আমার প্রিয় পোস্ট
- বহুব্রীহি .................. ডাউনলোড করুন
) - রিয়াজরানা
- সবজির ঝাল পাকোড়া - ভূলু
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- রাঙিয়ে দাও রাঙিয়ে দাও আমার সত্ত্বাকে... - এম্নিতেই
- বাংলাদেশী ওয়েব এড্রেস (অনলাইনে প্রতিদিন) - সিটিজি৪বিডি
- IELTS - পারভেজ
- ঈদ নিয়ে নজরুলের কয়েকটি কবিতা - আওরঙ্গজেব
- ডায়েট চার্টঃ ওজন কমাবেন কিভাবে - আমার এই মন
- ৫০৪ টি ফ্রি বই - রেজা রহমান
- প্রিয় কবিতা--- // না ঘুমানোর দল // - ফেরারী পথিক
- মাছের কাটলেট - জরিণা
- সাত-সাগরের মাঝি - মামুন মাহফুজ
- আরও কিছু মজাদার এনিমেটেড ছবি - ব্রাইট
- আল-কোরআনের নতুন সাইট - কাঙ্গাল মুরশিদ
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- আয় খুকু আয় ----- (হেমন্ত মুখোপাধ্যায়/শ্রাবন্তী মজুমদার) - বিষাক্ত মানুষ
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- "Best Loved Children's Songs" আপনার সোনামনির জন্য সুন্দর উপহার হতে পারে । - লুলুপাগলা
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ১। - তৌসিক আহম্মেদ
- টুনা মাছের স্যান্ডউইচ - জরিণা
- বিশ্বের দেশে দেশে রাজতন্ত্র - এম কে নিপু
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- অতি সাধারণ একটা অংক
- মারুফডি
- বহুত দিন পরে আমাদের আঞ্চলিক ভাষার গান পাইলাম, সময় থাকলে শুনেন/দেখেন - নাজিরুল হক
- বিদ্রোহী ----- কাজী নজরুল ইসলাম - বিষাক্ত মানুষ
- সাহায্য চাই (সাময়িক পোষ্ট - ক্যাপেটন ক্যাকটাস
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- ছুটির দিনের এক্সপেরিমেন্ট ----- মোগলাই পরোটা উইথ টুনা - বিষাক্ত মানুষ
জার্মানীতে বসন্ত
০১ লা মে, ২০০৮ রাত ১০:২০
এই দেশ টাতে এসেছি উইন্টার এর শুরুতে...
আসার পর থেকে দেখছি,কেমন যেন ঝিম মেরে থাকে দেশ টা।
গুমোট আকাশ...কখন বৃষ্টি নামে ঠিক নেই।
সারাদিন সুর্যের কোন দেখা নেই।
মাঝে মাঝে বাংলাদেশে যখন এমন আবহাওয়া হত,সেই সব কর্মবিমূখ অলস দিনগুলোর কথা মনে পড়ে।
বাংলাদেশে এমন দিনে আমরা দরজা জানালা লাগিয়ে কাথা মুড়ি দিয়ে
গল্প করতাম।
সাথে থাকত কাচা মরিচ পেয়াজ আর সরিষার তেল দিয়ে মাখানো মুড়ি।
জানতাম,একটু পরেই আম্মুর ডাক পড়বে খিচুড়ি,শুটকি ভর্তা আর ডিম ভাজি খেতে।
মন খারাপ হয়ে যায় যখন দেখি,এই দেশে এমন দিনে ও কাজে যাচ্ছে সবাই...
মেঘলা আকাশ থেকে বরফ পড়ে চারিদিক সাদা হয়ে আছে,তবুও ছুটছে সবাই নিজের কাজে।
হাসছে...চলছে...কাজ করছে...
খুব মনে পড়ে ছোটবেলায় পড়া সেই কবিতাটা,
নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে
তিল ঠাই আর নাহিরে...
ওগো,আজ তোরা
যাসনে ঘরের বাহিরে...
কিন্ত আমার মনের এই আকুতির কি ই বা দাম এই সব দেশে।
একটু পরে অন্য একটা স্মৃতি মনে পড়ে নিজের মনেই হেসে ফেলি,আর মন টা ভাল হয়ে যায়।
বাংলাদেশে থাকতে একবার ঘোর বরষার সময় পর পর অনেকগুলো নাইট ডিউটি পড়েছিল হাসপাতালে।গাইনী ওয়ার্ডে ছেলে রা বেশি কাজ করতে চায়না,তাই মেয়েদের উপরে বেশি চাপ থাকত।
হোষ্টেল থেকে হাসপাতাল মাত্র ৫ মিনিটের পথ।কিন্ত এত পানি জমেছে রাস্তায় আর যেহেতু রাত তাই রিক্সা পাওয়া যেতনা।তখন বাথরুমের স্যান্ডেল আর সবচেয়ে পুরোনো জামা কাপড় পড়ে প্রায় কোমর পানি ডিঙ্গিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছে কয়েক দিন।
ওয়ার্ডে পৌছে সব বদলে ফেলে তবেই ডিউটি করা।
আর এক দিন ইমারজেন্সি ডিউটি করতে গিয়ে রাত প্রায় একটায় পার হতে হয়েছিল এই পানির সমুদ্র।
যাই হোক,বলতে চেয়েছিলাম এই দেশের সামারের কথা...চলে গেছি উইন্টারে,আর সেখান থেকে পুরনো দিনের স্মৃতিতে।
এখানে শীত যতই বাড়ছিল,একটা শুকনো খড়খড়ে দেশে এসেছি,এই ভাবনা টা আমার মনে গেথে যাচ্ছিল।কারন চারিদিকের সব গাছ,সব পাতা মলিন হতে হতে যেন খড়ির মতো হয়ে যাচ্ছিল।
কদিন হল ঠান্ডাটা একটু কমেছে।আমি অবাক হয়ে দেখছি,সব গাছ গুলোতে পাতা গজাতে শুরু করেছে...
