আমার প্রিয় পোস্ট

শান্তির অম্লান, শ্যামায়িত আরমান- হেজাজের ঝড়ে বীভৎস বাধা দলছে © ওয়ালী. ১৯৮৩ এবং পরবর্তী ;)

এসিড সন্ত্রাস এবং তীরন্দাজের বোরখা ভাবনা

১৬ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:৫৪

শেয়ার করুন:                   Facebook


তীরন্দাজ আপনার পোষ্টা সত্যিই ভাল একটা পোষ্ট তাতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই। তবে আমার কিছু কথা আছে এই বিষয়ে। প্রথমতো আপনি আমার নাম নিয়েছেন কারনটা স্পষ্ঠ নয় সেটা ধনাত্মক অর্থেই হোক আর ঋনাত্মক অর্থেই হোক। তবে নারী নির্যতান বোরখা মাইপা হয়না এই কথাটি আমিও মানি। আপনি আবার বললেন যে বদরুলরা বোরখা না পড়াই কারণ হিসেবে ধরে। বহুবচন কেন আনলে বুঝলাম না? যাই হোক। আপনি মনে হয় একটা বিষয় জানেন না বোরখা আর হিজাব বিষয়টি একনয়। বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, পাকিস্তানের মতো বোরখা না পরেও, যেকোন নারী পর্দা করতে পারেন। আর বিষয়টা নারী সমর্্পকিত। আপনি কি জানেন হাজার হাজার বছর ধরে নারীর স্থান নির্নয়ে পৃথিবী হিমশিম খাচ্ছে। কখনো চরম বাড়াবাড়ি আবার কখনো চরম নূন্যতা। ইতিহাস ঘাটলে পাবেন। উভয় চরম প্রান্তেই নারীদের ক্ষতিকর প্রমানিত করতে চাইছে। কিন্তু ইসলাম এমন এক সুবিচার সম্মত দৃষ্টিকোন যা উপস্থাপন করেছে পর্দা প্রথা। সবচেয়ে মজার ব্যপার হলো কোরআনে কিন্তু নারীর আগে নরের পর্দার কথা বলা হয়েছে সূরা নূর আয়াত 30 তার পরে একই সূরায় 31 নম্বর আয়াতে নারীর পর্দার কথা বলা হয়েছে এবং 31 নম্বর আয়াতে কাদের সামনে পর্দার প্রয়োজন নেই এবং কাদের সামনে পর্দ করতে হবে সেই ব্যাপারে বলে দেয়া আছে। আর হিজাবের ক্যাটাগরি সহি হাদীস দ্বারা বর্নিত।

হযরত জারীর (রা:) মহানবী (সা:) কে প্রশ্ন করেছিলেন যে কারো উপর নজর পরে গেলে কি করবেন? মহানবী উত্তর দিয়েছিলেন দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয়ার জন্য। আরো একটি হাদীসে মহানবী বলেছেন, যে ব্যাক্তি কোন অপরিচিত নারীর প্রতি যৌন লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে কিয়ামতের দিন তার চোখে উত্তপ্ত গলিত লৌহ ঢেলে দেয়া হবে। আরো হাদীস দ্বারা বর্নিত আছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার সময় নারীর মুখমন্ডল দেখে নেয়া, বিচারের সময় স্বাক্ষী হিসেবে চিন্থিত করা, আর দূর্যোগপূর্ন অবস্থায় বা চিকিতসার সময় নারীকে স্পর্শ করে বাচাঁনো শুধু জায়েযই নয় ফরজ। এগুলো বিচারে আনলে বোঝা যায় নারীর উপর পুরুষের দৃষ্টিপাত করাকে বন্ধ করে দেয়া ইসলামের উদ্দেশ্য নয় বরং অনাচারের পথ বন্ধ করাই উদ্দেশ্য। যে দেখার কোন প্রয়োজন নাই এবং যা দ্বারা শুধু মাত্র উত্তেজনা সৃষ্ঠি হবার কারন থাকে এনরূপ দর্শনকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এবার আরেকটা ঘটনা বলি এক আন্ধ মহানবীর কাছে আসার পরে মহাননবী তার স্ত্রী হযরত উম্মে সালমাকে নির্দেশ দিলেন "তাহার জন্য পর্দা কর" হযরত উম্মে সালমা বললেন "তিনি কি অন্ধ নহেন? তিনি দেখতেও পারবেন না চিনতেও পারবেন না।" মহানবী বলেছিলেন "তোমরাও কি অন্ধ যে তাকে দেখতে পারছোনা।"

