আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভ্যি দেখা বা না দেখা: হালাল হারাম প্রসঙ্গ - সন্ধ্যাবাতি
- চঞ্চল মন আমার মানে না বারণ - ওয়ালী
- কুঁ ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক... - ওয়ালী
- ফিল্মী জীবন - ওয়ালী
- ইয়ে মানে তেমন কিছু না - ওয়ালী
- বই এর জগতে আমি - ওয়ালী
- হাইওয়ে জুস কেলেঙ্কারী - ওয়ালী
- আন্ডা সমাচার - ওয়ালী
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- সুখপাখির সুখের পৃথিবীতে আমি - ওয়ালী
- বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি! - ওয়ালী
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- ব্লগ কর্তৃপক্ষের প্রতি: প্রতিক্রিয়াশীলদের উস্কানিতে বিভ্রান্ত হবেন না - ওয়ামি
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- "গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ": হুমায়ূন আজাদ - সন্ধ্যাবাতি
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইউনেস্কোর তথ্য শূন্যতা !! - থার্ডআই
- মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি: উৎস্বর্গ চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির হর্তাকর্তা হুজুরে শাহ পীরে আউলীয়া এস্কিমো ওরফে উত্তর মেরুর দুপেয়ো এবং তাহার কমরেডদের - মুক্তি
- "তাদের" এই অধঃপতন রোধের দাওয়াই কি? - ওয়ামি
- চরম জেনেরেলাইজেশন হইছে মানি, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননার চেষ্টাও করি নাই - ওয়ামি
- পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ - মাহবুব মোর্শেদ
শান্তির অম্লান, শ্যামায়িত আরমান- হেজাজের ঝড়ে বীভৎস বাধা দলছে © ওয়ালী. ১৯৮৩ এবং পরবর্তী ;)

সংশোধন প্রস্তাব
৩১ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১:০৩
আমার সোনার বাংলা ওয়েব সাইটে একটি নাটক দেখছিলাম। আপনারাও নাটকটি দেখলে আশা করি কিছু শিক্ষা পাবেন। পুরো ঠিকানাটি আমি দিয়ে দিচ্ছি: Click This Link নাটকটি সমর্্পকে একটু ফিডব্যাক দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছি। নাটকটির নাম "দর্পণে কার মুখ"। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক একটি নাটক তবে দেশাত্মবোধকও বলা যেতে পাড়ে যদি এ জাতীয় কোন ক্যাটাগরি থেকে থাকে। নাটকটির মাধ্যমে অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীদের নিরুতসাহিত করা হয়েছে। মূল কাহিনী ফামিকে নিয়ে তিনি একজন 'শহীদ' মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তার ভাই নাদের চৌধূরী বিভিন্ন সংস্থায় ঢু মেরে ফামির জন্য 'শহীদ' মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হিসেবে একটি বাড়ী সেংকশন করেন। তারপর নাদের চৌধূরী শুরু করেন ব্যবসা। না না, একদম ঘাবড়াবেন না। টাকা-পয়সারই ব্যবসা করছেন তবে মান ইজ্জত নিয়ে ব্যবসা করেছেন না কিংবা তার বোনকে আপত্তিকর কাজে ব্যবহার করছেন না (যদিও বোনের নিকট কাজটি খুবই আপত্তিকর) এই ব্যবসা করার জন্য নাদের চৌধূরী তার নিজের চাকুরি পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছেন। সবার মনে প্রশ্ন জাগছে নিশ্চয়ই ব্যবসাটি কি?)