আমার প্রিয় পোস্ট

মুক্ত মন, মুক্ত িচন্তা, মুক্ত মতামত

ঈশ্বরের জবানবন্দী

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0

আমার নাম ঈশ্বর। নামটা কে রেখেছিল জানি না। কারন আমি জানি না আমার বাবা ও মা কে এবং তাদের নাম কি ? এ হিসেবে আমাকে পিতৃ পরিচয়হীন বলা যায়। আভিধানিকভাবে আমার নামের অর্থ - ভগবান, জগত স্রষ্টা, প্রভু, স্বামী, অধিপতি, প্রাণেশ্বর, যোগীশ্বর, ওঁ ইত্যাদি।

অনেকে বলে আমি নাকি স্বয়ম্ভু- অর্থাৎ আপনা আপনি জম্মেছি। এটা কি বিশ্বাসযোগ্য? কেউ কি কখনো আপনা থেকে জম্মগ্রহণ করতে পারে? আচ্ছা বলুনতো এমন কথা বললে যুক্তিমান মানুষ পাগল বলবে না? তাই মাঝে মাঝে ভাবি আমি কিভাবে জম্মালাম। আমি যদি হই স্বয়ম্ভু তাহলে ভগবান বিষ্ণু জলের মধ্যে ব্রহ্মান্ডের বীজ নিক্ষেপ করলে একটি সোনার ডিম হয় এবং জলের উপর ভাসতে থাকে। সেই অন্ড থেকে ব্রহ্মা স্বয়ং বের হয়ে আসে। সোনার ডিম জলে ভাসবে কি করে? অগ্নিপূরানের এ কাহিনী কি বিশ্বাসযোগ্য?

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে আমার বিভিন্ন নাম দেয়া হয়। যেমন, পেরুর ইনকাদের মধ্যে সৃষ্টিকর্তা ইউরাবোচা বা পাকহাকামাক, গ্রিকল্যান্ডের অধিবাসীদের প্রধান দেবতা টর্নগারসুক, মেক্সিকোয় তোলাকু নাহুয়াকু, তেজকাৎ লিপোকা; পলিনেশীয়দের মধ্যে টাঙ্গারোয়া, হাওয়াই দ্বীডপুঞ্জের কানারোয়া, পশ্চিম আফ্রিকায় নিয়োংমোই, জাপানের সর্বশ্রেষ্ঠ দেবতা ইজানাগি, ইরানিদের আহুরা মাজদা ইত্যাদি ইত্যাদি।

