somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> তোমরা সবাই ভাবো আমি হলাম বিশ্বের সেরা লুল <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> তারা ভাবে কোত্থেকে এসেছে? দূর যত্তোসব ছাই।
সুন্দরী দেখে যদি হয় আমি উদাস
তারা বলে ভাব কতো? শব্দ দূষণ করে হেটে যায় খটাস খটাস।
ভালবেসে যদি আমি দেই ফুল
তোমরা সবাই ভাবো আমি হলাম বিশ্বের সেরা লুল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29538141 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29538141 2012-02-09 23:58:16
লুটেরা আওয়ামীলীগ সরকার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কেনো?
আমরা জানি ভারতের কিছু কোম্পানী ছাড়া নতুন করে কাউকে বিদ্যুতের কোন প্ল্যান দেওয়া হচ্ছেনা। তাহলে হঠাৎ করে জনজীবন বিপর্যস্ত করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কেনো?

নাকি আত্নীয়-স্বজন,দলীয় লোকজনকে দেওয়া বিদ্যুতের প্ল্যান্ট থেকে বেশী দামে বিদ্যুত কিনার লক্ষ্যে হঠাৎ করে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29509551 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29509551 2011-12-25 00:43:41
গণতন্ত্র অবরুদ্ধ পুলিশের বেষ্টনিতে। গণতন্ত্রকে ইয়াহিয়া আমলে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য, ধিক্কার! আওয়ামীলীগ সরকারকে।



ছিঃ এ লজ্জা কার?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29507233 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29507233 2011-12-21 17:05:41
ভাগ্নের খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, সেই সাথে একনাগারে কাশ ঢাকাতে ভালো শিশু বিশেষজ্ঞ কোথায় বা কাকে দেখানো যায়। রিপোস্ট রুহান খুবই শ্বাসকষ্টে ভুগতেছে। অনেক দূর থেকেই হাফরের শব্দ শোনা যায়। তার কষ্ট দেখে আমার কান্না আসে। জন্মের পর থেকেই এই সমস্যা চলছে। আগে কম হতো। এখন খুব ঘন ঘন এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ময়মনসিংহে সমস্ত ডাক্তার দেখানো শেষ! আগে নেবুলাইজার নিলে কিছুটা কমতো। এখন তাতেও কাজ হচ্ছেনা। ইনহেলারেও কোন কাজ হয় না।

ভালো একজন ডাক্তারের রেফারেন্স সেজন্য খুব দরকার। দয়া করে জানান প্লিজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29507138 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29507138 2011-12-21 14:31:35
ভাগ্নের খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, সেই সাথে একনাগারে কাশ ঢাকাতে ভালো শিশু বিশেষজ্ঞ কোথায় বা কাকে দেখানো যায়? রুহান খুবই শ্বাসকষ্টে ভুগতেছে। অনেক দূর থেকেই হাফরের শব্দ শোনা যায়। তার কষ্ট দেখে আমার কান্না আসে। জন্মের পর থেকেই এই সমস্যা চলছে। আগে কম হতো। এখন খুব ঘন ঘন এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ময়মনসিংহে সমস্ত ডাক্তার দেখানো শেষ! আগে নেবুলাইজার নিলে কিছুটা কমতো। এখন তাতেও কাজ হচ্ছেনা।

ভালো একজন ডাক্তারের রেফারেন্স সেজন্য খুব দরকার। দয়া করে জানান প্লিজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29506854 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29506854 2011-12-21 00:24:29
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিজয় দিবসের সকালে সরকার ও আওয়ামীলীগের এ কেমন আচরণ!
কিন্তু সাভার সেনানিবাসের আগে পুলিশ বিরোধীদলীয় নেত্রীর গাড়ী আটকে দেয়। দীর্ঘক্ষণ বাগবিতন্ডার পর পুলিশ খালেদা জিয়ার গাড়ি ছেড়ে দেয়। তারপর সকাল সোয়া ৭টার পর দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন খালেদা জিয়া। শহীদদের স্মৃতির প্রতি সন্মান জানাতে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির টানানো ব্যানার-ফ্যাস্টুন ছিঁড়ে ফেলে। বিএনপি প্রতিবাদ জানালে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ কেমন আচরণ! প্রতিবছরই বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিরোধী দলীয় নেতা সাভারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। বিভিন্ন দল, সংগঠন, সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

কিন্তু এবার সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে বিরোধী দলীয় নেতা যথাযথভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেননি। এটা চরম লজ্জাজনক! দুঃখজনক!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29504052 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29504052 2011-12-16 14:59:49
আমার আদরের ভাইগ্না



হঠাৎ করে চোখের সমস্যা। ডাক্তার বললো ২ চোখের পাওয়ার দুই রকম। সুতরাং আগে ২ চোখের পাওয়ার এ্যাডজাস্ট করতে হবে। তাই চোখের ব্যয়াম দিসে। একেক চোখ ৪ ঘন্টার জন্য বন্ধ রাখে প্রতিদিনই।

আদরের ভাইগ্নার জন্য দোয়া চাচ্ছি।

~**~একটু লুতুপুতু মামু-ভাইগ্নাময় পোস্ট ~**~]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29485409 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29485409 2011-11-17 23:28:44
আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক দেওলিয়ত্বের প্রমাণঃ আওয়ামীলীগের মেয়র লোকমান হত্যাকাণ্ড, টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর মদদ, বিএনপির খায়রুল কবীর খোকন গ্রেপ্তার, পুলিশের ৫...
তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় নিহত মেয়র লোকমানের চাচা কুতুব উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, দলের কমিটি গঠন নিয়ে কোন্দল ছিল। তার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

কিন্তু আমরা দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ্য করলাম, হত্যাকান্ডের রাতেই কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই ৫৪ ধারায় নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

নিহতের চাচা তাৎক্ষণিকভাবে দলীয় কোন্দলে নিহত হওয়ার কথা বললেও পুলিশ কিসের ভিত্তিতে, কেনো বিএনপির সাবেক সংসদকে গ্রেপ্তার করলো?

লোকমান মারা যাওয়ার দেড় দিন পরও এ নিয়ে থানায় কোনো মামলা হয়নি। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বৃহস্পতিবার বিকালে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন লোকমানের ভাই ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম নেওয়াজ। নরসিংদী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) শামীম বলেন, "বিএনপি নেতা খোকনকে আসামি করে মামলা করতে প্রশাসনিকভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে।" তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

ঘটনার বিস্তারিত জানা যায়, মন্ত্রী ও নরসিংদীর সংসদ সদস্য টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে লোকমানের দূরত্ব তৈরি হয়েছিলো। কিছুদিন আগে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারিতে লোকমানের কয়েকজন অনুসারীরা মামলার আসামি হয়ে কারাগারে যান। ওই ঘটনার পর জেলা ছাত্রলীগ গত ২২ অক্টোবর মন্ত্রী রাজুর বিরুদ্ধে নরসিংদীতে ঝাড়– মিছিল করে। জেলা ছাত্রলীগের ওপর লোকমানের নিয়ন্ত্রণ থাকায় মন্ত্রী এর দায়ভার মেয়রের ওপরই চাপান বলে জানা যায়।

স্থানীয় নেতারা জানান, গত বছর নরসিংদী কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচনের সময় রাজু-লোকমান মতদ্বন্দ্ব দেখা দেয়। পরে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে লোকমানের ছোট ভাই শামীম ভিপি হন। এর পাশাপাশি পৌর নির্বাচনেও লোকমান পুনরায় জয়ী হন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও নরসিংদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম কাইয়ুম বলেন, "এ সব ঘটনার জের ধরে মন্ত্রী ও তার ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চুর মদদেই লোকমান হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।"

শামীম বলেন, "মন্ত্রীর হুকুমে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় লোকমান বলেছিলেন- 'এমন নেতা আমাদের দরকার নেই'। এ বক্তব্যের কারণেই তাকে আজ খুন হতে হয়েছে।"

নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের আগামী কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথা বিভিন্ন জনকে জানিয়েছিলেন লোকমান। একই পদে মন্ত্রীর ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চুর নামও আলোচনায় থাকায় এটাও দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে নিয়ামক হিসেবে কাজ করে বলে স্থানীয় নেতারা জানান।

এদিকে লোকমান হোসেনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা খায়রুল কবীর খোকনসহ ৬ জনকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের হেফাজতে চেয়েছে পুলিশ।

লোকমানের চাচা দলীয় কোন্দলে হত্যার কথা বলেছে, ভিকটিমের ভাই সরাসরি মন্ত্রী রাজু ও তার ভাইকে দোষারুপ করেছে তাহলে কেনো খায়রুল কবির খোকনকে আটকে রাখা হলো? এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নিশ্চুপ কেনো?

