somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এখনও স্বপ্ন দেখি তোমাকে নিয়ে

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ অ-নে-ক দিন পর তোমাকে নিয়ে লিখছি। জানি, পৃথিবীর কোনো ডাকপিয়ন তোমাকে এ চিঠি পৌঁছাতে পারবে না। তবু লিখছি। লিখছি তোমাকে মনে করে দিতে তুমিই স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিলে বলে। সবে আমি কাল্স নাইনেপড়ি। এই ছাড়া আমি তখন টুকাইয়ের সাথে বাজিয়ে ‘আইসক্রিমওয়ালা’ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। এমন সময় তুমি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা হয়ে এলে। আর আমি তোমার বিশাল স্বপ্নের ঝুড়ি থেকে বেছে নিলাম ভালবাসার মানুষ হওয়ার স্বপ্ন, সমাজ গড়ার নায়ক হওয়ার স্বপ্ন। সেই থেকে স্বপ্নটার পিছু ছোটা।তোমার হাতে হাত রাখে একটুখানি এগিয়ে যাওয়া,বৃষ্ঠির দিনে একেই ছাতার নিছে দুই জনে ছাতাটি দরে মনের জমে থাকা কথা বলা যা মনের মধে মন কে বুযাবে। বৃষ্ঠির বেযা কাদা মাটিতে একটু একটু করে পা রাখা হঠাত্ হঠাত্ থেমে যাওয়া। আবার নতুন করে এগিয়ে যাওয়া।
সেখান থেকে গজানো একটা স্বপ্নের বীজ আজ শিকড় ছড়ানো এক চারাগাছে পরিণত হয়েছে।তুমিত বলে ছিলে আমি যদি কাপড় হতাম তুমি আমাকে সম্সথ শরিলে ডাকিয়ে রাখতে।তুমিত বলে ছিলে আমি যদি গলার হার হতাম গলায় জড়িয়ে রাখতে।তুমিত বলে ছিলে আমি যদি কানের দুল হতাম তাহলে কানে যড়িয়ে রাখতে কানে কানে কথা হত দুই জন দুই জনার এমন স্বপ্ন ছিল ।স্বপ্নটা ছিল একটা ভালবাসার ঘর গড়ার। যেখানে থাকবে তুমি আর আমি থাকেব একটি ছাদর একটি বলিশ বলিশে দুই জনে রেখে মাথা বলব মনের কথা, আর একটি পেলেট থাকবে ।আমি কাঠুরিয়া হব বন থেকে কাঠ কেটে নিয়ে আসব, আমার জন্য অপেক্ষা থাকবে তুমি শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরোজা খুলে দেবার জন্য, আমাকে খেতে দেবে সাথে তুমিও বসবে হাত পাখা নিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করবে আমার জল লাগবে কি না, নুন লাগবে কি না,
পাটশাক ভাজার সঙ্গে আরও একটা
তেলে ভাজা শুকনো মরিচ লাগবে কি না। অজস্র জ্ঞানপিপাসু মানুষের ভিড় লেগে থাকবে সেখানে। যখন আমাদের স্বপ্নধারাকে একটা গণ্ডির ভেতর আটকে রাখছে, তখন আমার স্বপ্নের ভালবাসাকে কেন্দ্র করে সমাজের একটা অংশ সেই গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসবে। আলোকিত হয়ে তারা সমাজে ভালবাসাকে আত্মনিয়োগ করবে। এই পৃথীবিতে যদি না হয় চাঁদে চলে যাব তবু আমার কাচে পিরে আস।এখন আমি স্বপ্ন দেখি তোমাকে নিয়ে
তুমি হয়তো ভাবছ, আমি শুধু স্বপ্নই দেখে চলেছি। কিন্তু না, একটু একটু করে স্বপ্নের বাস্তবায়নও করে যাচ্ছি। জেনে খুশি হবে, আজও তোমার অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছি পথের মাযে। আমার বয়সী একটা ছেলে যখন সিগারেট হাতে রাস্তায় ঘোরে, তখন আমি হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে তোমার জন্য ফুলের দোকান থেকে ফুল কিনে নিয়ে আসি তুমি না ফুলকে খুব পছন্দ করতে। জানও তোমার ফটো টানা অনেক বড় করেছি ফুল দিয়ে সাজিয়ে রেখেছি। জানও আরেকটা স্বপ্ন আমার মধ্যে খুব করে ঘুরপাক খাচ্ছে! সে স্বপ্নটার কথাও তোমাকে বলব ভাবছি। ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবসে শত শত ভক্ত আমার অটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য লাইন ধরে আছে। চারদিকে হইচই পড়ে গেছে! আমি রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছি।’ কেমন। অদ্ভুতুড়ে স্বপ্ন, তাই না এমন স্বপ্ন দেখার দুঃসাহস তো তোমার কাছ থেকেই পেয়েছি। তাই খুব ইচ্ছে করে, তোমাকে একদিন নিয়ে যাব আমার সেই স্বপ্নের জগতে, কোনো এক ঘোর পূর্ণিমার রাতে, সবুজ পাহাড় দিয়ে এঁকেবেঁকে বয়ে গিয়ে মেঘের দেশের একেবারে শেষ কোনায়। যে জগত্টা আমি সাজিয়েছি শুধু আমার আমিত্ব দিয়ে। কী, যাবে তো? তোমাকে নিয়ে খুব বেশি স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে তোমার আমার ভালবাসাকে নিয়েও স্বপ্ন দেখতে। বিরামহীন ছুটে চলার মধ্যেও বুকের ভেতর খুব যতনে কিছু স্বপ্ন আগলে রেখেছি।শিরিন পরহাদের মতো হয়তো আমি হতে পারব না। তবু পরহাদের মত তাজমহল বানানের স্বপ্ন দেখতে দোষ কী। মানুষ তো স্বপ্নের ভেতরই বাঁচে, তাই না তাই অবিরাম স্বপ্ন বুনে যাই।জান আমার এই কথা গুলো কারোও কাছে ভাললাগে না,যদি পাখিকে বলতে পারতাম তাহলে আকাশের মাঝে পাখির কন্ঠে উড়ে উড়ে বলত,যদি কোন কবি কে বলতে পারতাম তাহলে সেই কবি তার কবিতার মাজে বিলিয়ে দিত, যদি কোন শিল্পি কে বলতে পারতাম তাহলে সেই তার গানের মাঝে ছড়িয়ে দিত। এখনও স্বপ্ন দেখি তোমাকে নিয়ে, আজ তাহলে থামি আরো অ-নে-ক স্বপ্ন দেখার বাকি। হাতে সময় কোথায়, বল



এম ডি ইয়াছিন মিয়া
[email protected]...
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×