somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কৃতজ্ঞ ভয়েস ফ্রেন্ড এর প্রতি “আল্লাহ তাকে সুখি করুন”
আসল কথা বলতে গিয়ে অনেক প্যাঁচাল হয়ে গেলো । একটা কন্ঠস্বর আমার পূর্ব পরিচিত কেউ না, তাকে চিনি না, জানি না কিন্তু ছায়ার মতো বন্ধুত্বের আবেশে মনোবল বৃদ্ধি করে । সেই হচ্ছে আমার ভয়েস ফ্রেন্ড ।

অনেকেই ফোন করে যাদের চিনি না, জানি না বা জানার আগ্রহ বোধ করি না, তেমনি একজন আছেন যার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ আমার ফোনালাপ । কিন্তু আমি কখনও তার সম্পর্কে কোন প্রশ্ন কনি নাই । তিনিও কখনও কিছু জানান নি । প্রতিটি ঘন্টায় সে আমার খোঁজ নিতেন এবং তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠার বিভিন্ন টিপস দিতেন । আমার ঘাড়ের রগ একটু ত্যাড়া আছে, আমি কখনও কারও কথা শুনি না নিজের মতো চলি । এটা সে বুঝতে পেরে তার খোঁজ নেওয়ার মাত্রা বেড়ে গেলো । খাচ্ছি কিনা আপনজনদের মতো খোঁজ নিতেন । প্রতিদিন ৩/৪ বার করে মামনি-বাবার সাথে কথা হয় কিন্তু তাদের বুঝতে দিতাম না যে আমি অসুস্থ । আমার এই ভয়েস ফ্রেন্ড এর সহানুভূতি, মহানুভবতা বা বন্ধুতা যাই হোক না কেন আমার মনে কৃতজ্ঞতার আঁচর কাটে ।

নীচতলার ওরা না থাকলে হয়তো কিছু একটা হয়ে যেতো । আর ভয়েস ফেন্ড না থাকলে এত দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতাম না । সারা দিন আমি কিভাবে কাটাই সব খোঁজ নেন । আমি একটু বদরাগি, এটা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন । তাই প্রতিবার ফোনে জিজ্ঞেস করতেন আজ কার কার সাথে রাগ করে কথা বললাম । আমি তারে কাছে স্বীকার করতাম । রাগের বশত কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করলে তিনি আমাকে শুধরে দেন । আমি কখনও কাউকে সরি বলতাম না । তিনি আমাকে সরি বলার প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছেন । আবার এও বলতেন যে সরি যদি না বলতে চাই তবে সরি বলার মতো কোন কাজ যেন না করি ।

আমার অনেক বন্ধু আছে । সবাই খুব ভাল । অনেকে আছেন আমাকে বন্ধু মনে করেন কিন্তু তাদের স্বার্থপরতা লক্ষণ থাকে বলে আমি তাদের বন্ধু মনে করি না । আমি ছোটবেলা থেকেই আমার সব বন্ধুদের পড়াশোনা বা অন্য কোন ব্যাপারে সহয়োগী ছিলাম । কিন্তু আমি কখনও কার সাহায্য নিতাম না, পাছে দুর্বলতা ভাবে এই ভয়ে । এটা আমার একটা অহমিকা । প্রথম প্রথম আমি তার সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করতাম । কিন্তু আমার এই ভয়েস বন্ধুটি আমার ভিতর সুপ্ত গভীর মনুষত্বের বিকাশ ঘটিয়েছেন । আমি এখন বুঝতে পেরে তার প্রতি কৃতজ্ঞ ।

“আল্লাহ তাকে সুখি করুন”

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28876638 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28876638 2008-12-01 09:55:19
কেউ কি এই তথ্যটি দিবেন ?
ফরিদপুর - ২ আসন এ
বি এন পি থেকে কে নমিনেশন পেয়েছেন ?
আওয়ামীলীগ থেকে কে নমিনেশন পেয়েছেন ?


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28876155 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28876155 2008-11-30 09:48:27
"শেষ দেখা"
হঠাৎ । এমন সময় মোবাইলে রিং বেজে উঠল । ধীরে ধীরে ঘরে ঢুকলো সে । মোবাইল হাতে নিয়ে দেখল অপরিচিত নাম্বার । ভাবছে রিসিভ করবে কি করবে না । অবশেষে রিসিভ করল । খুবই পরিচিত একটা কন্ঠস্বর শুনতে পেল সে । একসময় যে কন্ঠস্বর শুনে রাত্রী নিজেকে সবচেয়ে সুখী মনে করত ।

----- হ্যালো, তুমি কেমন আছ ? তুমি কি সুস্থ আছ ।
রাত্রী - হুমম, আমি সুস্থ, খুব সুস্থ ।
----- কেন মিথ্যে বলছ ? আমার মনে হচ্ছে তুমি সুস্থ নেই ।
রাত্রী – না আমি সুস্থ আছি ।
----- ইচ্ছে করে তোমার সাথে কথা বলি । একটু খানি তোমার কন্ঠে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে । তুমি বলেছিলে আমি তোমাকে ফোন দিলে তুমি অসুস্থ হয়ে যাও । তাই শত ইচ্ছে থাকা স্বত্বেও তোমাকে আমি ফোন দেই না । তোমাকে আমি সুস্থ দেখতে চাই । আমার ফোনে তুমি বিরক্ত হও, তাই তোমাকে বিরক্ত করি না । তোমার কন্ঠস্বর আমার কাছে আজও মনে হয় মায়াবী ঝর্নাধারা, তোমার হাসির শব্দ আমি আজও শুনতে পাই । আজও মনে হয় আমি আলোকিত জ্যোৎস্নায় স্নান করছি ।
(রাত্রী আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে থাকে । আর চোখের জল ফেলে )
----- আজ আর তোমাকে ফোন না করে পারলাম না । কেন জানি মনে হচ্ছে তোমার সাথে আজ আমাকে কথা বলতেই হবে । নয়তো আর জন্ম জন্মান্তরে কথা বলা হবে না ।
(রাত্রী কিছুই বলে না । নীরবে কাঁদে )
----- দীর্ঘ তিনটি বছর আমি তোমার তথা না শুনে বধির হয়ে আছি । তোমাকে না দেখে আমি অন্ধ হয়ে আছি । একটু কি আমি দেখা করতে পারি তোমার সাথে ? দূর থেকে দেখে আসব কোন বিরক্ত করব না । তুমি একটু অনুমতি দাও ।
(রাত্রীর কন্ঠস্বর রুদ্ধ হয়ে আসে । কিছু বলতে পারে না । শুধু কাদেঁ ।)
----- আমাকে ক্ষমা করে দাও রাত্রী । ক্ষমা করো । আমি আর পারছি না । পৃথিবীর সব কিছুর বিনিময়ে আমি তোমাকে একটু দেখতে চাই । একটু । একটু । একটু ।
(রাত্রী কান্না জড়ানো কন্ঠস্বর শুনতে পায় )
রাত্রী – ঠিক আছে । কাল সকাল ৮.০০ টায় চলে এসো । আমি আগের ঠিকানায় আছি ।

বলেই লাইন কেটে দিল রাত্রী এবং মোবাইল বন্ধ করে দিল । সে আজ শুধুই আকাশ দেখবে । আকাশের তারার সাথে কথা বলবে । চাঁদের সাথে হাসবে । বিশাল আকাশে ডানা মেলে উড়বে আর গান গাইবে । হঠাৎ মাথাটা কেমন যেন করছে । প্রচন্ড ব্যাথায় অন্ধকার দেখছে । দু’হাত দিয়ে মাথা চেপে ধরেছে ।


(২)
মিহির প্রতীক্ষায় আছে -কখন সকাল হবে ? বার বার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে । ঘড়ির কাটা আজ যেন নড়ছে না । ভাবছে সে আজ নীল শার্ট পড়বে । তার প্রিয়তমার সাথে দেখা করতে যাবে । কিন্তু ভোর হচ্ছে না কেন ? প্রকৃতি কেন আজ তার সাথে এমন করছে । তবে কি প্রকৃতি তার সাথে হিংসে করছে । করুক হিংসে । আজ কোন কিছুই তার পথ রোধ করতে পারবে না । খুব টাটকা ফুল কিনবে । তাই সে ভোর হতে না হতেই রওয়ানা হয়ে গেল ।