আমরা নির্দোষ খায়রুল কবির খোকনের মুক্তি চাই। পাশাপাশি মেয়র লোকমান হত্যাকান্ডের আসল অপরাধীদের ফাঁসি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29477706 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29477706 2011-11-03 23:10:42
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনঃ সন্ত্রাসের গডফাদারকে মনোনয়োন দিয়ে বিপাকে আওয়ামীলীগ। ইসি নির্বাচন বন্ধ করলেই যেনো সরকার হাফঁ ছেড়ে বাঁচে!!
অনেকদিন ধরেই নির্বাচন কমিশন বলে আসছিলো ২৮ তারিখ সকাল হতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে। সেইভাবে ইসি প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিলো। সময়মতো সেনাবাহিনী চেয়ে ইসি সরকারের কাছে চিঠিও দিয়েছিলো। যেখানে সরকার সাংবিধানিকভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে বাধ্য সেখানে সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করলোনা। পাশাপাশি ইসিকে এই ব্যাপারে জানানোর নূন্যতম প্রয়োজনও অনুভব করলোনা।

সরকারের কান্ডজ্ঞানহীন এ আচরণে ফুঁসে উঠছে নারায়ণগঞ্জবাসী। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলে, সেনা মোতায়েন না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেনা মোতায়েন ছাড়া তারা নির্বাচন বন্ধের দাবি জানায়।

আমরা যারা বিএনপি থেকে নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে গভীরভাবে মনোযোগ রাখছিলাম তারা সবাই মোটামুটি নিশ্চিত ছিলাম সুষ্ট নির্বাচন হলে মূল লড়াই হবে আইভী ও তৈমুরের। আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী শামীম ওসমানের অবস্থা একেবারেই তলানীতে।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সরকারের জন্য এসিড টেস্ট। বিএনপি যখন সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন বলে একদফা আন্দোলন করে সরকারকে উচ্ছেদের হুমকী দিচ্ছে তখন জনগণের সঠিক মনোভাব বুঝার জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারের এ আচরণে পরিষ্কার। এক. হয় সরকার চাচ্ছে জনগণের আন্দোলনে ইসি এ নির্বাচন বন্ধ করে দিক। দুই. নতুবা সন্ত্রাসের গডফাদার শামীম ওসমানকে যেনোতেনো ভাবে নির্বাচনে জয়ী করে নিয়ে আসা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29473941 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29473941 2011-10-28 21:30:38
হলফ করে বলে দিতে পারি এখন থেকে লিবিয়ার জনগণ সারাজীবন আমেরিকা,ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ইসরায়েলীদের গোলামী করবে আর সারাজীবন আফসোস করবে
আসলে কি জনগণ জয়ী হয়েছে? নাকি আমেরিকার কূটচালে নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরেছে। আগামী কিছুদিনের মাঝেই হয়তো এটা পরিষ্কার বুঝা যাবে। তবে আপাতত দৃষ্টিতে চোখ বুঝে বলা যায় গাদ্দাফি সরকার জনগণকে সে সুযোগ-সুবিধা দিতো পৃথিবীর কোনদেশই তার জনগণকে এতো সুযোগ-সুবিধা দিতোনা।

@@বিনামূল্যে বিদ্যুত ব্যবহার করতো লিবিয়ার জনগণ। আধুনিক সময়ের নগরজীবনের অন্যতম প্রধান চাহিদা বিদ্যুত্। আর লিবিয়ার জনগণ সেই বিদ্যুত্ ব্যবহার করত পুরোপুরি বিনামূল্যে।

@@সরকারনিয়ন্ত্রিত ব্যাংকগুলো থেকে বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হতো নাগরিকদের।

@@তেলসমৃদ্ধ দেশটির তেল বিক্রি করে যে টাকা আয় হতো, তা সরাসরি পাঠিয়ে দেওয়া হতো লিবিয়ার সব জনগণের ব্যাংক হিসাবে।

@@গাড়ি কেনার সময় লিবিয়ার নাগরিককে গাড়ির মূল্যের অর্ধেক সরকার থেকে ভর্তুকি দেওয়া হতো। তেলসমৃদ্ধ লিবিয়ায় প্রতি লিটার পেট্রলের মূল্য ছিল মাত্র ০.১৪ ডলার।

@@গাদ্দাফি সরকারের ৫০ হাজার ডলার সহায়তা পৌঁছে যেত প্রতিটি নববিবাহিত দম্পতির কাছে। যেন তাঁরা বাড়ি কিনে স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁদের নতুন জীবন শুরু করতে পারেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও লিবীয় মায়েরা সরকারের কাছ থেকে পেতেন পাঁচ হাজার ডলার করে।

@@পড়াশোনা বা চিকিত্সাসেবার জন্য কেউ বিদেশে গেলে তাঁকে মাসে দুই হাজার ৩০০ ডলার দেওয়া হতো সরকারের তরফ থেকে।

@@গাদ্দাফি ক্ষমতায় আসার আগে লিবিয়ায় স্বাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ২৫ শতাংশ। শিক্ষাখাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে সেই সংখ্যাটা ৮৩ শতাংশে নিয়ে গিয়েছিলেন গাদ্দাফি। পুরোপুরি বিনামূল্যে শিক্ষা ও চিকিত্সাসেবা পেত লিবিয়ার জনগণ। সেখানকার ২৫ শতাংশ মানুষের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি আছে। পড়াশোনা শেষ করে কেউ যদি চাকরি না পেত, তাহলে বেকার থাকা অবস্থায় সরকারের কাছ থেকে ভাতাও পেত তারা।

@@কৃষিখাত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বিশাল অবদান ছিল মুয়াম্মার গাদ্দাফির। কৃষিকাজকে পেশা হিসেবে নিতে ইচ্ছুক লিবিয়ার জনগণকে জমি, খামারবাড়ী, বীজ ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি দেওয়া হতো সরকারের পক্ষ থেকে। সবই বিনামূল্যে।

@@গাদ্দাফির লিবিয়ার কোনো বৈদেশিক ঋণ তো ছিলই না, বরং বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ছিল ১৫০ বিলিয়ন ডলার।

সূত্র ১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29471278 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29471278 2011-10-23 18:28:53
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনি ব্যর্থ, দুর্ণীতিবাজদের প্রশয়দাতা, খুনীদের সহযোগী। এখনি এক্ষুনি আপনি ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান।
এর মাঝে সরকারদলীয় এমপি গোলাম মাওলা রনি হাটে হাড়ি ভেঙে দিয়ে প্রকাশ করলো অবিশ্বাস্য এক ঘটনা। মহা দুর্ণীতিবাজ, ব্যর্থ যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের মন্ত্রী হওয়ার ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে রনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আমি বাঁশিতে একটা ফুঁ দেব। তোমরা তিনজন দৌড় দেবে। দৌড়ে যে ফার্স্ট হবে, তাকে আমি মন্ত্রী বানাব।’" সেই তিনজন ওবায়দুল কাদের, সাবের হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ আবুল হোসেন এর মাঝে দৌড়ে প্রথম হয় আবুল হোসেন। ফলস্বরুপ যোগাযোগমন্ত্রীর পদ পায় আবুল হোসেন এবং দুর্ণীতি মহাউৎসবেও প্রথম হয়।

তারপর সবকিছু ইতিহাস। বিশ্বব্যাংক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ এনে পদ্মা সেতুর ঋণসহায়তা স্থগিত করে দিয়েছে। সেই যোগাযোগমন্ত্রীকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা প্রশ্ন জাগায়।

৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ শেয়ার বাজারে। আওয়ামীলুটেরা সেই শেয়ারবাজার লুটাপাট করে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথে বসিয়ে দিয়েছে। ৯৬ এ শেয়ারবাজারে লুটপাট হওয়ার পর ২০০১ এ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে শেয়ারবাজারকে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে এসেছিলো। এই আওয়ামীলীগ সরকার আবার ক্ষমতায় এসে শেয়ারবাজারকে চিরতরে পঙ্গু করে দিয়ে গেলো। শেয়ারবাজার নিয়ে প্রশ্ন করলে অর্থমন্ত্রী সমাধান জানিনা বলে ক্ষমা চান। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত শুঁটকির হাটে বিড়াল চৌকিদার বলে শেয়ার কেলেংকারীর মূলহোতা সালমান এফ রহমানের শেয়ার মার্কেটের চেয়ারম্যান হওয়ার দিকে ইঙগিত করেন।

আপনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মনির ব্যর্থতায় তিস্তা নিয়ে কোন চুক্তি হয়নি। চৌদ্দশ একর জমি ভারতকে দিয়ে পৌনে তিনশ একরের মতো জমি পেলেন! ট্রাণজিটের টাকা দিয়ে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে বিনামূল্যে ভারতকে ট্রাণজিট দিচ্ছেন। ভারত তোষণ করতে গিয়ে গার্মেন্টস শিল্প, ওষুধ শিল্পকে ধ্বংস করে দিয়েছেন।

আপনার বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান দ্রব্যমূল্যের দাম কমাতে ব্যার্থ। উনি যেদিনই দাম কমার কথা বলেন সেদিনই ব্যাবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেন।

গরু-ছাগল চিনে এমন লোকজনকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার জন্য আপনার নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান কি নাটকই না করলো।

এতো সব ব্যার্থতার পরও আপনার মন্ত্রীরা মিডিয়ার সামনে যেভাবে দাঁত বের করে হাসে তাতে পরিষ্কার তার লোক হাসানির জন্য ভাঁড় হওয়ার যোগ্য কিন্তু কোনভাবেই মন্ত্রী হওয়ার যোগ্য না।

