চেয়ে ভালো কিছু তাদের কাছ থেকে আশা করা অন্যায়।
ওহ হঁ্যা, আপনি তো মনে বিদেশে না কোথায় থাকেন, ওটা তো মুসলমানের দেশ নয়, অমুসলিমদের দেওয়া সুবিধাটুকু নিতে খারাপ লাগে না আপনার? আপনি অমুসলিমদের দেওয়া যেটুকু সুবিধা নিচ্ছেন আপনার শরীরের ওই অংশটুকু তো বেহেশতের বাইরে থাকবে। লুলা বা পঙ্গু হয়ে বেহেশতে কি করবেন ভাই, হুর-রা যে আপনাকে গ্রহণই করবে না, বলবে ওই লুলা খবি(শ), কিচ্ছু পারস না, তরে এহেনে কে আনছে? (একটু খবিতা ট্রাই মারলাম আর কি, আপনারে কিছু বলি নাই, মাইন্ড খাইয়েন না ভাই)।
সুমন বলেছেন:
পাবলিকরা সাবধান !! অতীতকে ও আমলে নিয়েন । না হলে "খবি" দের অবস্থা হবে।
অতিথি বলেছেন:
খবিস খবিতা খালি ওয়ালী লিখে না। আরো খবিস খাবি খাচ্ছে।
অতিথি বলেছেন:
দুঃখিত, সংশোধনসেই পুরোনো কথা, সবাই অকবি, কেউ কেউ কবি।
ওহ হ্যা, আপনি তো মনে হয় বিদেশে না কোথায় থাকেন।
অতিথি বলেছেন:
বানরের হাতে তলোয়ার ... নাকি কলম ... অসি নাকি মসী ...
অতিথি বলেছেন:
হীরক তুমি স্নেহশীল হবে কেমন করে? কন্যা সন্তান জিবন্ত কবর দাও তুমরা। কুকুরের সাথে 7 বছরের বাচ্চারে বিয়া তোমরা। স্বামী মারা গেলে স্ত্রীরে আগুনে পুরায় দাও। তুমি কেমন করে স্নেহশীল হবা। আরো বলবো তাহলে শুনো, গত বছর তোমার দেশে কয় লক্ষ্য কন্যা সন্তানের ভ্রণ তোমরা নষ্ট করেছো তার বিচার এখন মনে হয় উচ্চ আদালতে। বাবড়ী মসজিদ ভেঙেছ। গুজরাটে হাজার হাজার মানুষ মেরেছ। তুমি কি বুঝ মায়া মমতা স্নেহ কাকে বলে? যাক নিজের ক্ষেমতা প্রেকাশ করলা আর নিজের ব্যাপারে ভাল পরিছয় দেছো মনু। ও ভুইল্লা গেছি তুমার আসল নাম কইয়া দিয়া চরি চরি দীস্কক।
অতিথি বলেছেন:
শুরু হয়েগেছে ব্যক্তিগত আক্রমন ।এখনে যদি এদের ধ্যান ধারনা পক্ষে কেউ কোন লেখা লিখত তাহলে দেখতেন ধন্যবাদের ফুলঝুড়ি কারে কয়, এখন তো এদের মতের বিপক্ষে তাই ওয়ালী এদের থেকে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য পাচ্ছে।
ভালই হচ্ছে আমরা সাধারন বল্গগারা এদের সম্বন্দে ভালই ধারনা পাচ্ছি, লিখে যান ভাই জানরা ,মানসিক ভাবে যা একটু দোটানায় ছিলাম আপনাদের মাধ্যমে তা দিন দিন আমার কাছে দিনের আলোর মত পরিস্কার হচ্ছে।
***লিখতে লিখতে লেখক আর গাইতে গাইতে গায়ক***
হ।স।ন বলেছেন:
চরম মাইন্ড খেয়েছে দেখা যাচ্ছে ব্ললগের সাহিত্যের কান্ডারীরা। হা হা..... দীক্ষক মুতাটা মনে হইতেছে আপনার মুখে দিয়েছেন ওয়ালী, যেভাবে ভাল মুতা ভাল মুতা বললেন । আগে নিজের মুখটা ধুয়ে নিন ওয়ালীকে পানি নিতে বলার আগে। হা হা.....
:) বলেছেন:
হ।স।ন: আপনি কি মুতা খেয়ে টেষ্ট করেন? জানা ছিলনা...আমার ডায়গনিস্টিক সেন্টারে আপনার মত প্রতিভাবান কাউকে দেখিনি! মুতা টেস্টের জন্য মেশিন আছে, তার আগে অবশ্য color টা note down করা হয়। আপনি ভাল থাকবেন, আপনাকে প্রয়োজন হতে পারে ভবিষ্যতে, মেশিন মাঝহে মাঝে নষ্ট হয় তো তাই!