। সে বিষয়ে পরে আসছি। আগে বলে নেই ব্যবসাটি চালানোর জন্য নাদের চৌধূরী কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রথমে বিভিন্ন উপদেশের মাধ্যমে বোনকে ছাদে উঠা এবং টেপ রের্কডারে গান শোনা থেকে বিরত করা হয়েছে। তারপর তাকে বিধাবাদের চিন্হ বলে বিবেচিত একটি সাদা সাঁড়ি দেয়া হয়েছে। তারপর বাসাতে ভালো খাবার দাবার থাকার পরেও গেষ্টের সামনে পারিবারিক অসচ্ছলতা ফুটিয়ে তোলার জন্য নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা। তাও আবার বিধবার কাপড় পড়িয়ে ফিমার মাধ্যমে। খাবার আসার মধ্যের সময়টিতে বোনের কথা বিভিন্ন আর আবেগকে পুঁজি করে গেষ্টদের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে তাদের সামনে উপস্থাপন করেন নাদের চৌধূরী। ভাবটি এমন যেন এতো দু:খ এবং বেদনা নিয়ে পরিবারটি আজ দিশেহারা। ফিমা খাবার নিয়ে হাজির হয়। সবার কাছে লজ্জিত হয়ে বলে "আপনাদের শুধু টোষ্ট বিস্কুট দিয়ে আপ্যয়ণ করতে হচ্ছে। ইচ্ছে করে আরো কিছু করতে কিন্তু যে সাহায্য পাই তাতে এর চেয়ে বেশী কিছু করার থাকেনা।" প্রস্থান করে ফিমা। নাদের চৌধূরীকে প্রশ্ন করা হয় একজন 'শহীদ' মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর বোন হিসেবে আপনার অনুভূতি কি? নাদেও চৌধূরী বলে "আমার জন্য এটি একটি গর্বেও বিষয় কিন্তু তার দিকে তাকালে ............। দেশের জন্য তার স্বামীর এই উতস্বর্গ কোন কিছু দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে যদি সামাজিক নিশ্চয়তা এবং আর্থিক সচ্ছলতা দিয়ে তার বাকী জীবনটা নিশ্চিত করতে পারি............। আপনারাই দেখুন সামান্য এই চা আর টোস্ট বিস্কুট নিয়ে আপনাদেও সামনে আসতে কি ধরনের সংকোচই না বোধ করলো"। আরো হৃদয় বিদারক লেকচার দিয়ে সাংবাদিকদের ইমোশন ক্যারি করেন নাদের চৌধূরী। তারপর একটি দল গঠন করে ফেললো নাদের চৌধূরী। উপরের মহলে তার অনেক সু-সম্পর্ক। এদিক দিয়ে ফিমা ক্রমগত ভন্ডামী এবং অভিনয় করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পরছিলো। এখন তার বাসাতে সাংবাদিকরা লাইন ধরে থাকে। ছবির পর ছবি তুলে তারা। একদিন সেই বাড়ীতে আগমন ঘটে হাবিব নাসিমের। তারপরেই চেঞ্জ হতে থাকে ফিমা। নতুন করে যেন কিছু ভাবার শক্তি পায়। আর অন্য দিক দিয়ে নাদের চৌধূরী তার কাজ দৃঢ়তার সাথে পালন করে যেতে থাকে। উচ্চ মহলের সাথে পরিচয়ের পরে তার অফিসের বসও তার কাছে হার মানে। ফিমার জীবন ভাড়া করে খেতে দেখে হাবিব নাসিমের করুণা জন্মে। ফিমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় সে। ফিমার মা শর্মিলী আহমেদ তেমন রুঢ় না হলেও ভাই নাদের চৌধূরী হাবিব নাসিমকে বাড়ী থেকে বেড়িয়ে যেত বলে। যাওয়ার আগে সে ফিমাকে বলে যায়, " আমি চলে যাব, তুমি চাইলে এখন এ অবস্থাতে আমার সাথে যেত পাড়। নতুন করে জীবন শুরু করবো। তোমার নতুন পরিচয় হবে। তোমাকে জোড় করবো না। আমি তোমার অপেক্ষায় থাকবো।" পেছন থেকে নাদের চৌধূরী বলে "ওর একমাত্র পরিচয় ও 'শহীদ' মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী এবং এটা নিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হবে বাকী জীবন"। অপেক্ষায় থাকার ব্যাপারটা নাদের চৌধূরীর কাছে ভালো লাগেনি তাই নাদের চৌধূরী হাবিব নাসিমকে সুযোগ বুঝে পরে মেরে