আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভ্যি দেখা বা না দেখা: হালাল হারাম প্রসঙ্গ - সন্ধ্যাবাতি
- চঞ্চল মন আমার মানে না বারণ - ওয়ালী
- কুঁ ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক... - ওয়ালী
- ফিল্মী জীবন - ওয়ালী
- ইয়ে মানে তেমন কিছু না - ওয়ালী
- বই এর জগতে আমি - ওয়ালী
- হাইওয়ে জুস কেলেঙ্কারী - ওয়ালী
- আন্ডা সমাচার - ওয়ালী
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- সুখপাখির সুখের পৃথিবীতে আমি - ওয়ালী
- বিজ্ঞজনের সাথে সহবাস- ভার্চুয়াল রাজনীতি! - ওয়ালী
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- ব্লগ কর্তৃপক্ষের প্রতি: প্রতিক্রিয়াশীলদের উস্কানিতে বিভ্রান্ত হবেন না - ওয়ামি
- কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- "গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ": হুমায়ূন আজাদ - সন্ধ্যাবাতি
- ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ? - ফারজানা মাহবুবা
- আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইউনেস্কোর তথ্য শূন্যতা !! - থার্ডআই
- মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি: উৎস্বর্গ চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির হর্তাকর্তা হুজুরে শাহ পীরে আউলীয়া এস্কিমো ওরফে উত্তর মেরুর দুপেয়ো এবং তাহার কমরেডদের - মুক্তি
- "তাদের" এই অধঃপতন রোধের দাওয়াই কি? - ওয়ামি
- চরম জেনেরেলাইজেশন হইছে মানি, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননার চেষ্টাও করি নাই - ওয়ামি
- পড়ুয়ার পোস্ট, সামহোয়ারইন ও ফেসবুক এবং রাজাকার প্রসঙ্গ - মাহবুব মোর্শেদ
শান্তির অম্লান, শ্যামায়িত আরমান- হেজাজের ঝড়ে বীভৎস বাধা দলছে © ওয়ালী. ১৯৮৩ এবং পরবর্তী ;)

চেতনা 75
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৪:০৬
(ধান্ধাবাজমুক্ত চিন্তার দিগন্ত)
পাবনার খবর পড়লাম পত্রিকাগুলোতে। ঘাঁদানি! কমিটির তিনদিনের কর্মসূচী বাদ দিয়ে একদিনের কর্মসূচী নিয়েছিলো। আর সেই একদিনের কর্মসূচী পালন করতেও নাকি রাস্তাতে কোন ঘাঁদানিকে দেখা যায়নি। বরং?জেলা শহরের রাস্তাঘাটে যানজট দেখা দিয়েছিলো নাকি। আর ঘাঁদানি তাদের সমর্থনে কোন প্রচারণাও চালায়নি। আর সাধারণ জনগনও ধান্ধাবাজদের উদ্দেশ্যহীন এবং ভ্রান্ত কর্মসূচীর বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিলো। আমি জামায়াতের সফল সমাবেশের জন্য মোটেও খুশি হয়নি আমার খুশি হবার কারণ হচ্ছে তাদের দৃঢ়তা এবং ঐক্য দেখে। সাথিয়ার ঐক্য আবার প্রমাণ করলো যে পৃথিবীর কোন শক্তি এখন 71, ফান্ডামেন্টালিস্ট ইত্যাদী ধোঁয়া তুলে জামায়াতকে বিনাস করতে পারবে না। জনগন আবার প্রমাণ করলো যে তারা জামায়াতের কত কাছের। মাঠ পর্যায়ে দলটি যে আসলেও বিস্তৃত এবং সুবিন্যস্ত তা বোঝা গেল (বন্ড অফ ব্রার্দাস বলে একটা কথা আছে না)। তবে কিছু চিতকার প্রিয় ধান্ধাবাজের মতে এটা একটা অরাজকতা। যেটা গত চার বছর ধরে মনে হয় জামায়াত করছে বলে তাদের ধারণা! অবশ্য এই চিন্তাটি বিশেষ একটি গোষ্ঠীর যারা বর্তমানে জনগন থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন আর মাঝে মাঝে গর্ভ আর সাড়ির রাজনীতি করে রাজপথে কাপাঁয় আর ব্লগে এসে সাহিত্যচর্চা করে।
