আমার প্রিয় পোস্ট

একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণ আর আমাদের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির সমীকরণ এবং আওয়ামীলীগ-ভারত সম্পর্ক

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮

শেয়ারঃ
0 0 0

বেশ ঢাক-ঢোল পিঠানো হলো। টিভি-পত্রিকায় লেখক, বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিবিদ, কলামিস্টদের কথার শব্দমালায় ভরে উঠলো। বিরোধীদলীয় নেত্রী পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলন ঢেকে প্রচ্ছন্ন হুমকী এবং সাধুবাদ নেওয়ার তড়িকা পর্যন্ত বললো। বুঝাই যাচ্ছে এবারের সফর অতীতের সমস্ত সফরের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হয়েছে। মূলত এক-এগারোর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নিরুঙ্কুষ জয় এবং আওয়ামীলীগ সরকারের পরবর্তী কিছু সিদ্ধান্ত ও কার্যক্ষমই যে এর মূল কারন সেটা বুঝা যায়।
বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিবিক্রেতারা এখনো মনে করে আওয়ামীলীগ সরকারের নিরুঙ্কুশ জয়ে বিদেশীরা বিশেষ করে ভারতের হাত আছে। অনেকেই ভাবে মঈনউদ্দীনের সফরের প্রাপ্তি ৬ ঘোড়ার পেটে করে ভোট মেশিনও চলে এসেছিলো যা আওয়ামীলীগকে জিততে সহায়তা করেছে। আওয়ামীলীগ সরকারের বিশেষ কিছু কার্যক্ষমেও ব্যপারটা উদ্বেগজনক এবং সন্দেহমূলক বলে প্রমান হয়েছে। এর মাঝে -
১। সমুদ্রসীমা নিয়া ভারতের জাতিসংঘে দাবি জানানোর অনেকদিন পরও বাংলাদেশের কোন ভূমিকা না নেওয়া। সাংবাদিক,কলামিস্ট,রাজনীতিবিদ,বুদ্ধিজীবিরা যখণ এ ইস্যু নিয়ে সরগরম তখন একেবারে শেষ মুর্হুর্তে এসে বাংলাদেশের পক্ষে দাবি জানানো।
২। টিপাইমুখী বাঁধ নিয়ে যখন একমাত্র আওয়ামীলীগ ছাড়া সারা বাংলাদেশের মানুষ সরগরম তখন বাঁধ পরিদর্শন শেষে আব্দুর রাজ্জাকের নির্লজ্জের মতো বক্তব্য - "টিপাইমুখী বাঁধ হলে বরং বাংলাদেশই সুবিধা পাবে।" আজো বুঝতে পারিনা বাংলাদেশ কি ধরণের সুবিধা পেতে পারে?
৩। উলফার প্রধান নেতাদেরকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ভিতরে ধৃত এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যথারীতি অস্বিকার। যদিও শেষ পর্যন্ত রাজখোয়ার আদালতের বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চরম মিথ্যুক সেটা প্রমানিত হয়েছে। এখানে সবচেয়ে বেশী উদ্বেগজনক ব্যপার ছিলো একটা স্বাধীন দেশে অন্যদেশের সামরিক বাহিনী ঢুকে আসামী ধরা এবং সরকারের জনগণকে অন্ধকারে রাখার ব্যপারটা।
৪। ভারতীয় বাহিনীর বাংলাদেশে ভারতের দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য।
৫। কিছুদিন আগে বাংলাদেশকে বাফার স্ট্রেট বলা হলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোন প্রতিবাধ না করা।

যাই হোক একটা বিশেষ কারনে সরকারের সফর কিছুদিন পিছিয়ে গিয়েছিলো। এর মাঝে হঠাৎ করে বাংলাদেশের প্রথম সাড়ির দৈনিকগুলোতে নিউজ হয়ে আসে তিস্তা নদী নিয়ে একটা চুক্তি হয়ে যেতে পারে এ সফরে। খবরটা ছিলো নিঃসন্দেহে ধারুন।
১২৪ জন পয়গম্বর নিয়ে জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের উদ্দেশ্য রওনা দিলেন। রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে এতো লোকের সফর দেখে অনেকের চোখ কপালে উঠলো। আওয়ামীলীগেরই এক নেতাকে আফসোস করতে দেখলাম এই বলে যে - শেখ হাসিনার বাড়ীর দারোয়ানকে কেনো নেওয়া হলোনা। তাৎক্ষণিক আরেকজন নেতা উনাকে শুধালো যে, দারোয়ান নিয়ে গেলে বাসা পাহাড়া দিবে কে? কথা বাড়তে থাকে, কথায় রং লাগে। এর আগেরবারের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সম্মানসূচক স্ট্রেট গেস্ট হাউসে থাকতে দিলে উনি নাকি উনার সমস্ত আত্নীয়স্বজন নিয়ে উঠেছিলেন। যা ছিলো রীতি বর্হিভূত। অনেকেই এ সময় এটাকে রিফিউজি ক্যাম্প বলেও সমালোচনা করেছিলো।