ফেলে। এদিক দিয়ে ফিমা বাধ্য হয়ে তার ভাইয়ের ব্যবসায় আগের মত করেই সাহায্যা কওে যেতে থাকে। আর ব্যবসাটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। ব্যবসাটি হচ্ছে একজন 'শহীদ' মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে। আর ব্যবসাটি হচ্ছে একজন 'শহীদ' মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে নিয়ে। আর ব্যবসাটি করছে তার নিজের ভাই তথা অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমী নাদেও চৌধূরী। নাটকি পুরোটা আমার পক্ষে তুলে ধরা অসম্ভব তাই লিংকটি থেকে সবাই দেখে নিবেন। বাজারে হয়তো ভি.সি.ডি পাবেন। লালসা কি ভাবে মানুষকে গ্রাস করে।
জাহানারা ইমামও এ ক্ষেত্রে কম ছিলেন না। জাহানারা ইমাম এর মৃতু্যর পরে ব্যবসায় সফলতা না পেয়ে দলটিও মৃতু্য বরণ করে। আর হাসান ইমামও দেশ ছাড়েন। অতি ভক্তির কারনে বাংলাদেশে এখন প্রয়াত শেখ মুজিব জাতীর পিতা থেকে নামতে নামতে পায়ের জুতার ফিতাতে নেমেছেন ( আশা রাখবো কেউ খারাপ অর্থে নিবেন না। কারন এই কথা রাস্তাঘাটে সবাই বলে। অতি ভক্তিই এই জন্য দায়ী)। টাকার নোটে ছবি দেয়ার ফলে সরকারকে আইন করে টাকার উপর লেখালেখি বন্ধ করতে হয়েছে। আর অনুবাদের ভুলের সময় সংখ্যাটিকে এধরনের অতি মুক্তিযোদ্ধাপ্রেমীরা 30 লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। যার জন্য 30 লক্ষ্য সংখ্যাটি সবসময় তেলেসমাতীই রয়ে যাবে। শ্রদ্ধা কি সংখ্যা দেখে করতে হবে? নইলে 30 লক্ষ্যই কেন?
এরকম হতে থাকলে আজ মুক্তিযুদ্ধের যতটুকু গ্রহণযোগ্য ইতিহাস রয়েছে অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীদের জন্য তা দু"দিন পরে বিলুপ্ত হবে। তারচেয়ে আসুন সবাই সংখ্যা বাদ দিয়ে বলি:
"সকল 'শহীদে'র প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে" কিংবা
"লাখো 'শহীদের রক্তে আমার বাংলাদেশ"।
মূল কথা অংকের সংখ্যা উঠিয়ে দেয়া হোক।
তবে দু:খের বিষয় সবাই তর্কে মগ্ন ছিলো সেখান থেকে ব্যাক্তিতে গিয়ে গড়ালো। ব্যাক্তি থেকে হিজাব। তারপর দল। তারপর জাতের বিশ্লেষণ। তারপর কাঁটা ঘাঁয়ে নুনের ছিটা। আরো অনেক কিছু। কিন্তু কেউ কোন সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসলোনা। একটি গৌরবময় ইতিহাসের ব্যবস া বন্ধ হোক।
বি: দ্র: এখানে নাটকটির নায়ক নায়িকার নামগুলো সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে।
অতিথি বলেছেন:
হুমম, মূল কথায় আসার জন্য ওয়ালীকে অনেক কিছু লিখতে হলো। অতি রাজাকারপ্রেমীদের নিয়ে কিছু লিখবেন আশা করি ... মাঝে মাঝে দর্পণের দিকে তাকিয়ে কারো মুখ দেখে নেবেন, দেখবেন অনেক মালমশলা পেয়ে যাবেন লেখার জন্য।
:) বলেছেন:
আপনার লম্বা URL টির বদলে http://tinyurl.com/em6ph ব্যবহার করুন, লেখা পাশের সেকশনের সাথে ওভারল্যাপ করবে নাহ।
অপ বাক বলেছেন:
ওয়ালি কয়েকটা কথা....জাহানারা ইমাম মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে!!!!! তা এ ব্যাবসায় তার প্রপ্তি কি ছিলো। যখন একজন মানুষ ব্যাবসা করে তাকে ব্যাক্তিগত অর্জনের কথা ভাবতে হয় সম্পদ মূল্যে, তা জাহানারা ইমাম কি আর্থিক সম্পদ পেয়েছে?? এই যে একটা সমাধান দিলে এটার সাথে দেলোয়ার হোসেন সাঈদির মামলার কোনো সংযোগ আছে?