বর্তমানে তাদের নতুন ধোঁয়া সংস্কার প্রস্তাবের আলোচনা নিয়ে। কে থাকবে কে থাকবেনা, তা নিয়ে। যুক্তি হচ্ছে জামায়াত স্বাধীনতা বিরোধী এবং সামপ্রদায়িক দল (বি.এন.পি অবশ্য নাকচ করে দিয়েছে জামায়াত ছাড়া বসবেনা তারা)। একটু পেছনে ফিরে চাইলেই দেখা যাবে আওয়ামীদের এই দাবী দূর্বল, ভঙ্গূর তার সাথে নিতান্তই হাস্যকর। এই অভিযোগগুলো বস্তাপচা এবং বহু ব্যবহৃত। মজার বিষয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ দু দফায় সাড়ে আট বছর ক্ষমতায় ছিলো। যাদের বিরুদ্ধে রাজাকার খেতাব দিচ্ছে তাদের কোন বিচার করতে পারেনি। যুদ্ধাপরাধের ছিঁটেফোঁটা প্রমাণ থাকলে আওয়ামী লীগ এভাবে চুপচাপ বসে থাকতো না। প্রফেসর গোলাম আযমের নাগরিত্ব মামলার মাধ্যমে তাদের মনগড়া মিথ্যে অভিযোগ মানুষের সামনে চলে আসার পরেও তাদের সিকি পরিমান লজ্জাবোধ জন্মায়নি। অথচ এমন একটি সময় ছিলো আল্লামা মওদূদীর দলের নেতাদের একদিন না দেখলে আব্দুল জলিল সাহেবদের পেটে নাস্তা ঢুঁকতো না। পেয়ারের খঁয়ের খাঁ ছিলো তারা। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে তাদের সাথে একই কাতারে নামাজ আদায় করেছিলো তারা। প্রফেসর গোলাম আযমের কদমবুসি নিতে এসে ছিলেন তারা। অতীতেই নয় এখনও তারা দুই দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর সাথে বিভিন্ন বৈঠকে ঘন্টার পর ঘন্টা পাশাপাশি বসে আলাপ করে সময় কাটান। বিভিন্ন বিষয় সুরাহার জন্য দারস্থ হচ্ছেন দুই মন্ত্রীর কাছে। আর এখন তারা বলে এক টেবিলে জামায়াতের পাশাপাশি বসা যাবে না। তাদের বাদ দিতে হবে আলোচনা থেকে। গনতন্ত্রের চর্চা কারা করে? আওয়ামী লীগ এবং ঘঁদানীর সীমাহীন ভন্ডামী দেখে লজ্জা লাগে। তবে জামায়াতের ঐক্য আর আওয়ামী লীগের ভন্ডামী দেখে আমার এক বন্ধুর মন্তব্য ছিলো ইনজয় করার মতো। সে বলেছিলো, "it is going to give us confidence in our sheer strength. So much that if someone calls me razakar or rog kata I'm going to bruise him hard and send him to not cemetery but hospital. And I would do that without giving a second thought."
তার মন্তব্যটা ফেলে দেই কিভাবে?
অতিথি বলেছেন:
জামাত ছাড়া আওয়ামী লীগ যে আলোচনায় বসতে চাচ্ছে এতে এত দুঃখ পাওয়ার কি আছে? তাছাড়া বিএনপিরও এই প্রস্তাব লুফে নেওয়া উচিৎ, কারণ তা না হলে তাদের প্রেমিক জামাত আবার আওয়ামী লীগের গলায় ঝুলে পড়তে পারে। জামাতের তো এ স্বভাব রয়েছে।
অতিথি বলেছেন:
হে , সাজেদ বৎস : তুমি মুরি খাও । সংবিদিবদ্ধ সতর্কিকরণ : বেশি মুরি খাইলে পেট খারাপ হওয়ার আশংকা আছে ।

