শাহবাগ থেকে ফুল কিনে সে একটা ট্যাক্সি নিল । ভাবছে - এত সময় লাগছে কেন ? ঠিক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে তো । এইতো সেই একই রাস্তা । না ঠিক আছে ।
৬.৩০ দিকেই সে পৌছে গেল । সিড়ি দিয়ে উঠছে আর ভাবছে । রাত্রী হয়তো ওর অপেক্ষায় আছে । কতদিন দেখেনি সে রাত্রীকে । একটা ভুল রাত্রীকে তার জীবন থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে । আজ সে রাত্রীর কাছে নিজের জীবন সপে দিবে । আজ তাকে ক্ষমা করতেই হবে । রাত্রী খুব ভাল মেয়ে, সে আজ তাকে ক্ষমা করে দিবে । তারপর সে রাত্রীকে নিয়ে তার স্বপ্ন পূরণ করবে । ধীরে ধীরে ৪র্থ তলায় উঠে এলো । কলিংবেল বাজালো । আলতো করে দরজা ধাক্কা দিতেই খুলে গেলো । ভিতরে তাকিয়ে থমকে গেল । মানুষ ভর্তি বাসাতে । কান্নার গোমট বাতাসে ছেয়ে গেছে পুরো ঘর ।
একজনকে জিজ্ঞেস করল “কি হয়েছে ?
সে জানালো “ রাত্রীকে বেলকনিতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে । ফুলের টবে মাথা পড়ে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে । দীর্ঘ দিন যাবৎ রাত্রী অসুস্থ ছিল । কিন্তু রাত্রী কোন চিকিৎসা করতে দেয় নি । নিজেকে তিলে তিলে এভাবে মেয়েটি শেষ করে দিল । ‍”
মিহির স্থবির হয়ে গেলো । পৃথিবীর কোন শব্দই তার শ্রবন শক্তি স্পর্ষ করছে না । তার হাত থেকে ফুল পড়ে গেলো । বিড়বিড় করে বলছে “ এত অভিমান তোমার রাত্রী ! আগে চলে এসেছি বলে তুমি আমাকে এত বড় শাস্তি দিলে । শেষ বারের মতো একটু দেখা করলে না ।‌” মিহির যেন অন্য জগতের মানুষ হয়ে গেছে । সে বিড়বিড় করে আপন মনে কথা বলছে । কাঁদছে আবার হাসছে । মাথা চুলকাচ্ছে । অচেনা দৃষ্টিতে চারপাশে তাকাচ্ছে । ধীরে ধীরে আপন মনে বাইরে বের হয়ে গেলো ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28874827 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28874827 2008-11-27 11:26:05
নতুন লজ্জায় লজ্জিত হইলাম <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_39.gif" width="23" height="22" alt=":`" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_39.gif" width="23" height="22" alt=":`" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_39.gif" width="23" height="22" alt=":`" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> । ভাগ্য হয়তো খুব ভাল । কেননা আজ সব অংক মিলে যাচ্ছে । একের পর এক করেই যাচ্ছি ।

একটু রেস্ট নেওয়া দরকার । এফ এম রেডিও টিউন করলাম । গান শুনছি । রান্না ঘরে গিয়ে চা করে, চা নিয়ে বারান্দায় গেলাম । চা শেষ করে আবার বসলাম টেবিলে । ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ২.৪৫ বাজে । নতুন অংক শুরু করলাম । শেষ করলাম । কিন্তু মিলল না । আবার ট্রাই করলাম । তবুও মিলল না । চা করে আনলাম । চা খেলে হয়তো মস্তিষ্কে উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে । কিন্তু কিছুই ঘটল না । একসময় আজান শুনতে পেলাম । নিজের ব্যর্থতা বইয়ের উপর ঝাড়লাম । বইয়ের পাতায় দাগাদাগি করলাম । বই খোলা রেখেই উঠে বারান্দায় চলে গেলাম ।

অযু করে নামাজ পড়লাম । আবার চা করে বারান্দায় বসলাম । প্রচন্ড রাগ হচ্ছিল । কারন এই ধাচের অংক বি.কম, এম কম এ করেছি । এখন নতুন কিছু যোগ হয়েছে মাত্র । রুবেল উঠে এল ।
- ছোট আপু তোমার কি হয়েছে ?
- কথা বলিস না । মাথার ভিতরে ২০০০ ওয়াটের বাল্ব জ্বলছে <img src=(" style="border:0;" /> । অংক মিলছে না ।
- তা তো বুঝতেই পারছি বইয়ের চেহারা দেখে ।
- আমি কি একটু ট্রাই করব ?
- যাহ ফুট !!! হাতি ঘোড়া গেল তল, মশা বলে কত জল ? ( আমার ভাই বোনদের তুলনায় আমি একটু ছাত্রী ভাল বলে আমি ওদের পাত্তা দেই না । তারপরেও আমার অনুমতি ছাড়াই ও গেল অংক মিলাতে । )
আমি বসে বসে গুন গুন করছি ।

- আপু দেখে যাও তো । তোমর অংক মিলে গেছে । (৬৪ টা দাঁত বের করে হাসি মেরে আমার দিকে তাকিয়ে আছে <img src=" style="border:0;" /> । আমি তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকাইলাম <img src=" style="border:0;" /> । এবং উঠে গিয়ে দেখে টাস্কা খাইয়া তাকাই রইলাম ।)
- কি <img src=" style="border:0;" /> ? হাতি ঘোড়াদের মাঝে মাঝে মশাকেও পাত্তা দিতে হয় । আমার ইনাম দাও ।(বেগ থেকে চুইংগাম বের করে দিলাম )
( আমি নতুন লজ্জায় লজ্জিত হইলাম :`> । আর কখনো নিজেরে হাতি ঘোড়া মনে করব না <img src=" style="border:0;" /> )
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28863885 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28863885 2008-11-03 09:49:16
<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> কষ্ট কাকে বলে ?
কষ্ট হল মনের আগুন,
বুকের মধ্যে জ্বলে ।"



(এটা "আজ রবিবার" নাটকের একটা ডায়লগ । আমার খুব পছন্দ । অনেক আগে নাটকটা দেখেছিলাম । কাহিনী মনে নাই । কিন্তু এই টুকরা কবিতাটা আজও মনে পড়ে । যখন খুব মন খারাপ থাকে, এটা মনের মধ্যে বার বার ঘুরে ।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28863393 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28863393 2008-11-02 12:11:20
কতটা র্নিলজ্জের মত বক্তব্য দেয় ? বি এন পির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে কারচুপির নির্বাচন বলে দাবি করেছেন ।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে
১. ১৯৭০ সালে বি এন পির অবস্থান কোথায় ছিল ?
২. যেই দল বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) এর মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে, পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ নিয়ে রাজাকার, আল বদর, আল-শামস, শান্তি কমিটি প্রভৃতি গঠন করে গণহত্যা চালায়, তাদের মুখে এত বড় বড় কথা আসে কি করে ?
৩. এই র্নিলজ্জ মুজাহিদ কে বাংলাদেশের সকল লজ্জা দিয়ে ঠেকে দিলেও কি এর লজ্জা হবে ?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28862898 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28862898 2008-11-01 09:58:42
"নারী বন্দনা । "
আমাদের পুরুষ বন্ধুরা যখন নারীদের নিয়ে কিছু ছবি, প্রোফাইল, ধাঁধা, কৌতুক ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ করে যার কিছু থাকে বন্দনা, কিছু থাকে ভর্তসনা । তখন আমরা নারীরা হাসি । বন্দনার সময় লাজুক হাসি দেই আর ভর্তসনা সময় বাকাঁ হাসি দেই ।