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা ব্যাবসা করেছে তারা কালের ধারায় জামায়াত সমর্থক হয়ে গেছে, সংসদে এবং সংসদের বাইরে সম্পদলোভী কুলাংগার মুক্তিযোদ্ধাগুলো ব্যাক্তিস্বার্থে বিবেক বিক্রি করে দিয়েছে।
তৃতীয় যে কথাটা বলবো এটার উত্তরও দিবে আশা রাখি-
এখানে যে কয়জন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলছে তাদের কি ব্যাবসা মনোবৃত্তি আছে, এই ব্লগিং করে তারা কিভাবে লাভবান হবে? সস্তা হয়ে গেলো না কথাটা, আমি শুনেছি আমি নাকি ইহুদি নাসারাদের এজেন্ট, তা ওরা কি এই ব্লগ পড়ে আমাকে পয়সা দিবে? জামায়াতের নির্বোধ মানুষগুলার যুক্তিবোধের মান কি এতই নীচে? এই নিয়ে তারা ইসলাম কায়েম করতে চায়?
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আরে না, সত্যিই জাহানারা ইমাম ব্যবসা করছেন। প্রথমে করছেন তার তখাকথিত মুক্তিযোদ্ধা পোলা রুমিরে লইয়া -একাত্তরের দিনগুলি' নামে এক ছাতার বই লেইখা। কতটাকা কামাইছে কন আমাগো আবেগরে সম্বল কইরা। আর মুজিব, হ ভাই জাতির পিতা এখন জুতার ফিতা। কেডা কইছে ও আমাগো জাতির পিতা, সেইদিনই না মজলিশই শুরায় একমত হওয়া গেল যে গোলাম এ কায়েদে আযম ই আমাদের জাতির পিতা। এই জাতির সব মহিলারা লাইন ধইরা তার সামনে গেছেন কীনা এইডা অবশ্য জানা যায় নাই। তবে এইডা ঠিক অনুবাদের ভুলে কেমনে 3 লাখ 30 লাখ হইয়া যায়। ওয়ালী আমি আপনার ডাই হার্ড ফ্যান হয়ে যাচ্ছি ভাইজান। বিপদে পাশে থাইকেন, কারণ কয়দিন ধইরা টেলিফোনে খুব হুমকি ধামকি শুনতাছি, এই করব সেই করব। আমি একজন ভীতু মানুষ। একটু না কইরা দেন না ওগোরে
শাওন বলেছেন:
একট ফোন দেন ভাইয়া ।
ওয়ালী বলেছেন:
অপবাক দেখুন আমি প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীদের সম্মান করি। আর আমি মনে হয় 'অতি' শব্দটি যোগ করেছি। যা হোক এটা বোঝার ক্ষমতা আপনার কম। এই যে দেখুন অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমী একজনকে উনি যেন কোথা থেকে আবিস্কার করলেন গোলাম আযম আর কায়দে আযম আমাদের জাতীর পিতা। উনি কোন ইসু্য না পেয়ে কয়েকদিন আগে পাকসার জামিন গানটি গাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন আর তাও উনার সর্তীর্থের মাধ্যমে আমার একটি পোষ্টে কমেন্টস করিয়ে আমাকে হেয় করার জন্য। অন্য কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না একে কিছু বললে এখানকার কিছুব্লগারের ইমোশন নিজের পক্ষে নেয়া যাবে। ভোগাস। আর এক মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীতো কাউকে গালি দিতে ভুলে না। তিনি আবার এক বখাটেদের বিবেচনায় রত্ন। ওয়া