হ।স।ন বলেছেন:
মুতা দেখা যাচ্ছে ওয়ালী একজনের মুখের উপর করে নাই(যদি না দীক্ষক ও ঃ) এক ব্যাক্তি না হয়ে থাকেন) । আপনি তো ভাই মুতার রঙ লিখেই খালাস, বেচারা মেশিন(দীক্ষক) । বাকি কাজ তাকেই সারতে হয়। মেশিন নষ্ট অথবা ব্যাস্ত থাকলে যে আপনাকে যে কষ্ট করে টেস্ট করেতে হয় তা আগে জানতাম না ।আপনারা আসলেই customers first এ বিশ্বাসী।
ধন্যবাদ
অতিথি বলেছেন:
হ।স।ন, আর সাচ্চা রাজাকার তা'লে ওয়ালীর-ই আইডি,ইসলাম প্রচারে এত আইডি লাগে, আহারে।
খবিতা লেখার জন্যও আইডি লাগে।
ধন্যবাদ রাসেল। একটা পোস্ট ছাড়েন। খবিস + মুতা= খবিতা।
হ।স।নের মনে ব্যথা
সা.রাজাকারের রূপকথা ।।
হ।স।ন বলেছেন:
আরেকটু একটু মজাই করলাম ভাই, সিরিয়াসলি নেয়ার কিছু নাই। জানি আপনি আমার রসিকতায় মজা পান নাই। তবে মাথা আউলা হয়ে গেছে আপনার। নারে ভাই আমি ওয়ালী না ।বেচারা রাসেল, দীক্ষকের কথায় নড়াচড়া করতে হয়। না করেই উপায় কি বলেন? সেওতো স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ ব্লগার রিং এর সদস্য ।
অতিথি বলেছেন:
সবাইকে বলছি শোভনতা রক্ষা করতে। ব্লগে শান্ত পরিস্থিতি বজায় রাখুন?
অতিথি বলেছেন:
চুনো পুঁটির গোদারা এক হইছেওরা এক ক্ষুরে মাথা কামায় ,
তাহাদের বদনে একি রক্ত বইছে
এক শিয়ালে হাঁক দিলে অন্যটা হাঁকায় ।
নাড়ীর খবর কইয়া দিলে করে ডামাডোল
জিলিপির প্যাচে ভরা টইটুম্বর ,
তিলকে তাল করতে করেনা যে ভুল
ওয়ালী ভাই ? লিখে যাও আছে যত জোর ।
অতিথি বলেছেন:
চুনো পুঁটির গোদারা এক হইছেওরা এক ক্ষুরে মাথা কামায় ,
তাহাদের বদনে একি রক্ত বইছে
এক শিয়ালে হাঁক দিলে অন্যটা হাঁকায় ।
নাড়ীর খবর কইয়া দিলে করে ডামাডোল
জিলিপির প্যাচে ভরা টইটুম্বর ,
তিলকে তাল করতে করেনা যে ভুল
ওয়ালী ভাই ? লিখে যাও আছে যত জোর ।
ওয়ালী বলেছেন:
যাক বুঝতে পারলাম এই লাইনে ঢুকলে রবিন্দ্রের চাইতে ভাল নাম করতে পারতাম। বেটার নোবেলটা একবারে ...............।
অতিথি বলেছেন:
যার কাছে যেই অস্ত্র বেশি, সে সেটাই যুদ্ধ করবে সেটাই স্বাভাবিক।কারও মুখে থুতু বেশি, কারও হাতে নখ বিশাল লম্বা। কারও কাছে বেসবলের ব্যাট সস্তা। কারও কাছে আবার একমাত্র অস্ত্র সুস্থতা...