যখন বন্দনা করে তখন ভাবী “ ‍‍আহাহা তোমরা নারীদের অন্তর দেখেছো, দেখেছো ভালো মন্দ মিশ্রিত মানসিকতা । মন্দটুকু বর্জন করে ভালটা রেখেছো মনে । ধন্য হবে তোমার সহধর্মিনী, যাকে তুমি করবে গ্রহণ ।‍‍‍‍”

যখন গঞ্জনা করে তখন ভাবী “ আহাহা তোমরা নারীদের অন্তর দেখেছো, দেখেছো ভালো মন্দ মিশ্রিত মানসিকতা । ভালোটুকু বর্জন করে মন্দটা রেখেছো মনে । কতটুকু ধন্য হবে তোমার সহধর্মিনী, যাকে তুমি করবে গ্রহণ ? ‍‍‍‍”

তবে এটা ঠিক যে আল্লাহ নারীদের একটা এমন গুণ দিয়েছেন যা দিয়ে সে তার পৃথিবী জয় করতে পারে যদি সে তা চায় ।

দু’খিত হচ্ছি সেই সব পুরুষদের কথা ভেবে যারা নারীদের কাছে নিজেদের ব্যক্তিত্ব সপে দেন । যেসব নারীদের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ব সপে দেন তাদের অবর্তমানে নারীদের নিয়ে হাস্যরসাত্বক কৌতুক, ধাধাঁ আরও কত কি সৃষ্টিতে ব্যস্ত । তাদেরকে আমি ভেড়া মনে করি । তারা নিজেদের ভেড়া হিসেবে জনগনের কাছে উপস্থাপন করেন । আমার মনে হয় তাদের জিনেটিক প্রবলেম আছে । যার কারনে আশেপাশের পরিবেশ তাদেরকে ভেড়াতে কর্নভার্ট করে দেয় । (ভেড়া জাতি লজ্জ্বা বোধ করবে )

এমন কোন কি টেস্ট আছে যা বিয়ের আগে টেস্ট করে নিলে বুঝা যাবে যে সে ভেড়া হবে কি হবে না । থাকলে আমাদের সমাজ ও পরিবারের জন্য খুবই উপকার হত । যেসব মেয়েদের মাথায় কম বুদ্ধি তাদের সাথে এই সব পুরুষদের(যারা ভেড়া হবে) বিবাহ হওয়ার প্রস্তাব করতাম ।

আর বুদ্ধিমতি মেয়েদের বলতাম ওদের বিয়ে করো না । আর যদি করতেই চাও তবে নিজেদের যোগ্যতায় পরিবেশ ঠিক রাখ যেন ওই মানুষগুলি ভেড়াতে কর্নভার্ট না হয় । এতে ওইসব পুরুষদের পরিবার শান্তি পাবে ।

আহাহা পুরুষ মানুষ !!!!!!!!!!!!!!!!!!!




(প্রতিটি মেয়েই চায় সুপুরুষ বিয়ে করতে কাপুরুষ নয় )
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28861490 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28861490 2008-10-29 11:36:13
"নতুন প্রজেক্ট হাতে নিমু, রিক্সায়ালা আপা হমু, তিন চাক্কার আবৃত্তি করমু" <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
রাস্তায় রুবেল প্রস্তাব করল " আপু চলো একটা কাজ করি । "
- কি কাজ ?
- তুমি অফিস থেকে ৪ মাসের ছুটি নাও ।
- তারপর
- তুমিতো ভাল আবৃত্তি করতে পার ।
- তো ?
- তুমি রিক্সা চালাইবা আর কবিতা আবৃত্তি করবা । আমি দেখি তোমার জন্য তিন চাক্কার আবৃত্তির ব্যবস্থার করতে পারি কিনা ।
( রিক্সা ওয়ালা সহাস্যবদনে আমাদের দিকে তাকিয়ে একঝলক হেসে নিল )
আবার রুবেলের দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকালাম । ওর হাসি দেখে আমিও হেসে দিলাম ।
- দেখো আপু অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবে ।
- ঠিকই বলেছিস । সবাই আমাকে রিক্সাওয়ালা আপা ডাকবে ।
- হ্যা আপু আজই অফিসে ছুটি চাও ।
- হুমম
" নতুন প্রজেক্ট হাতে নিমু, রিক্সাওয়ালা আপা হইমু, তিন চাক্কার আবৃত্তি করমু"







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28859898 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28859898 2008-10-26 10:13:12
অপেক্ষায় আছি ভাগ্য রিক্সাকে বিতাড়িত করে কি এনে দেয় ?
কয়েকদিন যাবৎ কিছু ঘটনা ঘটছে । আরো কয়েকজনের কাছে এই ব্যাপারগুলো শেয়ার করেছি । তারাও এই ধরনের ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন । বুঝলাম না কাহিনী কি?

১. শনিবার (১৮ অক্টোবর ২০০৮) :

রিক্সা ভাড়া করেছি ফার্মের সামনে থেকেই । ৫ মিনিট যাওয়ার পড়ে রিক্সাওয়ালা বলে "আপা নামেন যামুনা" ।
-কেন যাবেন না ?
-এমনি যামু না । নামেন ।
(মেজাজ বিগড়ে গেল, ইচ্ছে করল কষে এক চড় মারি <img src=" style="border:0;" /> । কিন্তু বয়স্ক দেখে কিছু বললাম না ।<img src=" style="border:0;" /> )
-তাহলে আপনি রিক্সা ডেকে দেন ।
- পারুম না আপনেগো রিক্সা আপনেরা ডাইক্যা লন ।
-আপনি রিক্সা ঠিক করে না দিলে আমরাও নামব না । এই আমরা শক্ত করে বসলাম । দেখি কি করে নামান ।
(এভাবে প্রায় ১০ মিনিট বসে থাকার পর রিক্সাওয়ালা রিক্সা ডেকে দিল আমরা রিক্সা চেঞ্জ করে চলে আসলাম )

২. রবিবার (১৯ অক্টোবর ২০০৮) : লিমু ওর মা কে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেছে । আমাকে একা যেতে হবে । একটা রিক্সা ঠিক করলাম । রিক্সাওয়ালাও বলল যাবে । আমি উঠতে যাব রিক্সায় এমন সময় রিকাসাওয়ালা বলল
- আপা অতদূর যামু না ।
মেজাজ বিগড়ে গেলো <img src=" style="border:0;" /> । গোল্লায় গলদ । যাহ আজ যাবই না ফার্মে । অফিসে ফিরে এলাম ।
অফিস শেষে বাসায় যাব । রিক্সা নিলাম । ভাড়া বলল ২৫ টাকা । রাজি হয়ে উঠলাম । গন্তব্যে পৌছে ভাড়া দিলাম । রিক্সাওয়ালা বলে
-আর দশ টাকা কই ।
- আর দশ টাকা মানে ? বনশ্রী থেকে মধুবাগের ভাড়া তো ২৫ টাকা ।
- আপা আমি ৩৫ টাকা কইছি । আর আপনেও এই ভাড়াতেই আইছেন ।
অনিচ্ছাস্বত্বেও আরও ১০ টাকা দিয়ে বাসায় উঠে এলাম ।
এসে আয়নার সামনে নিজেকে দেখলাম আর ভাবছি আগের মতই তো আছি ভয়ংকর তো লাগছে না । তবে কেন এমন হচ্ছে ?