ওয়া করেই তার দিন কাটে। মুখে যা আসে বলে ফেলে 'রাজাকারের বাচ্চা' বা 'ক্ষুদে রাজাকার'। আরেকজনতো বেজন্মা বলে। এই সকল অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীদের নিকুচি করি। যাই হোক এখানে আপনার সাথে তর্ক করা আমার কাজ নয়। আমি আর কোন প্রশ্নের জবাব দিবনা আপনাদের। কারন তর্ক করার চেয়ে আমার আরো অনেক কাজ আছে। আর জাহানারা ইমামের কথা যখন উঠলো তখন বলি, উনাকে খাঁটো করতেও আমার রূচিতে বাঁধে। আপনিকি জানেন তার চেয়ে আরো দু:খী 'শহীদ' জননী আছে? তারপরেও তিনি লাইম লাইটে কেন। কারন একটাই উদ্দেশ্য মূলক ব্যবসা আর পুত্রের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে জনগনের মগজধোলাই। যেমন মগজধোলাই এর একটি উধাহরণ দেই, উনার জিহবায় ক্যনসারের ফলে কাটতে হয়েছিলো যার ফলে উনি গোলাম আযম নামটি ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পাড়তেন না। আর তার সাঙ্গপাঙ্গরা এটাকে বাজার দিয়ে দিলো লেখার সময় ঐ একই কাজ করা হলো। 'গো আযম'। কি সুন্দর ঠিক না? একজনের ভুল উচ্চারণকে কি ভাবে হালাল করা হলো। এক অসাধুকে আরেক অসাধুর সাধু বানানোর প্রক্রিয়াটি খুব নিম্ন মানের হয়ে গেলনা। এভাবে উধারহরণ দিয়ে শেষ করা যাবেনা। তার দলে ফান্ড কোথা থেকে আসে? তবে হাসিনা ওয়াজেদ তাকে ফান্ড দিতে দিতে ফতুর হয়ে যাচ্ছিলো। পূজিতো ফিরছিলোইনা বরং ক্ষতির হিসেব গুনছিলো।"আরো বললেন যে কালের ধারায় তারা জামায়াত সমর্থক হয়েছে।" কারা বেশী লাফালাফি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টি নিয়ে। জামায়াত না আওয়ামী লীগররা? কারা কথায় কথায় বলে আমরা ছাড়া সবাই রাজাকার? আর নাটকটি মনে হয় আপনি ঠিক মতো দেখননি। সেখানে আবার ভাই বোন মিলে ব্যবসা শুরু করে। আর জামায়াত যদি এই ব্যবসা করতো তাহলে ধর্ম নিরপেক্ষতার পোশাক পড়ে অনেক আগেই বিভিন্ন দলে যোগ দিত।
যারা 71 এ যুদ্ধ করেছে তাদের কয়জন ইতিহাস লিখেছে? এখনো আনেক যোদ্ধা বেঁচে আছে যারা হয়তো সামনে যুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরবে। আর্মিতেও অনেকে আছে। এখন আর বলতে পারবেন না এযাবতকালে যত আর্মি চিফ অফ স্টাফ ছিলো সবাই পাকিস্তানি।
আমার বাবা আর মায়ের গুষ্টিতে 7 জন মুক্তিযোদ্ধা আছে। তাদের মধ্যে এখনও 4 জন জীবিত। এখানে অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীদের ভুল তথ্যে পরিপূর্ন এবং আওয়ামী লীগারদের খুশি করানোর যে প্রয়াস চলছে সেই ইতিহাস দেখে আমার বুঝতে সমস্যা হয় না যে কিভাবে তারা ব্যবসা করছে। আর সব ব্যবসা মানেই টাকা এই নয়। মানুষের ইমোশন ক্যারি