এবারের ভারত সফরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের লালগালিচা স্বংবর্ধনা দেওয়া হইলো। যা জাতির জন্য বিশেষ গর্ব বয়ে এনেছে। বিশেষ করে আওয়ামী ঘরানার পত্রিকাগুলো যেভাবে লালগালিচাকে শিরোনামে ব্যবহার করছে তাতে এইটা মনে হওয়াটা নিশ্চিত।

সম্মানসূচক ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার। যা এ দেশের দ্বিতীয় কেউ পেলো।

বাংলাদেশের জনগণের জন্য বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বিমানবন্দরে বললেন - "বাংলাদেশের জনগণের জন্য বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা নিয়ে দেশে ফিরছি।" এমন ভাবে বলেছেন যেনো ভারতের কেউ বাংলাদেশ সফরে তা বয়ে নিয়ে এসেছে।

১০০ কোটি ডলারের ঋণের বোঝা

২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

নেপাল-ভারতে ট্রানজিটের প্রতিশ্রুতি

মারহাবা। মারহাবা। মারহাবা। মারহাবা।

ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করছি ভারতে সফরে বাংলাদেশের কোন প্রাপ্তিই নেই।

১০০ কোটি ডলারের ঋণ কত সুদে কিভাবে কতদিনে দিতে হবে তা জাতির সামনে পরিষ্কার করা হয় নাই। এই ঋণ শুধুমাত্র রেলওয়ে খাতে এবং বাসের জন্য ব্যবহার করা হবে। সুতরাং এই ৭ হাজার কোটি টাকা যখন শুধুমাত্র রেলওয়ে এবং বাসের জন্য ব্যবহার করা হবে তখন এই ভেবে চিন্তিত হচ্ছি যে কত কোটি টাকা এইখান থেকে লুটপাট হবে।

২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত আশা জাগালেও চিন্তা দূর হয় নাই। যেখানে ভারতই তাদের বিদ্যুৎ চাহিদা মিটাতে পারছেনা সেখানে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দিবে কিভাবে? কি স্বার্থ হাসিলের জন্য? আর কত টাকার বিনিময়ে এই বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। ত্ত্বাবাধয়ক সরকারের আমলে যখন চালের সংকট তৈরী হয়েছিলো তখন ভারতে চাল দিয়েছিলো যার কেজি পড়েছিলো ৪৫ টাকার উপরে।

তিস্তা নিয়ে আগামী তিনমাসের মাঝে মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক শুরু হবে। এইটাকে যদি কেউ সাফল্য বিবেচনা করেন তাদের দলে আমি নই। যেখানে এইটা নিয়ে একটা চুক্তি হওয়ার কথা সেখানে বৈঠকের আশ্বাস।

ভারতকে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করতে দিবে। কিসের বিনিময়ে? নেপাল-ভারতে ট্রানজিটের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে?

টিপাইমুখ প্রশ্নে ভারত বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কোন পদক্ষেপ নেবে না ভারত সেই রকম আশ্বাস। যা শুনলে শুধুমাত্র ফারাক্কার স্মৃতি ভেসে উঠে।

শুল্কমুক্ত সুবিধার আশ্বাস শুনতে শুনতে কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার জোগাড় হইছে।

জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা সকাল থেকেই এয়ারপোর্টের রাস্তা দখল করে বিকেলে যেভাবে সফর ফেরত প্রধানমন্ত্রীকে ফুল ছিটালো তাতে মনে হইছে উনি বিশ্ব জয় করে ফেলেছে।

অথচ বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল ভারতে প্রদর্শন হয়না। সেটা নিয়ে কোন কথায় হয়না।
প্রতিদিন সীমান্তে বিসিএফের গুলিতে মানুষ মারা যায় নেই কোন প্রতিবাদ।
বিসিএফের সহায়তায় ভারতের চোরা পণ্যতে দেশের বাজার সয়লাব নেই কোন প্রতিবাদ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরশেখ হাসিনাখালেদা জিয়াটিপাইমুখী বাঁধবাংলাদেশবাংলাদেশের রাজনীতি ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০১
আবু সালেহ বলেছেন:
কোন প্রাপ্তি নেই তবে প্রদান আছে....
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: কথা সত্য।

২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩
সুধাসদন বলেছেন: ভারত যা চেয়েছে তা পেয়ে গেছে। আমরা যা চাই তা হবে, হচ্ছে এভাবেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। সাথে ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার পেয়েছি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: কি হবে?

৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
তাহের বলেছেন: *১০০ কোটি ডলারের ঋণের বোঝা *২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ *নেপাল-ভূটান-ভারতে ট্রানজিটের প্রতিশ্রুতি

কম কিসে? এর সবই তো আমাদের প্রয়জন।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: হ ঠিকই কইছেন আমাদের ঋণের বোঝাটা খুবই জরুরী। কিন্তু চিন্তা করেছেন কি কখনো কত সুদে কত বছরের জন্য এই ঋণ জনগণকে বহন করতে হবে।
উনারা প্রতিশ্রুতি দিসে আর আমরা উনাদেরকে সব দিয়ে দিসি। ফারাকটা কি বুঝতে পারেন?

৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
াহো বলেছেন: রবীন্দ্রজয়ন্তী Problem ,but host Cricket together is fine



২০১১ সালে দুই দেশ যৌথভাবে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকেও জাতীয় স্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়েছে জামায়াত।

-------------------------------------------------------------------------------------
Why there is no Anti Burma

We have problem with Burma.Muslim Killing.Border Issue.

Last week ,there is a meeting in Dhaka.

Khalada ,BNP said about this in last 10 years in Open Meeting?

Any blogger write any feature?

--------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশকে কেন এই ঋণ দিলো ভারত?


UK give us laon.

But UK govt also take laon to reduce budget deficit.

-----------------------------------------------------
Pakistan do take his people from Bangladesh in 30 years.

But this is not a election issue.

-------------------------------------------------

ভারত কখনই কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, করবেও না।

A: Is Pakistan give us shaer of Assest of 71.Divide the country but not assest.

Is he takes his country man from Bangladesh?

Which country is best in the world?


--------------------------------------------------
আমগো জনগন কমানোর লাইগ্যা পাবলিকরে সীমান্তে গুলি করে মারে।

sad incident.mid night people try to cross the border.


but pakistan kill us 30 million
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: আবালের কিছু বুইজা না বুইজা কোথ্থেকে কপি-পেস্ট করলেন বুঝলাম না।

জামাত কি কইলো না কইলো হেইডা নিয়ে আমি মাথা ঘামায় না। জামাতের ভারতের এলার্জি থাকতে পারে কিন্তু এই ব্লগ লেখকের ভারতে এলার্জি নাই। এখানে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির কথা বলা হইতাছে।

মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের লোকজনকে ফিরত নিতে হবে।

দাতা দেশগুলো যখন বাংলাদেশকে ঋণ দেয় তখন কত % সুদে দেয় তা জনগন জানে।

পাকিস্থান তাদের কৃতকর্মের ফল পাইতেছে সামনে আরো পাইবো।

--------------------------------------------------
আমগো জনগন কমানোর লাইগ্যা পাবলিকরে সীমান্তে গুলি করে মারে।

sad incident.mid night people try to cross the border.


but pakistan kill us 30 million

ালা আবাল। এইজন্য ভারতের মানুষ মারা জায়েজ হয়ে গেছে।

৬. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বাংলাদেশের প্রাপ্তিতে কি আসে যায়, হাসিনা তো ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার পেলো, কম কিসে :-P
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: ;)

৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১১
াহো বলেছেন: ভারতীয় বাহিনীর বাংলাদেশে ভারতের দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য


ans.

USA /UK USE tank in embassy.no body knows the incident.if india use piston , it will be in media.


We have problem with Burma.Muslim Killing.Border Issue.is khalada say anything in meeting?


burma topics written in blog?
৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১১
ও.জামান বলেছেন: জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণ আর আমাদের প্রাপ্তি বিষযে মাহাবুব মোর্শেদ সাহেবের মন্তব্য কপি-পেস্ট করে দিলাম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বাংলাদেশের সেনাপতি মইনুদ্দীন কোন প্রটোকলে ভারত গেছিলেন আল্লাহ মালুম। ভারত গিয়া কর্তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করছিলেন। আসার সময় ছয়টা ঘোড়া নিয়া আসছিলেন। সেই ঘোড়া নিয়া অনেক কানাঘুষা হইছে দেশে। মইনুদ্দীন ফখরুদ্দীনের যুগ শেষ হওয়ার পর ঘোড়াগুলা কই আছে কে জানে। কিন্তু ঘোড়াগুলা যথেষ্ট ডিম পাড়তেছে বোঝা যায়। এই অশ্বডিম্বগুলা জরুরি অবস্থার শাসনের ফল। ঘোড়া আনলে সে ঘোড়ার ডিমও আনতে হবে। ডিম আনার প্রতিশ্রুতি দিয়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসছিল বইলা অনেকে ধারণা করেন। ফলে, সরকারের একবছর যাইতে না যাইতে শেখ হাসিনা ডিম আনতে বাধ্য হইছেন।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৯. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৩
াহো বলেছেন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বাংলাদেশের সেনাপতি মইনুদ্দীন কোন প্রটোকলে ভারত গেছিলেন আল্লাহ মালুম?


