somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের পর এবার ছাত্রলীগের পদদলন!

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের জীবন কেমন চলছে, তার প্রতীক হয়ে থাকবে ছবিটি। রাস্তায় পড়ে আছেন এক শিক্ষার্থী, তাঁর ঘাড়-গাল-মুখ পিষছে দুজনের দুটি জুতা। জুতার মালিক যে পা-দুটি, সেই পাগুলো ছাত্রলীগের ক্যাডারদের। আর পড়ে থাকা দেহটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের। তাঁকে ঘিরে ছাত্রলীগের আরও কিছু কর্মী। গত হরতালের দিন দেখা গেল পুলিশের বুটের তলায় এক চাকরিজীবী, এখন ছাত্রলীগ কর্মীদের জুতার তলায় পিষ্ট হলেন উচ্চশিক্ষার দাবিদার শিক্ষার্থীরা। দুটি ছবিই রাস্তার রাজা পুলিশ আর ক্যাম্পাসের যুবরাজ ছাত্রলীগের ক্ষমতার দাপট প্রকাশ করে। এই জুতা-জিনস আর ওই ইউনিফর্ম-বুট গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ আর মানবাধিকারের কলঙ্ক হয়ে ফুটে থাকবে অনেক দিন।
ইংরেজ সাহিত্যিক মেরি শেলির বিখ্যাত উপন্যাস ফ্রাঙ্কেনস্টাইন-এর শেষ যেখানে, বাংলাদেশে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী চেহারায় আবির্ভাবের শুরুও সেখানে। বিজ্ঞানী ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের হাতে বানানো দানবটি তার জনকের সব প্রিয়জনকে হত্যা করে আর্কটিক সাগরের দিকে পালিয়ে যায়। তারপর বহুদিন সে নিখোঁজ ছিল। অতি সম্প্রতি বাংলাদেশে তার দেখা মিলেছে। এত দিনে ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের কেরামতিও বেড়েছে অনেক, সে জন্ম দিয়েছে আরও অনেক পাতিদানবের। তার স্বভাবও বদলেছে কিছুটা। আগেকার দানবেরা স্বজাতি নিধন করত না। কিন্তু এ দেশের পাতিদানবেরা বনেদি দানবকুলের সেই নিয়মটাও মানে না। তারা ক্ষুধার্ত হলে সরকারি সম্পদ এবং সাধারণ মানুষ, এমনকি শিক্ষার্থীদের ওপরও চড়াও হয়। বর্তমানে ছাত্রলীগের আচরণ ও কায়কারবার দেখে যে কারও ঘোর সন্দেহ জাগতে পারে, এরা ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের জ্ঞাতিগোষ্ঠী কি না; ভুল করে চলে এসেছে বাংলাদেশে। সন্দেহবাদীরা এ-ও বলে থাকেন, আসার পর তারা সব দলে দলে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে। তাদের অত্যাচারেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এই বিদায়লগ্নেই আমরা জানতে পারি, ছাত্রলীগ কেবল আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনই ছিল না, দলনেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা ছিলেন সংগঠনটির শীর্ষনেতা। ঠিক সে সময়টাতেই মন্ত্রীরা এলান দেন, ছাত্রদল ও শিবিরের সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগের মধ্যে ঢুকে অনাচার করছে, ছাত্রলীগ বৃষ্টিবিধৌত তুলসী পাতা।
১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি জসিমউদ্দীন মানিকসহ, বরকত, মেরাদুল, ডালাসরা পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে সহপাঠী ছাত্রীদের ধর্ষণের শিকার করছিল, তখনো দলটির তরফে বলা হয়েছিল, এগুলো সব ছাত্রদলের প্রচার। প্রচারণাটি সত্য প্রমাণিত হলে বলা হলো, এরা ছাত্রলীগের মধ্যে ঢুকে পড়া ছাত্রদলের কুলাঙ্গার! তাহলে প্রশ্ন, গত রোববার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ সরকার আর দেবে না শুনে সচিবালয় ঘেরাও করতে এসেছিলেন, তখন সেখানে ছাত্রলীগের সভাপতি স্বয়ং হাজির হয়ে শিক্ষার্থীদের থামাতে ব্যর্থ হয়ে কী ইঙ্গিত করে চলে যান? কোন ইশারায় ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা ঝাঁপিয়ে পড়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর! এখনো কি বলা হবে, এই হামলার দায়, ওই সন্ত্রাসীজুতাজোড়ার ভার আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ নেবে না? পুলিশের বুটের তলায় পিষ্ট হওয়া নাগরিকের ছবির বেলায় যেমন ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তেমনি করে কি রয়টার্সের তোলা এ ছবিকেও ষড়যন্ত্র বলা হবে? তারা হয়তো বলবে, কিন্তু মানুষের মন থেকে এ দুটি ছবি তারা মুছবে কী করে?