থুতু ব্যপারটা কি করে ছুড়তে হয় সেটা এখনো শিখতে পারি নি। বাংলাদেশে রাস্তাঘাটে দেখেছি মানুষ কি সুন্দর থুতু মেরে দু'গজ দূরে পাঠিয়ে দেয়। হিংসা হয়েছে স্বীকার করতে হবে, কারণ থুতু মারা আজও শিখতে পারিনি--মুখ থেকে বেরিয়ে থুতনির কাছে ঝুলে থাকে শুধু। তাছাড়া মানুষের মুখে এতো থুতু আসে কোথথেকে সেটাও বুঝি না, আমি কষ্টে শিষ্টে দুই এক ফোটা জোগাড় করতে করতে দেখি সবার টনকে টন থুতু জমে গেছে। যে অস্ত্র আমার কাছে নেই, সেটা নিয়ে যুদ্ধে নামার মতো বোকামি আমি করবো না। একটা জিনিস আমার বেশি আছে সেটার প্রমান পেয়েছি: সুস্থ যুক্তি। অন্যদের এই ব্যপারটা খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায় আর পটাপট থুতু ফেলা শুরু করে। তখন 5 বছর বয়সের একটা ঘটনা মনে পড়ে যায়। বাসায় ভীষন দুষ্টু একটা পিচ্চি (তখন আমার সমান) এসেছে। আমি তাকে খেলনার সাপ্লাই দিয়ে কুল পাচ্ছি না। হঠাত তার আমার উপর খুব রাগ হলো, বসলো মুখে থুতু মেরে। আমি তখনই প্রথম থুতুকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে দেখেছি... থুতু খেয়ে চুপচাপ বোকা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম আর পিচ্চিটা হি হি করে হাসছিল...
আপনাদের কাজকর্ম আদব কায়দাহীন বাচ্চাদের মতো লাগছে। খুব বিরক্ত লাগছে।
অতিথি বলেছেন:
একটু স্তম্ভিত হলাম! কাব্যে, গানে প্যারোডী রয়েছে, তাছাড়া ব্যঙ্গ রচনা তো সর্বজন স্বীকৃত। তাহলে ওয়ালীর কবিতাকে খবিতা বলে এই ব্যঙ্গ প্রতিবাদী কবিতা পড়েই মনে হচ্ছে যেন এক জনেই গায়েই আগুন ধরে গেল, ব্যাপারটা প্রশ্নবোধক ঠেকছে। শুনেছি আযানের শব্দ শুনলে নাকি শয়তানের গায়ে আগুন ধরে যায়, কোথায় শুনেছি মনে পড়ছে না এখন। ব্যাপারটা কি সেরকম কিছু নাকি? ভাবনায় পড়ে গেলাম......তবে কারো বিরুদ্ধে খেপে গিয়ে নিজের কথাবার্তা এতটা নিকৃষ্ট পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে সকলের সামনে নিজেকে অসন্মানিত করাটা সুস্থ-সভ্য কারোরই ভাল লাগার কথা নয়।
শমিত বলেছেন:
দ্যাখেন , আমার 'ধর্ম' নাই , বাংলাদেশীও নই , তবে বাঙলা আমার ভাষা আর এই ভাষাতে কথা বলছি 35 বছর , কবিতা পড়ছি 33 বছর , লিখছি 32 বছর , সচেতন সাহিত্যপাঠ করছি 22 বছর , বাঙলা সাহিত্য নিয়ে 'চাচ্চু পলাশুনা' করছি ইশকুল বাদ দিয়ে প্রায় 15 বছর , বাংলা সাহিত্যের নামে নানাবিধ চোদনামো দেখছি তাও প্রায় 13-14 বছর - এই অভিজ্ঞতা , নেকাপড়া , ঢং ঢাং , ঘষাঘষি এ সবের উপর ভিত্তি ক'রে দু'-চারটে কথা বলছি , মাইন্ড খাইয়েন না ।1. এই কবিতা বা খবিতা যাই হোক না কেন , সেটি একটি 'ব'-এ আ-কার 'ল' হয়েছে । তাতে সমস্যা নেই , কারণ , কবিতা আপনার বিষয় না ।
2. আপনার এই 'ব'-এ আ-কার 'ল' লেখাটি আমার ভালো লাগলো কি লাগলো না , তার জন্য এত খেটে টাইপ করার বান্দা আমি নই । তবু মন্তব্য করতে আসার কারণ হলো , আপনার বক্তব্যতে বাংলা সাহিত্য ও কবিতার প্রতি এত নির্বোধ তাচ্ছিল্য প্রকাশ পেয়েছে যে , দীক্ষকের তো শুধু গাত্রদাহ , আমার বিচি পর্যন্ত্য জ্বলতে শুরু করেছে তা পড়ে ও অনুভব ক'রে । এদিক থেকে অবশ্য বলতে হয় সাহিত্যনিন্দুক ছ্যাবলা পাবলিক হিসেবে আপনি সফল ।
3. আবার বলি , 'মাইন্ড খাইয়েন না'! ইসলাম আপনার ভালবাসা আপনার বিশ্বাস , তা নিয়ে ঠাট্টা করলে বা ব্লগ পোস্ট করলে আপনার গাঁঢ় যেমন জ্বলতে থাকে বা থাকবে ; তেমনি কবিতা আমার ভালবাসা , আমার বিশ্বাস , তা নিয়ে ঠাট্টা করলে আমারও ঝাঁটে আগুন ধ'রে যায় ।
4. আমার ব্লগে আপনার বিশ্বাস নিয়ে কোনো ঠাট্টা পাবেন না । কাজেই এই মন্তব্যটিকে মনে করবেন আপনিই উৎসাহিত করেছেন । মন্তব্যটি প'ড়ে মুছে দিতে পারেন । এ নিয়ে আবার অযথা খামচাখামচি ক'রে নিজের ঘা দেখাবেন না যেন! আমার ব্লগে যদি কোনো আপনার বিশ্বাস বা ভালবাসায় আঘাত দিয়ে কোনো পোস্ট দেখলে , স্বাগতম , এর থেকেও খারাপ ও রূঢ় মন্তব্য ক'রে আসতে পারেন ।
আমার মন্তব্য ও ভাষা নিয়ে শোভনতা-ফোভনতা ব'লে হ্যাজাবেন না । পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে , যাদের সঙ্গে যে কোনো মুহূর্তে বলা চ'লে , 'শোভনতার 108 মারি!'
