somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এলিফ্যান্ট রোডের একটি গার্মেন্টস এ আগুন ধরেছে
কিছুক্ষণ আগেও ধোঁয়া কমে এসেছিল। মনে হচ্ছিল আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। এইমাত্র দেখলাম ধোঁয়ার পরিমাণ আবারও বেড়ে গিয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28913797 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28913797 2009-02-20 13:57:19
মহীনের গৌতম, গৌতমের মহীন এবং পরের প্রজন্ম - জয়জিৎ লাহিড়ী

< চাকরী জীবনে এখনও সেভাবে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারিনি। মাঝে মাঝে হাপিয়ে উঠি। কিছুটা আশ্রয় খোঁজার চেষ্টা করি পুরনো দিনের গানে।

জীবনমুখী গান হিসেবে অগ্রজ মহীনের ঘোড়াগুলির সাথে আমার প্রথম পরিচয় সুমন চট্টোপাধ্যায়, নচিকেতার সাথে পরিচয়ের অনেক পরে। সব গান তেমন ভালোও লাগে না। তবে গত কয়দিন ধরে ঘুরেফিরে শুনছি তাদের দুটি গান "মানুষ চেনা দায়" আর "হায় ভালোবাসি"("ভালোবাসি জোৎস্নায়" নামেও পরিচিত)। শুনতে শুনতে আজ ভাবলাম নেট এ একটু খুঁজে দেখি এই অদ্ভুত নামের ব্যান্ডের ইতিহাস কিছু পাওয়া যায় কিনা। খুঁজতে গিয়ে পেলাম উইকিপিডিয়াতে একটি বেশ তথ্যবহুল ভুক্তি । আরেকটি সাইটে পেলাম ইমেজ হিসেবে আপলোড করা, তারিখ বিহীন এই লেখাটি। অসাধারণ লাগলো, তাই টাইপ করে তুলে দিলাম >

পুরনো নথি বলছে, ১৯৭৬ থেকে ১৯৮১, এই ছয়বছর কলকাতার বুকে বিচরণ করেছিল তারা - 'মহীনের ঘোড়াগুলি'। গোটা পনেরো অনুষ্ঠান, তিনটি রেকর্ড এবং তথ্যসুত্রে প্রাপ্ত ভালো মন্দ মেশানো বেশ কিছু সমালোচনা। এইমাত্র সম্বল করে আপাত বিস্মৃতির আড়ালে চলে যান গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর দলবল। বাংলা ব্যান্ডের পথিকৃৎ হিসেবে আজ তাদের যে স্বীকৃতি, সেটা ১৯৮১-৮২ তে পাওয়া সম্ভব ছিল না। মহীনী অশ্বারোহীরা বরাবরই দৌড়েছেন সময়ের আগে। অপ্রস্তুত ক্ষেত্রের উপর দিয়ে ধূলো উড়িয়ে সবেগে চলে গিয়েছিলেন তাঁরা। আজকের তরুন ব্যান্ড গায়করা সে পথে সশ্রদ্ধ বিষ্ময়ে লক্ষ্য করছেন সেই দর্পিত পদচিহ্ন।

কদিন আগে এরকমই নবীনদের এক অনুষ্ঠানে শোনা গেল রবীন্দ্রসদনে বাংলা ব্যান্ড নাকি এই প্রথম! ভুল, সম্পূর্ণ ভুল। রবীন্দ্রসদনে বাংলা ব্যান্ড প্রথম বেজেছিল ১৯৭৯ এর ১২ই আগস্ট। টিকিট ছাপা হয়েছিল পুরনো খবরের কাগজের টুকরোয়। অভিনব মঞ্চসজ্জা হয়েছিল বাঁশের ভারা বেঁধে।