৩. সোমবার (২০ অক্টোবর ২০০৮) :

একটু হেটে এসে মেইন রোডে এসে রিক্সা ঠিক করলাম । এবং উঠলাম । তো রিক্সা শান্তি মত শান্তিনগড় মোড়ে এসেই অশান্তি শুরু করল ।
- আপা নামেন আর যামু না ।
- কেন যাবেন না ?
- রিক্সা আগাইতাছে না । আর যামু না । (অথচ রাস্তায় কোন সমস্যা আমাদের চোখে পরে নি ।)
- আমরা তো কোন সমস্যা দেখলাম না । আপনি তো ঠিক মতোই চালাচ্ছিলেন ।
- আমার যাইতে ভাললাগতাছে না । আমি আর যামু না । আমার ভাড়া দিয়া দেন । আপনেরা অন্য রিক্সায় উঠেন ।
-তাহলে আপনি রিক্সা ডেকে দেন আমরা চলে যাই ।
-আপনেগডা আপনেরা ডাইক্কা লইতে পারেন না । আমি না আইলে তো আপনেগর ঘন্টার পড় ঘন্টা দাড়াইয়া থাকতে হইত ।
(আমার মেজাজ ২০০০ ওয়াটের বাল্ব এর মতো জ্বলে ওঠলো । )
- মিয়া ফাইজলামো পাইসো । তোমার রিক্সায় যাব তুমি আগে বাড়ো ।
(আমাদের কথা শুনে এক ট্রাফিক পুলিশ এগিয়ে আসল )
- কি হয়েছে ম্যাডাম ?
- আরে দেখেন এই লোককে আমরা ফকিরাপুল থেকে ভাড়া করে নিয়ে এসেছি । সে বলেছে এখন সে যাবে না । আর আমাদের রিক্সাও ডেকে দিবে না । আর বাজে কথা বলছে ।
(ট্রাফিক পুলিশ রিকাসওয়ালাকে বলল
- কিরে যাবি না কেন? তুই তাদের সাথে চুক্তি করে এসেছিস । তাহলে যাবি না কেন ?
- আমার মন চায় না আমি যামু না ।
ট্রাফিক পুলিশ আমাদের বলল
- আপনারা ন্যায্য ভাড়া দিয়ে চলে যান আমি দেখছি ।
( আমি ১৫ টাকা দিয়ে চলে এলাম ।)


৪. মঙ্গল বার ( ২১ শে অক্টোবর ২০০৮) :

ফার্ম থেকে বের হয়ে রাস্তায় নামলাম । লিমু কে বললাম “ আজ তুমি রিক্সা ঠিক করো । আমি হয়তো দেখতে ভয়ংকর হয়ে গেছি । তাই হয়তো এমন ঘটছে । /<img src=" style="border:0;" />
লিমু রিক্সা ঠিক করল । উঠে পড়লাম । যথারীতি ওকে মালিবাগ নামিয়ে দিয়ে আমি বনশ্রী এলাম । ভাড়া ১০০ টাকার নোট দিলাম এবং খুচরো করে দিতে বললাম । সে আমাকে ফেরত দিল ৪০ টাকা ।
-কি ব্যাপার ভাড়া কত ?
- ৬০ টাকা ।
- ( আমার তো মাথায় হাত ) কি?
- হ ওই আপার সাথে এই ভাড়ার কথা হইছে ।
কি আর করার দিয়ে চলে এলাম ।

অফিসে এসে লিমু কে ফোন দিলাম ।
লিমু জানাল ভাড়া ও করেছিল ৫০ টাকা । আর হাসল আমাদের অবস্থা চিন্তা করে । আর বলল ‍‍“আপু চিন্তা করো না । আমাদের রিক্সার ভাগ্য আল্লাহ ফিরিয়ে দিচ্ছে । ভাগ্য গিয়ে পড়বে প্রাইভেট কার নয়তো পায়ে হাটা। <img src=" style="border:0;" /> ” অপেক্ষায় আছি ভাগ্য রিক্সাকে বিতাড়িত করে কি এনে দেয় ? বনশ্রী থেকে ফকিরাপুল হেটে যাওয়া ভাবতেই গলা শুকিয়ে যাচ্ছে । <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28858041 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28858041 2008-10-22 10:43:30
সমুদ্র মানুষকে টানে কিন্তু মানুষ মানুষকে কাছে টানে না কেন ?
অনেকেই বলে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকলে মন ভাল হয়ে যায় । আসলেই কি কথাটি সত্যি ? আমি এর ১০০% সমর্থন করি ।

আদি প্রান সৃষ্টি হয়েছিল পানিতে । এবং তা সমুদ্রের পানিতে । যে কারনে আমাদের শরীরের পুরোটাই আসলে পানি । রক্তের ঘনত্ব ও সমুদ্রের পানির ঘনত্বও এক । সমুদ্রের পানিতে যে অনুপাতে Nacl ও kcl থাকে, মানুষের রক্তেও ঠিক সেই অনুপাতে Nacl ও kcl আছে । (<img src=" style="border:0;" /> অনুপাতটা জানি না ) এই কারনেই মানুষ সব সময় সমুদ্রের পানিতে নামতে চায় ।

এখন আমার প্রশ্ন এক মানুষের রক্তের সাথে আরেক মানুষের রক্তের মধ্যে কি এই মিলটুকু নাই ? তবে কেন মানুষে মনুষে এত দূরত্ব ?










মাঝে মাঝে যেমন সমুদ্র অতি কাছে টেনে নিয়ে মানুষ কে গ্রাস করে তেমনি মানুষও অতি আপন যাকে মনে করে তাকেই হয়তো খুন করে । আহা হা কি অপূর্ব মিল ! <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28856833 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28856833 2008-10-19 14:10:03
আমার অফিসের কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
রাত ৯.৪৬ । তারাবীহ পড়ার পরেই বিছানা ডাকে "আয় খুকু আয় ............" । এই সময় হঠাৎ বসের ফোন । <img src=" style="border:0;" /> উফফফফ !

কি আর করার ভদ্রভাবে সালাম দিয়ে ফোন রিসিভ করা <img src=" style="border:0;" /> ।
-আপনার পিসির পাসওয়ার্ড কত ?
-(এই সেড়েছে ! পিসি অন করলেই তো অটোমেটিক মেসেন্জার সাইন ইন হয়ে যাবে । ) কেন স্যার ?
-আপনার পিসিতে আমি একটু কাজ করব । কিছু ফাইল দেখব । পিসির পসিওয়ার্ড বলেন আর ............ফাইলগুলোর ডেস্টিনেশন বলেন ।
-গাধা স্যার ! ই ড্রাইভ ।
- কি ? কি বলছেন আপনি?
-GADHA স্যার । ইংলিশ ক্যাপিটাল লেটার এ "জি এ ডি এইচ এ" কি বোর্ড দিয়ে চাপেন স্যার ।
- ও আচ্ছা । আপনার মাথায় কি গন্ডগোল আছে ? দুনিয়াতে আর কোথাও, আর কোন পাসওয়ার্ড খুজেঁ পান নি । ওকে পরে আবার ফোন দিচ্ছি ।
-( মনে মনে বলি জ্বি স্যার মারাত্মক ভাল রকমের গন্ডগোল আছে <img src=" style="border:0;" /> )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28845625 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28845625 2008-09-20 11:20:58
একেই বলে মিস্রির ছুড়ি
তো তাদের কথা বলার অনেক বিষয় শেষে আসল ডিরেক্টরের বিয়ের ব্যাপারে । তার এক বন্ধু বলছে " তুমি আমাকে বলেছিলে তোমার অফিসের এক মেয়েকে তুমি খুব পছন্দ কর । তো তার ফ্যামিলিতে বিয়ের প্রস্তাব আমরা পাঠাই । বয়স তো আর কম হল না । আর কত কাল এভাবে থাকবে । " অফিসের প্রতিটা মানুষ কাজকর্ম ফেলে দিয়ে তাদের কথা শুনছে ।

একজন মহিলা কর্মকর্তা খেয়াল করলেন ডিরেক্টরের রুমের দরজা খোলা সে পিওন কে বকা লাগালেন । তাদের রুমের দরজা বন্ধ করে দিতে বললেন । ঘন্টা খানিক পর ডিরেক্টরের রুম থেকে তার সব বন্ধুরা বের হয়ে চলে গেলেন ।

ডিরেক্টর অফিসের প্রত্যেকের মুখ দেখে বুঝতে পারলেন যে তাদের কথা বাইরে শোনা গেছে । তো সে মেয়েটির টেবিলে গিয়ে লাজুক লাজুক ভাব নিয়ে বলল " সরি আপনি কিছু মনে করবেন না । আমার বন্ধুরা একটু বেপোরোয়া । ওদের মুখে কোন ব্যালেন্স নাই । "

