somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লাইন করতে মন চাইতো

২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তখন ক্লাস ফোরে পড়তাম। বড় ভাইরা বলতো এই বয়সে পিরিত করলেতো দাঁত পইড়া যাইবো :) এই বয়সে লাইন করবা। আমাদের ক্লাসে একটা মোটা মাইয়া ছিলো। আমারেই দেখলেই কেমুন জানি ড্যাব ড্যাব কইরা তাকাইয়া থাকতো। ক্লাসের সবাই ওরে দেইখ্যা ভয় পাইতো। আমারও ওরে দেখলে কেমুন জানি কইলজাটা শুকাইয়া যাইতো :) । একদিন এক বড় আপা কইলো ওরে দেখলেই যেনো বলি পাঁচ*আটা চল্লিশ :)

একদিন দেহি ঐ মোটা মাইয়া রাস্তা দিয়া একলা একলা স্কুলে আসে। আমিও একলা। আশে পাশে তাকাইয়া দেহি কেউ নাই। তাই সাহস করে বলে ফেল্লাম পাঁচ*আটা চল্লিশ :)। ওমা মাইয়াতো দেহি কোমরে ওরনা প্যাচায় :)। আমারে রাস্তায় ধইরা এমুন যাতা দিলো কইলজাটা শুকাইয়া গেলো :)। খালি পানি খাইতে মন চাইতেছিলো। তয় যাতা খাওয়ার পর থেকেই ওর সাথে লাইন করতে মন চাইতো :)

একদিন সাহস করে বইল্যা ফেললাম তোমার লগে লাইন লাগাবার চাই। ভাবছিলাম রাজি না হইলে বড়জোড় একটা যাতা দিবো :)। কিন্তু মাইয়াতো দেহি রাজি হইয়া গেলো। আমারে কয় যাতা দেওয়ার পর থাইক্যা নাকি আমারে ভুলবার পারেনা। শুয়নে-স্বপনে নাকি শুধু আমারেই দেখে :)। আমি কইলাম তাইলে তো সমস্যা, তাইলে আরেকটা যাতা দাও।

শিল্পী নামে একটা মাইয়া ছিলো। ও আমার সাথে লাইন লাগাবার চাইতো। শেষে ঐ মোটা মাইয়ার লগে আমার লাইন দেইখ্যা স্যারের কাছে বিচার দিলো। স্যার আমাদের ডাইক্যা নিয়া কইলো কোন লাইনে আমাদের গাড়ি চলতাছে। আমি কিছু না বুঝেই জানের দিকে তাকাইয়া রইলাম। স্যার কয় লাইন লাগাবার পারছো তয় কোন লাইনে গাড়ি চলে জাননা এইডা কেমুন কথা :)। কইয়াই এমুন মাইর দিলো সেদিনই ১০৪ ডিগ্রী জ্বরসহ লাইন ছুইট্রা গেলো।

শিল্পী আমারে দেহে আর হাসে। সেই থেকে আমার আবার ওর লগে লাইন লাগাবার খায়েশ হইছে। শেষে ওর লগেও লাইন দিলাম। সেইটা কেমনে ছুটছে সেইটা আবার আরেকটা বিরাট ইতিহাস। অন্য একদিন শুনামুনে। আপাতত বইসা বইসা মাইনাস গুনি।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫২
২৮টি মন্তব্য ২৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×