শেখ হাসিনা আপনি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলেন। অথচ লক্ষীপুরের গদফাদার তাহের, শামীম ওসামনের মতো গডফাদারদের পক্ষে আপনি কথা বলেন। আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি বানিয়ে একাধিক খুনের ফাঁসীর আসামীর ফাঁসি মওকুফ করে দেন।

নাটোরের উপজেলার চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূরকে প্রাকাশ্যে আপনার দলীয় গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করার পরও আপনি খুনীদের পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন। কারন আপনি সেইজন যে চট্রগ্রামের লালদিঘী ময়দানে একটা লাশের বদলে দশটা লাশ চেয়েছিলেন। আপনার প্রত্যক্ষ মদদে মির্জা আযম ও নানক হোটেল সোনারগাঁর সামনে বাসে পুড়িয়ে ১১ জনকে হত্যা করেছিলো।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনি ব্যর্থ, দুর্ণীতিবাজদের প্রশ্রয়দাতা, খুনীদের সহযোগী। আপনার মন্ত্রীসভা ব্যর্থ। এখনি এক্ষুনি আপনি এবং আপনার মন্ত্রীসভার সবাই ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29470581 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29470581 2011-10-22 14:47:15
~~~!!~!!~~~সামহোয়্যারইনে সর্বপ্রথম ইতিহাস~~~!!~!!~~~
০ জন ব্লগার ও ০ জন ভিজিটর (০ জন মোবাইল থেকে)

ছবি আকারে দেখুন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29470215 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29470215 2011-10-21 16:34:27
তেল-গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির হরতালের সাফল্য কামনা করছি তেল-গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারনে পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে। যেটা দেখিয়ে দোকানদান দ্রব্যমূল্যের দাম আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। সেগুলো দেখিয়ে বাড়িওয়ালা বাসা ভাড়া বাড়ানোর নোটিশ দিয়েছে। এভাবে নাগরিক জীবনের প্রতিটা পদে পদে এর প্রভাব পড়েছে।

দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসাবে জনগণের পক্ষে বিএনপির আহুত এ হরতালকে সমর্থন জানালাম।

যে মন্ত্রীসভার বাণিজ্যমন্ত্রী কম খেতে বলে, অর্থমন্ত্রী একদিন বাজারে কম যেতে বলে, যোগাযোগমন্ত্রী বাড়িতে কম যেতে বলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাশের উপরে দাঁড়িয়ে বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো সেই অর্থব মন্ত্রীসভা দিয়ে এ দেশের কোন উন্নয়ন আশা করা যায়না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29452607 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29452607 2011-09-21 23:52:08
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ট্রানজিট দেওয়ার জন্য আপনি, আপনার মন্ত্রীরা, আপনার উপদেষ্টারা এতো উতলা কেনো? কত টাকা পাইছেন ভারত থেকে? কোথায় তিস্তা... আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী কলা দেখানোর নাম করে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছি। কয়েকদিন আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম আপনাদের দুজনের মাঝে খুব ভালো সম্পর্ক। প্রায়ই নাকি কথাও বলতেন। কিন্তু মনমোহনের সফরের ঠিক আগে আগে তিস্তা চুক্তির বিরোধিতা করে মমতা যেভাবে বাংলাদেশ সফর বাতিল করেছে তাতে আপনার লজ্জিত হওয়া উচিত। তাহার সাথে সম্পর্কের ছিটেফোঁটা থাকলেও আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা যেতো। নাকি মমতার ছলাকলা বুঝতে পারেননি। ভারতের পানি সম্পদমন্ত্রীও সফর বাতিল করে তিস্তা চুক্তিকে একেবারেই বাতিল করে দিয়েছে।
কিন্তু আপনার শোপিস পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসি হাসি মুখে মিডিয়াতে বলে বেড়াচ্ছে তিস্তা চুক্তি হবে। মনে রাখবেন বাংলাদেশের স্বার্থক্ষুণ্ন করে যেনো তেনো চুক্তি কতিপয় আওয়ামীলীগের দালাল ও ভারত তোষণকারী ছাড়া কেউ মেনে নিবেনা।

ছিটমহল নিয়ে এ সফরে একটা চুক্তি হওয়ার কথা ছিলো। বিজেপির বিরোধিতায় সে চুক্তিও হবেনা বলে শুনেছি। অথচ কি নিধারুন নির্মমতা আপনার সরকার বিরোধী দলের কথা শুনার/বুঝার চেষ্টাও করেন না একবারও।

আপনাদের আবুল মন্ত্রীগুলা আজকেও ট্রাণজিটচুক্তি করার জন্য যেভাবে নির্ল্লর্জের মতো মিডিয়ার সামনে হাসতেছে, কথা বলতেছে তাতে আমরা শংকিত।

আপনাদের মন্ত্রীরা কেনো এই কথা বলতেছেনা তিস্তা চুক্তি না হলে, ছিটমহল নিয়ে চুক্তি না হলে, সীমান্তে হত্যা-নিগ্রহ-পাথর মারা বন্ধ না হলে ট্রাণজিট দেওয়া হবেনা?

কেনো?

আপনার বৃট্রিশ পার্সপোর্টধারী উপদেষ্টারা আপনার মেয়াদ শেষ হলে একদিনও বাংলাদেশে থাকবে কিনা সন্দেহ জানিয়ে গেলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29443836 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29443836 2011-09-06 15:59:18
একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

জামা-শার্টের প্যাকেট থেকে সাইজ অনুসারে আলাদা করা হচ্ছে।

জামা-শার্টের একাংশ

যাদেরকে জামা-শার্ট দেওয়া হবে তাদের একাংশ

যাদেরকে জামা-শার্ট দেওয়া হবে তাদের একাংশ

যাদেরকে জামা-শার্ট দেওয়া হবে তাদের একাংশ

আগতদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখছি আমি

সম্মিলিতভাবে আমরা প্রথম জামাটি দেই










এভাবেই আমরা ৫০ টি ছেলেদের শার্ট এবং ৫০ টি মেয়েদের জামা দেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29443086 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29443086 2011-09-05 01:02:44
এ বয়সেও যেভাবে খালেদা জিয়া বিএনপির হাল ধরে রেখেছে সেজন্য জাতীয়তাবাদীর সমর্থকরা খালেদা জিয়াকে মনে রাখবে আজীবন। পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার ইফতার মাহ্‌ফিল কিছুক্ষণের মাঝেই লোকরণ্য হয়ে উঠলো ভিআইপিদের পদভারে। আমরা কয়েকজন মিলে উনাদেরকে রিসিভ করি।
স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপির নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী লোকজন সকলেই যেভাবে খুশী সেভাবেই আড্ডা দিচ্ছে। এর মাঝে গায়ক মনির খান, বেবী নাজনীন, চাষী নজরুল ইসলাম, নায়ক উজ্জল, মিশা সওদাগর আলাদাভাবে নজর কারছে।

হঠাৎ নিরাপত্তা প্রহরীদের তৎপরতায় বুঝা গেলো অনুষ্টানের মূল আকর্ষণ খালেদা জিয়া চলে এসেছে। আগে থেকেই রেডি করা কয়েকজন ফুল নিয়ে এগিয়ে গেলো। খালেদা জিয়া গাড়ি থেকে নেমে খুব ধীর পায়ে মূল অনুষ্টানস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। খালেদা জিয়ার বাম দিক দিয়ে আমিও যাচ্ছি। খালেদা জিয়ার হাঁটা দেখে আমি অবাক হচ্ছিলাম। বুঝাই যাচ্ছে হাঁটতে খুব কষ্ট হচ্ছে। সেই কষ্টের তীক্ষ্নধারা হাসিমুখেও ফুটে উঠছে প্রায়ই। খালেদা জিয়া যথাসম্ভব চেষ্টা করছে হাসিমুখে সবার সালামের/কুশলাদীর জবাব দিতে। অবাক হচ্ছি উনার কর্ম তৎপরতায়।

ইফাতারের পর আমরা কয়েকজন মিলে আবারো বসলাম অনুষ্টানস্থলে। সেখানে বারবার খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গটায় উঠে আসলো। বিশেষ করে ১/১১ এর সময় বিএনপির চরম দুর্দিনে, এ বয়সেও অনেক অসুস্থা নিয়েও যেভাবে শক্তহাতে বিএনপির হাল ধরে রেখেছে সেজন্য জাতীয়তাবাদীর সমর্থকরা খালেদা জিয়াকে মনে রাখবে আজীবন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29428115 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29428115 2011-08-08 22:13:13