আর শুধু রবীন্দ্রসদনেই কেন? যোগেশ মাইম একাডেমী (১৯৭৭), স্টার থিয়েটার (১৯৭৮), ম্যাক্সমূলার ভবন (১৯৭৯), সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল প্রাঙ্গন (১৯৮০), ক্যালকাটা স্কুল অব মিউজিক (১৯৮১), কোথায় বাজেনি গৌতম চট্টপাধ্যায়ের সুর? 'মহীন'এর প্রতিটি অনুষ্ঠানেই কিছু অভিনব ব্যাপার-স্যাপার থাকত। পুরনো কাগজে ছাপা টিকেট ছাড়াও কখনও সদস্যদের ছিপছাপ দেওয়া আমন্ত্রণী, কখনও টেলিগ্রামের মতো দুলাইন "ARRIVING ON ... AT ... STOP ATTEND"। চমকে উঠার মতো আহবান। সদস্যরা একাধিক বাদ্যযন্ত্রে স্বচ্ছন্দ ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন যন্ত্রের হাত বদল ঘটতো অনায়াস দক্ষতায়। নিজেদের সঙ্গীতকে একবার পরিচয় দিয়েছিলেন 'বাউল-জ্যাজ' হিসেবে। গিটারের ইলেকট্রিক শীৎকারের সঙ্গে দোতারা, স্যাক্সোফোরের সঙ্গে সাপুড়ের বাঁশি, বা বীণের সঙ্গে ভায়োলিনের সহাবস্হান। ডাল-ভাত, রবীন্দ্রসঙ্গীতের আবহে বেড়ে উঠা বঙ্গ সংস্কৃতির গোড়া ধরে ঝাঁকুনি দিয়েছিলেন তাঁরা। মনে রাখতে হবে এইসব ঘটনা ঘটছে ৯৭৬ থেকে '৮১র মধ্যে যখন গিটার যন্ত্রটির পরিচিতি পার্কস্ট্রীটের সাহেবপাড়া ছেড়ে শহরের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েনি। কিন্তু এতকিছু সত্ত্বেও ১৯৮১'র পর আর মহীনী ব্যান্ড বাজেনি। কেন? কেন শুনতে চাননি তখনকার শ্রোতারা? আর কেনই বা ১৯৯৫ এর বইমেলায় আবার কুড়ি বছর পরের বিষ্ময়কর বিস্ফোরণ? "ধুর মশাই, আপনারা কেউ কিছু শুনতে চাইলেন না" বলে "ছন্ন ছাড়লো" মহীনের ঘোড়ারা। ছিটকে গেল পেশার টানে। কিন্তু তাদের গান হারাল না। প্রাচীন সাম স্তোত্রের মতো গভীর "ভালোবাসি জোৎস্নায়" বা হু হু করে শূন্যতার "রানওয়ে", বাংলা গানের রুক্ষ প্রান্তরের মধ্যে বেঁচে রইল চোরা স্রোতের মতো। সঞ্চারিত হল এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মের মুখে, গৃহীত হল বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মতো পবিত্র শুদ্দতায়। আজ থেকে বছর দশেক আগে প্রেসিডেন্সি কলেজের অলস ক্যান্টিন, দুপুরে ক্লাশ পালানো সহপাঠীর গলায় এই গান শুনে চমকে উঠেছিল কিছু তরুণ, নিজেদের বিপন্ন নিঃসঙ্গতার সুর, এমন নির্ভুল করে বাজতে শোনে নি অন্য কোন গানে। কে এই সুরকার? কারা এই "মহীন"? শুরু হল অনুসন্ধান। আপন কুলপরিচয় জানার মত অপ্রতিরোধ্য তাগিদে শেষে খুঁজে পাওয়া গেল তাঁকে। "আমাদের গান এখনো গাওয়া হয় কলেজ ক্যান্টিনে? ভাল লাগে তোদের?" অবাক বিষ্ময়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিলেন তিনি। উঠে বসেছিলেন আধশোয়া শয্যা ছেড়ে। আর তারই ফলশ্রুতি পরের বছর বইমেলায় "আবার কুড়ি বছর পর"। এরপর ক্রমান্বয়ে আসবে "ঝরা সময়ের গান", "মায়া", "ক্ষ্যাপার গান"। শুরু হবে আলোচনা, লেখালেখি। নতুন করে ঔৎসক্য সৃষ্টি হবে ঘোড়াদের গতিময় অতীত সম্পর্কে। ইতিহাসের পাতায় নিজেদের ন্যয্য দখল, নিশ্চিতভাবে কায়েক করবে মহীনের ঘোড়ারা।

কুড়ি বছরের ব্যবধানে উৎপন্ন এই বিপরীতধর্মী প্রতিক্রিয়ার একটি কারণ যদি হয় শ্রোতাদের নতুন গান শোনার আগ্রহ, অপর কারণ অবশ্যই লিরিসিস্ট গৌতমের আত্মপ্রকাশ। মহীনের গৌতম ছিলেন মূলতঃ সুরকার গায়ক ও যন্ত্রী। অথচ ১৯৯৫ থেকে শুরু তাঁর ইনিংসে দেখি যন্ত্র এবং গলার দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন নতুন প্রজন্মেকে। নিজের হাতে তুলে নিচ্ছেন দুই সোনার কাঠি, রূপোর কাঠি - কথা ও সুর। গৌতমের কথা, 'মহীনে'র মতই কবিত্মময় এবং প্রয়োজনীয়, স্হির-লক্ষ্য, আমোঘ।

আধুনিক নাগরিক অভিজ্ঞতা থেকে উৎসারিত "পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে", ক্রমশঃ বৃহৎ হতে হতে ঢেকে ফেলছিল ১৯৯৫-এর বইমেলা। এরপর "রাবেয়া কি রুকসানা", "এই মুহূর্তে", "টেলিফোন" - গৌতমের এই পর্যায়ের সব রচনাতেই লক্ষ্য করুন এই সহজিয়া নাগরিকতার অকাট্ট অনুষঙ্গ। কুড়ি বছর পুরনো পৃথিবী অতঃপর তাঁর সামনে মন্ত্রমুগ্ধের সরীসৃপের মত দন্ডায়মান থাকবে। দুলতে থাকবে তাঁর সুরে তাঁর তালে তাঁর কথায়