বলপ্রয়োগই এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারপক্ষীয় ছাত্রসংগঠনের মূল রাজনৈতিক তরিকা। এই তরিকারও আবার রয়েছে পাঁচটি প্রধান কর্মসূচি। এসব কর্মসূচির সফলতার ওপরই নির্ভরশীল দখলদার ছাত্রসংগঠনের ‘রাজনৈতিক’ সাফল্য। এসব সফলতার ওপরই নির্ভর করে ছাত্রনেতাদের পদায়ন। পদ যত ভারী হয়, ততই পদভারে নিষ্পেষিত হয় শিক্ষাঙ্গন। ছাত্রের মুখে-মাথায় লাথি মারতে থাকার ওই ছবি তাই শিক্ষার ও মানবাধিকারের অপমানেরই প্রতীক। আসুন, কর্মসূচিগুলো আমরা মিলিয়ে নিই:
ক্যাম্পাসে শান্তি কায়েম করো: ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলের কাছে ক্যাম্পাসে শান্তি মানে একক দখলদারি কায়েম। প্রতিপক্ষ যারাই হোক, তাদের দমন করো, হল থেকে বিতাড়ন করো। বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার প্রথম কয়েক মাসে এই কর্মসূচি পরিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছিল এবং ক্যাম্পাসগুলোতে নেমে এসেছিল তথাকথিত শান্তির অন্ধকার। এতে যদি রক্ত ঝরে, সেটা ‘মহৎ’ লক্ষ্য অর্জনে সামান্য বিসর্জন মাত্র। এই শান্তি কায়েমের প্রথম প্রকাশ হিসেবে হলগুলো পরিণত হয় খোঁয়াড়ে, যার লাগাম থাকবে ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অসাধারণ এক দৃশ্যের জন্ম হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। মধ্যরাতের কনকনে শীতে মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন ৪৪ জন ছাত্র। তাঁদের অপরাধ, তাঁরা ছাত্রলীগ করেন না, মিছিলে যান না। তাই, যে যেখানে ছিলেন, সেখানেই পিটুনির শিকার হন, তছনছ হয় তাঁদের বিছানা-বালিশ, বইপত্র। তারপর দাঁড় করিয়েরাখা হয় খোলা ময়দানে। ছাত্রলীগের শান্তির শর্ত হলো—পড়ালেখা করে যে, চাহিবামাত্র মার খায় সে।
আপনা মাসে হরিণা বৈরী: বলা হয়, কাক কাকের মাংস খায় না। কিন্তু দানব তার ভাইবেরাদরকেও ছাড়ে না। কোনো ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের পূর্ণ কর্তৃত্ব কায়েম হওয়া মাত্রই তারা অ্যামিবা-স্বভাব অর্জন করে, নিজেকে ভেঙে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায়। অচিরেই হলের দখল বা সরকারি কাজের বরাদ্দ অথবা টেন্ডার বা চাঁদার ভাগ নিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এ রকমই এক যুদ্ধের মধ্যে পড়ে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র আবুবকরের করুণ মৃত্যু ঘটে। এ রকম যুদ্ধে পুরো যশোর শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয় (প্রথম আলো, ১৪ মার্চ ২০১০)। হরিণ যেমন তার মাংসের জন্য লোভনীয় শিকার হয়, তেমনি গ্রুপবাজির জন্য ছাত্রলীগের ক্যাডাররাও পরস্পরের হাতে নিধনযোগ্যতা অর্জন করে। এভাবেই রক্ত ও হানাহানির পথে এক গ্রুপের শান্তির শেষে আরেক গ্রুপের শান্তি কায়েম হয়। এভাবেই ছাত্রদলের সোনার ছেলেদের সোনালি সন্ত্রাসের শেষে সোনার বাংলায় আসে ছাত্রলীগের সোনালি দিন।
ছাত্রলীগ বলিবে, প্রশাসন শুনিবে, শিক্ষক মানিবে: প্রশাসন, তা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজেরই হোক বা হোক জেলা প্রশাসন—নিয়ম এটাই, ‘ছাত্রলীগ বলিবে, প্রশাসন শুনিবে’। প্রথম আলোর শিরোনাম, ‘ছাত্রলীগের কড়া শাসনে হল প্রশাসন’। এফ রহমান হলের প্রভোস্ট লাঞ্ছিত হন অছাত্র কর্মীদের হল থেকে বের করে দেওয়ার ‘অপরাধে’। গত ২ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো প্রক্টরিয়াল বডি পদত্যাগ করে ছাত্রলীগের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে (প্রথম আলো, ৪ আগস্ট ২০১১)। একই সময়ে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে কয়েকজন শিক্ষক প্রহূত হন। প্রহূত শিক্ষকদের একজনের ভাষ্য ছিল: ‘দুঃখের কথা কী বলব! ছাত্রদের হাতে আজকের আমার এই গণপিটুনির কথা কোনো দিন ভুলব না।’ তিনি ভুলবেন না, কিন্তু আমরা হয়তো ভুলে গেছি, গত কয়েক বছরে ছাত্রলীগের কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সিলেটের বিশ্বনাথ কলেজ, বরিশালের বিএম কলেজ (১৮-৭-১০), কক্সবাজার পলিটেকনিক কলেজসহ আরও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের ওপর হামলা করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের মুরগীকরণ আর শিক্ষকদের বশীকরণ ছাত্রলীগের পঞ্চম তরিকা হিসেবে সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে আমরা আশা রাখতে পারি।