আমি দীর্ঘদীন যাবৎ রাশিয়াতে বাস করছি, রুশ রাজনীতি সম্পর্কে অল্প কিছু শিখছি। তাছাড়াও সাংস্কৃতিক ও লেনিনগ্রাদের আন্চলিক রাজনীতিতে পদার্পন করেছি বছর পাচেঁক। তাতে করে সব সময়ই লক্ষ্য করেছি, অনেক আগে থেকেই কিছু দেশের মানুষ একটু অন্য রকম। তাদের প্রকৃতি, রুশদের চেয়ে ভিন্নতর। বিশেষ করে গ্রুজিন, পোলিশরা। আর্মেনীয়রা আর পোলিশরা খুবই বুদ্ধিমান এবং সাংগঠনিক।
পোলিশরা সব সময়ই যা বলি তাই করি টাইপের, তবে গোয়ার না। যুক্তিসংগত ভাবেই সব সিদ্ধান্ত নেয় তারা। এসব দেশে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের রেশ এখনো কাটেনি, এটা এখনো একটি মহা ব্যাপার। যা কিনা গাড়ীর ফিটনেস, মেডিক্যাল বা বাংকে গেলে হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়।
যাই হোক, মুল বিষয়ে আসা যাক, আমার এই লেখার উদ্দেশ্য আমার জানা বিষয়গুলোকে শেয়ার (বাংলায় কি হবে এই মূহুর্তে মনে, , ,) করা।
ষ্ট্যালিন সাহেব প্রচুর মানুষ নিধন করেছেন। যে কোনো কথার জন্য মানুষকে হত্যা করাই ছিল তার কাজ। তিনি নিজে রুশ ছিলেন না, তিনি জন্মসূত্রে গ্রুজিন। ষ্ট্যালিন -তার আসল নাম না। ষ্ট্যালিন শব্দের অর্থ ষ্টীল। অর্থাৎ লোহা। তার আসল নাম ইউসুফ ইসারিনোভিচ। যাই হোক, ২২ হাজার পোলিশ অফিসারকে তিনি গুলি করে হত্যা করে। এতকাল সোভিয়েত ও রুশ সরকার তা স্বীকার করেনি।
এর ফলে একটা তিক্ততা পরিলক্ষিত হয় দীর্ঘদিন। এই অবস্হার লাভ নেয় ও ব্যবহার করে আমেরিকা, পুতিন ও মেদভেদ কিছুদিন আগে তা সরকারীভাবে মেনে নেয়।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে পোলিশ রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকের রাশিয়াতে আসছিলেন পুস্প অর্পন করতে মৃত পোলিশদের স্মৃতি সৌধে। এটা ছিল সম্পূর্ণ বেসরকারী ভ্রমন।
এই সু-সম্পর্ক পশ্চিমাদের একেবারেই ভালো লাগেনি।
৪ বার বিমান অবতরন করতে পারেনি, রুশ কতৃপক্ষ বার-বার বলেছে, কুয়াশার কথা, অন্য বিমানবন্দরে অবতরণ করতে, কিন্তু অজানা কারণে, পাইলট সিদ্ধান্ত নেয় অবতরণ করতে স্মলেন্সকে। হতে পারে, প্রেসিডেন্ট অনুষ্ঠানে দেরী করতে চাননি। কারণ এসব বিমান (তু-১৫৪) ভিআইপি।পাইলট সুপার। বিমানের কোনো সমস্যা নেই।
আছে কিছু অধ্যায়। আমেরিকার প্রযুক্তি আছে, দুর থেকে এসব বিমান নিয়ন্ত্রন করার। এটা ভুল ধারণা হতে পারে।
আমরা যদি ওবামা আর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনি খেয়াল করে, তারা উপরে লেখা বিষয়টাই প্রকাশ পায়। তারা বলেছেন যে, পোলিশ প্রেসিডেন্ট পোল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে অনেক কাজ করেছেন।
যাই হোক, রাশিয়ার বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক, বিগ্গান ও তথ্য কেন্দ্র , -নিহত ব্যাক্তিদের শান্তি কামনা করে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