কিন্তু পুরুষের চোখে নারীকে দেখা আর নারীর চোখে পুরুষকে দেখার মনস্তাত্তিক দিক দিয়ে পার্থক্য আছে। পুরুষের প্রকৃতিতে অগ্রবতর্ী হয়ে কারজ করার প্রবণতা আছে। পুরুষ কোন কিছুতে মনপুত এবং তা অর্জন করার জন্য প্রবল চেষ্টা করে যায় আর নারীর প্রকৃতিতে আছে বাধা প্রদান প্রবনতা এবং পলায়নপরতা। পুরুষের প্রকৃতি পরিবর্তন বা মনপুত না হওয়া পর্যন্ত সে দু:সাহসীর ভূমিকা পালন করে। এগুলো বিবেচনায় আনলে বোঝা যায় নারীকে দেখার বিষয়ে পুরুষদের ব্যাপারে কতখানি কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অনাচার লাঘব করা। দৃষ্টি সংযমের ব্যাপারে যুক্তিসঙ্গত কারনগুলো কি এথেকে বোঝা যায়।

আর সেই দু:সাহসিকতারই প্রমাণ দিয়েছে আসমার চাচাতো ভাই। সে যদি কোরআন হাদীস বুঝতো তাহলে এগুলো মেনে চলতো। এবং এধরণের একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটতো না। এখানে শুধু নারী হিসেবে আসমারই নয় তার চাচাতো ভাইয়েরও পর্দা করাটা ফরজ ছিলো মুসলমান হিসেবে।

কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে কেউ কেউ 80% মুসলমানের জুমার নামাজ আদায়ের মধ্যে দিয়ে থিউরী বের করছে যে মুসলমান এবং ইসলাম এই কাজের জন্য দায়ী অথচ তাদের যদি বলেন ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধো, 90 এর গন আন্দোলন এগুলো ইসলামের এবং মুসলমানরাই এর ধারক বাহক তাহলে কিন্তু তারা বানরের মতো ফাল পারতে থাকবে। কে যে বানর আর কে যে মানুষ এটা পরিস্কার হওয়ার পরেও এরা নাচে। আশ্চর্য! সত্যিই সেলুকাস!

বি:দ্র: তীরন্দাজের কাছে অনুরোধ ছবিটি সরিয়ে ফেলুন। দেখতে খারাপ লাগছে। আপনার ব্লগে যেতে ইচ্ছে করছেনা ছবিটি দেখে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে ।

 

  • ২৫ টি মন্তব্য
  • ৫৮৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা হা
মোহাম্মদের পাশে হাসি মুখ, পাশাপাশি দেখতে ভালোই লাগে।
২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ওয়ালী, আপনার পোষ্টটি আমি অনেক দেরীতে দেখতে পেয়েছি। আপনি সেখানে কয়েকটি আয়াতের উল্লেখ করেছেন। তার সত্যতা স্বীকার (আমি নিজে আয়াতগুলো পড়িনি) করেই আমি বলছি, আমি আপনার সাথে একমত নই। আমি পর্দাপ্রথায় বিশ্বাস করি না। আমি মনে করিনা এগুলো সময়োপযোগী। যদি তা হতো তাহলে অন্যান্য দেশে হাজার হাজার মেয়েকে এই চেহারায় দেখতেন, যা আমি ছবিটিতে দেখিয়েছি। ছবিটি আমি সরাব না। আমারও ভীষন খারাপ লাগে দেখতে। আমার মানে হয় এই খারাপ লাগাটা বিশেষ জরুরী। হয়তো কাউকে কাউকে আত্মসচেতন হতে সাহায্য করবে।

আমি খুব ধাক্কা খেলাম এই ভেবে যে আপনি আসমার চাচাত ভাই কে দু:সাহসিক বলে ছেড়ে দিলেন। আমার অবাক লাগলো আর কোন বিশেষন তার এই পৈশাচিকতায় খুজে পেলেন না ভেবে। আপনি কি সত্যি সত্যিই তাকে শুধুমাত্র দু:সাহসিক বলে ভাবেন। তাহলে আমার আর কিছু বলার থাকলো না!
৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
comment by: :) বলেছেন: : আর ) পাশাপাশি হইলে জামিন নাই !!!
৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
comment by: :) বলেছেন: আস্ত: আপনার বোরখা সলিউশন অবাস্তব এবং অবিবেচনাপ্রসূত।
৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে,
আপনি আস্তমেয়ে বলে নিজেকে কি বুঝাতে চাইছেন ? আস্তমেয়ের বিপরীত শব্দটি কি ? প্রশ্নটি করছি, কারন আপনি চাইছেন যে আপনাকে আস্তমেয়ে হিসেবে দেখা হয়।
৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: এসিডদগ্ধ মেয়েদের কষ্টটা আমরা তর্কাতর্কি দোষারোপ করে কমিয়ে আনতে পারবো না।

ধুর, আমি অন্য পোস্টটা পড়িনি, কারণ, ওসব এক একটা ছবি দেখে আমি রাতে ঘুমাতে পারি না।