করে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে সস্তা জন প্রিয়তা ব্যবসার মধ্যেই পড়ে। সময় যখন আসবে গাড়ীর চাকা তখন এমনি সামনের দিকে ঘুড়বে যেমনটি ঘুড়েছিলো নাগরিকত্ব মামলায়। এগুলোর জন্য 2000 মাইল দুরের পাকিস্তানের প্রয়োজন নেই। এবং কোন পাকিস্তানীর প্রয়োজন নেই। আইন অনুযায়ী একজন স্বাক্ষী পেলেই রাজাকার সাব্যস্ত করা হতো এবং বিচার কার যেত। অনেক রাজাকারকে তখন মেরে ফেলা হয়েছে। আর যার স্বাক্ষী পাওয়া যেতনা তার বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর যে কেউ একজন স্বাক্ষী হয়ে বলতো সে রাজাকার এবং তাকে মেরে ফেলা হতো। আশ্চর্য এখন যাদের রাজাকার বলেন একজনকে শাস্তি দেয়া গেলনা? সত্যি খুব আশ্চর্য তাই না? নিরপরাধীর বিচার কোন আইনে সম্ভব নয়।
আর জামায়াত যদি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করতো তাহলে সবার প্রথমে তারা জামায়াত বাদ দিয়ে তাদের দল পরির্বতন করতো।
এখানে আপনাদের বয়সের দিকে নজর দিন। সবার 27 থেকে 30 এবং তারও উধের্্ব। আর যাদেরকে গালাগালি করা হচ্ছে আর হেয় করা হচ্ছে তাদের বয়সের দিকে নজর দিন। নতুন প্রজন্ম কারা? তারা কি ধ্যান ধারণার? তাদের কে কারা দূরে ঠেলে দিচ্ছে? তাদের কপচাতে গিয়ে একটি বিশেষ দলকে কপচানো হচ্ছে আর তখনও যখন সুবিধা হচ্ছে না তখন ধর্মকে কপচানো হচ্ছে। এখানেই শেষ নয় আল্লাহ এবং রসূল পর্যন্ত বিষয়টি গড়াতে তাদের বিবেকে বাধে না। তারা নতুন প্রজন্ম যদি অন্য পথে চলে তার দ্্বায় ভার আপনাদেরই নিতে হবে মানে অতি মুক্তিযুদ্ধপ্রেমীদেরই নিতে হবে। আর তারা এমন মানুষ নয় বাদাম না কালাই বুটের পার্থক্য বুঝেনা। আর আমি হলফ করে বলতে পারি 16 থেকে 18 বছরের কাউকে জিজ্ঞাসা করবেন মুক্তিযুদ্ধ কারা করেছিলো? স্বাধীনতার ঘোষক কে? কারা এর ধারক বাহক? 99 জন ভুল উত্তর দিবে। আর একজন যে সঠিক উত্তর দিবে তাকে বলা হবে রাজাকার। আর এজন্য আপনারাই দায়ী তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এখানে কারো ওয়া ওয়া কাজে আসবেনা। আর এখানে অনেকে দেশের বাইরে থাকেন। একবার কোন বিদেশীকে বেজন্মা বলে ডাক দিবেন। দেখবেন কিভাবে 14 গুষ্ঠির পিন্ডদ্ধার করে। আর এর জন্য রাওলপিন্ডী থেকে কারো সাহায্য নিতে হবেনা। তবে এটা স্বীকার করি কোন বেজন্মার কাছ থেকে বেজন্মা গালিটা শোনাও লজ্জার বিষয়। শেষে একটি মজার কৌতুক বলি। অনেকে অনেক ভাবে এটা বলে আমি আমার মতো করে বলি। ভোরের কাগজের এক সাংবাদিক গুলশান লেক পার হচ্ছিলো। হঠাত দেখলো একটি কুকুর একটি বাচ্চাকে তাড়া করছে। টুপি পড়া এক বালক এই অবস্থা দেখে কুকুরটাকে ঘায়েল করে বাচ্চাটিকে