মেয়েটি রাজ্য জয় করা একটি মিষ্টি হাসি দিল যা দেখে ডিরেক্টরের মন উড়ু উড়ু করতে লাগল । মেয়েটি বলল "স্যার আমি কিছুই মনে করি নি কেননা আমাদের অফিসে আমি একা মেয়ে না । আমাদের কাজের বুয়াও মেয়ে । "
ডিরেক্টর কিঞ্চিৎ চুপসে গেলেন এবং বললেন "সত্যি কিছু মনে করেননি তো । "]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28842928 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28842928 2008-09-14 10:33:09
"একটা কুইজ"
এটি একটি প্রতিশোধনীতি মূলক উক্তি । বলুন তো এই উক্তিটি কার ?
( আমাদের সাধারন জনগণের কি আর করার আছে ? তাই এইসব উক্তি নিয়া কুইজ কুইজ খেলি <img src=" style="border:0;" /> )


























আছে আমাদেরই অনেক কিছু করার আছে । কারণ আমরা সাধারণ জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস । সুযোগ চলে এসেছে আমাদের ক্ষমতাকে কাজে লাগাবার । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28840234 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28840234 2008-09-08 09:47:03
আমার প্রথম চাকরী ! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
তার আগে বলে নেই অন্য ঠিকানার কিছু চিঠি পিয়ন সবসময় আমাদের বারান্দায় ফেলে রেখে যেতো । তাই একদিন মিটিং হল । বান্ধবীরা মিলে আমাকে বলল " আমাদের তুলনায় তুই ভাল ভাবে সান্টিং দিতে পারবি । পিয়ন বেটাকে ইচ্ছামত সান্টিং দিবে । তাই এই সপ্তাহ তুই বাসায় থাকবি । সারাদিন বারান্দায় বসে থাকবি । যখন পিয়নের বাচ্চা আসবে তাকে ইচ্ছেমত বকে দিবি । " কি আর করার মেজরিটি পারসেন্টের মতামত মেনে নিতে হল । সপ্তাহ আমার হুদাই গেলো পিয়ন বেটা ও আর আসল না । মাঝখান থেকে ঘোরাঘোরি মিস করলাম ।

যেদিন স্কুলে ইন্টারভিউ দিতে যাব চিঠিগুলো নিয়ে বের হলাম । ওগুলো সঠিক গন্তব্যে পৌছে দেওয়ার জন্য । সকাল ১০.০০ টায় বের হয়েছি । ঠিকানা খুজেঁ বের করতে করতে ৩.০০ টা বেজে গেলো । পুরানঢাকার ঐতিহাসিক গলি । শেষমেস পেলাম । বান্ধবীরা বলল পেয়ে গেলে ওরা কেউ কথা বলবে না যা বলার আমিই বলব । নিচতলা থেকে কলিংবেল চেপে খোজঁ নিচ্ছি ঐ নামধারী কে আছেন । চার তলায় গিয়ে পেলাম । কলিংবেল চাপতেই একজন ২৬/২৭ বছরে একজন লোক বের হয়ে আসল । পরে আমি চিঠিতে উল্লেখ নামটি বললাম । লোকটি বলল তিনিই সেই ব্যক্তি । মাথায় রাগ চেপে গেলো <img src=" style="border:0;" /> । অনেক কষ্টে রাগ প্রশমিত করে তার চিঠি দিয়ে বললাম "পিয়ন কে সতর্ক করে দিবেন যেন আপনার চিঠি অন্য ঠিকানায় না যায় " । লোকটি আমার কথা গুলো হা করে গিলল । সে অবাক । আমরা ফিরে আসলাম ।

বাসায় এসে দেখি আবার সেই ঠিকানার চিঠি । কয়েকদিন পর একই চাকরী । লোকটি সেইদিন চা খাওয়ার জন্য বসতে বলছিল । কিন্তু আমার মাথায় আগুন । কোন কথা না বলে ফিরে আসলাম ।

কয়েকদিন পর আবার সেই কাহিনী । এবার জ্বলন্ত বারুদ হয়ে গেলাম সেই ঠিকানায় । চিঠি তার হাতে না দিয়ে জানতে চাইলাম সে কেন পিয়নকে বলে নি । সে জানাল খারাপ কি, আমরা যদি চিঠিটা দিয়ে আসি সে তো একটু আমাদের দর্শন পেলো । আমি জানালাম " আমরা ভেবেছিলাম চিঠিতে কোন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ থাকতে পারে তাই চিঠিগুলো প্রাপকের পাওয়া উচিৎ । কিন্ত এখন ভাবছি, ফের যদি আমাদের ঠিকানায় চিঠি যায় আমি চিঠি এভাবে ছিড়ে ডাস্টবিনে ফেলব ।(হাতের চিঠিটি ছিড়ে দেখালাম ) "

পরীক্ষা শেষে একমাস মাসুদ রানা পড়ে আর পোস্টম্যানের চাকরী করে কাটালাম । আপুদের কাছে যখন গল্প করেছি আপুরা হাসির বণ্যাতে ভাসলো আর বলল "তোর জীবনের প্রথম চাকরী"। আমার দুঃখ দেখে কে ? <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28839854 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28839854 2008-09-07 10:50:18
আজ নিজের অজান্তেই অল টাইম বসকে ল্যাং মারলাম । <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

একটু খারাপ লাগছিল যে লোকটার অন্যায় বেশি ছিল না । তাই সরি বললাম । আর একটা উপদেশ দিলাম কখনো পিছন দিয়ে যাবেন না, সামনে দিয়ে চলাচল করবেন । (সুযোগ একটা পাইলাম আরকি উপদেশ দেওয়ার <img src=" style="border:0;" /> )

এমনি করে বাংলাদেশের সব খারাপ মানুষগুলোকে ল্যাং মেরে ভূপাতিত করতে পারতাম । বাংলাদেশকে সোনার বাংলাদেশে পরিণত করতে পারতাম । <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28838139 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28838139 2008-09-03 09:57:38
বাংলাদেশে এত মানুষ মরে আর ফকরি মরে না । হালায় জ্বালাইয়া মারতাছে । জিনিসিপত্রের দাম বাড়াইতাছে দিনদিন , কারেন্ট দেয়...
বর্তমানে আমরা যে পরিস্থিতিতে আছি এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কি ? কে পারবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে ?

আমি শুধু ভাবি । কিন্তু কোন নিরসন খুজেঁ পাই না । কারও জন্য কিছু করতে পারি না । মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা এ কোন প্রকারের প্রতিবন্ধি ?

গ্যাসের সংকট, বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকট, পানির সংকট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি আরও আরও অনেক সংকটে আমরা জর্জরিত । সবচেয়ে বড় যেটা, সেটা হচ্ছে আমাদের নীতির সংকট

কবে এইসব সংকট নিরসন হবে ?

( আমি তো সংরক্ষিত পানি দিয়ে সকাল পর্যন্ত কাজ চালিয়েছি । বাসায় গিয়ে কি করব ভেবে পাচ্ছি না )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28837740 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28837740 2008-09-02 11:01:14
"অভ্যাস পরিবর্তন করা সত্যি খুব কষ্ট" অভ্যাস পরিবর্তন করতে গিয়ে খেসারত দিতে হয় <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
টাকা বাচাতে গিয়ে উপদেশ দেওয়া বন্ধ হবে এই চিন্তা করেই এই পদ্ধতি ।
কাল রাতেই আমার ৬০ টাকা খেসারত দিতে হয়েছে । আমি উপদেশ দিতে গিয়ে হ্যাট্রিক করেছি । <img src=" style="border:0;" />
সামনে আবার কত দিতে হবে এই চিন্তায় চিন্তিত । <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28837316 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28837316 2008-09-01 10:08:08
"কাকে ভোট দিব ?"
যখন যেই দল রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছেন তারা নিজেদের আর্থিক আখের গোছানোয় ব্যস্ত হয়ে আছেন । ভুলে যাচ্ছেন দেশের কথা দেশের জনগণের কথা । আর যিনি বিরোধী দলে থাকছেন তিনি আন্দোলন, হরতাল করে জন জীবন দূর্বিসহ করে তুলছেন । দোকান পাট ভাঙচুর করে দেশে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনছে । ক্ষোভ বিক্ষোভ করে গাড়ী ভাঙচুর করে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের মতো শত শত জাহাঙ্গীর কে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিয়ে তাদের পরিবার কে করছেন সর্বশান্ত ।

