বুকের ভেতর হু হু করছে, মন খারাপের কারণ সঙ্গত কারণেই বলতে পারছি না। আমি এখন মিতালীর গান শুনছি ...
আমার একটা সুবিধা আছে। আমি চাইলেই চোখের পানি ঝড়াতে পারি। অতি তুচ্ছ তুচ্ছ কারণে আমার চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়তে পারে।
চোখের পানি লুকাবারও আছে আজব পদ্ধতি। জন্মসূত্রে কানা না হলেও স্কুলে ভর্তির কিছুদিন পরই চারচোখ টাইটেল পাই। আজ এই চোখের কারণেই চোখের দুঃখ লুকাতে পারি। যেমন আজ মিতালীর গানটা শুনতে শুনতে যথারীতি পানি ঝড়িয়ে চোখ পরিস্কার করছিলাম, অনেক অনেক ভার আমাকে আক্রান্ত করে যাচ্ছিলো আর আমিও তা হতে দিচ্ছিলাম। যাই হোক, হঠাৎ মা'য়ের আগমন এবং প্রশ্ন, কিরে তোর চোখে পানি?
: না, মনিটরের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে আছি তো তাই
: চশমা ছাড়া এভাবে তাকাস কেন? চোখ তো আরো যাবে
: যাক, সব চলে যাক ...
: কী?
: নাহ, বললাম কিছু হবে না, মন দিয়ে একটা লেকচার শুনছিলাম তাই
: হেডফোন খুলে স্পীকারে দিয়ে শুয়ে শুয়ে শোন
: আচ্ছা প্রায় শেষ, তুমি যাও তো ...
উনি চলে গেলেন, আড়াল হবার আগে আবার দরজার বাইরে গিয়ে ঘুরে দেখলেন, কি জানি কি ভাবলেন, চলে গেলেন ... আমিও আর কিছু বললাম না। বুকের ভেতর হু হু করছে ... আমার আজ আর কিছু বলতে ইচ্ছে করছে না ...
"কেন আশা বেঁধে রাখি / কেন দ্বীপ জ্বেলে রাখি / জানি আসবে না / ফিরে আর তুমি / তবু পথপানে চেয়ে থাকি
জানবে না তুমি বুঝবে না তুমি / এই ব্যথা আমার এই জ্বালা আমার / ছিলে কাছে যখন / ছিলো সবই আপন / সেই ভেবে জলে ভরে আঁখি
কত আশা ছিলো / কত ছিলো যে গান / কত হাসি ছিলো / কত অভিমান / সূর্য্য জ্বলা এই সকাল আমার / আধারেই সবই গেলো ঢাকি
এই মনের কথা হয়নি তো বলা / হয়নি তো আজও সেই পথে চলা / স্বপ্ন যে ছিলো / সবই তোমার দেয়া / তবে কেন দিলে তুমি ফাঁকি ... ... ...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