রক্ষা করলো। সেই সাংবাদিক সামনে এসে বললো তুমি আমাদের জাতীর গর্ব। জীবনের ঝঁকি নিয়ে বীরত্বের সাথে তুমি বাচ্চাটিকে রক্ষা করছে। তুমি কি আইডিয়াল স্কুলে পড়। বালকটি বললো না। সাংবাদিক আবার বললো। তাহলে েতুমি সায়েনস ল্যাবে পড়। বালকটি আবার উত্তর দিল, না। বালকটি সাধু বাংলা বলায় দোষ ছিলো। সাংবাদিক সব দিক বিবেচনা করে বললো তাহলে তুমি কোন ইংলিশ মিডিয়ামে পড় মনে হয়। তোমার বীরত্বের কাহিনী আমি পত্রিকাতে ছাপাবো। বালকটি বললো, না আমি মাদ্রাসাতে পড়ি। পরের দিন সংবাদ পত্রে ফাষ্ট পেইজে তিন কলাম ব্যাপি হেডলাইনের একটি রির্পোট আসলো "পাকিস্তানি জঙ্গির নিষ্ঠুরতা"। আর খবরের মূল থিম ছিলো, ইসলাম ধর্মে কুকুর সবচেয়ে নিষ্ঠুর প্রানী বলে মাদ্রাসা ছাত্র অমুক দিনে দুপুরে গুলশান কূটনৈতিক পাড়ায় একটি কুকুরের বাচ্চাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে আর সে এখনো বাংলা বলতে পাড়েনা মুখের বাংলাতে উদর্ূর টান।
আরো অনেক কিছু বলার ছিলো, কিন্তু বিষয়টা তর্কে চলে যাবে কোন সমাধান আসবেনা। (এবং যুগ যুগ ধরে এভাবেই যাবে এ ব্যাপারে স্যামহোয়ার ইন এ আসার পরেই বুঝেছি)। আমি আমার ভিউ দেখিয়েছি কারো উপর চাপিয়ে দিতে চাইনি। চাপিয়ে দিলে বলতাম না 'আসুন বলি' বলতাম 'বলতে হবে'। তাই আর এ নিয়ে মন্তব্য করবোনা। আর আমি আগেও একটা কথা বারবার বলেছি কারো ফ্যান সার্টিফিকেট নিয়ে আমি চলিনা।
আর আমি মনে করেছিলাম মূল বিষয় যে সংশোধন প্রস্তাব দিয়েছিলাম তার উপর সবাই আলোকপাত করবে। কিন্তু না একজন তো জাতীর পিতা নিয়ে পইরা আছে। মনে রাখবেন 30 লক্ষ্যকে এস্টাবি্লশড করতে চাইলে সব বিবেচনায় বারবার ভুল প্রমানিত হবে। এবং স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আর এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারাই। ধুরু আর লেকমুনা লাখের তেলেসমাতি নিয়ে। ফালতু।
বানান ভুল আছে অনেক। তাড়াহুরো করে লিখেছি। অনেক কাজ জমে গেছে।
অতিথি বলেছেন:
ওয়ালী ভাইয়া কেমন আছেন? কই ছিলেন এতদিন???
অতিথি বলেছেন:
ওয়ালি আপনার কৌতুকটার অন্য ভারশন শুনেছিলাম, এই ট্রানসফরমেশনটা যে কত ঠিক সেটা এই ব্লগে এসে টের পেয়েছি। হাসিটা দরকার ছিল, ধন্যবাদ
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
কিন্তু আমার প্রবলেমটা তো সলভ করলেন না ঃ(
ওয়ালী বলেছেন:
সাঈদ ভাই, আমি বলনি এবং ব্রেকেটে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছি। এবং বুঝাতে চেয়েছি 'অতি'দের জ্বালায় কোথা থেকে কোথায় নেমে এসেছে। যদি আমার বলাটা পরিস্কার না হয়ে থাকে তবে আবার ক্ষমা চাইছি।

