১৯৭১ সালে যারা প্রাণের বিনিময়ে সোনার বাংলাদেশ গড়ার পথ সুগম করেছিলেন তাদের অধিকাংশই আজ দৈন্যদশায় দিনযাপন করছেন । আর জাতীয় দুশমন, দেশের শত্রু, রাজাকার, আল বদর, আল শামস্ দের হাতে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত পতাকা । যারা দেশ স্বাধীন করার প্রধান দায়ীত্বে ছিলেন তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে । আজ ৩৩ বছর হতে চলল কিন্তু কোন সুষ্ঠু বিচার হল না ।

প্রতি বছর বাজেটের একটি বিরাট অংশ চিকিৎসাখাত উন্নয়নের জন্য ব্যয় হয় । তারপরেও কেন দেশের চিকিৎসার মান উন্নয়ন হয় না ? এবং এই মানের চিকিৎসার উপর বিগত বা চলমান রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের আস্থা নাই কেন ? আস্থাই যদি না থাকে তবে কেন এর পিছনে বাজেটের অংশ ব্যয় হয় ? আর অনাস্থার মধ্যে সাধারন জনগণকে ঠেলে দেয় । সামান্য বৃষ্টি হলেই রাজধানী সহ রড় রড় জেলা শহরগুলি তলিয়ে যাচ্ছে । রাস্তাঘাটের চরম র্দুদশা ।

বিগত বছর গুলিতে যারা দেশ মাত্রিকার ও সেই মাত্রিকার সন্তানদের দায়ীত্ব নিয়েছিলেন সেই সব রাজা, রানী, রাজপুত্রগণ কাঙালের গম, চাল, টিন চুরি করে তাদের হস্ত সমস্ত করেছিলেন । পরবর্তীতে যিনি সেই আসন গ্রহণ করবেন তিনি যে পূর্বসরীদের অনুসরণ করবেন না তার নিশ্চয়তা কতটুকু ?

কে হবেন আমাদের প্রতিনিধি ? কাকে আমরা ভোট দিয়ে আমাদের প্রতিনিধি বানাব ?
রামকে?
নাহ্ ! রাম দূর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, জাতীয় শত্রুদের পৃষ্ঠপোষক ।
সামকে ?
নাহ্ সেও দূর্নীতিবাজ ।
তাহলে যদু ?
ধুর ! ওতো মিথ্যাচারী, লম্পট, প্রতারক, স্বৈরাচারী বলে খ্যাত ।
অবশিষ্ট রইল তাহলে মধু । মধুকেই ভোট দাও ।
অসম্ভব ! মধু দেশের স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি হরতাল ডেকেছে ।
যে প্রার্থী বা তার সমর্থনকারী হরতাল করে দোকানপাট, গাড়ী ভাঙচুর করে দেশের অবক্ষয় ডেকে এনেছে, সে তো প্রতিনিধি হওয়ার অযোগ্য বলে আমি মনে করি । তার নিজের সমর্থনকারীদের যে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না সে দেশের জনগণকে কি করে নিয়ন্ত্রণ করে দেশ পরিচালনা করবে ?

তাহলে কে হবেন আমাদের প্রতিনিধি ? কে এই বাংলাদেশকে সোনার বাংলাদেশে পরিনত করার জন্য আমাদের পথ দেখাবেন ? কাকে ভোট দিয়ে আমাদের রাজ আসনে বসিয়ে তুলে দিব তার হাতে আমাদের রক্তার্জিত সবুজ পতাকা ? কাকে ? কাকে ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28836600 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28836600 2008-08-30 10:46:20
সমস্যা কোথায় বুঝতে পারছি না । দয়া করে সাহয্য করুন । http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28834828 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28834828 2008-08-25 17:06:51 "এবছরের জুলাই আর আগষ্ট- শরিয়তপুর এর মানুষদের প্রতি বিধাতা হয়তো একটু বেশীই ক্ষিপ্ত ?"
গত পরশু দিন খিলগাওঁ এর এক গার্মেন্টস কর্মী ছুরিকাঘাতে মারা গেলেন । একই দিনে শ্যামপুরে এক স্কুল বালকের গলিত লাশ উদ্ধার হল । এদের প্রত্যেকের গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর ।

বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের বিপদেই বুকটা কেদেঁ উঠে । কিন্তু যখন শরিয়তপুরের মানুষদের কিছু বিপদের কথা শুনি মনে হয় আমি হয়তো পঙ্গু হয়ে গেলাম । কোথাথেকে এক টান অনুভব করি । যে টানে হৃদয়টা ভেঙে চুরমার হয়ে যায় । আবার কারও সফলতায় নিজেকে সফল মনে হয় । বাংলাদেশের সবার জন্য হয় কিন্তু শরিয়তপুরের মানুষদের জন্য একটু বেশী হয় । (কিশোরগঞ্জ এর জন্যেও হয় কারন এটা আমার জন্মস্থান, ময়মনসিংহের জন্য হয় কারন আমার কৈশোর বেলা পুরোটাই ওখানে কাটিয়েছি । )

আমি কত নাম্বারে আছি আল্রাহই জানেন ।

আল্লাহ যদি সবাইকে এভাবেই নিবেন তবে মায়া মমতা কেন দিলেন । কেন কোন সংবাদ শুনে সবকিছু থমকে দাড়ায় ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28832714 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28832714 2008-08-20 11:42:36
"চোর নিঃস্ব করেছে আমায়, কি নিঠুর ছলনায় !" <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> শনি আমার চারপাশে ঘুরাফেরা করছে । " style="border:0;" /> আমারে ফতুর কইরা দিয়া গেল । <img src=(" style="border:0;" />

ভাইয়া বলে "যা গেছে গেছে তা নিয়া দুঃখ করতে নাই ।" কিন্তু আমার কস্ট কি আর কমে ? রাইতে ঘুমাইলেও মোবাইল স্বপ্ন দেখি । আমার দুঃখ কোথায় রাখি ?

কি আনন্দের সাথে বাড়ি যাচ্ছিলাম ? আর আনন্দ কোথায় গিয়া লুকাইল ? এখন সিম উঠাইলেও আমার হারিয়ে যাওয়া নাম্বারগুরো ফিরে পাব না । আমার বেশি কষ্ট নাম্বারগুরোর জন্য ।

আমি এই নিয়া গ্রামীন সীম ৬ বার হারাইরাম ৬ বার উঠাইলাম । ওই ব্যাটা আমার কাছে থাকতে চায় না । তাই ভাবছি এত পছন্দের নাম্বার টা তাবীজ বানাইয়া গলায় ঝুলাইয়া রাখব । <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28832092 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28832092 2008-08-18 09:32:56
"খুব মিস করব সা.ইন কে এবং ব্লগার বন্ধুদেরকেও"
আমার বাবা রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকবেন । আমি রিক্সা থেকে নামার পরেই আমার মাথায় হাত বুলিয়ে কপালে চুমু দিবেন । একহাতে আমার ট্রলি একহাতে আমার হাত ধরে বাড়িতে ঢুকবেন । এটা তার রুটিন । আমি হৈচৈ করে কথা বলা শুরু করলেই আমার মামনি দিবেন বকা "যা আগে গোছল সেড়ে খেয়ে নে, টেবিলে খাবার দেওয়া হয়েছে । পরে গল্প করিস ।" ঢাকায় এই গুলো খুব মনে পড়ে । বাবার হাতের মুখে তুলে দেওয়া খাবার কতদিন খাই নাই !

