অতীত ও বর্তমান যুগের মুশরিকদের মাঝে পার্থক্য
---
পীর ও মাযার পূজারীদের অধিকাংশই একথা বলে থাকে যে, জাহেলী যুগের লোকেরা মূর্তিপূজা করত। পক্ষান্তরে আমাদের কাছে পূজনীয় কোন মূর্তি নেই, বরং আছে শুধু কিছু নেক্কার পীর-মুর্শিদ ও অলী-আওলিয়াদের মাযার, আমরা সেখানে তাদের ইবাদত করি না। কেবলমাত্র তাদের অসিলা দিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি। অতীত যুগের মুশরিকদেরও যখন প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, তোমরা তোমাদের মূর্তিগুলোকে কেন ডাক? তার উত্তরে তারা যা বলেছিল তা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে এভাবে উল্লেখ করে দিয়েছেন, "জেনে রেখো একনিষ্ঠ এবাদত আল্লাহ তায়ালা তায়ালার জন্যেই (নিবেদিত হওয়া উচিত) যারা আল্লাহ তায়ালা তায়ালার বদলে অন্যদের অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে তারা বলে, আমরা তো এদের এবাদত - এ ছাড়া অন্য কোনো কারণে করি না যে, এরা আমাদের আল্লাহ তায়ালার নিকটবর্তী করে দেয়। কিন্তু তারা যে (সব) বিষয় নিয়ে মতভেদ করছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা (কেয়ামতের দিন) সে বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন, অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা এমন লোককে হেদায়াত করেন না যে মিথ্যাবাদী ও অকৃতজ্ঞ।" (সূরা আঝ ঝুমারঃ আয়াত ৩) কবর পূজারীদের অনেকের ধারণা হল, কারো কাছে আবেদন-নিবেদন করা আর কারো ইবাদত করা এক জিনিস নয়। তাদের এ ধারণা একেবারেই ভুল, নিশ্চয়ই কোন মৃত ব্যক্তির নিকট কোন প্রকার সাহায্য ও বরকত তলব করাই হল দো'আ বা প্রার্থনা, আর এ দো'আই হল ইবাদত। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-ই বলেছেনঃ "দো'আ বা প্রার্থনা করাই হল ইবাদত" বা "দোআ হল ইবাদতের মগজ"।
পীর-ফকির ও অলী-আওলিয়াদেরকে অসিলা ধরার বিধান - ৪র্থ পর্ব
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