Ans

there is no legal restriction to visit india.


১০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৪
মতিউর রহমান চরিয়া বলেছেন: "ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করছি ভারতে সফরে বাংলাদেশের কোন প্রাপ্তিই নেই।"
- একমত।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২
ঈবলিশ বলেছেন: ধরলাম হাসিনা কিছুই আনতে পারে নাই।
দয়া কইরা কেউ কি বলতে পারেন ভারত থেকে বাংলাদেশের কোন সরকার এপর্যন্ত কিছু আনতে পারছেন?
আমার শুধু বিদ্যূৎ প্রয়োজন,যার কিছুটা হলেও পাইছি
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: আপনের ক্ষিধা লাগছে তাই খাবারে বিষ আছে না নাই তা বিবেচনা না করেই খেয়ে ফেলবেন?
বিদ্যুৎ পাইছে ভালো কথা। কিন্তু কিসের বিনিময়ে পাইছে? কতটাকায় পাইছে ঐ চিন্তাগুলো একবার করছেন?

১২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২
মতিউর রহমান চরিয়া বলেছেন: হাসিনা ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার পেলেন রাষ্টের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে - কিন্তু পুরষ্কারের টাকা জমা হবে হাসিনার পারিবারিক এক তহবিলে, যার নাম দেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু কল্যান ট্রাষ্ট ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ;)

১৩. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫
াহো বলেছেন: মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের লোকজনকে ফিরত নিতে হবে।


Nothing written in the blog aboout burma.


Last week ,there is a meeting in Dhaka with Burma

Khalada ,BNP said about this in last 10 years in Open Meeting?

Any blogger write any feature?

১৪. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৭
াহো বলেছেন:

USA /UK use tank in embassy.no body knows the incident.if india use piston , it will be in media.
১৫. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১
আবু সালেহ সুমন বলেছেন: প্রতিদিন সীমান্তে বিসিএফের গুলিতে মানুষ মারা যায় নেই কোন প্রতিবাদ -এটাকে এত নেতিবাচকভাবে দেখছেন কেন? বিএসএফ তো পরোক্ষভাবে আমাদের দেশের অতিরিক্ত জনসংখ্যা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তাইনা? তাই হয়তো নেত্রী কিছু বলার প্রয়োজন মনে করেননি। এভাবে সব বিষয়কেই ইতিবাচকভাবে দেখা যায়, দরকার শুধু মনোভাবের। দুঃখজনক হলো আপনার মতো কতগুলো কাঠখোট্টা মানুষের এই মনোভাবটার খুব অভাব। :) :) :)
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: হে হে হে আপনেরে ধইন্যা আমার মনোভাবে আঘাত হানার জন্য ;)

১৬. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৫
মো: আটিকুর রহমান বলেছেন: ইটালিয়ান সরকার চিন্তা করছে তাদের সামুদ্রিকবন্দরকে সম্প্রারিত করার।এতে নিজেদের বন্দরের মাধ্যমে ইউরুপের অন্যান্য দেশের মালও
এই বন্দরে খালাসের মাধ্যমে অ্তিরিক্ত কর আদায় ও কর্মসংস্হানর ব্যবস্হা হবে।অপর দিকে ইউরোএশিয়ান রাস্তা ও ট্রেন লাইন করার পরিকল্পনা করেছে।অপরদিকে আমরা বাংলাদেশীরা কি করছি ?
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে করতে পারে। কিন্তু সেটার জন্য সবার আগে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্যমত। তারপর প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট রুপরেখা-পরিকল্পনা। চাইলো আর দিয়া দিলাম তাইলেতো স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাইনা?

১৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: মতিউর রহমান চরিয়া বলেছেন: "ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করছি ভারতে সফরে বাংলাদেশের কোন প্রাপ্তিই নেই।"
- একমত।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১
মোসাজস বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার পেলেন-এটাই আমাদের "বিরাট অর্জন".... আর কিছু দরকার আছে কি?
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার দিয়ে এ দেশের জনগণ কি পেলো সেই হিসাব মিলাতে পারলাম না। কিন্তু কি হারাচ্ছি তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.yunuscse.com/

অন্যায়ের প্রতিবাদ করে লাশ হতেও আপত্ত নাই। শুধু মিনতি লাশটা যেন শেয়াল-কুকুরে না খেয়ে ফেলে, আমার মা-বাবার কাছে যেন পৌছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