শুনুন সবাই, এসিডের প্রতিকার আমি পারসোনালি বিশ্বাস করি পর্দার মধ্যে আছে, কারন, পর্দা শুধু মেয়েদের জন্য না। পর্দা সমাজে ঠিক মতো প্রচলনের জন্য যেটা দরকার সেটা হচ্ছে, ছেলে মেয়েদের একজনের আরেকজনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, অধিকারকে সম্মান করা। এটা ইসলামের যেমন শিক্ষা, তেমনি আপনাদের কাছেও এই শিক্ষা দান (আর ক্যাপিট্যাল পানিশমেন্ট... যেই শাস্তিইসলামও দিবে) ছাড়া অন্য কোন রাস্তা নাই। তাহলে এতো অহেতুক তর্কাতর্কি কেন?
"প্রগতিশীল মানুষরা" প্রগতি প্রগতি বলে যতোই লাফালাফি করুক না কেন, বাংলাদেশের সাধারন মানুষের মধ্যে তাদের access কম। তাদেরকে reach করতে পারে মসজিদের ইমামরা... খুব সহজেই... মসজিদের ইমামদের দিয়ে যদি নিয়মিত মসজিদগুলোতে এসিড-ছুঁড়ার খারাপ দিক গুলো তুলে ধরানো যেত, তাহলে আমার মনে হয় অপরাধের রেইট কমে যেতো। আপনাদের আপনাদের মতো কাজ করতে তো কেউ মানা করে নি, কিন্তু আমার মনে হয়, এটা বড় একটা রাস্তা, যেটা সরকার থেকে শুরু করে সবাই ignore করছে।
আমি প্রবাসী নামের একটা সংগঠনকে সাহায্য করি, যারা এসিডদগ্ধ মেয়েদের পুর্নবাসনের কাজে সাহায্য করে। যদিও আমার আদর্শের সাথে তাদের একদম মিল নেই তবু সাহায্য করি কারন, ওরা যেই মেয়েগুলোকে reach করতে পারছে, তাদের আমার চেনা জানা সংগঠনগুলো reach করতে পারবে না...

আপনাদের মতো আমি এসিডদগ্ধ মেয়েদের নিয়ে বড় বড় কথা বলতে পারবো না...আর্টিকেল লিখতে পারবো না... ওদের কথা আমি প্রচন্ড রেগে যাওয়া ছাড়া, তীব্র বিষন্নতা বোধ ছাড়া ভাবতে পারি না...
একজন আস্তমেয়ে হিসেবে আপনাদের কাছে অনুনয়, তাত্তি্বক পর্যালোচনায় সময় নষ্ট না করে, অন্য যে, যে পথে যেভাবে এটা নিরসনের জন্য সত্যিকার ভাবে চেষ্টা করছে, তাদের না থামিয়ে, নিজেরা চেষ্টা করে যান, নিজেদের পথে... প্লিজ...
৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: :), আজকে বোরখা নিয়ে তর্ক করবো না, মুড নেই। তবে, বোরখা in itself কোন সমাধান না। পুরো পর্দা প্রথাটা সমাধান। সমাধান এটা না, ওটা না বললে তো শুধু হবে না, যেটা সমাধান, সেটা implement করে, সমাজ থেকে নারী নির্যাতন দূর করে দেখান। এসিড ছুড়াছুড়ি ব্যপারটা ভয়াবহ নোংরা, অমানুষিক, জান্তব... আর কি বলবো... আমার ভাষা নেই... এটা নিয়ে তর্কাতর্কি ব্যপারটা আমার কাছে হাস্যকর লাগে। কারণ যারা তর্ক করছেন তারা কখনো হয়তো মনে মুখে দূ:খ প্রকাশ ছাড়া আর এক পাও আগাননি... এ সব মুনাফেকি আর আজাইরা পঁ্যাচাল বন্ধ করেন...

আস্তমেয়ে... কেন বললাম? আমার একটা পোস্টে আমার নাম ব্যাখ্যা করেছি...
Anyway, এখানে মেয়ে জাতির একজন প্রতিন্বিধি হিসেবে আপনাদের অনুরোধ করেছি... মেয়েরাই তো এসব ক্ষেত্রে ভিকটিম, তাই না?
৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
comment by: :) বলেছেন: আস্ত, তর্ক করতে হবে না। আবার এটা করে দেখান বল্লেও হবে না। আপনিও দেখাতে পারবেন না, আমিও পারবোনা। আর যারা তর্ক করছেন তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিশ্চয়ই কোন না কোন ভাবে সাহায্য করেছেনও...তাদের কথাবার্তাকে 'মুনাফেকি আর আজাইরা প্যাঁচাল' বলে fullstop টেনে দেয়াটাও বোধ হয় শোভন নয়।