এবার আসা যাক আমার নামকরণ সম্পর্কে। ইংরেজরা আমার নামকরণ করলো god ছোট g দিয়ে। god শব্দটা কিন্তু old english জার্মানিতে gott। এসব শব্দের উৎস গথিক শব্দ guth। god এর ছোট g থেকে বড় G পৌঁছাতে হলে একটু পিছনে ফিরে যেতে হয়। ধর্মে ISM এর পরিধিটা ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে- যেমন Animism (সর্বপ্রাণবাদ)- Pantheism (সর্বেশ্বরবাদ) - Polytheism (বহু ঈশ্বরবাদ) তারপর একেশ্বরবাদ - Monotheism। এই একেশ্বরবাদে ঈশ্বরের gটা বড় G হয়ে গেল, কারণ এই বড় -র ঈশ্বর অনেক ছোট ঈশ্বরের (gods) প্রধান হয়ে গেলেন। আমাকে এক ঈশ্বরে দাঁড় করিয়ে দিলেও আমার মধ্যে দ্বিত্ববাদ রয়ে গেল - কারণ 'আমি' থেকে অনেক সময় 'আমরা' হয়ে গেছি। এই দ্বিত্ববাদ থেকে মানুষের আবার বিশ্বাস জম্মালো বহু ঈশ্বরবাদে। এই বিশ্বাসে লিঙ্গভেদে শুর হল দেব-দেবীদের স্তবস্তুতি। গ্রিক, রোমান ও হিন্দু দেব-দেবীরা শক্তিধর হয়ে গেল। তার মাঝে নারীরাও অনেকক্ষেত্রে প্রধান হয়ে গেলেন। গ্রিকদের ভেনাস, এথেনি, আর্টেমিস, গিন্দুদের দূর্গা, কালী, লক্ষী, স্বরস্বতী তাদের নিজস্ব ক্ষেত্রে প্রধান হয়ে গেল। প্রাক-ইসলামী যুগে আল-ইলা দেব-দেবীদের প্রধান ছিল। অনেকে বলেন- হুবাল দেবতা প্রধানের তিন কন্যা লাত, মানাত আর উজ্জা গ্রিক দেবী ভেনাস, এথেনি, আর্টেমিসের মতো স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রধান ছিল। হুবালের সেখানে পাত্তাই ছিল না। আবার অনেকে হুবালের সাথে আল-ইলা অর্থাৎ আল্লাহর সাথে তুলনা করে থাকেন এবং এর আকার ছিল মানুষের মতো। কোনো কোনো ভাষাবিদের মতে ইলাহা শব্দের আদিতে আলিফ ও লাম যোগে আল্লাহ শব্দ গঠিত। আমাকে শোনানো হয়েছে যে, সেমেটিক ভাষাসমূহ ইব্রানি, সুররানি, কালদানি, হিমিয়ারি ও আরবি ভাষায় দেখা যায়। উপাস্য বা মাবুদের অর্থ প্রকাশের জন্য সাধারণত যে শব্দ ব্যবহৃত হয় তা আলিফ, লাম, হা এই তিন অক্ষর সংযোগে গঠিত হয়। কালদানি ও সুররানি ভাষায় আলাহা বা লাহা এবং ইব্রানি ভাষায় আলুহা-ঐ মূলেরই রুপান্তর মাত্র। তবে উপাস্য আল্লাহ ছাড়া বুহ প্রকার জীবন ও পদার্থ হতে পারে কিম্বা প্রতিমাও হতে পারে। ইসলামের পূর্বে আল্লাহ শব্দটি আরবদের অজানা ছিল না। মানুষ যে আল্লাহর দাস এও জানা ছিল। মুহম্মদ(সা) পিতার আবদুল্লাহ হতে তার প্রমাণ পাওয়া যায়।

আমি দেখতে কেমন? আমার কোন রুপ নেই, আমি অদৃশ্য, কিন্তু মানুষেরা আমাকে পুরুষের রুপ দিয়েছে। আমার হাত আছে, পা আছে, চোখ, কান, স্বর ইত্যাদি সবই আছে। আমার বসার জন্য সিংহাসনও আছে, আমার রাজ্যও ( Kingdom of God) আছে সেখানে আছে আমার কর্মচারী Angel। সবাই যে আমাকে দেখে না তা নয় কেউ কেউ দেখেন। বাইবেলে আছে কোনো কোনে প্রফেট যাকে আমি নির্বাচন করি তাদের কাছে শুধু আমার শরীরের কিছু অংশ প্রদর্শন করেছি মাত্র। কারো কারো সাথে কথাও বলেছি, যেমন -
- মোসেস আমার পিঠ দেখেছে।
- যেকব স্বপ্নে দেখেছে পৃথিবী থেকে একটা সিড়িঁ স্বর্গের দিকে উঠে গেছে-আর সিড়িঁর উপর আমি দাড়িঁয়ে আছি।
- মিখাইয়া দেখেছে আমি সিংহাসনে বসে আছি।
- ইসাইয়া আমাকে চেয়ারে রাজকীয়ভাবে বসে থাকতে দেখেছে।
আসলে আমি কেমন? ধারণা করুন সকলেই আমাকে কল্পনা করেছে, কেউ দেখেনি।

