somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি : শোষণ ও নির্যাতন তীব্র করার হাতিয়ার, একটি কপি পেষ্ট পোষ্ট

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সরকার, মালিক পক্ষ ও তাঁবেদার শ্রমিক সংগঠনগুলো গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনমত মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার নাটক মঞ্চস্থ করেছে। মিডিয়ায় প্রচার করে দেওয়া হয়েছে ‘মজুরি কাঠামো মেনে নিয়েছে পোশাক শ্রমিকরা’। বাস্তবে মালিক ও সরকার তাদের দালাল সংগঠনগুলোকে নিয়ে চলমান আন্দোলনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য সাজানো সমঝোতার এই পুরনো কৌশলের আশ্রয় নিয়ে ৫ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিকে পাশ কাটিয়ে ৩ হাজার টাকা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকরা যাতে আন্দোলন করতে না পারে সেজন্য শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা, অবৈধ গ্রেফতার ও কারখানায় শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চলেছে। সরকারের চরম ফ্যাসিবাদী আচরণে শ্রমিকরা ৩ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি একভাবে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। ২৯ জুলাই সরকার ঘোষিত নতুন মজুরি কাঠামোতে

আগের কাঠামোর সর্বনিম্ন গ্রেড-৭ অনুযায়ী একজন শ্রমিকের বেতন ছিল এক হাজার ৬৬২ টাকা ৫০ পয়সা। মজুরি বোর্ডের সুপারিশে এবার তা বাড়িয়ে মূল মজুরি, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা সুবিধা মিলিয়ে মোট ৩ হাজার টাকা করা হয়েছে। আগের ১ হাজার ২শ’ টাকার পরিবর্তে নতুন শিক্ষানবিস শ্রমিকরা এখন থেকে পাবেন আড়াই হাজার টাকা। আর গ্রেড-১-এর শ্রমিকদের জন্য আগের মোট ৫ হাজার ১৪০ টাকার পরিবর্তে এখন ৯ হাজার ৩০০ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী অন্য গ্রেডগুলোর নতুন কাঠামো হলো গ্রেড-৬ ৩ হাজার ২১০ টাকা, গ্রেড-৫ ৩ হাজার ৪৫৫ টাকা, গ্রেড-৪ ৩ হাজার ৭৬৩ টাকা, গ্রেড-৩ ৪ হাজার ১২০ টাকা, গ্রেড-২ ৭ হাজার ২০০ টাকা। মজুরি বোর্ড শ্রমিকদের ৫ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি অগ্রাহ্য করে মালিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করলেও গার্মেন্টস মালিকরা ৩ হাজার টাকা দিতেই বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছে। প্রথমেই বিজেএমইএ দাবি করল এখন থেকে শিক্ষানবিশ হিসেবে ৬ মাস কাজ করার পর হেলপার হিসেবে নিয়োগ পাবে। অথচ আগে শিক্ষানবিশকাল ছিল ৩ মাস। গার্মেন্টস মালিকরা নভেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে পারবে না বলে তারা সরকারকে জানিয়েছে। এই তিন মাস সময়ে আরো কত ষড়যন্ত্র সরকারের সমর্থন নিয়ে মালিকরা করবে তার কিছু নমুনা এখনই পাওয়া যাচ্ছে। সরকার যে মালিকদের স্বার্থ রক্ষা করছে সবাই জানে। সরকারের চাপে শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে মালিকরা বাধ্য হলেও মালিকরা যাতে তাদের লাভ আগের মতই পায় সেজন্য ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। কিছুদিন ধরে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়া সেটারই সত্যতা প্রমাণ করে। আমার দেশ পত্রিকায় ৩০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন অন্বেষণের মাসিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে খাদ্যদ্রব্যের দাম আগামীতে আরো বেড়ে যেতে পারে। মূল্যস্ফীতির কারণে প্রতি বছর নিম্ন ও মধ্যম আয়ের শ্রমজীবী মানুষ গড়ে প্রায় ৪ হাজার ৬শ’ টাকা হারাচ্ছে। এতে আরো বলা হয়, ২০০৯-১০ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ বছরের আগামী মাসগুলোয় খাদ্য মূল্যস্ফীতি গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি হবে বলে আশঙ্কা করা হয়। রমজানে দ্রব্যমূল্যের প্রত্যাশিত বৃদ্ধি, রফতানি সুবিধার জন্য টাকার অবমূল্যায়ন, স্তূপীকৃত রেমিট্যান্স প্রবাহ, অনুন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি, গ্যাস, তেল ও বিদ্যুতের ক্ষেত্রে দাম বাড়ার প্রত্যাশিত চাপ প্রভৃতি অভ্যন্তরীণ কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। শ্রমিকদের মজুরি ৩ হাজার টাকা দিলেও যে মালিকদের লাভ আগের মতই থাকছে তা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। কিন্তু তবু মালিকরা আরো বেশি মুনাফার জন্য শ্রমিকদের আরো তীব্র শোষণের দিকে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, ৪২টি সংগঠনের সঙ্গে সরকার ও মালিক পক্ষের বৈঠক হয়েছে, বাস্তবে যে ১০/১২টি সংগঠন প্রকৃতপক্ষে শ্রমিকদের বিশ্বাস ও আস্থার জায়গায় আছে, সে সংগঠনগুলোর নেতৃত্ববৃন্দ কিন্তু ওই সমঝোতা বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। কারণ ওইসব সংগঠনের নেতৃত্বের ঘাড়ে মামলা দিয়ে তাদের দৌড়ের ওপর রাখা হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলন নস্যাৎ করতে সরকার শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত মজুরির দাবির প্রতি কর্ণপাত না করে বরং আরো কী করে শ্রমিক আন্দোলন দমন করা যায়, সেই উদ্দেশ্যে শিল্পাঞ্চল পুলিশ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুলিশ বাহিনীর অংশ হলেও এটি একটি স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। বলাই বাহুল্য, শিল্পাঞ্চলে শান্তি রক্ষার নামে হলেও এই বাহিনীকে শ্রমিক দমন ও মালিকের স্বার্থরক্ষার কাজেই নিয়োজিত রাখা হবে। পুলিশ মালিকের পক্ষেই থাকে। প্রশাসনও তাই। মালিকের টাকার জোর ও রাজনৈতিক ক্ষমতার জোর এখানে কার্যকর হয়। বিশেষ স্বতন্ত্র ও কিছুটা ছোট আকারের এই রকম বাহিনীকে পুঁজিপতিদের পক্ষে রাখা আরো সহজ হবে। এই বিশেষ পুলিশ বাহিনীতে থাকবেন একজন এডিশনাল আইজি, একজন ডিআইজিসহ প্রায় তিন হাজার পুলিশ। এর উপদেষ্টা কমিটিতে থাকবেন কয়েকজন মন্ত্রী ও স্টেকহোল্ডারদের একজন। ধারণা করা যায়, স্টেকহোল্ডারদের একজন মালিকদের থেকেই হবেন। শ্রমিকদের আরো কঠোরভাবে দমন করার লক্ষ্যে এক বিশেষ বাহিনী গঠিত হতে যাচ্ছে। এতো গেল শ্রমিকদের মজুরির দাবিতে যারা আন্দোলন করছেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের প্রতি সরকারের আচরণ। এ থেকেই সামনে শ্রমিকদের জন্য কি ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে তা বুঝতে সচেতন কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তবু তার কিছু নমুনা দেয়া হলো- নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টস কারখানার কিশোরী শ্রমিক পাপিয়া। পাপিয়া নেহাৎই