সুরঞ্জনা, ওই খানে যেও নাকো তুমি
বলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে
ফিরে এসো সুরঞ্জনা
সোনালী এই অগ্নিঝড়া রাতে।
তাকে আমি কভে, কখন প্রথম দেখেছিলাম ঠিক মনে নেই।দিন-ক্ষণ-তারিখ ছাড়িয়ে স্মৃতিতে আজ শুধু জেগে আছে টুকরো টুকরো কিছু কথা-বাক্য-হাসি অথবা সবার চোখকে ফাকি দিয়ে একটু অপলক,অপ্রস্তুত চোখে থাকিয়ে থাকা।
আর কখনো কখনো আমার কিছু কান্না.....
অনেক কান্নার ঢেউ তোলা নদী.....।
ভালোবাসা বুঝি এমনি নস্টালজিয়া হয়।শুধুই হৃদয় থেকে হৃদয়ে চলে কষ্টের আনাঘোনা।কোন এক কবির কবিতায় পড়েছিলাম "ভালোবাসার তাঁতে যে একবার তাঁত বুনেছে, সে কখনো জিততে পারেনা"। আমিও পারিনি জীবনের কোন জায়গায় জিততে।জীবন শুধু সংগ্রাম হয়েই রইলো।নিয়ে গেলো যা কিছু লেগেছিলো ভাল কিংবা ভেসেছিলাম ভালো।দিতে পারিনি কিছুই।
বড় বেশী অধিকারবোধের জন্ম দেয় এই নস্টালজিয়া ভালোবাসা।
যুক্তি মানেনা.....
কোন সৌজন্য মানেনা...মনে হয় মানুষটি বুঝি আমার।কিন্তু কেউ কি কারো হতে পারে।মানুষতো শুধু মানুষ নয় এক একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।কিন্তু আমার জন্য সেটাই প্রথম ছিলো অন্তরের অন্তস্থল থেকে এটুকু জানি।
খুব জানতে ইচ্ছে করে আমার এ ভালোবাসা সেকি জানে?আমাকে কি কখনো তার মনে পড়ে?যখন আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি পড়ে, পূর্ণিমার চাদ উঠে মাথার উপরে, যখন পুরোনো কোন গান গেয়ে উঠে সে একটুও কি মনে পড়েনা আমাকে।আমাদের যে কিছু সময় ছিলো হোকনা সে একপেশে, হোকনা সে খুব সামান্য,অনেক কষ্টের তবুও তো ছিলো।
আমিতো স্মৃতির ক্যালেন্ডারের পাতা আজও উল্টিয়ে যায় এ জীবনের নৌকা ডুবিতে এখনো অনেকটা পথ বাকি।এখনো অনেকটা পথ হেটে যেতে হবে জীপসীদের বেশে।
আমিতো 'সপ্তপদীর' কৃষ্ণেন্দু হতে চাইনি-তবুও আমি তাই।আর রিনা ব্রাউন হওয়ার কথা যার সে হইতো জানে না তার পথ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