আপনার আর আমাদের সবার লক্ষ্য যেখানে এক/একাধিক solution পৌছানো সেখানে এত অল্পতেই হাল ছাড়লেতো চলবে না।

এটা পড়তে পারেন (কোন ভয়াবহ ছবি নেই)
Click This Link
৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি ভাল করে কিছু না পড়েই অনেক কিছু বলতে চেয়েছেন। এসিড ছোড়া নিয়ে কোন তর্ককেউ করেছে বলে চোখে পড়েনি।
১০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৫:০৩
comment by: ওয়ালী বলেছেন: তীরন্দাজ আমি জানিনা আসমারা কেন সাড়ি পড়ে আর কেনইবা জেনিফাররা প্যান্ট সার্ট পড়ে? আর যদি এটা শিক্ষা থেকেই হয়। তাহলে আমি শিক্ষার কথাই তুলে ধরতে চেয়েছি। আমি এধরনের ঘটনা কেন ঘটলো সেটা বেড় করেছি। এবং এধরনের ঘটনা যেন পরবর্তিতে না ঘটে সেটার ব্যাপারেই বলতে চেয়েছি। আপনি আমি যদি বিশেষণ নিয়ে টানাটানি করি এধরনের ঘটনা কি কখনো বন্ধ হবে বলে আপনার মনে হয়? আমার আর আপনার বা যে কারো মনে কি পরিমান ঘৃণা আছে এটা বোঝার ক্ষমতা কারো নেই। আমি যদি বলি ভাই আপনি লোক দেখানোর জন্য একাজটা করলেন। আসলেও কি তাই, অবশ্যই নয়? কারণ আপনার মনের মাঝে কি আছে আমি জানিনা। এই ক্ষমতা আল্লাহ কাউকে দেয়নি। আর আপনি বললেন আপনি পর্দা প্রথা বিশ্বাস করেন না। এবং মনে করেন না এটা যুগোপযোগী। আপনি কিন্তু কোরআন হাদীস কি বলেছে এটা নিজে পড়লেননা। তাই পশ্চিমা জগতে কেউ এসিড দগ্ধ হচ্ছে না বলে আপনি উপসংহারে পৌছে গেলেন। আচ্ছা যুগোপযোগী বলতে কি ধারনা আপনি বলছেন জানিনা। এবার আপনিই বলুণ যে, কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের মতো জায়গায় 31শে ডিসেম্বর একটি মেয়েকে নিয়ে কি ঘটনা ঘটে গেল? এটার ব্যাখ্যাই বা কি? ধরুণ ঢাকার বেইলি রোডের কথাই ধরুণ দুই যমজ বোন একসাথে হাটছে যারা উভয়ই সমান সুন্দর (যেহেতু যমজ) একজন পর্দা করা আরেকজন সার্ট পেন্ট পড়া বা ইউরোপীয়ান সাজে সজ্জিত। কার দিকে রাস্তার মানুষ তাকিয়ে থাকবে? কাকে টিচ করবে? কয়জন এটাকে স্বাভাবিক ভাবে দেখবে? আপনি জানেন ঢাকার রাস্তাঘাটে ভিড়ের অযুহাতে কতো পুরুষ নারীকে স্পর্ষ করে? আপনি কি জানেন একটা নারী প্রতিদিন এধরনের হয়রানীর স্বীকার হয়? আমি জানিনা ধর্মিয় নৈতিকতাবোধের শিক্ষা ছাড়া বাংলাদেশের মানুষকে আপনি কি ধরনের সময়োপযোগী বিষয় উপস্থাপনের কথা চিন্তা করছেন? মজার একটা ঘটনা বলি আমার এক বন্ধুর বোনের বয়স মাত্র 8 বছর ছিলো আর মা এবং মেয়ে দেখতে ছিলো একটু না ভালই স্ব্যাস্থের অধিকারী (মোটা) মা মেয়েকে নিয়ে বেড় হয়েছেন, রাস্তাতে বেড় হওয়ার পরে দুজন ছেলে রিঙ্া থামিয়ে নাকি প্রশ্ন করেছিলো যে আন্টি আপনারা কোন গুদামের চাল খান। আমার রসিক বন্ধুমাতা ভয় না পেয়েই বলেছিলেন, বাবা বাসাতে এসো দেখিয়ে দিবো। আর 2য় ছেলেটা নাকি বলেছিলো বেশী করে আলু খান ভাতের উপর চাপ কমান। মেয়েটা এই হয়রানি বুঝতে পেরে কাঁদতে শুরু করেছিলো আর আমার বন্ধুমাতা তাদের একজনকে হাতের কাছে পেয়ে আচ্ছা মতো পেঁদিয়ে দিয়েছিলেন। এধরনের মহিলা খুব কমিই আছে বাংলাদেশে। আর সেই ধরনের পুরুষই বেশী আছে বাংলাদেশে। আর শ্রদ্ধাবোধ, সচেতনতা, নৈতিকতাবোধের শিক্ষা ধর্মিয় শিক্ষা ছাড়া পরিপূর্নতা আনতে পারেনা। বাংলাদেশে মুসলমানরা ব্যাক্তিগত জীবনে কোরআন হাদীসের তোয়াক্কা করেনা কিন্তু জুমায়র নামাজ ঠিকিই আদায় করতে যায় শুক্রবার। আর আপনি মনে হয় ভালো করেই জানেন বাংলাদেশের অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চল আছে যেখানে এখনো কোন সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই আছে মসজিদ। আস্তমেয়ে একটা ভালো সাজেশন দিয়েছে। চিন্তা করতে পারেন।