সাধারণ শ্রমিক। কোনো নেতা বা সংগঠকও নয়। ঘটনাক্রমে বিবিসির প্রতিনিধি তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবস্থা। পাপিয়া নিজস্ব সরল ভাষায় বর্ণনা করেছিল তার দুঃখের জীবন। যেকোনো গার্মেন্টস শ্রমিকই একইভাবে একই কথা বলবে। বিবিসি প্রচার করেছিল পাপিয়ার কণ্ঠস্বর। এই অপরাধে কারখানার মালিকের মাস্তানরা পাপিয়ার ঘরে ঢুকে তাকে না পেয়ে ছোট দুই বোনকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। প্রতিবেশীদের প্রতিরোধের কারণে তারা তা পারেনি। পাপিয়া পলাতক। তার চাকরিও চলে গেছে। কিন্তু সরকার ও মালিকের (মালিক আবার সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতা) আক্রোশ এতটাই বেশি যে তারা খোঁজ নিয়ে হামলা করেছে পাপিয়ার গ্রামের বাড়িতে! পটুয়াখালীর গ্রাম থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পাপিয়ার বাবা জহিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সব চেয়ে নোংরা কাজ যেটা তারা করেছে সেটা হলো ২ হাজার ৫শ’ টাকা বেতনে ‘শিক্ষানবীশ’ শ্রমিক নিয়োগের যে প্রভিশনটা তারা করেছে। এখন থেকে গার্মেন্টস কারখানাগুলো বেশিরভাগ শ্রমিক নিয়োগ করবে শিক্ষানবীশ হিসেবে। মাঝারি, ছোট এবং কট্টরপন্থী গার্মেন্টস মালিকরা ‘শিক্ষানবীশ’ ছাড়া কোনো শ্রমিক নিয়োগের জন্য পাবেন না, নিয়োগ করবেনও না। হয়তো কথিত তিন মাসের মধ্যে বহু গার্মেন্টসের বহু শ্রমিক ‘শিক্ষানবীশ’ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়ে যাবে। ‘শিক্ষানবীশ’ শ্রমিক নিয়োগের এই ঘৃণ্য সিদ্ধান্তটি গ্রহণের মাধ্যমে তারা কুটকৌশলে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের বিষয়টি ‘ফাংশনালী নালিফাই’ করে দিয়েছে, যা একটি দেশের সংবিধান, গণতন্ত্র ও সংসদের জন্য অত্যন্ত অবমাননাকর। জামগড়ার একটি ফ্যাক্টরিতে কর্মরত একজন নারী শ্রমিক বলেন, নতুন মজুরি ঘোষণার পর ফ্যাক্টরিগুলোতে পুরুষ শ্রমিক নিয়োগ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের অপরাধ তারাই আন্দোলন করে। মহিলাদের নিয়ন্ত্রণ‌‌ন্দোলন করলে মালিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়। মালিক কৌশল করে বলে, শ্রমিকরা যদি ফ্যাক্টরি চালায় তাহলে তিনি তা খুলে দেবেন। আর শ্রমিকরা যদি তা চালায় তা আইন অনুযায়ী চালাতে হবে। বেতনের আশায় ও ফ্যাক্টরি বন্ধ হওয়ার ভয়ে প্রথমে আউটপুটের শ্রমিকরা কাজ শুরু করে। তখন মালিক আগে সাদা কাগজে সই নিত কিন্তু সেদিন সে কাগজে লেখা ছিল ‘আমরা যা করেছি ভুল করেছি, আবার করলে মালিক যে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে।’ এরকমই কিছু কথা। শ্র‌‌২ টাকা দিয়ে তা এখন কিনে ৩৬ টাকায়। প্রতিদিন ডিউটি করতে হয় ১০ ঘণ্টা, বাধ্যতামূলক ২ ঘণ্টা ওভারটাইম। জামগড়ার ওপেকস গ্রুপ সোয়েটার ফ্যাক্টরির এক শ্রমিকের বক্তব্য, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি বাদে বাকি ৯ মাস তারা পিস রেট হিসেবে মজুরি পান। কাজের সময়ও বেসিক দেওয়ার জন্য শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছে। কিন্ত কোনো কোনো কারখানায় তা মানা হয়, কোনোগুলোতে মানা হয় না। তাদের কারখানায় তা দেওয়া হয় না। পিস রেট অনুযায়ী গড়ে দৈনিক ১৮০ টাকা করে পড়ে। প্রোডাকসনে যারা প্রথম আসে