ছাত্র জীবন থিকাই বড় বড় ল্যাখকদের পিছে লেড়ি কুত্তার মত ঘুরসে। ফাই ফরমাইশ ভি খাটসে বহুত। বাজার সদাই কিসু করসে বাধ্য হইয়া, কিন্তু পয়সাও মারসে অনেক।
কিন্তু লুকজন দেখসে এই লুক বড় বড় ল্যাখকদের লগে ঘুরে। চা পানি আগায় দ্যায়। সরল জনতা ভাবসে এই লুকও মনে হয় ল্যাখক।
ল্যাখক হইতে গ্যালে লিখতে হয়, তাই না পাইরা কিসু লিখালিখি করসে আমাগো বাংলা সাহিত্যের ছু-ছিল মামব্রা। সেইগুলি চরম অখাইদ্য। অনেকেই সেইসব লিখা পইড়া বমির টেবলেট কিন্না খাইসে।
বেক্তিগত হসন্তহীন নামে একটা গল্প লেইখা চান্দু লাইনে উইঠা পড়সে। অনেকেই ব দিয়া একটা গালি দিয়া কয়, এইটা কিসুই হয় নাই। মামব্রা ভাই অনেক তৈল ডলসেন এনার ওনার পিছে, একটু স্বীকৃতির লিগা।
শ্যাষম্যাস অনেক ত্যালতুল ডইল্যা মামব্রা ভাই এখন নিজেরে ল্যাখক কইয়া পরিচয় দিতারেন। তা-ও মাজেমইদ্যে এরে ওরে ত্যাল দিয়া লাইনে রাকতে হয়। কে জানে কুন বাতাসে লুঙ্গি উইড়া রহইস্য বাইর হইয়া পড়ে।
মামব্রারে কই, তুই কুনো ল্যাখক না। ল্যাখা ঘাইটা খাস, বাস ঐটুকুই। ত্যাল দিয়া জাতে উঠসস। নিজের যোগ্যতায় তরে য্যান কুনদিনও কিসু করতে না হয়, সারা জিন্দেগি য্যান ত্যাল ডইলাই খাইবার পাস, এই দুয়া করি। নিজের যুগ্যতায় কিসু করতে গ্যালে তরে চিড়িয়াখানার বিকল্প বান্দরের চাকরি ছাড়া আর কিসু জুটত না। শফিক শয়তানের ভাড়াইট্যা সাহিত্যবেশ্যার চাকরি য্যান সারাজীবন করতারস। আমিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


