বলুনতো?দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে সব চেয়ে বেশী যুদ্ধে অংশগ্রহন কারী দেশ কোনটি?
উত্তর হলো ভারত। আমাদের মহাশক্তিশালী প্রতিবেশী ভারত।এই দেশটির উপর তার প্রতিবেশী কোন দেশেরই ভালো সম্পর্ক নাই।এবং কোনো প্রতিবেশী দেশই ভারতকে believe করেনা।ভারতই পৃথিবিতে একমাত্র রাস্ট্র যার সাথে সব প্রতিবেশির কম বেশী যুদ্ধ হয়েছে বা হচ্ছে।সম্প্রতি আমাদের প্রধান মন্ত্রী ভারত সফর করেছেন এবং অনেক গুলো চুক্তি করেছেন।অনেকে বলেছেন দেশ বিক্রি করেদিয়েছেন অনেকে বলেছেন আমরা অনেক লাভবান হয়েছি।লাভ ও লোকসানের বেপার অনেক জটিল হিসেব নিকেষ করে করতে হয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩টি ট্রাম্প কার্ড ছিলো।১)চট্রগ্রাম ও মংলা বন্দর ২) নৌ ট্রানজিত ৩) স্থল তথা সড়ক ও রেল ট্রানজিট।
আমার মতে ঊনি সঠিক ভাবে ট্রাম্প কার্ড গুলো use করতে পারেননি।তার পরও বাংলাদেশ অনেক ভাবে লাভোবান হবে। আমার যুক্তি গুলো নিচে দেয়া হলো।
১) বাংলাদেশ অনেক টাক্স পাবে।এবং বানিজ্য ঘাতটি কমে আসবে।তবে পেমেন্টের সার্থ রক্ষা করতে হবে।
২) ভারতীয় পন্য পরিবহনের জন্য আমাদের পরিবহন ব্যাবস্থা চাঙ্গা হয়ে উঠবে।শ্রমিকের চাহিদা তৈরি হবে এবং বিপুল জনগোষ্ঠী লাভোবান হবে।কর্ম সংস্থান সৃস্টি হবে।
৩) ভারতীয় ট্রাক আমাদের রাস্তা ভেঙ্গে ফেলবে তাই ওদের ট্রাক ঢুকতে দেয়া হবে না। এই কথা হাস্যকর।ভাড়াটিয়া বাড়ি নোংরা করে ফেলবে তাই বলে কি ভাড়া দিব না? বরং ভারতীয় ট্রাক যাতে ঢুকতে পারে তার জন্য রাস্তা উন্নত ও মজবুত করতে হবে।এবং ট্রাক গুলু থেকে চড়া মুল্যে রেভিনিঊ আদায় করতে হবে।
৪) আমাদের ভৌগলিক অবস্থান ভারতের মাথা ব্যাথার কারন।আর এইটা আমাদের সম্পদ।কোলকাতা থেকে ত্রিপুরা যেতে হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু ট্রান জিট পেলে ভারতীয়রা বাংলাদেশের ঊপর দিয়ে যেতেই অভ্যস্থ হয়ে যাবে। এর পর যদি ওরা আমাদের পর্যটকদের ঐ পাড়ে হয়রানি করে, তাহলে আমরাও করব। ওরা হারামিপানা বন্ধ করতে বাধ্য হবে। প্রতিটি কাজের দাত ভাঙ্গা জবাব দেয়া যাবে।ওদেরকে তখন আবার যেতে হবে কোলকাতা-শিলিগুড়ি-আসাম-ত্রিপুরা।আমাদেরকে খেপানোর সাহস পাবে না।
৫)ভারতীয়া বাস,ট্রাক ও ট্রেন যাত্রীরা যাত্রা পথে আমাদের থেকে খাবার কিনে খাবে। এখানেও ভালো ব্যাবসা হবে।
৬) আমাদের থেকে ট্রাক-বাস গুলো ডিজেল-পেট্রোল কিনলেও আমাদের লাভ হবে।
৭) আমাদের নদীতে ভারতীয় নৌ চলাচল করলেও আমাদের লাভ হবে কারন, ভারত আমাদের পানি দেয় না। ভারতের নৌ চালাচলের সার্থেই ভারত নদীতে পানি দিতে বাধ্য হবে বা বাধ্য করা হবে।
৮) আমাদের অনুমোদিত পন্য ভারতের বাজারে ঢুকতে বাধা দিলেই,আমরা ও তাদের পুর্ব-পশ্চিম পন্য চলাচল বন্ধ করে দেব।
৯) বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে ভারতীয় রুট জনপ্রিয় হলে উত্তর-পুর্ব ভারতের অন্য রুট লোকসানে পরিনত হবে সময় ও দুরত্তের কারনে।আমাদের উপরেই উত্তর পুর্ব ভারতের কোটি কোটি জন গন নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
১০) এই সুজোগ গুলো কাজে লাগিয়ে ওদের সাথে নায়া ট্রাম্প কার্ড খেলা যাবে।
১১) ওদের মতই আমরা ও চুক্তির ফাক খুজবো এবং বিভিন্ন অজুহাতে ফি ও রেভিনিউ বাড়িয়ে দেব।
১২) ভারতকে আমাদের মুখাপেক্ষী করে তুলতে হবে কারন আমাদের ভৌগলিক সুবিধা রয়েছে।একবার মোবাইল use করলে যেমন কোন ব্যাক্তি মোবাইল ছারা চলতে পারে না, তেমনি ভারত যেন বাংলাদেশ ছারা চলতে না পারে সেভাবেই আগোতে হবে।
** আজকে ইউরোপ প্রায় উম্মুক্ত হয়ে গিয়েছে। একদেশ থেকে আরেক দেশে যেতে ভিসা লাগে না। সমস্ত ইউরোপ যেন একটি দেশ। কারন তাদের রয়েছে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিসাশ। তাই তারা উন্নতির মহাস্রোতে গমন করেছে।বৃহত ফ্রান্স যেমন লুক্সেমবার্গ কে অবজ্ঞা করে না, তেমনি জার্মানির সাথেও সহযোগিতা বজায় রাখে। ভারত কি পেরেছে তার প্রতিবেশীদের আস্থা অর্জন করতে? সার্কের ব্যার্থতার জন্য ভারতই দায়ী।
** আজকের দুনিয়ার উন্নতির মুলে রয়েছে ব্যাবসা। আমাদেরকেও ভারতের সাথে আমাদের ভৌগলিক সুবিধাকে ভিত্তি ধরে নিয়ে ব্যাবসা করতে হবে।
** প্রিয় ব্লগার গন উপরের কথা গুলো আমার ব্যাক্তিগত মতামত, রাজনৈতিক রঙ না লাগালেই খুশি হব।আমার কথায় কেউ কস্ট পেলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