আমার কি মনে হয় জানেন কিছু কায়েমি স্বার্থবাদী মানুষ কল্পনা করে আমাকে জম্ম দিয়েছে, মানুষের জম্ম আমি দিইনি। আমার যখন কোনো আকার নেই তখন মানুষ আমাকে মানুষের মতো ভাবলো কি করে? আর আমিই বা পুরুষ প্রকৃতি হলাম কেমন করে যখন আমার কোন প্রজনন ক্ষমতা নেই। আমি শুধু কল্পনা - মানুসের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তৈরী এক অদৃশ্য নামবাচক জীব। আমি যে মানুষের বানানো এ বিষয়ে কিছু মানুষের সন্দেহ থাকলেও আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই, এটা আমার বদ্ধ ধারনায় এসে গেছে। যারা বলে এই বিশ্ব আমার সৃষ্টি তারা মূর্খ, অজ্ঞ, গাজাঁখোর। বহু পন্ডিত ব্যাক্তি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে সৃষ্টিতত্ত্বে আমার কোন ভূমিকা নেই। মানুষের কল্পনাকে কেন্দ্র করে যে অস্তিত্ব আমার গড়ে উঠেছিল, মানুষের মনোজগত থেকে যুক্তর জোরে সে বিশ্বাসের যে অবলুপ্তি ঘটবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন পৃথিবীর জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশ মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে না। এই ক্রম-অগ্রসর শুরু হয়েছে অনেক আগেই। কারন আমাকে সর্বশক্তিমান বলা হলেও আমার কানাকড়ি শক্তি নেই। আমি কারো কাছে পাথর, কারো কাছে মূর্তি, কারো কাছে শূন্য। এই নিথর ও শূণ্যতার কাছে মানুষের পাওয়া ও চাওয়ার কিছুই নেই। কারন আমার দেবার কিছুই নেই। যা ঘটে তা কাকতালীয় এবং কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী তাকেই ঈশ্বরের দান বলে বুজরুকি করে সরল মানুষদের ঠকায়। বর্তমানে আমি মৃতপ্রায়। আমাকে অক্সিজেন দিয়ে বাচিঁয়ে রেখেছে মন্দিরের পুরোহিত, চার্চের পাদ্রি ও সুবিধাভোগী মোল্লারা শুধু তাদের পেশা ও কারবারী দরবার-এ। আমার অবর্তমানে তাদের সমূহ ক্ষতি ও সর্বনাশ হওয়ার সম্ভবনায় তারা কোনো প্রকারে আমায় বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমার নাম নিয়ে মানুষ কি ই না করেছে। কাড়ি কাড়ি অর্থ খরচ করে মন্দির, মসজিদ, চার্চ গড়েছে। কেউ চার্চ ভেঙে মসজিদ, কেউ মসজিদ ভেঙে মন্দির গড়েছে। আমার নামে কত যে রক্তপাত হয়েছে তার ইয়াত্তা নেই। আমার নামে নিরপরাধীকে শাস্তি, অপরাধীকে মুক্তি, রাজ্য দখল, লিঙ্গভেদ, নারী নির্যাতন, পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা, অঙ্গচ্ছেদ কত কিছুই না হচ্ছে। আমার নামে কত মিথ্যা প্রচার যে চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। অথচ আমি কেউ নই, আমার কোনো অস্তিত্ব নেই। মানুষ শুধু আমাকে ব্যবহার করছে তার নিজের প্রয়োজনে। আমার মনে হয় মানুষ যতদিন বেঁচে থাকবে , আমার মৃত্যু হবে না। হলে তারা আমাকে অন্যভাবে অন্য আকারে আবার সৃষ্টি করবে। কারণ মানুষের কল্পনা করার অসীম অসাধারণ ক্ষমতাতেই আমার জম্ম। সুতরাং মানুষ যতদিন আছে আমিও আছি। মানুষ যেদিন থাকবে না আমিও নেই। কারণ আমি মানুষেরই সৃষ্টি।