অতিথি বলেছেন:
সাধু সাধু সাধু শমিত....
অতিথি বলেছেন:
শমিত এমন আগুন মন্তব্যের জন্য ব্রাভো বলা ছাড়া োন্য কোনো গতি নাই।
অতিথি বলেছেন:
আপনার এ কবিতার পাঠক সবাই। আপনার যেকোন লেখার পাঠক সবাই। আপনি যদি একজন দু'জনের জন্য লেখেন তবে শুধু তাদেরকে প্রেরণ করুন। অথবা ওরা না লিখে উল্লেখ করে দিন - নামগুলো। আপনার কবিতায় যাদের কথা বলা হয়েছে তাদেরকে আপনি যেমন পছন্দ করেন না তেমনি যে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন তেমন কিছু কিছু দৃষ্টিভংগি যদি তারা পোষণ করে তবে কোন মানুষই পছন্দ করবে না।
তবে যারা আপনাকে গালি দিচ্ছে তারা এ্যামনে এ্যামনে বলে না - কারণগুলোও বলে দিচ্ছে। আবার তারাও যে গারিব কারাগারে বন্দি নির্যাতনের পক্ষে অবলম্বন করেছেন তা নয়।
একজন মানুষ যিনি আপনার অভিযোগের সব বিষয়গুলো ধারণ করেন তেমন এই ব্লগেতো কেউ নেই। অথবা কেউ আপনাকে গালি দেয়ার অর্থ এই নয় যে সে আবু-গারিব কারাগারে বন্দী নির্যাতনের পক্ষ নিচ্ছে।
আমার মনে হয় আপনি তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন কবিতায় ব্লগের ক্যারেকটারাইজেশন করে। তাও আবার আপনাকে কোন ব্যাখ্যা না দেয়ার অভিযোগ করে।
ব্লগ যদি বাদ দেই এবং কবিতায় যদি এমনি অযৌক্তিকভাবে আপনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বিষয়টি সঠিক মনে করি তবে আপনার কয়েকটা বিষয় আমার ভালো লেগেছে যেমন ভূগোল জুরে অত্যাচারের রপ্তানী।
ধরুন আপনি এখানে যাদের লেখার বিষয়, আঙ্গিক, শৈলী পছন্দ করছেন না তারা যদি একদিন হঠাৎ আপনার সাথে একমত পোষণ করে তবে কি আপনি খুশী হবেন? আপনার খুশী হবার কারণ কি আপনার সাথে তর্ক করার লোক না থাকা?
আপনি জানেন এটা কখনও সম্ভভ নয়। আপনার বিরুদ্ধ মত থাকবে। কিন্তু আপনাকে শিখতে হবে বিরুদ্ধ মতের সাথে সহাবস্থান কিভাবে করতে হয়। আপনাকে প্রতিনিয়ত কিন্তু এখন বিরুদ্ধ কালচার, বিপরীত ধর্ম, ভাষা, জীবন-বোধ সবকিছুর সাথে সহাবস্থান করতে হচ্ছে। সেখানে আপনার যে স্কিল ব্যবহার করছেন - এখানে সেরকম দক্ষতা প্রয়োগ করা কি উচিত নয়!
লাল মিয়া বলেছেন:
বেকুব
মিচকে বলেছেন:
হ
বিবেক সত্যি বলেছেন:
খবিতা বটে ... ;-)

