- জয়জিৎ লাহিড়ী]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28902791 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28902791 2009-01-26 23:48:03
অনুসরন করুন আপনার পছন্দের ব্লগারদের (আপডেট) একটি পোস্ট দিয়েছিলাম আমার বানানো একটি টুল নিয়ে। এটি দিয়ে সামহোয়্যার ইন ব্লগে আপনার পছন্দের ব্লগারদের অনুসরণ করতে পারবেন। (আমি হইলাম পিঠ চাপড়ানো ব্লগার, ব্লগে কম লিখলেও পাঠক হিসেবে অনেক বাংলা ব্লগেই ঘোরাঘুরি করি <img src=" style="border:0;" /> ) যাহোক, মাঝখানে ছুটি যাওয়ায় বসে বসে কিছু আপডেট যোগ করে ফেল্লাম। আপডেটগুলো হচ্ছে:

১. সামহোয়্যার ইন ব্লগ ছাড়াও সচলায়তন কিংবা ব্লগস্পটে (যদি এইচটিএমএল টেম্পলেট ম্যানুয়ালি পরিবর্তন না করে থাকেন) হোস্টেড ব্লগগুলোকেও অনুসরণ করতে পারবেন।

২. দিনের শেষে বা শুরুতে ক) আগের দিনে আসা নতুন পোস্টসমূহ খ)পুরাতন পোস্টে নতুন মন্তব্য এসে থাকলে তাদের সেগুলোর - একটি লিস্ট ইমেইল হিসেবে পাবেন। সেখান থেকেই ক্লিক করে পোস্টগুলো দেখতে পাবেন।

৩. ওপেন আইডির পরিবর্তে প্রচলিত ইমেইল দিয়ে সাইন আপ এর ব্যবস্হা করা হয়েছে, কারণ অনেকেই ওপেন আইডির সাথে পরিচিত নন। তবে ইতিমধ্যে ওপেন আইডি দিয়ে একাউন্ট খুলে থাকলে সেটি দিয়েও লগইন করতে পারবেন।

৪. "রিমেম্বার মি" অপশন যোগ করা হয়েছে।

স্ক্রিনশট:


অনুসরণ করা ব্লগারদের লিস্ট



অনুসরণ করা ব্লগারদের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ঠিকানা: http://onushoron.morphexchange.com

[বি.দ্র. আগ্রহীরা রুবিতে লেখা টুলটির সম্পূর্ণ সোর্স কোড এখানে] দেখতে পাবেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28893897 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28893897 2009-01-06 23:17:36
বাংলাদেশে ইসরাইলের মদদপুষ্ট একটি রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য
কিন্তু ইসরাইলি নাগরিক প্রবেশের বাধা থাকলেও তাদের ইন্টেলিজেন্স সংস্হা হিসেবে বিখ্যাত (মতান্তরে কুখ্যাত) "মোসাদ" এর নাগাল থেকে সম্ভবত বাংলাদেশ বাইরে নেই। ব্লগার সৌম্যের "অগুনিত মেহেরের গল্প " পড়লে হয়ত কিছুটা ধারণা পেতে পারেন। সেখানে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ নেয়া সবাইকেই মৃত্যুবরণ করতে হয় ইসরাইলে ফিরে যাওয়ার পর। তাদের অপরাধ??? তারা সেনা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বাংলাদেশে তাদের সেনা প্রশিক্ষণের তথ্য সম্ভবত বাংলাদেশ থেকেই মোসাদ সংগ্রহ করেছে।

বাংলাদেশে গত বছরের দ্বিতীয়ভাগে মৌলবাদি হরকাতুল জিহাদ ও ইসরাইলের কিছু প্রতিনিধি মিলে(খুবই অদ্ভুত বন্ধন!) একটি "ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টি" নামক নতুন একটি দল তৈরী করে এবং নির্বাচন কমিশনে অন্তুর্ভুক্তির জন্য আবেদন করে। তার আগে সেপ্টেম্বর মাসে জরুরী অবস্হার মধ্যেও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্হানে ইফতার পার্টির আয়োজন করে প্রচারনা চালানো হয়। উল্লেখ্য প্রায় সবগুলোতেই উপস্হিত ছিলেন বিতর্কিত "সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী", যাকে ইসরাইলি পাসপোর্টসহ ২০০৩ সালে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখে বাংলাদেশের ডেইলি স্টার পত্রিকা এই নবগঠিত দলটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রাথমিকভাবে দলটি সম্পর্কে সংগঠকরা দাবী করে "গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ইসলামী শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি দল"। কিন্তু ডেইলি স্টারের সাথে সাক্ষাতকারে শোয়েব চৌধুরীর একটি কথাতেই বেরিয়ে আসে দলটির আসল চেহারা - "Since IDP echoes the demand for establishing ties between Dhaka and Jerusalem, and upholds interfaith understanding, it is our responsibility to promote them at international level"।