মূল : সা'দ উল্লাহ (ঈশ্বর, সৃষ্টি ও ধর্ম)

 

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: "বহু পন্ডিত ব্যাক্তি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে সৃষ্টিতত্ত্বে আমার কোন ভূমিকা নেই। মানুষের কল্পনাকে কেন্দ্র করে যে অস্তিত্ব আমার গড়ে উঠেছিল, মানুষের মনোজগত থেকে যুক্তর জোরে সে বিশ্বাসের যে অবলুপ্তি ঘটবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।"

ভাই ঈশ্বর না হয় কানে কানে আপনাকে এসব তত্ব দিয়ে গেছেন। আপনার কি ইচ্ছা হয় নাই সেই পন্ডিত ব্যক্তিদের যুক্তিগুলো যাচাই করার। সেগুলো এনে আমাদের জানান। আমরাও যাচাই করি।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: সব কিছু যদি আমাকে জানাতে হয় তাহলেতো বিপদ। স্বীয় চেষ্টায় কিছু যাচাই করুন .........
বেকেন
ডারউইন
রাসেল
মাক্স
পড়ুন, ভুলত্রুটি খুঁজে বের করুন, আমরাও জানি।

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: পুরোপুরি একমত।

৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ফাটাফাটি পোস্ট...



অফঃ- সা'দ উল্লাহ এর লেখার সফট/হার্ড কপি কি আপনার কাছে আছে? সফট থাকলে আমাকে কাইন্ডলি মেইল করবেন?

raehatuzzahar@জিমেইল.কম এ?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, স্ক্যান করে দিচ্ছি ...

৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৯
রাহান বলেছেন:
Men create the gods after their own image, not only with regard to their form, but with regard to their mode of life.
- Aristotle
++++++++
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: গ্রেট কোটেশন। ধন্যবাদ।

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
বক্ররেখা বলেছেন: অনেকগুলো প্লাসসহ সোজা প্রিয়তে +++++
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
মনির হাসান বলেছেন: অসাধারণ অনন্য ... প্রিয়তে না রেখে উপায় নেই ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জ্বীন প্রকল্পের পর নতুন কোন পোস্ট নেই কেন?
নতুন প্রক্ল্প হাতে নেন, আরো বেশী লেখা চাই।

ভাল থাকবেন।

৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৩
বক্ররেখা বলেছেন: ভাই, সাদ উল্লাহ'র লেখাটির একটা কপি আমাকে মেইল করে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার আর বৃত্তবন্দী ভাইয়ের কাছে আমি লজ্জিত।
ব্যস্ততার কারনে নেটের কাছ থেকে দূরে ছিলাম কয়েকদিন।
ফলে দিতে পারিনি। আজকেই দিয়ে দেব।

৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০৯
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
ঈশ্বরের স্বীকারোক্তি: বর্তমানে আমি মৃতপ্রায়। আমাকে অক্সিজেন দিয়ে বাচিঁয়ে রেখেছে মন্দিরের পুরোহিত, চার্চের পাদ্রি ও সুবিধাভোগী মোল্লারা শুধু তাদের পেশা ও কারবারী দরবার-এ। আমার অবর্তমানে তাদের সমূহ ক্ষতি ও সর্বনাশ হওয়ার সম্ভবনায় তারা কোনো প্রকারে আমায় বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আহা, কি চমেৎকার দেখা গেলো।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:১২
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: দাদা, সা'দ উল্যাহ-র কিছু বইয়ের নাম দিন।
১০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:১৪
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: এ বিষয়ে আরো লিখুন।
শুভ কামনা।
১২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
শ খি আ ঈয়ন বলেছেন: +

পোষ্টটির স্থান সরাসরি প্রিয়তে...



লেখকের জন্য বনফুলের শুভেচ্ছা...
১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩০
হোসেন মনসুর বলেছেন: এরকম মূর্খ সব যুগেই ছিল।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
িনজকে জােনা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই