আমাদের দেশ বাংলাদেশ। পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো অসংখ্য নদ-নদী ছড়িয়ে আছে আমাদের দেশের চারদিকে। সুজলা-সুফলা এই দেশকে নিয়ে কত কবি রচনা করেছে কত কবিতা। কবি লিখেছিলেন -
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি।
কবি হয়তো এখনকার অবস্থা জানলে লজ্জায় পেতো। প্রিয় জন্মভূমি এখনো রক্তাক্ত। এখনো হায়েনাদের কামড়ে প্রতি মুহূর্ত্ত ক্ষত-বিক্ষত হতে হচ্ছে মাকে, প্রিয় জন্মভূমিকে।
আরো দুটি তাজা প্রাণ ঝরে গেলো। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সশস্ত্র হামলায় বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবু এবং [link||ছাত্রলীগ নামধারী যুবকেরা যুবলীগের ইউসুফ আলীকে পিটিয়ে হত্যা করেন।]
পত্রিকার পাতা খুললে প্রতিদিনই আওয়ামীলীগের সোনার ছেলেদের এসকল অপকর্মের খবর দেখতে পাই। আওয়ামীলীগের টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দখল, নিয়োগ বাণিজ্য, দলীয়করণের কারণে রাজনীতি এখন দুর্বৃত্তপীড়িত হয়ে পড়ছে। কিন্তু দিন বদলের স্বপ্ন দেখিয়ে আওয়ামীলীগ এ কি পরিবর্তন দেখাচ্ছে?
প্রশাসন কাঁদছে, ঘোষণা দিয়ে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সাংসদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আর কি চায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার? কিছুদিন আগে নিউইয়র্কে উনি বলে আসলেন দেশের অবস্থা খুবই ভালো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চুপ কেনো?
জনগণের এমনিতেই নাভিশ্বাস উঠে গেছে। গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, যানজট প্রতিটি সেক্টরেই অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ কি দিন বদলের নমুনা?
প্রধান বিরোধী দল হিসাবে বিএনপির সুযোগ ছিলো এই সকল ইস্যু নিয়ে সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করা। জনগণের কল্যাণার্থে জনগণের পক্ষ নিয়ে সরকারকে সঠিক পথে চলতে বাধ্য করানো উচিত ছিলো বিএনপির। কিন্তু প্রধান বিরোধী দলেরও তৈথবৈচ অবস্থা। বিএনপির কুল রাখি না শ্যাম রাখি এ পরিস্থিতির শুরু হয়েছে ১/১১ এর পর থেকেই। একদিকে ১/১১ এর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দল অন্যদিকে সরকারের দমন-পীরণে বিএনপির অবস্থা সত্যিকার অর্থেই নাজুক। বিচার বিভাগ কে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্লজ্জকর ভাবে আওয়ামীলীগ সরকার ব্যাবহার করছে বিরোধী দল দমনে। ফলে কথায় কথায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপর মামলা করা হচ্ছে। সেই সাথে দলের থিংক ট্যাঙ্ক লেজুর ভিত্তিক রাজনীতির স্বার্থে প্রতিনিয়ত চেয়ারপারসনকে করছে বিভ্রান্ত।
ফলশ্রুতিতে বিএনপি ধুঁকছে তো ধুঁকছেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