আমি খুব কম বাড়ি যাই । অফিস থেকে যে টুকু ছুটি বরাদ্দ তা পড়াশুনার কাজে লাগাই । শুধু ঈদ ও সবেবরাতে বাড়ি যাই । তাই মনে হয় এগুলো কেন বেশি বেশি আসে না ? আমার মতো অনেকেই এই ছুটি টা কাজে লাগাচ্ছেন । বাড়ি যাচ্ছেন । আপনাদের প্রত্যেকের মা-বাবা, ভাইবোনদের আমার সালাম জানাবেন । যারা যাচ্ছেন না কোথাও নিশ্চয়ই ফ্যামিলি নিয়ে এই ছুটিটা কাজে লাগাবেন । চলুন না ঘুড়ে আসি ঢাকার বাইরে থেকে ।

তবে সামহ্যোয়ার ইন ব্লগকে খুব মিস করব । সাথে এর ব্লগার বন্ধুদেরকেও ।

প্রত্যেকের আনন্দময় ছুটি কাটুক এই প্রত্যাশায় ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28830746 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28830746 2008-08-14 10:50:35

কাহিনী কি ? বাড়বে নাকি কমবে ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28829273 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28829273 2008-08-10 09:38:37
"এমন একজন ব্যক্তির নাম বলুন যখন আপনি খুব বিপদে পড়েন তখন তার মুখটি আপনার চোখে ভেসে উঠে ।"
আমি সহজে কিছু মা-বাবাকে জানাই না । ভাইয়াকে বলি কিন্তু আমার ভাইয়ার পেটে কথা খুব কম থাকে । তাই মাঝে মাঝে ওকেও এড়িয়ে যাই । আর বন্ধু-বান্ধব এর সাথে আমি নিজের কথা খুব কমই শেয়ার করি ।

তারপরেও এমন কিছু মুহুর্ত আসে যখন বন্ধুর সঙ্গতা বা বন্ধুত্ব জীবনে অনেক সহায়ক হয় যা সেই বন্ধুর অগোচরেই থেকে যায় ।

আমি কোন একসময় খুব নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম । প্রতিটা মূহুর্ত খুব আতঙ্কে কাটছিল । জাগ্রত অবস্থায় তো ছিলই । তা আবার স্বপ্নে ও হানা দিত । দীর্ঘ ৪ মাস আমার নিজেকে নিরাপদ রাখার আপ্রান চেষ্টা চালাতাম ।

ঠিক সেই মূহুর্তেই আমার জীবনে এক বন্ধুর আগমন ঘটল । বন্ধুটি জানেও না সে আমাকে তার বন্ধুতা দিয়ে বিরাট উপকার করেছে । আমি ঠিকমত খাচ্ছি কিনা প্রতি খাবার বেলায় সে খোঁজ নিত । অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেত । ভাল ভাল বই সংগ্রহ করে দিত পড়ার জন্য । ঠিকমত ঘুমাচ্ছি কিনা, নামাজ পড়ছি কিনা সব খোজঁ খবর সে নিত । সবচেয়ে বড় ব্যাপার যা আমাকে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা বাড়িয়ে দিয়েছিল তা হলো- আমার এমকম এর প্রতিটা পরীক্ষায় সে রোজা রাখত । আমার পড়াশোনার উৎসাহ বাড়িয়ে দিত । তার সাথে যে শুধু আমার সাথে সখ্যতা তা নয় আমার পরিবারের প্রতিটা মানুষের সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠে । বেশ ভালই কাটছিল আমার তখনকার দিনগুলি ।

কিন্তু আমার সেই সখ্যতা টিকল না । আমি শেষ পর্যন্ত জানতে পারলাম তার এই আচরণ সবটুকুই ছিল আমাকে, আমার অহংকার, আমার ব্যক্তিত্বকে পদদলিত করা । আমি বায়ু নির্গমনিত বেলুনের মতো চুপশে গেলাম । তাকে তার সঙ্গতাকে বর্জন করলাম ।

নিজেকে আমি এই বলে সান্ত্বনা দেই । সেই বন্ধুটাকে নিংড়ায়ে যেটুকু রইল সেটুকুই আমার গ্রহণযোগ্য । অর্তরালের কথা নাহয় বাদ দিলাম । প্রকাশ্যের য়েই ভালবাসা বন্ধুটার কাছে পেয়েছি তা তো অবশ্যই শ্রদ্ধার যোগ্য । তাই তার সেই আচরণটাকে আমি শ্রদ্ধা জানাই । আজ তার কথা খুব করে মনে পড়ছে ।

তাকে শুভকামনা জানাই । এবং আমার সকল বন্ধুকে স্বাগতম জানাই । সকলের মনের আশা পূরণ হোক ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28827200 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28827200 2008-08-04 10:17:00
"বৃষ্টি" তোকে আমি খুব মিস করি । আমার এই দিনটি তোকে উৎসর্গ করলাম । পৃরান ঢাকার ঠাকুর দাস লেন এ একজন আপু ও আমরা ৩ বান্ধবী মিলে ২ রুমের একটা ফ্লাট নিয়ে থাকতাম । আমি জগন্নাথে পড়তাম । একদিন সকালে প্রাইভেট পড়ে ফিরে এসে বারান্দায় বসে চা খাচ্ছি । এমন সময় একটি মেয়ে আসলো । আমি আমার রুমে বসতে দিলাম । এবং চা বিস্কুট দিয়ে আপ্যায়ন করলাম । পরে মেয়েটি জানাল সে আমাদের এখানে থাকতে চায় । ও ওর ফ্যামিলির কথা জানালো । ওর বড় ভাই আর ভাবী ছাড়া সংসারে আর কেউ নেই । ভাবীর সাথে বনিবনা নেই বলে মিরপুর ছেড়ে এখানে খাকতে এসেছে । ও পড়ত কবি নজরুল কলেজে । ওর প্রতি আমি একটা টান অনুভব করলাম । আমি এক বাক্যে রাজী হয়ে গেলাম । বাগড়া বাজাল সিনিয়র আপু । আমি তখন বললাম "আমি মামার বাসায় চলে যাব বৃষ্টিকে আমার বেডে থাকবে " আপু আমাকে খুব স্নেহ করতেন । তাই রাজি হয়ে গেলেন এবং আমাকেও যেতে দিলেন না । সেইদিন বৃষ্টি চলে গেলো ।

কিন্তু বৃষ্টির আর দেখা নাই । প্রায় একমাস পরে সকালে প্রাইভেট পরে এসে বারান্দায় একটা চিরকুট পাই । তাতে লিখা ছিল "মিতু আমাকে ক্ষমা করো । আমি তখন আসতে পারি নাই কারন আমার ভাই তার পরদিন মারা গেছেন । আমি আগামী পরশু আসব " চিঠিটা পরে আমিও এক পশলা কাদঁলাম । ও আসল ।

সেই থেকে বৃষ্টির আর আমার বন্ধুত্ব শুরু হয় । আমার ফ্যামিলির সবাইকে ওর কথা বললে ওরা সবাই ওকে নিজের মতো করে নিয়েছেন । আমার বাবা মা-মনি, আপুরা, ভাইয়া সবাই ওকে খুব স্নেহ করত । খুব মজার কাটত সেইসব দিনগুলি । প্রতি শুক্র বারে রেড়াতে যেতাম । বর্ষার মধ্যে রিক্সার হুড ফেলে দিয়ে চিৎকার করে ও আর আমি গান গাইতাম । সারারাত জেগে একই গল্পের বই দুজন মিলে পড়তাম । মারামারি করতাম । আমি ওকে একাউন্টিং, পরিসংখ্যানের অংক করাতাম । একবারে না বুঝলে চুল ধরে টান দিতাম । এত গাধা হবে কেন ?