প্রথম এক থেকে দেড়/দুই মাস তারা বেতন পায় না, বলা হয় এ সময় তারা কাজ শেখে। এটা সব সোয়েটার ফ্যাক্টরির নিয়ম। তারা সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কাজ করে। ঈদের আগে এনভয় সোয়েটার কারখানায় বেতন দেয়নি, ছাঁটাই করে। যে বাড়ি ভাড়া আগে দিতেন ১ হাজার ৮শ’ এখন দেন ৩ হাজার ৬শ’ টাকা। ৫ জনের পরিবারে মাসে খরচ হয় প্রায় ১৪-১৫ হাজার টাকা। আশুলিয়ার একজন শ্রমিক জানান, নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার পর তাদের ফ্যাক্টরিতে প্রথমেই ছাঁটাই করা হয়েছে অনেক শ্রমিককে। কমিয়ে দেওয়া হয়েছে হেলপারের সংখ্যা। আগে একটি মেশিনে ৩ জন হেলপার কাজ করত, এখন ১ জন। আগে ৩ জন যে কাজ করত এখন একজনকেই তা করতে হচ্ছে। কারখানার ভেতরের অবস্থা থেকে নতুন মজুরি নবেম্বর থেকে পেলেও শ্রমিকদের জন্য তা খুব বেশি কিছু হবে না। বরং তা তাদের আরো দুর্বিষহ জীবনের দিকে নিয়ে যাবে। নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার পরই বাসার মালিকরা ভাড়া বেশি দিতে নতুবা বাসা ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। অপরদিকে রমজান থেকেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বহাল রয়েছে। সাপ্তাহিক বুধবারের গত সংখ্যায় রিপোর্ট বেরিয়েছে সরকারি হিসাবেই এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যমূল্যস্ফীতি ঘটেছে প্রায় ১২ শতাংশ। রমজানে এক দফা এবং রমজান-পরবর্তী দ্বিতীয় দফায় খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। বর্তমান সময়ে শ্রমিকদের দাবি ছিল ৫০০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি। কিন্তু সরকার ও মালিক পক্ষ ৩ হাজার টাকা চাপিয়ে দিয়ে বাধ্য করছে তা মেনে নিতে। এই নতুন মজুরি তাদের কোনো উপকারে আসছে না। অথচ ২০০৬ সালের দাবি মানতে গেলেও তো ন্যূনতম মজুরি কমপক্ষে ৬ হাজার টাকা করা উচিত। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দারিদ্র্যসীমা অতিক্রম করতে হলে একজন মানুষের দৈনিক ২ ডলার আয় প্রয়োজন। শ্রমিকরা ৭ হাজার টাকা দাবি করেনি, তারা সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করেছিল। কিন্তু সরকার, মালিক ও দালাল শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার নামে সাজানো নাটকের মধ্য দিয়ে ৩ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করছে। নতুন মজুরি কাঠামো শ্রমিকদের সঙ্গে প্রহসন ছাড়া আর কিছু নয়। সরকারের উচিত পুলিশের বহর বাড়ানো নয়, ফ্যাক্টরি ইন্সপেক্টরের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করা, শ্রমিকদের উপযুক্ত মজুরি, বাসস্থান, চিকিৎসা, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্যসম্মত কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং এভাবে সুন্দর পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া। আর এসব না করে পুলিশ বাড়িয়ে দমননীতি গ্রহণ করে আর যা-ই হোক, শিল্প এলাকায় সুস্থ পরিবেশ তৈরি করা যাবে না। একই সঙ্গে এটাও বলা প্রয়োজন, অত্যাচার চালিয়ে, মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে শ্রমিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না।
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×