এক অভিনব পদ্ধতিতে বাংরাদেশের জনসংখ্যা হ্রাস করে যাচ্ছেন ড্রাইভার, ঠিকাদার, পরিদর্শক ও কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ।
তাদের এই পদ্ধতিকে সাধারন জনগণের পক্ষ থেকে আমি ধিক্কার জানাচ্ছি ।
ঠিকাদারবৃন্দ সারা বছর রাস্তা মেরামতের কাজে নিজেদের উৎসর্গ করে যাচ্ছেন । রাস্তা মেরামতের পিছনে তাদের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের জনসংখ্যা হ্রাস এবং অর্থ উপার্জন । রাস্তা তৈরী টা হচ্ছে ধোঁকা বাজি, এক মরণ ফাঁদ ।
পরিদর্শকগণ রাস্তা পরিদর্শনে যখন যান তখন তারা রাস্তা পরিদর্শন করেন না । তখন তারা টাকা গণনায় ব্যস্ত থাকেন । এবং মাতৃভূমি বাংলাদেশের জনসংখ্যা হ্রাস করে, দেশ মাতৃকাকে অর্থ দিয়ে সমৃদ্ধ করবেন ।
জনৈক ড্রাইভারগণ তারাও দেশ মাতৃকার জন্য গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখছেন । হয়তো বা মদ্যপ হয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন অ নয়তো গাড়ি চালানোর সময় ঘুমাচ্ছিলেন । নয়তো গাড়ি চালানোর সময় স্ত্রী, সন্তানদের কথা স্মরণ করে দিকবিদকজ্ঞানশূন্য হয়ে পরেন । তারা এতটাই ব্যস্ত যে গাড়ি ছাড়ার সময় ইঞ্জিন চেক করতে সময় পান না ।
আর জনৈক রাজনীতি বিদদের কথা তো আমরা সবাই জানি । তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না ।
মুষলধারায় বৃষ্টি বেশী দিনের দরকার হয়না, একদিনের বৃষ্টিতেই মহা সড়কের মাঝখানে গর্ত হয়ে পরে এবং নানা রকমের দূঘর্টনার সম্ভাবনা দেখা দেয় । কাল আমার এক আত্মীয় ঐ রোডেই অন্য এক স্টার লাইনের যাত্রী ছিলেন । তার বাস সকাল ৮.৩০ এ ঢাকা ত্যাগ করে । আল্লাহ তার সহায় ছিলেন । সে এবং তার সহযাত্রীরা সবাই সুস্থ আছেন ।
উপরোক্ত ব্যক্তিদের ধিক্কার জানানোর ভাষা আমি হারিয়ে ফেলেছি । এসব কিছু সংখ্যক ব্যক্তিদের প্রতি আমাদের কি ধরনের মনোভাব দেখানো উচিৎ ?
এসকল কিছু সংখ্যক নর্দমার কীট দের হাত থেকে কবে আমার সোনার বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ রেহাই পাবে ? জাতীর বিবেকের কাছে প্রশ্ন ।
কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাদের সবাই কে ধন্যবাদ ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