ভূত খেকো মজিদ আর আমার অন্তহীন এগিয়ে যাওয়া (একটা ভৌতিক পোস্ট) মজিদ ভাইকে দেখে অবাক হলাম। সাধারণত উনি ঘুম থেকে অনেক দেরী করে উঠে। আমাকে দেখেই ডাক দিলো। তোমার জন্যই এতো সকাল সকাল বাজারে আসলাম। জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার। বললো কালকে তুমি যে ঘটনাটা ঘটাইছো। বলেই দাঁত বের করে হাসলো। কিছুটা দৃষ্টিকটু তার দাঁতের দিকে আমার নজর পরলো দেখলাম দাঁত থেকে রক্ত বের হচ্ছে। মজিদ ভাই বলতেছে ভাবতাছি আজকে তোমাকে জোঁকা বিলে মাছ ধরতে না নিয়ে গেলে তুমি একাই চলে যাও কিনা।কথার মাঝ খানে ওয়াক থু। থুথুর সাথে কিছুটা রক্তও বের হয়েছে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। তুমি রেডি থাইকো আমি রাইত দশটার দিকে তোমারে আইসা নিয়া যাবো। না না এক কাজ কইরো ব্রীজের কাছে চইলা যাইয়ো। আমার ভিতরে উদ্বেগ, কৌতুহল, উৎকন্ঠা সবই এসে ভীড় করলো।

জোঁকা বিল অদ্ভুধ এক নাম। শুনেছি সেখানে জোঁকের প্রচন্ড প্রকোপ বলে এর নাম জোঁকা বিল দেওয়া হয়েছে। আমি অবশ্যই অনেকবার জোঁকা বিলের পাশ দিয়ে গিয়েছি দিনের বেলা। কিন্তু কখনও বিলটা ঘুরে দেখা হয় নাই। অবশ্যই রাস্তা থেকে খানিকটা দূরেই এ বিলের মূল অংশটুকু। দূর থেকে বিলের মাঝখানে একটা হিজল গাছ দেখা যায়। পাতা আসেনা গাছটায়। কভে কখন এই গাছটায় কেউ পাতা দেখেছে কেউ মনে করতে পারেনা। দূর থেকে গাছটাকে কঙ্কালসার মনে হয়।

দশটা বাজার দশ মিনিট আগেই বাজারের রাস্তাটা যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে এসে দাঁড়িয়ে আছি। ঘড়ির কাটা সাড়ে দশটায় চলে গেলো মজিদ ভাইয়ের কোন খোঁজ নেই। হাটতে হাটতে ব্রীজটার কাছে চলে গেলাম। এটা পূর্ণিমাও না আবার অমাবস্যাও না। আকাশে চাঁদ নেই কিন্তু মিটিমিটি তারার আলোতে ব্রীজটা বড় অদ্ভুদই লাগছে। শো শো শব্দ করে ব্রীজের নিচ দিয়ে পানি যাচ্ছে। গতকালকের ব্যাপারটা মনে পড়ছে। লক্ষ্য করলাম মাঝে মাঝেই ব্রীজটা যেনো একটু করে কেঁপে উঠছে। আমি ব্রীজ থেকে নামতে যাবো এমন সময়........... মজিদ ভাইয়ের ডাক শুনতে পেলাম। আরে মিয়া তুমি দেহি বিরাট কামেল মানুষ বলেই মজিদ ভাই হেসে উঠলো। আমি উনার মুখে টর্চ মারলাম। দেখি উনার দাঁত থেকে রক্ত বের হচ্ছে। আমি মজিদ ভাইয়ের প্রতি চরম বিরক্তি প্রকাশ করলাম। উনি বার বার দুঃখ প্রকাশ করতে লাগলো। বললো তোমার ভাবীতো আজকে ছাড়তেই চাচ্ছিলোনা। কিছুটা কি লজ্জা! না আতঙ্ক! মনের মাঝে জেগে উঠলো বুঝলাম না। উনার পিছনে পিছনে জোঁকা বিলের দিকে যাওয়া শুরু করলাম...........

চারদিকে সুনসান নিরবতা। দূর আকাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দুএকটি তারা আমাদের সঙ্গী হয়ে জেগে আছে। বড় বড় রেন্টি, কড়ই গাছের ফাঁক দিয়ে সেই তারার আলো একটা মায়াময় আবহ তৈরী করেছে। কি অদ্ভুধ! সেই আলো-আধাঁরির খেলা। হি-সসসস করে শব্দ করে উঠলো সাপ পাশের ঝোপটায়। মজিদ ভাই ইশারা করলো বামের রাস্তা দিয়ে নেমে যাওয়ার জন্য।

ভ্যাপসা গরম। সরু রাস্তার দুই দিকেই গাছপালা। দূর আকাশের মিটি মিটি তারার আলো সেই গাছপালা ভেদ করে এখানে পৌছাচ্ছেনা। মজিদ ভাইকে বললাম টর্চ জ্বালাতে বললে সে বললো চার্জ শেষ করার কি দরকার! আমার পিছনে পিছনে হাটঁ। আমি মজিদ ভাইয়ের পিছনে পিছনে হাঁটছি। খুব ভয় পাচ্ছি। যদি এই অন্ধকারে মজিদ ভাইকে খুঁজে না পাই। যদি পিছন থেকে কেউ আমাকে ঝাপটে ধরে।

ঘন থেকে আর ঘনও হচ্ছে চারদিকের গাছপালা। মজিদ ভাইকে আমি অনুরোধ করলাম নালবাতি জ্বালানোর জন্য। মজিদ ভাই কিছুটা রেগে উঠে নালবাতি জ্বালালো। নালবাতির আলোতে মজিদ ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম খুবই বিরক্ত হইছে। আমি কিছু না বলে চুপচাপ হেটেঁ চলছি তার পিছনে।

মজিদ ভাই ইশারা করে বললো চলে এসেছি মাছ ধরার সেই জায়গার কাছে। পানিতে কিছু একটা ঝাপিয়ে পড়ার শব্দ শোনা গেলো। আমি ভয় পেয়ে গেলাম। মজিদ ভাই হোঁ হোঁ করে হেসে বললো, মিয়া এই সাহস ঐদিন ঐ জায়গায় গেছিলা?

অন্ধকার পেরিয়ে ঝোঁকা বিলের তীরে আমরা দাঁড়িয়ে। পানিতে একটা কম্পন দেখা যাচ্ছে। মজিদ ভাই একটা বিড়ি ধরাতে ধরাতে বললো ভোদঁর আমাদের আসার শব্দ পেয়ে এই জায়গায় লাফ দেওয়াতে এমন কম্পন সৃষ্টি হয়েছে।

দূর থেকে হিজল গাছটা দেখা যাচ্ছে। মজিদ ভাইয়ের নালবাতি দিয়ে আমার নালবাতিটাও ধরালাম। হাতে কোচঁটা নিয়ে মাছ ধরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। মজিদ ভাই এক হাতে কোঁচটা ঠিক করতে করতে অন্য হাতে বিড়িটা পানির কম্পনের দিকে ছুঁড়ে মারলো। সামনের পানিটা মনে হয় কেঁপে উঠলো। অর্ধেক পচেঁ যাওয়া দুইটা গাছের পাতা সরে গেলো। মজিদ ভাই সতর্ক ভাবে পাতার উপর দিয়ে কোচঁ চালালো। গগনবিদারী আর্ত চিৎকারে কানে তালা লেগে যাওয়ার জোগাড়। মজিদ ভাই তার সর্বশক্তি দিয়ে কোচেঁর উপর ধরে রাখলো। পানির কম্পন বাড়ছে। সেই সাথে আর্ত চিৎকারও। আমি কম্পন বরাবর টর্চ মারলাম। উপস ভয়ংকর সেই দৃশ্য। একটা মেয়ের নাক পর্যন্ত ভেসে আছে। মেয়েটা দুহাত দিয়ে তার চুল টানছে। লক্ষ্য করলাম মেয়েটার চুল মজিদ ভাইয়ের কোঁচে প্যাচিয়ে গেছে। আমি মজিদ ভাইকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতেই কোচঁ সহ মেয়েটা পানি ডুবে গেলো। হতভম্ব মজিদ ভাইকে টানতে টানতে অন্ধকার সেই সরুপথ দিয়ে হাটাঁ শুরু করলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29421441 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29421441 2011-07-28 12:17:27
ভিকারুননিসায় পরিমল ইস্যুটা মোটেও রাজনৈতিক ইস্যু না। আবার সাম্প্রদায়িক ইস্যুও না। কিন্তু কতিপয় ব্লগার এটাকে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক করার অপচেষ্টায়... ভিকারুননিসায় পরিমল ইস্যুটা মোটেও রাজনৈতিক ইস্যু না। আবার সাম্প্রদায়িক ইস্যুও না। কিন্তু কতিপয় ব্লগার এটাকে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

গতকালকের ঘটনার পর স্পষ্টত এটার দায় সরকারের উপর বর্তাবে। কারন গভর্ণিং বডি স্কুলের ছাত্রী ও অভিভাবকদের আন্দোলনের মুখে অধ্যক্ষ হোসনে আরাকে পদত্যাগ করে আম্বিয়া খাতুনকে নতুন অধ্যক্ষ হিসাবে ঘোষণা করে। স্কুলের ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিনন্দনে আম্বিয়া খাতুন যোগও দিয়েছিলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আমরা জানতে পারি সরকার গভর্ণিং বডিকে বাদ দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মিডিয়াতে বলেছে হোসনে আরাই অধ্যক্ষ।

সুতরাং কি দাড়াঁলো ব্যাপারটা? গভর্ণিং বডি স্কুলের ছাত্রী ও অভিভাবকদের আন্দোলনের মুখে অধ্যক্ষ হোসনে আরাকে বাদ দিসে। সরকার গভর্ণিং বডিকে বাদ দিয়ে হোসনে আরাকে পুনর্বহাল করেছে। সুতরাং সরকার তথা আওয়ামীলীগ কিভাবে এর দায় এড়াবে?

কিন্তু কতিপয় সুশীল বিএনপি কেনো চুপ? বিএনপি কেনো স্কুলের ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাথে আন্দোলন করছেনা এ নিয়ে ব্লগ কাঁপাচ্ছে।

কিন্তু গতকাল খালেদা জিয়া গণঅনশনে লক্ষ্ জনতার সামনে বলেছেন, ভিকারুননিসার শুধু প্রিন্সিপালকে পদত্যাগ করলেই হবে না, তাদের কঠিন শাস্তি দিতে হবে। যদি না হয়, আমি মা-বোনদের বলতে চাই, আপনারা রাস্তায় নেমে আসুন, আমি আপনাদের পাশে আছি।

বিএনপি যদি সরাসরি এ ঘটনায় স্কুলের ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাথে আন্দোলনে জড়িয়ে পরতো তাহলে এ সুশীলরায় বলতো এ ধর্ষণ ঘটনায় বিএনপি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাচ্ছে। হায়রে সুশীল!!!!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29412785 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29412785 2011-07-14 13:30:38
নিচের গাড়ি-ঘোড়া গুলো স্বল্পমূল্যে বিক্রি হবে। যাদের প্রয়োজন আছে তারা বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলুন। The Smart Car models to avoid traffic jam


The Smustang


The Smorvette!


The Smaudi A3 AWD!


The Smamborghini!


The Smorsche!


The Smerrari!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29379686 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29379686 2011-05-12 11:28:52
চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ বোর্ড একাদশ। অস্ট্রেলিয়ার হাসটিং এর হ্যাট্রিক। অলক কাপালী এবং শুভাগত হোমস ১ বলে ০ রানে... শুভাগত হোম ভালো বোলিং করলেও অলক কাপালী মোটেও ভালো বোলিং করে নাই।

অস্ট্রেলিয়ার হাসটিং এর হ্যাট্রিক।

3-161 (Raqibul Hasan, 35.3 ov),
4-161 (Alok Kapali, 35.4 ov),
5-161 (Shuvagoto Hom, 35.5 ov)

এই হলো অবস্থা!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29358709 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29358709 2011-04-07 16:50:39
বিএনপির সংসদে যোগদান। খালেদা জিয়ার জ্বালাময়ী ভাষণ এবং সরকারকে সহযোগিতার ইচ্ছে প্রকাশ। আওয়ামীলীগের চুতিয়াগিরি। অতঃপর বিএনপির ওয়াকওয়াট এবং চুতিয়া আওয়ামীলীগের... সংসদে ফেরায় বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন জানিয়ে মাননীয় রসিক স্পীকার বলেন মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা, আপনার আগমনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনাকে সংসদে দেখলেই আমার ভালো লাগে। আশা করি আপনাদের আগমনে সংসদ আরো বেশি কার্যকর ও অর্থবহ হবে।

তারপর বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশ কিছু প্রধান সমস্যা নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন। শেয়ারবাজারে কি ডিজিটাল কারচুপি হয়েছে, উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যখনই ক্ষমতায় আসেন, তখনই কেন শেয়ারবাজারে এত ধস নামে? কেন এত লুটপাট হয়? আর সরকার কেনই বা নিশ্চুপ থাকে? অতএব বুঝতে হবে “ডাল মে কুছ কালা হ্যায়”। নিশ্চয়ই এখানে কোনো ঘাপলা রয়েছে।’

দেশ এখন কোন সংবিধানে চলছে? এমন প্রশ্ন তুলে খালেদা জিয়া বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবেও আমি সংবিধানের কোনো কপি পাইনি। আগে ছিল একদলীয় শাসন আর এখন চলছে এক ব্যক্তির শাসন। এ অবস্থায় দেশ চলতে পারে না। এ সরকার আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখেই স্বার্থ সিদ্ধি করতে চায়। সেই আদালতই বলেছে এ সংসদ সার্বভৌম নয়। এ কারণেই আমরা বলেছি, এ সংসদ ভেঙে দিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিন।’

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সবার জন্য আইন এক নয়। সরকারি দলের জন্য একধরনের আইন, অন্য সবার জন্য আরেক ধরনের আইন। সরকারদলীয় লোকদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সরকারদলীয় খুনের আসামিও জামিন পেয়ে যাচ্ছে; আর বিরোধী দলের নেতাদের সামান্য মামলায়ও জামিন দেওয়া হচ্ছে না।

নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, ‘দেশে সম্মানিত ব্যক্তিরা সম্মান পাচ্ছে না। কোনো সম্মানিত ব্যক্তি ভালো কাজ করলে তার পেছনে লেগে যাওয়া হয়। ইউনূসকে কেন অসম্মান করা হয়েছে, তা অবশ্য আপনাদের অ্যাটর্নি জেনারেল ফাঁস করে দিয়েছে। তিনি একজন সন্ত্রাসী ও খুনি সন্তু লারমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শান্তিতে নোবেল পাওয়া উচিত বলে দাবি করেছেন। আমি এর প্রতিবাদ করছি। এখনো সময় আছে, আসুন দেশের কল্যাণে কাজ করি। গুণীজনকে সম্মান দেই।’

খালেদা জিয়া আরও বলেন, ‘প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরাও চাই। কিন্তু এখানে যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিকমানের নয়। এটা দিয়ে বিচার সম্ভব নয়।’
সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের দলের এবং আত্মীয়স্বজনের মধ্যেও অনেকে আছে তাদেরকে ধরেন।’

খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পরপরই আওয়ামীলীগ চিরাচরিত আওয়ামীলীগীয় চাল চাললো। স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের সুবিধাভোগী, বর্তমান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, কিসের ভিত্তিতে খালেদা জিয়া এতোক্ষণ সংসদে বক্তব্য রাখলেন? এর পরপরই খালেদা জিয়া সংসদ থেকে বেরিয়ে যান।

তিনি আরো বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বঙ্গবন্ধু হত্যার নায়ক উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রীর বক্তব্যের সময় খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিরোধী দলের সদস্যরা হই চই শুরু করেন। একপর্যায়ে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি কোনো অশোভন কথা উচ্চারণ করিনি। মিথ্যা কথাও বলিনি।’

যদি লতিফ সিদ্দিকীর দাবি অনুযায়ী উনি সত্যি বলে থাকেন তাহলে কেনো বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় জিয়ার নাম নেই? কেনো আদলতে তিনি জিয়ার বিরুদ্ধে প্রমাণ হাজির করলেন না?

আসলে আওয়ামীলীগ চায় বিরোধীদল যেনো সংসদে না থাকে। তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ যেনো না করে। বিএনপি যেনো আওয়ামীলীগের ইচ্ছেকে পূরণ করতেই সংসদ থেকে ওয়াকওয়াট করলেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29345163 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29345163 2011-03-16 00:45:53
ইয়া আল্লাহ! তেলের দামে তুমি ইনকাম বাড়াইয়া দেও। আমরা যেনো ব্যানসন খাইবার পারি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29332019 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29332019 2011-02-22 15:45:31 আহমেদুর রহমান আজমীঃ যিনি মাদ্রাসার ছাত্র হয়ে উর্দুকে অবজ্ঞা করে মায়ের ভাষার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিলো। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি? না পারিনা। আর পারিনা বলেই বারবার শ্রদ্ধায় নত হয়ে আসে সেইসব ভাষাসৈনিকদের কথা মনে করে। তেমনি একজন ভাষাসৈনিক মাওলানা আহমেদুর রহমান আজমী। যিনি ভাষা আন্দোলনে মহা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। যার নেতৃত্বে চট্রগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকাতেও ভাষা আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পরে এবং চট্রগ্রামে ভাষা আন্দোলনকে আরো তীব্রতর করে তুলে।

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাস। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার দাবিতে সারা ভুখন্ড তখন উত্তাল। এমনি এক উত্তাল সময়ে ২১ ফেব্রুয়ারীতে পাকিস্থানি শাসক গোষ্টী মায়ের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকার এক মিছিলে গুলি চালায়। ২২শে ফেব্রুয়ারী পত্রিকা মারফত সেই খবর পৌছে যায় মাদ্রাসার ফাজিল শ্রেণীর ছাত্র আহমেদুর রহমান আজমীর কাছে। কন্ঠরোধের হায়েনাদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে সেদিনই তিনি ঝাপিয়ে পরেন। সেদিন বিকালেই তিনি হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ করেন। ২৩ শে ফেব্রুয়ারী সকালে হাটহাজারী সদরে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল করেন। সেদিনই মাওলানা আজমীকে আহবায়ক করে "হাটহাজারী উপজেলা রাষ্টভাষা সংগ্রাম পরিষদ" গঠিত হয়। একইদিন "চট্রগ্রাম জেলা রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" এর সদস্য নির্বাচিত হোন তিনি।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং তা সংগঠিত হতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বিভিন্ন কর্মপন্থা, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাওলানা আজমীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন "চট্রগ্রাম জেলা রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" এর আহবায়ক এবং একুশের প্রথম কবিতার রচয়িতা মাহবুব উল আলম।