যতই দেখছি অবাক হয়ে যাচ্ছি,যে গাছ গুলো কালকেই ছিল দাঁড়িয়ে থাকা একটা মৃত লাঠির মত...পাতায় পাতায় এত দ্রুত সেগুলো প্রান ফিরে পেল কিভাবে?
যে পথ টা দিয়ে আমি প্রতিদিন যাই আসি,সেই পথে চলতে গিয়ে থমকে দাড়াই।কি আশ্চর্য!!সব গাছ গুলো এমন সবুজ সতেজ আর প্রানময় হল কি করে?
একটা দিনে,একটা ঘন্টায় যেন অনেক খানি বদলে যাচ্ছে ওরা।আর কি আশ্চর্য! যেদিকে তাকাই,প্রত্যেকটা গাছেই নতুন পাতার সাথে নতুন ফুলের কুড়ি।যেখান টাতে এতদিন শুকনো কাটার জঙ্গল দেখেছিলাম,হঠাত দেখি উকি দিচ্ছে হলুদ আর টকটকে লাল রঙের ফুল।
শুকনো মরা আপেল গাছে গাছজুড়ে ফুটে আছে সাদা আর পিঙ্ক মিলিয়ে অপরুপ ফুল।
ঘাসে ফুটেছে ছোট্ট সাদা ফুল আর সবুজ ঘন পাতার বুকে হাজারো হলুদ ফুল।কোথাও সবুজের মাঝে যেন বেগুনীর চাদর বিছানো।
বেলি ফুলের মত অফ হোয়াইট কালারের থোকা থোকা ফুলে ভরে আছে সেদিনের শুকনো কাছটি।
আরো অবাক!
অসংখ্য ভ্রমর গুনগুনিয়ে ঘুরছে ফুটে থাকা ফুলের ঝাড়টিতে।
বড়ো ছোট এমন কোন গাছ বাকি নেই যেখানে নতুন পাতা আর ফুলের এই সমারোহ নেই।
পাহাড়ের উপরের গাছ গু্লোতে নতুন পাতার রঙ মন আর চোখে এমন শীতলতা আনবে আমি ভাবিনি...
সত্যিই এই প্রকৃতির বর্ননা দেবার সাধ্য আমার নেই...
কিন্ত প্রকৃতির এই রূপ বদলের ধাক্কায় আমার মন টা কেপে ওঠে,নিজেকে প্রশ্ন করি,এটা কি পুলক নাকি ভয়!!!
এই মহা সাজ আর সাজের আয়োজনে আমার হৃদয়ের যে পুলক,কোন এক অজানা কারনে তাকে সহ্য করতে আমার কষ্ট হচ্ছে...
আমার ছোট্ট মন বুঝতে পারে না,প্রকৃতির স্রষ্টা কেন,কার জন্য এত সওগাত ঢেলে দেন...কি বুঝাতে চান তিনি...আর আমরা কি বুঝি...।
স্রষ্টা কিংবা প্রকৃতি কি এভাবে কিছুই বোঝাতে চায় না আমাদের??
না কি এসব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে অকারনে...কোন রহস্য নেই এগুলোর...
নেই কোন উদ্দেশ্য..।
আমি জানিনা......
তবে এতটুকু বুঝি,এর জবাব দিতে পারবে প্রতিটি হৃদয়,যখন সে হৃদয় কথা বলবে নিজের সাথে...
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
জার্মানি কৈত্থিকা ? আমি উলমে আছি ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
সাইকেলটাকে মুছে রেডি করে একটা চক্কর দিয়ে দিলাম। দিনগুলো বেশ মজার। বিকেলে প্রায় ঘন্টাখানেক ঘুরেঘুরে পুরো এলাকা দেখা হলো। অনেক নাম না জানা ফুল, বিভিন্ন রঙের টিউলিপ রাস্তার পাশে। অনেক নাম না জানা পাখি আরও অনেক কিছুই না দেখা গাড়ি(এতো দামী আর সুন্দর গাড়িগুলো অনুভুতি পড়ে ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: হুম...ধন্যবাদ।
মাইনুল বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শফিকুল বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
ভালো লাগল......।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: না।
লেখক বলেছেন: হুম...কথাটা ঠিক বললেন না ছোট ভাইয়া।
আমার অভিজ্ঞতা তা বলেনা।
ফাকি দিতে চাইলে যে কেউই দিতে পারে।
আপনার ইন্টার্নী কি শুরু হয়েছে?
যতদুর মনে হয়,হয়নি।তাইনা?
পায়ের কি অবস্থা?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