পরীক্ষা শেষ । আমি মতিঝিলে চাকরী পেলাম । ও চাকরী নিয়ে বেইলী রোডের বি পি ডব্লিউ ক্লাব হোস্টেলে উঠে যায় । আমি খুব কেদেছিলাম । আমার মনে হত আমি আমার বোন কে হারিয়েছি ।

ও প্রতি বৃহস্পতি বারে অফিস ছুটি হলে আমার কাছে চলে আসত । ও ভাল রাধতে জানত । শুক্রবারে খুব মজার মজার রান্না হত । ওর একবার টাইপয়েড জ্বর হল । ছুটি নিয়ে আমার কাছে চলে আসল । আমি ওর মাথায় পানি ঢালতাম আর কাদঁতাম । আল্লাহর কাছে বলতাম "আল্লাহ তুমি ওকে সুস্থ করে আমাকে অসুস্থ করে দাও" । আস্তে আস্তে ওর জ্বর ভাল হয়ে গেল ।

৬ মাস পরে আমি চাকরী চেন্জ করে বাংলামটর আসলাম এবং একই হোস্টেলে উঠলাম ভাগ্যক্রমে ৩ মাস পরে একই রুমে সিট পেলাম । ওর সাথে একটা ছেলের সাথে প্রেম হয় । তাই প্রতি শুক্র বারে ও বেড়াতে চলে যেত সেই ছেলের সাথে । আমি রুমে বসে বসে বই পড়তাম ।

এমনি এক দিন রাত ১২.০১ মিনিটে আমার মোবাইলে এস এম এস আসে । পাশের বেড থেকে ও পাঠায় । ফ্রেন্ডশিপ এসএমএস । মেসেজ পড়ে আমিও থেঙ্কস দিয়ে মেসেজ দেই । সকালে উঠে দেখি আমার বালিশের নিচে ফ্রেন্ডশীপ ব্রেসলেট । আজ সেই দিন । কিন্তু আজ আর ওর এসএমএস পাই নাই । আজ ও অনেক দূরে । আমাকে ভুলে গেছে ।

ওর সাথে আমার দীর্ঘ ২ বছর কোন সম্পর্ক নাই । যেই ছেলের সাথে প্রেম ছিল তার সাথে বিয়ে না হওয়া নিয়ে ওর সাথে আমার দ্বন্দ্ব বাঁধে । আমি গোপনে খোঁজ নিয়েছি । ওর বাবু হয়েছে ।
আজ ওকে আমি খুব মিস করছি ।

আল্লাহ বৃষ্টিকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি করুন । আমিন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28826871 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28826871 2008-08-03 12:30:42
"একে ধরিয়ে দিন " " style="border:0;" />















ধরে কান মলে জিজ্ঞাসা করেন । চুপি চুপি ব্লগে না ঢুকে, সরাসরি ঢুকতে । আর প্রতিদিন একটা করে কবিতা লিখতে । নয়তো ঠ্যাং ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দিব । ন্যারা মাথায় আলকাতরা দিয়ে দিব ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28825876 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28825876 2008-07-31 10:57:25
" আল্লাহর অশেষ রহমত আমি অক্ষত । "
আজও রিক্সাওয়ালার পা কেটেঁ গিয়েছে । আমি সেভলন লাগিয়ে দিলাম । আর ভাবছি আমি কেন ব্যাথা পেলাম না ।

আল্লাহর অশেষ রহমত । আমি সুস্থ আছি । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28825182 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28825182 2008-07-29 10:29:12
"এত ভালবাসার প্রতিদান দিব কি করে?"
অগাস্ট মাসের কোন একটা দিন , আমার কাছে মাত্র ২০০ টাকা । তারপরদিন ভাইয়া ঢাকায় আসবে । তাই চিন্তার কোন কারন নেই । বাড়িতে কাউকে বলি নাই যে আমি ফকির হয়ে গেছি । আমি অফিস করছি । বিকালে কারফিউ । অফিস ছুটি হয়ে গেল । আমি বাসায় চলে গেলাম । কিন্তু চিন্তা হচ্ছে টাকা নাই চলব কি করে ? ভাইয়াও আসতে পারবে না এর মধ্যে । আমি কারও কাছ থেকে কখনও ঋণ নেই না । ভীষণ বিপদ । কারফিউ এর ২য় দিন ও কান্না কাটি শুরু করেছে । ও বুঝতে পেরেছে যে আমার কাছে টাকা নাই । সেই দিনই ভইয়াকে এই কারফিউ এর মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছে । ভাইয়া ও চলে এসেছে । এসে দেখে আপু যা যা বলেছে সব সত্যি ।

আজ যেটা ঘটেছে তা হচ্ছে -
আমি আমার চাকরিতে রিজাইন দিয়েছি কিছু দিন আগে । কিন্তু বাসায় কাউকে বলি নাই । ভাবছি ভাইয়া ঢাকায় আসলে পড়ে বলব । ৩১ তারিখ পর্যন্ত লাস্ট ডিউটি । অফিসে আসার জন্য তৈরী হচ্ছি । ঠিক তখনই মেঝ আপুর ফোন । আমার বুকের ভিতর মৃদু কম্পন হল । ও আমাকে নানান কথা বলার পরে বলল " তুই চাকরি ছেড়ে দিয়েছিস। টাকা আছে কয়দিনের চলার মতো ? "

আমি কেঁদে ফেলেছি । আমার পরিবারের প্রতিটা মানুষ আমাকে প্রচন্ড ভালবাসে । ওদের কে নিয়েই আমার জগৎ । কিন্তু এ কেমন অনুভূতি যা আমার মা-মনির আগে আমার মেঝ আপুর মধ্যে জাগে ? ও আমার ২ বছরের বড় । এমন তো না যে ও আমাকে কোলে পিঠে করে বড় করেছে । এতা গভীর ভালবাসা ! এদের প্রত্যেকের ভালবাসার প্রতিদান আমি কি করে দিব ?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28824928 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28824928 2008-07-28 12:07:02
"উফ! মিসকলের যন্ত্রনায় অতিষ্ট " মিসকল যদি মিস্টার কল হয়, তাহলে কেমন হয় ? <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> মিসকলের যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছি ।

এ থেকে পরিত্রান পাবার অনেক উপায় বের করেছিলাম । কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি ।

কাল রাতে ঘুম আসছিল না । তাই রাতের বেলা পড়াশুনা বাদ দিয়ে মোবাইলে গেমস খেলছিলাম (পড়তে ইচ্ছা করছিল না )। বারবার মিসকলের জন্য গেমস এ ডিসটার্ব হচ্ছিল । সবশেষে গেমস বাদ দিয়ে স্ক্রিনে দেখলাম ১০৯ টা মিসকল । তখনই মাথা গরম হয়ে গেল । মাথায় আগুন চেপে গেল । কি করব ভেবে না পেয়ে গোছল করলাম । তারপর মাথা ঠান্ডা হল । তখনই ভাবনায় এল । আমরা সবাই মিসকলের মাধ্যমে অনেক ডিস্টার্বড হই । কিন্তু আমাদের সবার জনপ্রিয় বন্ধু ব্লগার মিসকল খুবই ভাল একজন বন্ধু । কুউউউউল পারসন <img src=" style="border:0;" /> । তাই ওর নামটা পরিবর্তন করার প্রস্তাব করতে পারি । ওর নাম এখন থেকে মিস্টার কল আর ওর স্ত্রীর নাম মিসেস কল করার প্রস্তাব করতে পারি । এই ফাকে আমরা বড়সড় একটা আকীকার দাওয়াতও পেতে পারি ।

তাই বন্ধুগণ আপনারা যদি আমার সাথে একমত হন তো আমরা সবাই মিলে মিসকল কে মিস্টার কল হতে বলতে পারি ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28824272 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28824272 2008-07-26 09:36:06
"আমার সুখের দিন শেষ" " style="border:0;" /> কিন্তু কাল ম্যানেজার ফোন করে বলল প্রিন্সিপাল স্যার চলে এসেছেন । তাই আমার সুখ শেষ । <img src=" style="border:0;" /> রবিবার থেকে আবার ফকিরাপুল দৌড়াতে হবে । <img src=" style="border:0;" />

অবশ্য এ কয়েকদিনে আমার ৩০০০ টাকা সেভ হয়েছে <img src=" style="border:0;" /> । আবার ভাঙা রাস্তায় রিক্সার ঝাকুনির কথা মনে পড়ে গায়ে জ্বর এসে যাচ্ছে । <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28823600 http://www.somewhereinblog.net/blog/world_winner/28823600 2008-07-24 10:37:31