একজন মাদ্রাসার ছাত্র হয়েও ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি জোড়ালো কন্ঠে বলে গিয়েছিলেন, "যে দেশে প্রাণ দিয়ে ভাষার অধিকার প্রতিষ্টা হয়েছে, সে দেশে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা পড়ানো হয়না। বর্তমানে ইংরেজি শিক্ষার নামে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ চলছে। এটি জাতি হিসাবে আমাদের জন্য অত্যান্ত কষ্টের।"

এই প্রগতিশীল ভাষাসৈনিক বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের বৃহত্তর চট্রগ্রামের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কর্মকান্ড এবং দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম এই সহযোদ্ধা ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ তে চট্রগ্রামের মিরসাইয়ের আবুরহাট গ্রামের দেওখালীতে নিজের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।

মাদ্রাসা ছাত্র হয়েও ভাষা আন্দোলনের সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে তিনি বলতেন, "সবসময় বাস্তববাদী ছিলাম। ৪৭ এ দ্বিজাতি তত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ কোনভাবেই মানতে পারেনি। এর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙা, ধর্মের নামে জুয়াচুরি আমাকে মানবতাবাদী হতে শিখিয়েছে।"

তথাকথিত লুন্ঠন, তৈলাক্ত রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয় নাই বলে ভাষাসৈনিক মাওলানা আহমেদুর রহমান আজমীকে বাংলাদেশের কোন সরকারই উপযুক্ত সম্মান বা সম্মাননা দেয় নাই। কিন্তু আমাদের প্রাণের মাঝে চরম শ্রদ্ধা নিয়ে ভাষাসৈনিক মাওলানা আহমেদুর রহমান আজমী বেঁচে থাকবেন। এ ভাষাসৈনিকের প্রতি রইলো শত সহস্র সালাম।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29330553 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29330553 2011-02-20 11:05:26
শনিবার রাতে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আড়িয়াল বিলের মানুষের সাথে আন্দোলনে একাত্নতা ঘোষণা করায় সরকার নতুন করে ভাবতে...
খালেদা জিয়ার ঘোষণার পর সরকারী দলের থিংক ট্যাংক আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মান প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে। গোয়েন্দা বিভাগ, বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা সরকার আড়িয়াল বিলের উপর বিমানবন্দরের উদ্যেগ থেকে সরে না আসলে খালেদা জিয়ার ঘোষণার পর আড়িয়ালবিলে আন্দোলনরত ১০ লাখ মানুষের সহানুভূতি খালেদা জিয়ার প্রতি চলে যেতে পারে। সরকার কোনভাবেই বিরোধী দলকে কোন সুযোগ দিতে চায় না।

এমনিতেই শেয়ার বাজারের কেলেংকারীতে বিএনপির বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করা এবং বিএনপির উদ্যেগে ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির ফলে সচেতন অনেকেই বিএনপিকে সাধুবাদ জানিয়েছে। শেয়ার মার্কেট নিয়ে ঘোষিত কমিটি হয়তো আগামীকালই তাদের তদন্তের প্রতিবেদন সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরবেন। যতটুকু জানা যায় বিএনপির তদন্ত দল জড়িতদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

যার ধরুন খুব শীঘ্রই আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর স্থাপনা বন্ধ নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
এ জয় জনগণের। এ জয় আড়িয়ালবাসীর। এ জয় খেটে খাওয়া মানুষের, মাটির কারিগরদের। এ জয় আন্দোলনে একাত্নতা হওয়া প্রতিটা মানুষের।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29317514 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29317514 2011-01-31 00:34:14
নির্বাচনী ইশতিহারঃ আমাকে নির্বাচিত করলে প্রতিটা থানায় থানায় বিমানবন্দর করে দিবো ভেবে দেখুন বিমানবন্দর দেখার জন্য কাউকে আর কষ্ট করতে হবে না। বাড়ির পাশে বিমানবন্দর। আহা! ভাবতেই মনটা ভরে উঠে। আকাশ জুড়ে বিমান আর বিমান।

দুর্মোখেরা বলে যে দেশের বিমান রানওয়ে ছেড়ে ধান ক্ষেতে ধান চাষ করতে চলে যায় সেই দেশের বিমানবন্দর গুলোর সংস্কার না করে নতুন করে বিমানবন্দর কেনো?
এই সব কথায় কান দিবেন না। দুর্মোখেরা এমন বলেই থেকে। ভেবে দেখুন বিমানের পুওওওওওও শব্দ শুনে সকালে ঘুম ভাঙবে আবার রাতে পাউওউওউওউওউও শব্দ শুবে ঘুমাতে যাবেন। আহা! কিনা সমধুর সে সুর!

যে দেশে জনসংখ্যার চাপে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে সেখানে আবার কৃষি জমি কমানোর হেতু কি?
কৃষি জমি কমে গেলে আমরা খাবারের অভাবে বিমানের ঝলকানী দেখে কাটাবো। বিমানের কাবাব খাবো, চাকাগুলো দিয়া নেহারী খাবো। পাখাগুলো দিয়ে স্যুপ বানালে কতইনা চমৎকার হবে।

দুর্মোখেরা হয়তো বলবে যে দেশে বিমানের অভাবে ফ্লাইট শিডিউল ঠিক থাকেনা সেখানে নতুন বিমান ক্রয় না করে নতুন বিমানবন্দর কেনো?
শিডিউলের খেতা পুড়েন। তা-না হয় পুড়লাম কিন্তু বিমান না থাকলে স্যুপ, নেহারীর কি হবেগো? আহা ভড়কান কেনো? তখন না হয় বিমান বন্দরের রানওয়েতে রৌদ্রস্নান করবেন। ইটগুলো খুলে সাভারের ঐ যৌনডাক্তারের কাছে বিক্রি করে দিবেন। যে ডাক্তার কিনা ইটের গুড়া দিয়ে যৌনরোগের সালশা বানাতো। আমি নিশ্চিত সে ডাক্তার আপনাকে বিনামূল্যে কয়েকটা সালশাও দিবে।

এত্তোসব সুবিধা চিন্তা করে আমাদের এক দাবি, এক স্লোগানের দাবি তোলা উচিত।
খাই বা না খাই বিমানবন্দর চাইই চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29317087 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29317087 2011-01-30 12:10:35
একটি সত্যিকারের মজাদায়ক রেসিপি পোস্টঃ টাকি মাছ ভর্তা
আমার কাছে অবাক লাগে অল্প একটু টাকি ভর্তা অথচ কমপক্ষে ১৫ টাকা দাম নেয়। কিন্তু আমরা সহজে বাসায় টাকি ভর্তা বানাতে পারি এবং খুব অল্প টাকায়।

কোথায় পাওয়া যায়: যে কোন মাছের বাজারে টাকি মাছ পাওয়া যায়। দাম নিবে মোটামুটি ৮০-১২০ টাকা কেজি। কেনার সময় একটা জিনিস লক্ষ্য রাখবেন যেন শোল মাছের বাচ্চা না দিয়ে দেয়।

যা যা লাগবে: ২৫০ গ্রাম টাকি মাছ, ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ, ১৫-২০ টি কাঁচামরিচ, দুই ফালি রসুন, আদা কুচি দিতে পারেন।

টাকি মাছ কিভাবে কাটবেন: মাছগুলোকে আগে মেরে ফেলুন। তারপর ছাই থাকলে সহজে আঁশ ছাড়াতে পারবেন। আর যদি ছাই না থাকে তাহলে পুরাতন সুতি কাপড় দিয়ে মাছটিকে ধরে আঁশ ছাড়ান। মাথাটিকে কেটে ফেলে দিতে পারেন। এখন মাছের মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত হালকা করে লম্বা করে কাটুন। শেষে ধুয়ে ফেলুন।