ধন্যবাদ।।
১১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি জানি ওয়ালী, মেয়েদের অনেক সমস্যা রয়েছে আমাদের সমাজে। এ প্রশ্নে আমাদের মেয়েরাও যথেষ্ট সাবধান। তবে পুরুষদের শুশিক্ষার জন্যে কোন প্রস্তাবই নেই আপনার ? শুধু মেযেদেরই বোরখা পড়তে বলেন?তবে আপনার বন্ধুমাতার কাজটি আমার খুব ভাল লেগেছে। আমাদের দেশের মেয়েদের কুংফু ট্রেনিং দিলে সবচে ভাল হয়। হারামজাদাদের পেদিয়ে ঠান্ডা করতে পারত।
১২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজ, আপনার পরামর্শ আমার মন:পূত হয়েছে... সেসব কথা ভেবেই আমি মার্শাল আর্টস শিখেছি :)। ছোটবেলায় (মানে বয়সে আরেকটু ছোট) ঈদ-ভীড়ের স্বীকার হয়েছিলাম। এবার ঠিক করে রেখেছিলাম, কোন ছেলে তেড়িবেড়ি করলে লাগামু ধইরা... কিছু করতো না, শুধু তাকিয়ে থাকতো, মরা মরা চোখে... তাকানোর জন্য নিশ্চয়ই কাওকে মাইর লাগানো যায় না। অবশ্য ইসলামী সমাজ থাকলে হয়তো যেতো... সোজা কোর্টে গিয়ে বলতাম, ইয়োর ম্যাজিস্টি, এই ব্যাটা আমার দিকে প্রথম দৃষ্টির পরে, দ্্বিতীয় দৃষ্টি, তাহার পরে তৃতীয় এবং চতুর্থ দৃষ্টিও দিচ্ছিল... দেখুন তো এর চোখ নিজের কাছে রাখার যোগ্যতা আছে কিনা?
পাশ্চাত্যে এসিড মারামারি কম কারণ এসিড যে কোন দোকানে পাওয়া যায় না, যে কেউ কিনতে পারে না। পাওয়া গেলে দেখেন এটা কম হতো না। এসব থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানবিক সাইডটা বড় হওয়া লাগে... সব সমাজেই পশুর চেয়েও খারাপ মানুষ আছে। কিছু সমাজ পশুগুলোকে বেঁধে রাখতে পারে, কিছু সমাজ পারে না।
ওয়ালীর একটা কথা আমার খুব পছন্দ হয়েছে--"শ্রদ্ধাবোধ, সচেতনতা, নৈতিকতাবোধের শিক্ষা ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া পরিপূর্নতা আনতে পারে না।"... উলটাটাও কিন্তু সত্য, ধর্মীয় শিক্ষা শ্রদ্ধাবোধ, সচেতনতা, নৈতিকতাবোধ ছাড়া পরিপূর্ন না।
বাংলাদেশের গ্রামগুলোতে qualified, educated, concerned ইমাম employ করতে হবে, যারা ইসলামের যে জন্য আসা--সুষ্ঠু, সুন্দর সমাজ গঠন, সেটা মানুষকে বুঝাতে পারবে, সারা দিন তসবী টিপতে inspire না করে, বালুর পাহাড় থেকে মাথা তুলে পৃথিবীটা দেখানো শিখাবে, মেয়েদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শিখাবে...।
:) এর রেকমেন্ড করা পোস্টটা পড়লাম, কি বলবো আমি নিজেও লজ্জিত একটা ব্যপারে... পর্দানশীল মহিলাদের এসিডদগ্ধ মেয়েদের পূর্নবাসনের ক্ষেত্রে তেমন অগ্রগামী দেখা যায় না। ইনশাআল্লাহ আমার ইচ্ছা আছে, "বড় হলে" এটা নিয়ে নিজে কিছু করা...
১৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৩:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইয়েরা, আমার বয়স 30।স্কুল জীবনের প্রথম 4 বছর কমবাইন স্কুলে, পরের 6 বছর গার্লস স্কুলে, পরের দুই বছর আবার ছেলে মেয়ে একসাথে, আর বিশ্ববিদ্যালয়ে তো .....জীবনের শুরুতে আমার বন্ধু পরিবার , আর একগাধা ছেলে যারা আমার চেয়ে 12 -15 বছরের বড়,আমার ছেলে বন্ধু মেয়ে বন্ধু অনুপাত60-40, বা 70-30। মেয়েদের সাথে বেশীর ভাগ বন্ধুত্ত সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে। যেই যখন সমস্যায় পরে....বিশ্বস্থ আর নিরাপদ স্থান ।

