ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যায়।
আমি তখন ক্লাস টুতে পড়ি। মামার বাড়িতে বেড়াতে গেলাম আম্মার সাথে। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের যে দিকে তাকানো যায় শুধু সোনালী ধানের সমারোহ। শীতের ভোরের কুয়াশা মাড়িয়ে আমরা মানে মামাত ভাই-বোনেরা সবাই মিলে কোদাল, পায়লা নিয়ে চলে যেতাম কাটা ধান ক্ষেতে। ইদুরের গর্ত খুজঁতাম, আর সেই গর্তগুলো খুঁড়ে খুঁড়ে এগুলোর ভিতর থেকে ধান বের করতাম। একসময় দেখতাম সেই ধানে পায়লা ভরে গেছে।
তারপর সেই ধান নিয়ে চলে যেতাম পুবের পাড়া সবুজা বোর কাছে। তাকে ধান দিয়ে আমরা আনতাম গরম গরম ভাপা পিঠা, ঐ মাত্র ভাজা গরম মুড়ি অথবা খই। সেইগুলো নিয়ে আমরা চলে আসতাম মামার বাড়িতে, তারপর সবাই মিলে মজা করে খেতাম।
আমাদের যে মেজো মামা ছিলো, সে আবার এগুলো পছন্দ করতনা। সবসময় বলতো বাড়িতে কি ধানের অভাব আছে? বড় মামা আর ছোট মামা বলতো বাচ্চা পোলানরা এইগুলোতে কি মজা পাই সেটা যদি তুমি বুঝতা তাইলে এই বয়সে তুমিও লেংটি মাইরা নাইম্মা পরতা।
সেই দিন গুলো সত্যি সত্যিই অনেক মিস করে। যখন এগুলো মনে হয় বুকের ভিতর হাহাকার করে একটা শূণ্যতা সৃষ্টি হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