আমাদের ব্লগেও সেই দলের একজন প্রতিনিধি দেখা যাচ্ছে। তিনি গাজায় ইসরাইলি হামলাকে যাস্টিফাই করার চেষ্টা করছেন । তার লেখাটি পড়লে মনে হবে ইসরাইল একটি জঙ্গী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমন করছে, যেটি যেকোন স্বাধীন রাস্ট্রই করবে। কিন্তু বিচ্ছিন্নতাবাদের হামলার জবাবে এভাবে এই আকারের মাস পানিশম্যান্টের একটিই পরিভাষা, "জেনোসাইড"। ডিসেম্বরের ২২তারিখ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় প্রায় ৫০০ প্যালেস্টাইনীর প্রাণহানী হয়েছে। এর মধ্যে অনেক নারী-শিশু রয়েছে। কোন সাহায্যকারী সংস্হাকেও সেখানে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না। আজ থেকে শুরু হয়েছে গ্রাইন্ড এসল্ট। কাজেই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে। সংবাদ মাধ্যমে সেই খবর জানা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই।

["হিব্রু" নিকের এ লেখাটির প্রয়োজন ছিল। জানতে পারলাম, ইসরাইলি চরেরা শুধু দল গঠন করে বসে থাকেনি। কমিউনিটি মিডিয়াতেও হাত দিয়েছে।]

---------
আপডেট: নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল মুসলিম-ইহুদিদের যৌথ দল হিসেবে পরিচয়দানকারী "ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টি"। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনুমোদন পায়নি। এ খবরটি এসেছিল ডেইলি স্টারের নভেম্বর ২ তারিখের সংখ্যায়


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28893440 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28893440 2009-01-05 22:34:22
সামষ্টিক বুদ্ধিমত্তা ১(ক): পছন্দের পরামর্শ প্রদান কালেক্টিভ ইন্টেলিজেন্স । একটি সংজ্ঞা দেয়ার চেষ্টা করি - ধরা যাক আপনার কাছে কিছু বিচ্ছিন উপাত্ত (ডাটা) আছে, সেগুলোর উপযোগিতা অনেক বেড়ে যাবে যখন আপনি সেসব থেকে শ্রেনীবদ্ধ তথ্যে (ইনফরমেশন) রুপান্তরিত করতে পারেন। এই তথ্যের মধ্যে বিভিন্ন সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে কোন কোন পরিস্থিতি পর্যালোচনা অথবা উপযোগী নতুন তথ্যের জন্ম দিতে পারে।

একটি সহজ উদাহরনে আসি। ধরা যাক একটি আদমশুমারী হল। এতে প্রত্যেক মানুষের বয়স, পেশা, শিক্ষা সহ আরও অনেক তথ্য সংগ্রহ করা হল। প্রত্যেক মানুষের এই তথ্যই আলাদাভাবে বিচ্ছিন্ন, অর্থাৎ বলতে গেলে প্রায় কোন উপযোগিতা নেই। কিন্তু একটি এলাকার সব বিচ্ছিন তথ্য একত্র করে হয়ত কোন নতুন ইনফরমেশন পাওয়া যেতে পারে। যেমন, এলাকার শিক্ষার হার কত, গড় আয়ু, গড় আয় ইত্যাদি। এভাবে আমরা সেই এলাকার বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্হা সম্পর্কে একটি ধারনা পেতে পারি। এরকম আরও কয়েক বছরের অনুরূপ তথ্য যোগাড় করে একটি তুলনামূলক চিত্রও পাওয়া যেতে পারে, সেটি আরও পরিপূর্ন ও আরও উপযোগী ইনফরমেশন। কারন এই তুলনামূলক চিত্র দিয়ে আমরা হয়ত সেই এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতি/অবনতির একটি ধারনা পাব। একই সাথে হয়ত সেই উন্নতি বা অবনতির সাথে পারিপার্শ্বিক উপাদানগুলোর ভূমিকাও বের করতে পারব, যেটি আরও উপযোগী। এখন এসব অতীত তথ্যের উপর ভিত্তি করে যদি সেই এলাকার ভবিষ্যত উন্নতির পরিকল্পনা করা হয়, অথবা অন্য কোন এলাকায় উপস্হিত পারিপার্শ্বিক উপাদানগুলো বিবেচনা করে, কোন জানা এলাকার ফলাফরের সাথে তুলনা করে, সেই এলাকার উন্নতি/অবনতির ভবিষ্যতবাণী করার চেষ্টা করা হয়, তবে সেটি হবে সামষ্টিক বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ।

