কবিকূলে কবি নজরুলের মতো আর কাউকে নিয়ে মনে হয় এতো টানা-হেঁচড়া হয়নি। বেঁচে থাকতে কাফের/যবন আবার কেউ কেউ তাকে সাম্প্রদায়িক বানিয়ে ফেলতে চেয়েছেন! মৃত্যুর পর এখন বেচারা কবির কবর নিয়ে টানাটানি! নজরুল বিদ্বেষী কতিপয় শয়তান এবার তার মাজারকে ভূমি সমান্তরাল বানিয়ে ফেলতে চায়। উদ্দেশ্য পরিষ্কার যাতে ঐখানে অবস্থিত অপরাপর জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কবরের সাথে তার কবর এক করে ফেলা হয়। আড়াল করা যায়। কিন্তু এ অতি হীন উদ্দেশ্য যাতে কবির মর্যাদা তার প্রাপ্যের চেয়ে নিচে নামিয়ে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের বোঝা উচিত প্রত্যেকেরই মর্যাদা তার কৃতিত্ব অনুসারে হতে হবে। জীবিত নজরুল হয়েছিলেন ব্যাপক বঞ্চনা-লাঞ্চনার শিকার, মৃত নজরুলও কোন অংশে কম বঞ্চিত-লাঞ্চিত হননি। এমনকি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে কবি নজরুলের প্রতিকৃতিতে কালি লেপনের মতো ন্যাক্কার কান্ড করা হয়েছিল। কাগজ-কলম, সভা-সেমিনারের বঞ্চনাকে ছাড়িয়ে এখন পড়ছে কবরে কুঠার আঘাত। যা কোন ভাবেই বরদাশ করা যাবে না! কি হচ্ছে চারিদিকে বোঝা যাচ্ছে না! একবার লালনের প্রতিকৃতি নিয়ে বাজে দৃষ্টান্ত এবার সংস্কারের নামে জাতীয় কবির মাজার ভেঙে ফেলার অপচেষ্টা! অথচ একাধিক জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মাজারকে সুন্দর ও দর্শনীয় করতে কতো অর্থ যে ব্যয় হয়েছে! কিন্তু দুঃখের বিষয় উপমহাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা চির অবহেলিত। জীবনেও, মরণেও! তাই আপনাদের প্রতি আমার উদাত্ত অনুরোধ এই হীন অপচেষ্টা যাতে বাস্তবায়িত না হতে পারে তার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলুন! নতুবা সব কিছুই একদিন নষ্টদের থাবায় বিক্ষত হবে!
সূ্ত্র: Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


