১. মকবুল দাদা খুব মজার মানুষ ছিলেন। মকবুল দাদার তখন নতুন বিয়ে হয়েছিল। একবার শ্বশুড় বাড়িতে বেড়াচ্ছিলেন। রাতে খাবার দেয়া হয়েছে। আলু দিয়ে মুরগির মাংশ রান্না করা হয়েছিল। দাদার শ্বাশুড়ি জিজ্ঞাসা করেছিলেনঃ জামাই আলু খান তো? দাদা জানালেন আলু নাকি তার খুব প্রিয়। পরদিন সকালে পরাটা সাথে আলু ভাজি। দুপুরে আলু দিয়ে গরুর মাংশ, আলু দিয়ে মাছ এবং আলু ভাজি। রাতে আবার আলু ভাজি সাথে আলু দিয়ে মুরগী। মোটামুটি আলুময় খাবার দাবার। রাতের খাবার দেখে দাদার মেজাজ গরম হয়ে গিয়েছিল। শ্বাশুড়িকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আম্মা আপনাদের কি আলু ক্ষেত আছে নাকি? শ্বাশুড়ি তো বেশ গর্বের সাথে বললেনঃ হ্যা বাবা আছে। দাদা তখন বলেছিলেনঃ এতো কষ্ট করে আলু রান্না করার কি দরকার? আমার গলায় একটা দড়ি পেঁচিয়ে আলু ক্ষেতে বেঁধে দিয়ে আসুন। ক্ষেত থেকেই আলু খাই আর আপনারও কষ্ট কম হল।
২. তখন ক্লাশ টেনে পড়তাম। আমাদের কেমেস্ট্রি স্যার অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় অন্য একজন (ওয়াহেদ স্যার) স্যার পড়াতে আসলেন। যিনি ছিলেন খুব কড়া মেজাজের। এই স্যারে আমাকে আবার ক্লাস সেভেনে থাকতে বাসায় এসে পড়াতেন। স্যারের একটা সমস্যা ছিল। স্যার লোহাকে লোখা বলতেন অর্থাৎ হ কে খ বলতেন। তো তিনি সেদিন পড়াতে এসে নতুন কোনো পড়া না পড়িয়ে আগের পড়ানো অধ্যায় থেকে প্রশ্ন করতে নাগলেন। আমাদের ক্লাসের সবচেয়ে পাজি সাদিকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ খ্যালোজেন কি? সাদি তো ভাবতাছে মনে হয় কোনো আরবের কোনো বিজ্ঞানীর নাম মনে হয় হবে। তাই সে বলল বিখ্যাত আরব বিজ্ঞানী। স্যার দিলেন বেত দিয়া দমাদম দুইটা মাইর। এরপর অন্য সবাইকে জিজ্ঞাসা করলেন। কিন্তু কেউ আর পারে না। আমাকে মাইরে দিয়া বললেনঃ পড়ালেখা না করে সারাদিন কি করিস? খ্যালোজেন কি পাড়িস না? সবাইকে পিটিয়ে স্যার হতাশ। এ কাদেরকে আমি পড়াতে আসলাম। খ্যালোজেন কি পারে না? কয়েকদিন পরে নাকি আবার এস.এস.সি. পরীক্ষা দিবে। পরে একজন উত্তর জিজ্ঞাসা করায় , স্যার বললেন ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন,............ এদেরকে খ্যালোজেন বলে। তখন সাদি বলল স্যার এগুলোতো হ্যালোজেন, খ্যালোজেন না। স্যার বললেন কেনো আমি তো খ্যালোজেন বলেছি, খ্যালোজেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