আমি নিজে দেখেছি , এই যে সমস্যা মেয়েদের তা কত টা এবং কেন। এটা নিয়ে সময় পেলে একটা পোস্ট দিয়ে দিব(কোন তত্ত না , বাস্তবে আমি যা দেখেছি তাই বলব)।

আমি নিজে হিজাব পড়েছি, আবার ছেড়ে ও দিয়েছি। কোন জীবন ই আমার কাছে ব্যাতিক্রম মনে হয় নি।হিজাব আমাকে নতুন কিছু দেয় নি। আমার জীবন হিজাব পড়া অবস্থায় যা ছিল, তা না পড়া অবস্থায় ও এক ই কেটেছে। আমাকে কখন ও মার্সাল আর্ট ও শিখতে হয় নি।

আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিনি কখনও।এখন ও না।

কেন বলতে পারবেন? ?
আমার জন্য হিজাব পড়া কতটা জরুরী আপনাদের মনে হয়??



১৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: অনেকে অনেক কারনে হিজব পরে থাকে,পাথ্যর্কটা তখনই হয় যখন পর্দা করা জন্য পরে থাকে ।
১৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হিজাব আমি শুধু নিরাপত্তার জন্য পরি না, ইনফ্যাক্ট সেটা ছোট্ট একটা কারণ। আমি হিজাব পড়ি কারণ এটা আমার অধিকার। আমাকে দেখে চোখের ক্ষুধা মেটাবে আজে বাজে ছেলেরা অতোটা সস্তা আমি না। হিজাব পড়ার সাথে পারসোনালীতে একটা পরিবর্তন আসতে হয় না হলে হিজাবে লাভ নেই। জানি না, কম বয়সী বলেই হয়তো, ঢাকার রাস্তায় একা চলা ফেরা করতে গিয়ে নিজেকে বিভিন্ন সময়ে নিরাপত্তাহীন মনে হয়েছে। হিজাব পড়ে নিজের চারপাশে আশ্চর্য সুন্দর একটা বলয় সৃষ্টি করে নেয়া যায়। একই পরিস্থিতিতে আমার বন্ধুদের আজে বাজে লোককে ফেইস করতে হয়েছে, যেখানে আমার হয় নি। ছেলে ক্লাস মেইট আমারও আছে, inevitably তাদের সাথে কথাও হয় অহরহ। আমি খুব টের পাই আমার হিজাবের জন্যই আমার সাথে সম্পর্ক একটা পর্যায় পর্যন্ত এসে থেমে থাকে... অদৃশ্য একটা সীমারেখা থেকেই যায়। ভালই লাগে সত্যি।
১৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার কাছে কিন্তু মনেহয় ঢাকা উচিৎ মনকে, দেহ আসলে কিছু না ।
১৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
comment by: অপ বাক বলেছেন: তীর্থক মানুষের ভিতরের পশুত্ববোধ কি কাপড়ে ঢাকলে বদলায়। মানুষ নিজস্ব বিবেচনায় কাজ করবে, কেউ যদি হিজাব পরে সুখী হয় হোক, কেউ যদি হিজাব না পিেড় ভালো থাকে থাকুক, হিজাবের যৌক্তিকতা বিচারের প্রয়োজন কি?
হিজাব পড়া মেয়েরা কি লাঞ্ছিত হয় না। আবার হিজাব ছাড়া মেয়েরাও কি জনগনের দ্্বারা সুরক্ষা বা সম্মান পায় না? 2 ধরনের উদাহরন পাওয়া যাবে, এটা কখনই মানুষের পরিধেয়র উপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে মানুষের বোধের উপর।