প্রস্তুত প্রণালী: হালকা তেলে মাছগুলো কড়াইয়ে ভাজুন। বাদামী কালার হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন। ঐ কড়াইয়ে পেঁয়াজ, রসুন, কাচামরিচ এক সাথে ভাজুন। ভালভাবে সিদ্ধ হইলে নামিয়ে ফেলুন। এখন মাছগুলো থেকে মাঝের কাটাটি সরিয়ে ফেলুন। তারপর সবকিছু একসাথে কচলিয়ে মেখে ফেলুন। পরিমানমত লবন দিয়ে আবার মাখুন। এখন সবকিছু ঐ কড়াইয়ে হালকা তেল দিয়ে হালকা করে ভাজুন। কেউ ধনিয়া পাতা পছন্দ করলে কিছু ধনিয়া পাতা দিয়েও ভাজতে পারেন অথবা লেবু পাতা দিতে পারেন।

হয়ে গেল সুস্বাদু টাকি মাছ ভর্তা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29314877 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29314877 2011-01-26 17:23:08
আমার স্বপ্নের বিশ্বকাপ দল, ব্যাটিং অর্ডার এবং দিগভ্রান্ত আলোচনা দেশের মাটিতে বিশ্বকাপে কেমন করবে বাংলাদেশ। রাগ, ক্ষোভও অনেক বেশী। উদ্ভোধনী অনুষ্টান, টিকেট নিয়ে অরাজাকতায় লাখো ক্রিকেট ভক্তদের মতো আমারও হৃদয়ে আচঁর ফেলে গেছে।

সবকিছু ছাড়িয়ে এখন চিন্তাভাবনা বাংলাদেশের দলটা কেমন হবে? আশরাফুল কি মূল একাদশে থাকবে? মাশরাফির কি হবে? কেমন হবে ব্যাটিং অর্ডারটা?

যাক কথা না বাড়িয়ে আমার মূল একাদশটা দিয়ে দিই <img src=" style="border:0;" /> ব্যাটিং অর্ডার অনুসারে সাজালাম।
১। তামিম ইকবাল
২। ইমরুল কায়েস
৩। শাহরিয়ার নাফীস
৪। মুশফিকুর রহিম
৫। সাকিব আল হাসান
৬। আশরাফুল
৭। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
৮। সোহরাওয়ার্দী শুভ
৯। আব্দুর রাজ্জাক
১০। শফিউল ইসলাম
১১। রুবেল হোসেন

বাকি ৪ জন প্লেয়ারঃ
১। নাঈম ইসলাম
২। জুনায়েদ সিদ্দিক
৩। নাজমুল হোসেন
৪। অলক কাপালী

১৬ তম প্লেয়ার হিসাবে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে রাখা যায়। সে যদি ১০০% ফিট হয় তাহলে ম্যানেজারের মাধ্যমে আইসিসিতে আবেদন করে নাজমুলের জায়গায় নেওয়া যায়। এরকম একটা কথা পত্রিকাতেও পড়েছি। মাশরাফি দলে থাকলে নাজমুলের রিপ্লেসমেন্ট হবে আমার একাদশেও।

*******************ব্যাটিং**************************

*** ভারতের বিপক্ষে একজন ফাস্ট বোলার বেশী খেলানোর চিন্তাটাও আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সেখানে সোহরাওয়ার্দী শুভ এর বদলী নাজমুলকে রাখা যেতে পারে। ***

*** প্রথম ৫ ওভার ওপেনাররা দেখেশুনেই খেলুক। কোন রকম আলতো-ফালতো শট এই ৫ ওভারে খেলা থেকে বিরত থাকতেই হবে। ৫ ওভার শেষে একটু হাত খুলে খেলার চেষ্টা করা যেতে পারে। যাতে রানের গড়টা ভালো থাকে। ***

*** কোনভাবেই প্রথম ১০ ওভারে উইকেট পড়তে দেওয়া যাবেনা। কিন্তু উইকেট পড়ে গেলে শাহরিয়ারকে একটু ধরে সতর্কভাবে খেলতে হবে। যাতে করে পরপর ২ উইকেট পরে দল চাপে না পরে যায়। ***

*** মুশফিকুর রহিমকে আমি সাকিবের আগে ব্যাটিং অর্ডারে রাখছি কারন সে বড় ম্যাচে ভালো খেলে। গত বিশ্বকাপেও ভারতের বিপক্ষে ভালো করছিলো। আরেকটা কারন হলো সাকিব যেনো তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারে। সাকিব যদি ২৫/৩০ ওভারের পরে নামে তাহলে ওভারে কমপক্ষে ৫ করে নেওয়ার চেষ্টাটা চালিয়ে যেতে পারবে। ***

***
* আশরাফুলের অভিজ্ঞতায় এই মুহুত্তে তার বড় সম্বল। সর্বশেষ কিছু ওয়ানডে ম্যাচ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় স্লগ ওভার গুলোতে বাংলাদেশ বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে পারেনা। সেখানে আশরাফুল কিছু একটা করতে পারে।
* ৬ নাম্বারে রাখার আরেকটা কারন হলো টপ অর্ডারের ব্যাটিংয়ে যদি ধ্বস নামে তাহলে আশরাফুল চেষ্টা করতে পারে।
* সবচেয়ে বড় কারন হলো আশরাফুল ৩/৪ নাম্বারে ব্যাটিং করে গত কিছুদিন যাবৎ দলকে ভালো অবস্থান তৈরী করে দেওয়ার চেয়ে বিপদে ফেলে দিসে।
***

*** ব্যাটিং পাওয়ার প্লে শেষ ৫ ওভারের জন্য না রেখে ৪১-৪৬ এ নেওয়া যেতে পারে। ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে বোলারদের পাপ্য ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে হবে। ***

*******************বোলিং**************************

*** বাংলাদেশের ওপেনার বোলারদের প্রথম প্রথম একটা ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া জরুরী। সেজন্য প্রথম থেকেই ফিল্ডিংটাও খুব দৃষ্টিনন্দন হতে হবে। ***

*** প্রতিটি বোলারদের বল বাই বল চিন্তা করা উচিত। সেজন্য অধিনায়ক এবং সহ অধিনায়কদেরও খুব এ্যাক্টিভ হতে হবে। ***

*** অতিরিক্ত রান নিয়ে সতর্ক হতে হবে। অতিরিক্ত রান যতো কম হবে খেলোয়ারদের ভিতর আত্নবিশ্বাসও তত বাড়বে। ***

*** প্রতিপক্ষের কোন জুটি জমে গেলে বোলারদের সমস্ত প্লিয়ারদের আগ্রহ দিতে হবে। পাশে থাকতে হবে। আত্নবিশ্বাসের ঘাটতি দেখানো যাবেনা। ***

পরিশেষেঃ খেলোয়াররা মাঠে খেলবে। তারাই সবকিছু করবে। একজন শুভাকাঙ্খী হিসাবে আমার একটা ভাবনাগুলো বলে দিলাম।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29309881 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29309881 2011-01-18 19:02:01
মিথ্যা কথার ফুলঝুড়ি, স্ববিরোধিতা, দিগভ্রান্ত, মূলা ঝুলানোর অনন্ত দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের দুবছর পূর্তি উপলক্ষে ভাষণ। আওয়ামীলীগ সরকারের দুবছরের পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে গতকাল সন্ধায় সাড়ে সাতটায় একটা ভাষণ দেন। উনার ভাষণ নিয়ে এটি একটি সমালোচনা মূলক পোস্ট।

এই প্রথম মনে হয় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া কোন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে ভুল করলেন।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছি। মানুষের জীবনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট সফল হয়েছি।
কিন্তু আমরা দুবছর ধরে প্রায় প্রতিদিনই পত্রিকায় দেখেছি ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম,
যুবলীগের টেন্ডারবাজি, রাজপথে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রাকাশ্যে খুন, গুম, খুন, ধর্ষণ। ২০১০ সালেই খুন ৩২৯১ এবং ধর্ষণ ৫১১

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন ২ বছর আগে আমরা যখন সরকার গঠন করেছিলাম সে সময় চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ছিল আকাশচুম্বী। আমরা জিনিসপত্রের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছিলাম। যে চালের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৫ টাকা, আমাদের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে তা ১৮/২০ টাকায় নেমে আসে।
কভে কোন দিন ১৮ টাকা কেজি চাল ছিলো? সেটা জনগণের জানার অধিকার আছে। উনার কথামতো বুঝা যাচ্ছে যে চালের কেজি ৪৫ টাকা ছিলো সে চাল ১৮ টাকায় পাওয়া যেতো। বরং বাস্তবতা হলো সে চাল এখন ৪৮ টাকা লাগে কিনতে। ১৮ টাকার ওএমএসের চালের বর্তমান দাম ২৬-২৯ টাকা। উনি ১ বছরের পূর্তিতে বলেছিলেন ৪৮ টাকা কেজির চাল ১৮ টাকা করেছেন। পেঁয়াজ, মসুর ডাল, তেলের আকাশ ছোঁয়া দামের কথা নাইবা বললাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমাদের নিজস্ব উৎপাদন বাড়াতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখবেন না।
অথচ তার সরকার বঙ্গবন্ধুর নামে একটি বিমানবন্দর তৈরীর উচ্চ অভিলাষ বাস্তবায়ন করতে ৫০ হাজার কৃষি জমি অধিগ্রহণের চেষ্টায় লিপ্ত। যে দেশে বিমান সংকটের কারনে মানুষ বিদেশ যেতে পারেনা সে দেশে আরেকটি বিমানবন্দর কতটুকু প্রয়োজন?

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করায় বাংলাদেশ জাতিসংঘ এমডিজি এওয়ার্ড অর্জন করেছে।