অনেক বড় উদাহরন হয়ে গেল!!! যাহোক আমার আলোচনার মূল বিষয় এটিই, কিন্তু ব্যাপ্তি ছোট। সেটি হচ্ছে এরকম বিভিন্নভাবে সংগৃহীত জানা তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন অজানার ফলাফল সম্পর্কে ধারনা করা।

ধরা যাক আপনি কিছু কেনার জন্য amazon.com ব্রাইজ করেছেন। যখন আপনি বিভিন্ন পন্য দেখতে থাকেন তখন খেয়াল করলে দেখবেন নিচেই কিছু পন্য দেখাচ্ছে যা খুবই সম্পর্কিত। কিছুক্ষণ ক্যামেরার জন্য ব্রাউজ করলে দেখবেন সেই পরামর্শ করা পন্যগুলো প্রায় কাছাকাছি মূল্যের এবং একই ধরনের ফিচার সম্বৃদ্ধ। তাহলে কি তারা সব পন্যের শ্রেনীভুক্ত করে? না, সবসময় না। এক্ষেত্রে তারা যা করে তা হচ্ছে ইতিমধ্যে অন্যন্য ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং বা ক্রয়ের আচরনের সাথে আপনার আচরনের প্যাটার্ন তুলনা করে আপনার অদেখা, কিন্তু যে ধরনের পন্য খুঁজছেন, সেগুলো ধারনা করার চেষ্টা করা। তথ্য প্রযুক্তির ভাষায় রিকমেন্ডেশন সিস্টেম বা কোলাবোরেটিভ ফিল্টারিং। বেশ কয়েকটি পদ্ধতি (অ্যালগরিদম) রয়েছে এজন্য । কিন্তু এর মধ্যে কোনটিই এককভাবে সকল ক্ষেত্রে কার্যকর, তা প্রমাণিত হয়নি। ক্ষেত্র অনুযায়ী বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এমনকি অনেক সময় দু'তিনটি এলগরিদম মিলিয়েও নতুন পদ্ধতি তৈরী করা হয় কাজের ক্ষেত্র বিবেচনা করে।

এসকল ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন কোন ওয়েবসাইটে কোন পন্যটি আপনার বেশী পছন্দ হয়েছে তা বিভিন্নভাবে নির্ধারন করা যেতে পারে -
১. যে পন্যের পাতায় আপনি একাধিকবার গিয়েছেন
২. যে পন্যের পাতায় আপনি বেশী সময় ধরে ছিলেন। এক্ষেত্রে সেই সাইটের পরের যেকোন পাতায় যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সময়কে পূর্ববর্তী পাতায় ছিলেন বলে ধরে নেয়া যেতে পারে। আবার কোন পন্যের পাতায় কম সময় থাকলে সিস্টেম সেটি আপনার অপছন্দের তালিকাতেও যোগ করতে পারে।

একইভাবে, একটি ব্লগের ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। কোন পোস্টে কেমন সময় কাটিয়েছেন, তার পাশাপাশি বিভিন্ন পোস্টে দেয়া রেটিং কিংবা মন্তব্যের প্রবনতা বিবেচনা করে একজনের পছন্দ-অপছন্দের বিষয় বা ব্লগার সম্পর্কে ধারনা করা যেতে পারে।

এ পর্বে ভুমিকা আর তথ্য সংগ্রহ পর্যন্তই থাকলো। পরবর্তী পর্বে তথ্যের মধ্যে তুলনা ও সম্পর্ক স্হাপন।
(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28882434 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28882434 2008-12-14 22:46:40
অনুসরন করুন আপনার পছন্দের ব্লগারদের
টুলটি বেশ আগে বানানো। আসলে একেবারেই নিজের প্রয়োজনে বানিয়েছিলাম এটি। প্রতিদিন অনেক পোস্ট আসে এই ব্লগে। প্রায়ই এসব পোস্টের ভিড়ে চোখ এড়িয়ে যায় পছন্দের কোন ব্লগারের পোস্ট। আর যদি দু'একদিন না আসি, তাহলে তো কথাই নেই <img src=" style="border:0;" />

এই ওয়েব এপ্লিকেশনটি আপনার পছন্দের ব্লগারদের অনুসরন করবে। লিস্ট হিসেবে দেখাবে আপনার পছন্দের ব্লগারের কি কি নতুন পোস্ট এসেছে, সেগুলোর রেটিং কেমন এবং কমেন্ট কয়টি এসেছে। তাছাড়া কোনগুলো আপনার পড়া হয়েছে, এবং যেগুলো পড়া হয়েছে সেগুলো পড়ার পর আর কতটি নতুন কমেন্ট এসেছে তাও দেখাবে (প্রতি ঘন্টায় একবার এসব তথ্য আপডেট হবে)।