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ছাত্রলীগের কথামতো নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়নি বলে পাবনায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চরম অপদস্থ হতে হয়েছিল, ঘটেছিল তুলকালাম কাণ্ড। ওই মাসেই ছাত্রলীগ ও স্বাচিপের হাতে হেনস্থা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত। তাদের রোষের কারণ, ছাত্রলীগের পছন্দের প্রার্থীরা কেন চাকরির পরীক্ষায় অযোগ্য ঘোষিত হলেন? এ বছরের জুন মাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসার নামে ৩০ হাজার টাকা অনুদান পান (প্রথম আলো, ৫ জুন)। আহত হওয়ার গল্পটি যেমন ভুয়া, তেমনি ভুয়া তাঁর পরিচয়। টাকা নেওয়ার সময় এরশাদ হোসেনের ছাত্রত্ব ছিল না। আবার ‘প্রশাসন বলিলে ছাত্রলীগও শুনিবে’ এমন সমঝোতাও বহাল রয়েছে। তাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দমনের কাজে প্রশাসন ক্যাডার বহনের জন্য বাস জুগিয়ে দেয়। এ রকম ঘটনা আকসার ঘটছে আর দেশবাসী শিখছে ছাত্রলীগ আর শিক্ষকচালিত প্রশাসন দুজনে দুজনার। এই সুখী দাম্পত্যের শর্ত, ‘ছাত্রলীগ বলিলে প্রশাসনকে শুনিতে হইবে’।
অস্ত্র দেখে যায় চেনা: গোঁফ দেখে বিড়াল চেনা যায়, ইদানীং অস্ত্র দেখে চেনা যায় কে কোন দলের ক্যাডার। ছাত্রলীগের রামদা-চাপাতি, ছাত্রদলের কাটা রাইফেল-পাইপগান, শিবিরের রগকাটা ক্ষুর-রামদা আর জেএমবির বোমা। এগুলোই এখন যার যার দলীয় ট্রেডমার্ক, দলীয় ব্র্যান্ড। কেমন কলিকাল! ছাত্রলীগ নিচ্ছে ছাত্রশিবিরের রগকাটা পদ্ধতি! গত জুন মাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাপাতির কোপে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্যদের পায়ের ও ঘাড়ের রগ কাটা শুরু করে ছাত্রলীগ (প্রথম আলো, ৭ জুন)।
মুরগি ধরার ফাঁদ: সব আমলেই সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের তাপে বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রগুলোর পরিবেশ তামা তামা হয়ে যায়। হলবাসী শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ক্ষমতাসীন দলের মিছিলে যেতে হবে। পড়ালেখায় ঠনঠনা, এমনকি হয়তো সে ছাত্রই নয়, তবু ক্যাডারদের উঠতে-বসতে সালাম দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের সিট বেদখল হবে, যখন-তখন যে-কাউকে কক্ষছাড়া করা যাবে। এ ধরনের দাপুটে ছাত্রনেতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘মুরগি’ বলে থাকেন। হলগুলোকে খোঁয়াড় ভাবলে খোঁয়াড়বাসীদের ‘মুরগি’ ভাবা স্বাভাবিক। মুরগি ধরা মানে মিছিলে জোর করে শিক্ষার্থীদের টানা। অনেক সময়মুরগির সংজ্ঞার মধ্যে তারা মেয়েদেরও ভাবতে ভালোবাসে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায়ই ছাত্রী লাঞ্ছনার অভিযোগে আন্দোলন হতে দেখা যায়। গত বছর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগের চার কর্মীকে সাময়িক বহিষ্কৃত হতে হয়। সেখানেই এক ছাত্রীকে কামড় দেওয়ার অপরাধে সাময়িক বহিষ্কৃত হন ছাত্রলীগের আরেক নেতা। সারা দেশে অহরহই যৌন নিপীড়নের ঘটনায় এদের সংস্পর্শ দেখা যায়।
বঙ্গদেশে ছাত্রলীগ যখন ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানব হয়ে উঠছে, তখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের নেতারা কী করছেন? দিনের শেষে তাঁরা দেখতে পাবেন, ছাত্রলীগের জুতা আর রামদা আত্মঘাতী হয়ে উঠছে। যাঁদের ওপর ভর করে তাঁরা দিনবদল ঘটাবেন, তাঁরাই যখন বদলে গিয়েছেন, তখন অর্ধশতক বয়সী ছাত্রলীগ হয়ে উঠছে তার নিজেরই পরিহাস। ছাত্রলীগ আর পুলিশের জুতা এক কোম্পানির নিশ্চয়ই নয়, কিন্তু তারা একইভাবে সাধারণ মানুষকে করে তুলছে মানবেতর, আর নিজেরা হয়ে উঠছে দানবেতর।
ফারুক ওয়াসিফ: সাংবাদিক।
সূত্র:
৮টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×