বোধের উন্নতির জন্য শিক্ষা দরকার, নৈতিকতা শিক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। কেউ যদি ইসলামের নৈতিকতা শিক্ষা দিয়ে নিজের বোধকে সুন্দর রাখতে পারে ক্ষতি কি, মসজিদে প্রচারনা চলুক এসিড বিরোধি, কাউ যদি অন্য কোনো সাধারন নৈতিকতা বোধ দ্্বারা নিজের চেতনা উন্নতি ঘটাতে পারে তাহলে সেও সমান সম্মান পাওয়ার যোগ্য।
তবে সবচেয়ে বড় ভুমিকা রাখতে পারে টেলিভিশন, এটা মসজিদের চেয়ে সংখ্যায় বেশী এবং মসজিদে শুধু পুরুষের আনাগোনা, কিন্তু অধিকার বোধের ক্ষেত্রে নারীর অধিকারগুলো কি কি এটা নারীরও জানা দরকার, আর নারীর নৈতিকতা পরিবাহিত হয় শিশুর উপরে, সুতরাং নৈতিকতা শেখাতে হলে নারীকে শেখানো বেশী ভালো আর এ জন্যই টেলিভিশন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম।
১৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি কিন্তু সেটাই বলেছি । আবার বলি, মনের ভিতরে অন্ধকারের বাস । হিজাব তাকে ঢাকার যোগ্যতা রাখেনা । আগে মনকে একটা স্ট্যান্ডার্ডে পৌছে নিন, দেখবেন হিজাবের দরকার হচ্ছেনা । তবে যারা হিজাব পড়তে পছন্দ করেন তাদেরকে কিন্তু আমি ছোট করতে চাইনি । এটা যার যার ব্যাক্তিগত ইচ্ছা । হিজাব না পড়েও অনেকেই কিন্তু সম্পর্কের রাশ টানতে পারছেন ।
১৯. ১৮ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: টেলিভিশন অবশ্যই ভাল মাধ্যম, সেটা দিয়ে চেষ্টা চালাতেই হবে। তবে টেলিভিশনের কথার চেয়ে মসজিদের ইমামের কথার "গ্রহনযোগ্যতা" এখনও বাংলাদেশের গ্রামে গনজে বেশি, তাই এই option ignore করা বোকামি।
মনকে কি স্ট্যান্ডার্ডে পেঁৗছাবেন? সমাজের নারী পুরুষ সবাইকে তো সাধু বানিয়ে দিতে পারবেন না। সমাজে কিছু মানুষ থাকবেই যাদের মনকে স্ট্যান্ডার্ডেপেঁৗছানো যাবে না। ওয়ালী একটা স্ট্যাট দিয়েছিলেন, পশ্চাত্যে নারী নির্যাতনের হার। এই হার কিন্তু কমছে না বাড়ছে।
২০. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ৩:০৩
comment by: মলি বলেছেন: আমি হিজাব পড়ি কারন এতে করে আমার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠে। হাজার মানুষের ভিড়ে নিজেকে আলাদাভাবে তুলে ধরতে পারি। কেউ রুক্ষ আচরণ করেনা আবার কেউ বেশী কাছাকাছি আসেনা। এটা একটি অলেখিত দেয়াল তৈরী করে অশিক্ষিত পুরুষদেরও জন্য । তবে কিছু আলট্রা মডার্ন কুশিক্ষিত পোলাপান আছে যারা দেখা মাত্র নিনজা, লাদেন বলে ডাকে যদিও আমি সৌদী স্টাইলে বোরখা পড়িনা। নিনজা বলার জন্য বড় ভাইয়া একবার একটাকে ধরে থাপ্পর মেরেছিলো। তবে কেউ যদি হিজাব পড়তে না চায় তাহলে তাকে জোর করা ঠিক না। যখন বুঝবে কেন হিজাব পড়তে হয় তখন নিজেরাই পড়বে । আমাকে আমার পরিবার থেকে কোন প্রকার চাপ দেয়নি হিজাব পড়ার জন্য । আমি আমার নিজের ইচ্ছাতেই এটিকে গ্রহণ করেছি । আর বাংলাদেশে নারীরা কেন হিজাব পরে জানতে চাইলে খুব কম সংখ্যাক নারীই আছে জবাব দিতে পারবে, এটা আমার অধিকার, হক।
২১. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
comment by: :) বলেছেন: Family planning issue-তে এর আগে মসজিদের ইমামদের ব্যবহার করা হয়েছিলো, এসিড ইসু্যতেও ব্যবহার করলে উপকারই হবে।