এপ্লিকেশনটিতে লগ ইন করতে হলে আপনার একটি ওপেন আইডি এড্রেস থাকতে হবে। এখনও কোন ওপেন আইডি একাউন্ট না থাকলে মাইওপেনআইডি অথবা ভেরিসাইন থেকে একটি একটি একাউন্ট খুলতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্লগের এড্রেস, যেমন ব্লগস্পটে আপনার ব্লগের ঠিকানাও (ইউ আর এল) ওপেন আইডি লগইন হিসেবে কাজ করতে পারে। ওপেন আইডি লগইন এর সুবিধা হচ্ছে আপনাকে প্রতিটি সাইটে নতুন করে রেজিস্ট্রেসন করতে হচ্ছে না কিংবা অপরিচিত/অল্প পরিচিত সাইটে পাসওয়ার্ড ও শেয়ার করতে হচ্ছে না। এক্ষেত্রে যেসব ক্লায়েন্ট সাইট ওপেন আইডি লগইন সাপোর্ট করে, সেসব সাইটে আপনার ওপেন আইডি ঠিকানা দিলে আপনি যেখান থেকে একাউন্ট খুলেছেন সেখানে পাঠিয়ে দিবে ক্লায়েন্ট এপ্লিকেশনটি। এবার ক্লায়েস্ট সাইটিকে এলাউ করে দিলেই আপনার লগইন হয়ে যাবে।

লগইন করুন এখানে - http://onushoron.morphexchange.com/

ব্যবহার পরিচিতি:
১. লগইন

আপনার ওপেন আইডি দিয়ে লগইন করুন

২. ব্লগ তালিকা

এখানে আপনার অনুসরন করা ব্লগারদের তালিকা দেখাবে।

৩. নতুন ব্লগ

নতুন কোন ব্লগারকে অনুসরন তালাকায় যোগ করতে পারবেন এখানে। এজন্য সেই ব্লগের URL এবং Name ফিল্ডে সেই ব্লগের একটি নাম দিন। পোস্ট তালিকায় ব্লগারের নাম হিসেবে এই নামটিই দেখাবে।

৪. পোস্ট তালিকা

আপনার অনুসরন করা ব্লগারদের পোস্টের তালিকা

আরেকটি লুকানো ফিচার আছে। সেটা নিজেরাই আবিস্কার করে নিন <img src=" style="border:0;" />

এতদিন নিজের পিসিতেই মাঝে মাঝে চালাতাম এই টুল টি। গতকাল একটি ফ্রি হোস্টিং টেস্ট করার জন্য এপ্লিকেশনটি সেখানে ডিপ্লয় করি। এখন পর্যন্ত ভালই চলছে <img src=" style="border:0;" />
ভালো কথা, নিজের জন্য বানিয়েছি বলে ডিজাইনের কোন তোয়াক্কা করিনি। তাছাড়া ডিজাইনার হিসেবে যথস্ট দূর্নাম রয়েছে আমার, তাই চেস্টা থেকে এখনও বিরত থেকেছি <img src=" style="border:0;" />

[বি.দ্র. এই টুলটির সাথে সামহোয়্যারইন কতৃপক্ষের কোন সম্পর্ক নেই। টুলটির সোর্স মুক্ত। রুবি ল্যঙ্গুয়েজে লেখা এর সোর্স দেখতে পারবেন এখানে । আর এটি শুধুমাত্র সামহোয়্যার ইন ব্লগে জন্য কাজ করবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28881736 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28881736 2008-12-13 11:25:47
বিশ্বের অর্থনৈতিক ধ্বস ও বাংলাদেশের শেয়ার বাজার এই পোস্টের জবাবে। উত্তর বড় হয়ে যাওয়ায় ট্র্যাডিশন অনুযায়ী আলাদা পোস্ট হিসেবে দিয়ে দিলাম <img src=" style="border:0;" />

দিনমজুরের পোস্টের বক্তব্যের সাথে কিছুটা একমত। তবে তার গল্পটি বাংলাদেশের স্টক মার্কেট জালিয়াতির ঘটনাটির সাথে খাটে, কিন্তু ফেনি মে কিংবা এআইজি শেয়ার মূল্যের পতনের সাথে ঠিক সেভাবে খাটে না।

বাংলাদেশের স্টক মার্কেটে তখন শুরুর দিকের অবস্হা ছিল। শেয়ারের প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অর্থের জোগান কিছুটা বেশী ছিল (এর মূল কারন একটু পর বলছি)। তাই শেয়ারের দাম বাড়ছিল। একই সাথে শেয়ারে বিনিয়োগ লাভজনক দেখে আরও বেশী বিনিয়োগকারী এসেছে, শেয়ারের দাম আরও বেড়েছে... এভাবেই চলেছে। এই সাজানো নাটকটি শুরু করেছিল একটি বিত্তবানদের সিন্ডিকেট কিছু বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে নিয়ে (দিনমজুরের বানরের গল্পের মতো)। আবার সময়মতো শেয়ার মূল্যের সর্বোচ্চ অবস্হানের সময় সাধারন মানুষের সর্বোচ্চ ক্ষতি করে সেই সিন্ডিকেট সব শেয়ার বিক্রি করে কেটে পড়ে। ফলাফল আপনারা সবাই জানেন। যাহোক, এরপর থেকে বিভিন্ন ধরনের অবজারভেশনের ব্যবস্হা করা হয়েছে (যদিও ফুলপ্রুফ নয়)। বিদেশী বিনিয়োগ নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে তুলে নেয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এরপরও অনেক রিস্ক এখনও রয়েছে।