এ অর্জনের দাবিদার জোট সরকার, তত্ত্ববাধয়ক সরকার ও আওয়ামীলীগ। কারন এ পুরষ্কারটি দেওয়া হয় ২০০৫-২০০৭ এর প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমরা পাট শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করেছি। পাটের মণ প্রতি দাম ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা।আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য পাটের জেনোম সিকোয়েন্স বা জন্ম রহস্য আবিষ্কার। এ আবিষ্কারের ফলে আমরা পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং বহুবিধ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারব।
পাটের জেনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার নিঃসন্দেহে বিশাল একটা ব্যাপার। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা ধন্যবাদ অবশ্যই পাবেন। কিন্তু সরকার কি করলো? একের পর এক পাটকল বন্ধ করে দিলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ২০০৯ সালের নৃশংস বিডিআর হত্যাকাণ্ড এবং বিডিআর বিদ্রোহের বিচার শুরু হয়েছে। এজন্য নতুন আইন করা হয়েছে। বিডিআর-এর নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ বি.জি.বি করা হয়েছে।
অথচ দেশের জনগণ জানতে পারলোনা প্রকৃত কারন কি? মূল হোতারা কারা? কাদের স্বার্থে বিডিআরকে দুর্বল করা হলো?

প্রধানমন্ত্রী যে সকল বিষয়ে জনগণের চোখে ধূলা দিলো?
১। কুইক রেন্টাল নামে বিদ্যুৎখাতে বিরাট একটা দুর্ণীতি। যেখানে ২০১০/জানু তে বিদ্যুত উৎপাদন ছিলো ৩,৭০০ মেগাওয়াট সেখানে ২০১১/জানুতে ৩,৪০০ মেগাওয়াট। বাকি ৩০০ মেগাওয়াট কোথায় গেলো?
২। গ্যাস নিয়ে একাধিক মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেলো। কিন্তু বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধান, গ্যাস ব্লক নিয়ে বিতর্কিত চুক্তি ইত্যাদি নিয়ে কোন কথায় বলেনি। সেটার প্রতিবাদ করায় আনু মোহাম্মদদের পুলিশ দিয়ে পিটুনির কথা আমরা ভুলিনি।
৩। ট্রাণজিট ও করিডোর চুক্তি নিয়ে তিনি কিছুই বলেন নি। উইকিলিকসের র‌্যাব ও ফুলবাড়িয়া-বড়পুকুরিয়ার কয়লা খনি নিয়া অভিযোগ নিয়াও প্রধানমন্ত্রী কিছু বলতে পারেনি।
৪। বিদেশ থেকে শ্রমিক ফেরত, বিভিন্ন দেশের লোক নিতে অস্বীকার এগুলোও সম্পর্কেও জাতি আশার বাণি শুনতে চায়।

মোটামুটি বলা যায় পররাষ্ট্রনীতি নিয়া জনগণরে পুরাপুরি অজ্ঞ রাখা হয়েছে।

৫। পোশাক কারখানার অস্হিরতা নিয়েও সরকারের মনোভাব জানা যায়নি।
৬। তেমনি জানা যায়নি ২০১০ সালের অন্যতম আলোচিত বিষয় যুবলীগ/ছাত্রলীগ বনাম প্রশাসনের মুখামুখি অভিযোগ নিয়েও।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29303325 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29303325 2011-01-07 15:31:23
বিদেশী ক্লায়েন্টরে বোকা বানাইয়া ব্যাফক ধরা " style="border:0;" />
আমাকে অনেকক্ষণ তেল মারলো। তারপর বললো তোমার সাথে কথা বলে মজা পাই। কাজ করে মজা পাই। আমি ধন্যবাদ দিয়ে বললাম ঠিক আছে বাপ, পরে কথা হবে। মামু নাছোড়বান্দা আমারে ছাড়ার কোন নাম নাই।

মামু একটা কঠিন চিড়িয়া। কাজ শেষ করছি সেই কভে। পেমেন্টের নাম গন্ধ নাই। তাই সবাই হের উপর ক্ষেপে আছে।

আমি ওরে কইলাম মামু আমি অহন বিজি আছি। এইডা আমার হলিডে তোমার লগে পরে কথা কমু। হেয় আমারে কয় তোমার কাছে দুই ঘন্টা সময় হবে <img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

রাগে লিখলাম, 'No Halar Puth!'

ক্লায়েন্ট শুধাইলো, Halar Puth ?????????? <img src=" style="border:0;" />

আমি বললাম মামু হেইডা বুঝলানা। এইটা হইলো গিয়া বাংলাতে ধন্যবাদ। মনে হইলো সে খুব খুশী হইলো। আমারে বাই বাই ঠা ঠা দিয়া চইলা গেলো।

কিছুক্ষণ পরে কলিগের ফোন পাইয়া টাস্কিত হইলাম। ঘটনা কিছুই না। আমার কাছ থেকে গিয়া মামু ধরছে আমার এক কলিগরে। জিগাইছে কেমুন আছো? কলিগ ভালো কইয়া কইছে আপ্নার খবর কিতা? মামু কইলো Cool. Halar Puth!!

রিপোস্টিত।
ফ্রীল্যান্সিং এ আমার প্রথম ইনকাম ৩ ঘন্টায় $৩০০ । ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে একটি স্মৃতিচারণ মূলক পোস্ট।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29303109 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29303109 2011-01-07 01:36:32
ফ্রীল্যান্সিং এ আমার প্রথম ইনকাম ৩ ঘন্টায় $৩০০ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />। ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে একটি স্মৃতিচারণ মূলক পোস্ট। সাইদুর রহমান বিজন ভাই কাজ করছে। মাঝে মাঝেই আমি তার দিকে তাকাচ্ছি। দেখি উনি কমপিউটারে কি যেনো একটা করছে। একটু ঝুঁকে দেখতে চাইলে উনি উনার LCD মনিটরটা অন্যদিকে সরিয়ে দিসে। একটু সন্দেহ লাগলো <img src=" style="border:0;" /> ভাব ধরলাম নিমগ্নচিত্তে কাজ করছি। এভাবে প্রায় ৩০ মিনিট পার করলাম। হঠাৎ বিজন ভাইয়ের ফোন আসলো। আমিও যেনো এ সময়টার অপেক্ষায় ছিলাম। লাফ দিয়ে উনার ডেস্কের সামনে গেলাম। মনটরে গেটএফ্রীল্যান্সার সাইট ওপেন করা <img src=" style="border:0;" />

আমি গুগলে সার্চ দিয়ে সাইটটা বুকমার্কড করে রাখলাম। রাত্রে বাসায় এসে দেখি। রেজিস্ট্রেশান করে ফেললাম। অফিস থেকে বাসায় এসেই বিভিন্ন কাজে বিড করি। কিন্তু কোন রিপ্লে না পেয়ে কিছুটা হতাশ হলাম। ৩ দিনের মাথায় এক ক্লায়েন্ট মেসেজ দিলো। খুশীতে আত্নহারা হয়ে স্টার এ কাচ্চি খেলাম। নিশ্চিত হলাম ঠিক লাইনেই আছি। আজ হোক বা কাল হোক কাজ আমি পাবো।

৭ দিনের মাথায় শুক্রবার সকালে আরেক ক্লায়েন্ট মেসেজ পাঠালো। সে জানালো আমাকে $২০ দিতে রাজি আছে যদি আমার তার সাইটের ৫ টা পেইজের html ভ্যালিড করে দিতে পারি। রাজি হলাম। সে বললো Cpanel ইনফরমেশান দিচ্ছি এখনি যেনো শুরু করি। তাতেও আমি হ্যাঁ বললাম। অপেক্ষা করছি। নিজের ভিতর কিছুটা উদ্বেগও যেনো কাজ করছি। বার বার ঐ পেইজটা রিফ্রেশ দিচ্ছি আমাকে জয়ী ঘোষণা করছে কিনা দেখার জন্য। কিছুক্ষণ পর দেখলাম সে অন্য আরেক জনকে কাজটা দিয়া দিসে <img src=" style="border:0;" />

রাগে, ক্ষোভে কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম। হতাশায় ভাবলাম আর কোন বিডই করবোনা। আবার ভাবলাম যে বিডগুলো জমা আছে সেগুলো এখনি শেষ করে দিবো। ফলে যত নতুন প্রজেক্ট ওপেন আমি সাথে সাথেই বিড করি। একসময় OrangeHRM এর উপর একটা প্রজেক্ট আসে। ক্লায়েন্ট সেটার ইন্সলেশান এবং কিছু কাস্টোমাইজেশান চায়। আমি OrangeHRM সম্পর্কে মোটেও কিছু জানিনা। তবুও $৩০০ দিয়া বিড করলাম। কি জানি কি ক্লায়েন্ট আমাকে কোন মেসেজ না দিয়েই জয়ী ঘোষণা করলো সাথে সাথেই। আমি বিড করার বড়জোড় ৫ মিনিট পরেই।

আমিও প্রজেক্ট টা এ্যাক্সেপ্ট করলাম। গুগলে সার্চ দিলাম কেমন OrangeHRM ইনস্টল করা যায়। ইউটিউবের একটা ভিডিও পাইলাম। সেটা দেখলাম এবং বুঝলাম। কিন্তু স্লো ইন্টারনেটের জন্য OrangeHRM এর সার্ভারের সাথেই কানেক্ট হতে পারলামনা ডাউনলোডের জন্য। শেষে মিজান ভাইরে ধরলাম ডাউনলোড করে দিতে। উনি ডাউনলোড করে আমাকে জিমেইলে মেইলো করলো। সেখান থেকে ডাউনলোড করে প্রথমে লোকালি ইন্সটল করি। পরে ক্লায়েন্টের সার্ভারে ইন্সটল করি। একবারেই কাজ করলো। খুশীতে ক্লায়েন্টকে সাথে সাথেই মেইল করি।

তারপর ক্লায়েন্ট যা কাস্টোমাইজেশান চাইলো তা করে দিলাম। সব মিলিয়ে ঘন্টা তিনেক সময় লাগলো। ক্লায়েন্ট সাথে সাথেই টাকা পরিশোধ করে একটা সুন্দর রিভিউ দিলো- Comments: very good developer. Fast and dependable. I will use this provider again.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29302618 http://www.somewhereinblog.net/blog/yunuscse/29302618 2011-01-06 02:22:38