আর হিজাবটা সম্পূর্নভাবে personal choice হিসাবে থাকতে পারে। কারো কাছে এটা 'অধিকার' কারো কাছে 'স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ'। দুটো দর্শনই আপাতত: সমান্তরালে চলতে পারে, কেউ কারো উপর তা চাপিয়ে না দিলেই হয়। তবে এটা নিয়ে তর্ক হলে তিক্ত বাক্যালাপ অবশম্ভাবী।
২২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে, আপনি সম্ভবত আমার কথাটি বোঝেন নি । মনের স্ট্যান্ডার্ড না থাকলে লোক দেখান হিজাবের কোনও মানে হয়না । আর সমাজের নারী পুরুষ সবাইকে সাধু বানানোর প্রস্নটা কোত্থেকে পেলেন, বুঝলাম না । সাধু হতে হবে আপনাকে । ওটাই আপনার মনের স্ট্যান্ডার্ড । আর আপনাকে এও বুঝতে হবে যে আমাদের আলোচনার প্রেক্ষাপট আবর্তীত হয়েছে বাংলাদেশকে ঘিরে । এখানে পুরুষ হিজাব পরে না । কিন্তু যেসব দেশে মেয়েরা হিজাব পরে তারা কি নারী নির্যাতন শব্দটা জানেনা বলতে চান ?
আপনি আমকে এটা বলেন, হিজাব আসলে কি করে আর্থৎ, হিজাবের কাজটা কি ? আপনার কি মনে হয়না হিজাব ছাড়াও নিজের দেহকে অনেক সুন্দর করে ঢেকে নেয়া সম্ভব ? আপনি হিজাব পরতে পছন্দ করেন, চমৎকার । কিন্তু আমার আপত্তি ঐ একটা জায়গাতেই, তা হচ্ছে, ঐ যে আপনি বলেছেন, "আমি টের পাই হিজাবের জন্যই আমার সাথে সম্পর্ক একটা পর্যায় পর্যন্ত এসে থেমে থাকে" । কিন্তু এর অর্থ কি এই দাড়ায়না যে, যারা হিজাব পরেনা তারা সম্পর্কের রাশ টানতে জানেনা ? তাদের কোনও ঢালই নেই ? যদি আপনি তাই ভেবে থাকেন তাহলে আপনার সাথে তর্ক করা বৃ থা ।
২৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ মলি, আমার মনের অনেকগুলো কথা বলে দেয়ার জন্য।
তীর্থক আপনি আমার কথা না বুঝেই উত্তেজিত হয়েছেন।
"আপনার কি মনে হয় না হিজাব ছাড়া নিজের দেহটাকে অনেক সুন্দর করে ঢেকে নেয়া সম্ভব" বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন? তার মানে কি আপনি দেহের "নির্দিষ্ট অংশ সুন্দর ভাবে" ঢাকার প্রয়োজনীয়তা টুকু বুঝতে পারছেন? হলে ভাল, এটুকুতে একমত হওয়াটাই দরকার ছিল...
হিজাব কারো উপর আরোপিত করায় আমিও বিশ্বাসী না, তবে হিজাব যেহেতু জেনে বুঝে পড়ি, হিজাব কেন পড়ি, কেন আমার কাছে এটা ভাল সমাধান মনে হয় এতোটুকু অবশ্যই আমি বলতেই পারি।
হিজাব ছাড়াও অনেকে পারেন নিজের দিক থেকে কন্ট্রল করতে, কিন্তু অন্যদের মনকে তো আর কন্ট্রল করা সম্ভব না। ইসলামে অনেক ব্যপার আছে যেগুলো একা একা করা অর্থহীন। একা একা জাকাত, হজ্জ্ব এগুলো কি করা যায়? হিজাব সে রকমই। হিজাব নিজের মনের জন্য এ কথা বার বার কেন বলছেন?
হিজাব যে সব দেশে আছে, সেখানে পুরুষের হিজাব বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই... তাহলে কাজ হবে কি করে? এটা পুরো সমাজের জন্য...
আজকে মনটা ভাল না, আর একদিন না হয় পুরো একটা পোস্টই করবো হিজাব নিয়ে... তখন তর্ক হবে। আপাতত এসিড ভিক্টিমদের জন্য সত্যিকারের কিছু করেন...
২৪. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা, আস্ত মেয়ে, বুঝিয়ে বললেই বুঝতে পারি । কিন্তু আমার দুঃক্ষ মহুয়া এবং আপনি সব কিছুকেই পঁ্যাচাতে অনেক পছন্দ করেন । সহজ কথা বলতে আপনাদের জীবনে কিছু নেই । তর্ক করার আগে ভালভাবে লক্ষ রাখতে হয় যে কি নিয়ে তর্ক করছি । বুঝে না বুঝে তর্ক করলে সেটা বাঁচালতার পর্যায়ে পরে ।
যাহোক, আপনাকে বুঝিয়ে লাভ নেই । কারন আমার ধারনা আপনি এখনও বুঝতেই পারেন নি যে আপনার আমার মতের পার্থক্যটা আসলে কোথায় ।
Terrible!
২৫. ১৯ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: তীর্থক, আপনার মন্তব্য পেয়ে বোকা বোকা লাগছে হা হা হা। স্যরি, সত্যিই মনে হয় বুঝতে পারি নি...

 



 


আমি একজন বাংলাদেশী। একজন মুসলমান হিসেবে গর্ববোধ করি এবং আমার বিশ্বাস বর্তমান পৃথিবীতে প্রতি নিয়ত যে সকল সমস্যা মোকাবিলা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৫৫৩৪