পুঁজিবাদি বিশ্বের বর্তমান ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের ধ্বসের কারন ভিন্ন যদিও কাছাকাছি একটি প্যাটার্ন আছে। অধিক মুনাফার আশায় খুব অল্প সিকিউরিটির বিপরীতে বিভিন্ন ব্যংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান লোন দিয়েছে। এখানে লোন ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম কিন্তু ইন্টারেস্ট রেট অনেক বেশী, অর্থাৎ আদায় করতে পারলে মুনাফাও বেশী। যার ফলে বিভিন্ন প্রপার্টির মূল্য তার প্রকৃত মূল্যের চাইতে অনেক বেড়ে যায়, কারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে গিয়েছে। এভাবেই চলছিল সবকিছু।

এখন কথা হচ্ছে হঠাৎ ধ্বসের কারন কি? খাদ্যদ্রব্যের মূল্য, এবং জ্বালানী তেলের হঠাত অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি, সেই সাথে উন্নত বিশ্বের বেকারত্বের হার বৃদ্ধি - এ সবকিছু মিলে হঠাৎ করেই মানুষের ক্রয় ক্ষমতা অনেক কমে যায়। ফলাফল অনেকেই তাদের ঋণ পরিশোধে অপারগ হয়ে পড়ে। একই সাথে মর্টগেজের উপকরন যেমন বাড়ি ও জমির দামও কমতে থাকে। ফলে ঋণ প্রদানকারী এসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে লাভ তো দুরে থাক, সেসব বাড়ি, জমি বিক্রি করে ঋণের মূল পরিমানই উসুল করা সম্ভব হয়ে উঠে না। আবার অনেকে ইচ্ছা করেই ঋণে কেনা বাড়ি ছেড়ে দেয়, কারণ অপরিশোধিত ঋণের পরিমান বাড়ির মূল্যের চাইতে এখন বেশী। একটা চেইন রিঅ্যকশন শুরু হয়। ব্যংকগুলোর ক্ষতির অংক বাড়তে থাকে। তাদের ঋণ দেয়ার ক্ষমতাও কমে যায়। এই ঋণের উপর ভর করা ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতাও কমে যায় (অথচ, একসময় এমন পরিস্হিতি ছিল যে এক ডলারের সিকিউরিটির বিপরীতে ব্যাংক ৯৭ ডলার পর্যন্ত ঋণ দিয়েছে)। ফলাফল? এ প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি... দেখা যাক কি হয়।

বাংলাদেশের শেয়ার বাজারেও এরকম একটি ভঙ্গুর অবস্হা বিরাজ করছে। একটি কোম্পানির মূল্য যদি একমাসেই সাত/আট গুন বৃদ্ধি পায় (যেটি প্রাইমারি শেয়ার ছাড়ার পর ঘটে) তাহলে তা অবশ্যই অস্বাভাবিক। অর্থাৎ পন্যের তুলনায় অর্থের যোগান বেশী। কোন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হওয়ার কথা সেই কোম্পানির বর্তমান অবস্হা ও ভবিষ্যত সম্ভাবনার উপর। তখন আপনার শেয়ার কেনা-বেচা না করলেও চলবে। কোম্পানির মালিকানার অংশিদারিত্বের সুবাদে আপনি লভ্যাংশ পাবেন।

বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের বর্তমান এ অবস্হা কতদিন চলবে তা বলা যাচ্ছে না। কারন এখনও প্রতিদিন অনেক নতুন ক্রেতা শেয়ার বাজারে প্রবেশ করছে। চীনের বাজারও অনেকটা এ অবস্হা চলছে। এখন যদি এসব মার্কেটে যদি কোন কারনে কেউ বড় বিনিয়োগ তুলে নেয়, সাথে সাথে কিছু শেয়ারের মূল্যপতন ঘটবে। কিছু ক্রেতা প্যানিকড হয়েও শেয়ার ছেড়ে দিয়ে হয়ত আরও মাত্রা যোগ করবে। ফলে আরও মূল্যপতন ঘটবে। ফলাফল, শেয়ার বাজার আবার বিনিয়োগকারীদের আস্হা হারাবে এবং আরও একটি ধ্বস নামবে। যেটি হয়ত শেয়ারগুলো তাদের যৌক্তিক মূল্যে কেনাবেচা হলে ঘটত না।

দেখা যাক কি ঘটে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28859480 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28859480 2008-10-25 13:12:41
বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট
প্রথমত স্পেলচেকিং এর সাথে সাধারন টেক্সট ম্যাচিং এর কিছু পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ টেক্সট ম্যাচিং প্রদত্ত শব্দটির সাথে সম্পূর্ণ বা আংশিক ম্যাচ করা শব্দগুলো খুঁজে বের করে। কিন্তু স্পেল চেকিং এধরনের অক্ষরভিত্তিক (লেক্সিকাল) ম্যাচিং এর চাইতে উচ্চারণভিত্তিক (ফোনেটিক) ম্যাচিং বেশী জরুরী। যেমন অক্ষরভিত্তিক ম্যাচিং এ "সাধারন" এ সঠিক বানান "সাধারণ" দেখালেও "শাধারন" এ হয়ত কোন সাজেশন (বা সঠিক সাজেশন) খুঁজে পাবে না। কারন উচ্চারণ একই হলেও বানানে দুটি অক্ষরে ভুল রয়েছে। আর দুটি অক্ষর পরিবর্তন করে অনেক শব্দই সম্ভব। অন্যদিকে উচ্চারণভিত্তিক স্পেলচেকিং উচ্চারণকে গুরুত্ত্ব দিয়ে শব্দ খুঁজে থাকে। যেটি স্পেলচেকিং এ বেশি প্রয়োজন (কারন সাধারনত ভুল বানানেও উচ্চারণ একই থাকে)। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা পাবেন অরূপ ভাইয়ের এ পোস্টে

এবার প্রজেক্টগুলোর কথায় আসি -
১. পুষ্প: বাংলা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং নিয়ে সম্ভবত সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট হচ্ছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চালিত সেন্টার ফর রিসার্চ অন বাংলা ন্যচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং । সেখানে আমার এক বন্ধু নওশাদ প্রায় দু'বছর কাজ করেছে(বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার, নিউয়র্ক - এ ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং এর উপর গবেষণা করছে)। তাদেরই বানানো স্পেলচেকারের নাম পুষ্পস্পেলার। স্পেলচেকারসহ প্রোটোটাইপ এডিটরটি এখান থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

২. ফায়ারফক্স প্লাগ-ইন: সবার জন্য সুবিধা হত যদি কোন স্পেলচেকার যেকোন ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা যেত এবং রানটাইমে স্পেলচেকিং করত। মজিলা ফায়ারফক্সের স্পেলচেকিং ফিচারকে ব্যবহার করে তেমনি একটি প্লাগ-ইন ডেভেলপ করেছে অংকুর বাংলা । অংকুর বাংলার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে গেলে বলতে হয় - বর্তমানে লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউসনগুলোতে বাংলা ইন্টারফেস এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এ সেচ্ছাসেবক সংস্হার। যাহোক, প্লাগ-ইন টি ইন্সটল এর নিয়মাবলী পাবেন এখানে
এই প্লাগ-ইন এর সাথে সহকারী প্লাগ-ইন হিসেবে ডিক্সনারী সুইচার ইন্সটল করে নিবেন। তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলা ও ইংরেজী স্পেলচেকার পরিবর্তন করতে পারবেন।

ব্যবহার পদ্ধতি: বাংলা টাইপিং এর সময় নিচের ডিক্সনারী সুইচারের অপশন থেকে "bn-BD" সিলেক্ট করে নিন।

এরপর কোন শব্দ ভুল টাইপ করলে তার নিচে লাল আন্ডারলাইন দেখা যবে। সেই শব্দটিতে রাইট ক্লিক করে সঠিক শব্দটি সিলেক্ট করে দিন অথবা শব্দটি ঠিক মনে হলে "Add to dictionary" সিলেক্ট করুন।


বর্তমানে এই ফায়ারফক্স প্লাগ-ইন প্রায় ১,১০,০০০ শব্দ রয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু শব্দ ভুল রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কোন শুদ্ধ শব্দের সাথে প্রকৃতি-প্রত্যয় কিংবা বিভক্তি যোগ করলেও সেটি ভুল দেখায়। কাজেই সেগুলোও যোগ করতে হবে। আপনি চাইলে ডিক্সনারি শুদ্ধকরনে সাহায্য করতে পারেন। এ সম্পর্কে বিস্তারিত পাবেন ইন্সটলেশন ডকুমেন্টে ।আরেকটি অসুবিধা হচ্ছে, এটি ফায়ারফক্স ২ এর জন্য বানানো হয়েছিল। আর আপডেট করা হয়নি। কাজেই ফায়ারফক্স ৩ তে কাজ করবে না।

[বি:দ্র: এটি আমার সামহোয়্যার ইন এ লেখা প্রথম পোস্ট। আলসেমির কারনে প্রায় সময় মন্তব্যই করা হয় না, আবার পোস্ট <img src=" style="border:0;" />]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28837608 http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog/28837608 2008-09-02 00:01:47