আমার প্রিয় পোস্ট

"অবশ্যই আমার নামাজ আমার এবাদাত আমার জীবন আমার মৃত্যু সবকিছুই সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহর জন্যে।"

জাহান্নামের চিত্র - পর্ব ২

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫০

শেয়ারঃ
0 1 0

জাহান্নামের প্রাচীর

রাসূল আকরাম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, চারটি প্রাচীর দ্বারা জাহান্নাম পরিবেষ্টিত। এর প্রতিটি প্রাচীরের প্রস্থ চল্লিশ বত্সর অতিক্রান্ত পথের দূরত্বের সমান। (তিরমিযি)

অতএব, যে প্রাচীরের দূরত্ব চল্লিশ বত্সর অতিক্রান্ত রাস্তার সমান, কাজেই সেই প্রাচীরের দৈর্ঘ্যের ব্যাপারে আলোচনা নিস্প্রোয়োজন।


জাহান্নামের গভীরতা

রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যদি জাহান্নামের ভেতর একটি পাথর নিক্ষেপ করা হয়, তবে তা জাহান্নামের তলদেশে পৌঁছতে সত্তর বত্সর সময় লাগবে। (তারগীর, ইবনে হিব্বান)

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, একবার আমরা নবী করীম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খেদমতে বসা ছিলাম। হঠাত্ আমরা একটি বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি জানো এটা কিসের শব্দ? আমরা বললাম, আলাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন , এটা একটা পাথর পতিত হওয়ার শব্দ। আলাহ একে জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছিলেন। সেটি সত্তর বত্সর চলার পর আজ জাহান্নামের তলদেশে পৌঁছেছে। এটি তারই শব্দ (মুসলিম)


জাহান্নামের আগুন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের ব্যবহৃত আগুন, (তাপমাত্রার দিক থেকে) জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের এক ভাগ মাত্র। সাহাবাগণ আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌ ! দহনের জন্য এ আগুনই কি যথেষ্ট নয়? তিনি (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ তবুও পৃথিবীর আগুনের চেয়ে জাহান্নামের আগুন উনসত্তর গুণ বেশী দহন শক্তি সম্পন। (বুখারী ও মুসলিম)

তারগীব ওরা তারহীবের এক বর্ণনায় আছে-
জাহান্নামীগণ যদি পৃথিবীর আগুনের সংস্পর্শে আসতো তাহলে সুখনিদ্রা এসে যেতো।

অন্য এক রিওয়াতের আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ
এক হাজার বত্সর পর্যন্ত জাহান্নামের আগুনকে উত্তাপ দেয়া হয়েছে। ফলে তা রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর আবার এক হাজার বত্সর পর্যন্ত উত্তাপ দেয়া হয়েছে। পরে তা সাদা বর্ণ ধারণ করেছে। অতঃপর আরো এক হাজার বত্সর পর্যন্ত উত্তাপ দেয়া হয়েছে। তারপর তা কালো বর্ণধারণ করেছে। সুতরাং বর্তমানে তা গাঢ় কালো ও তমসাচ্ছন্ন। (তিরিমিযি)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জাহান্নামের প্রাচীরগভীরতা ও আগুনজাহান্নামের প্রাচীর গভীরতা ও আগুনজাহান্নামের প্রাচীর গভীরতা ও আগুন জাহান্নামের প্রাচীর গভীরতা ও আগুনজাহান্নামের চিত্র - পর্ব ২ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কোরআন ও হাদীসের আলোকে  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৫
`হাসান বলেছেন:
ব্লগ তে দেকা যাচ্ছে ধর্ম শিক্কার মাদ্রাসায় পরিনত হইতাছে দিন দিন
২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০২
ফজল বলেছেন: জাযাকাল্লাহ্ @ বইপাগল ভাই।

হাসান, 'শিক্কা' নয় 'শিক্ষা' হবে, ভাষা সৈনিকদের এভাবে আর লাঞ্চিত করবে না দয়া করে।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: ফজল ভাই, `হাসান-কে বলে আসলে লাভ নাই।

ধন্যবাদ

৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৭
`হাসান বলেছেন:
ফজল বলেছেন: জাযাকাল্লাহ্ @ বইপাগল ভাই।

হাসান, 'শিক্কা' নয় 'শিক্ষা' হবে,



ও তাই নাকি, ঝাণতামনা ।
৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৩
প্রশাসন বলেছেন: সালাম নিবেন।অনেক দিন পর আপনার পোষ্ট পাইলাম। পোষ্ট ও ভাল হয়েছে। আসলে মানুষ বুঝতে চায়না কেন? একদিন তাদের মৃত্যুবরন করতে হবে! এত বেখেয়াল কেন মানুষ গুলো?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: ওয়ালাইকুম আসসালাম ভাই।

কেমন আছেন? আশা করি ভালো।

ধন্যবাদ

৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
মাহিরাহি বলেছেন: কিছুদিন আগে পত্রিকায় পড়লাম মহাবিশ্বের কোথাও এমন আগুনের সন্ধান পাওয়া গেছে যার উত্তাপ পৃথিবীর আগুনের চাইতে অনেকগুন বেশি।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: মাহিরাহি ভাই, ধন্যবাদ তথ্যের জন্য।

৬. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩৩
উন্মনা রহমান বলেছেন:
আপনার ম্যারাথন পোস্টে আবার ঢুকে পড়লাম! এইভাবে এখানে মাদ্রাসা না খুলে পুরাটা কোথাও আপলোড করে লিংক দিলেই তো হয়।
সংক্ষেপে একটু হিসাবটা দেখি, কারণ এসব উপমা খুবই হাস্যকর আর বালখিল্য কল্পনা মনে হচ্ছে। ভুল হলে বলবেন।
৪০ বছরের দূরত্ব যদি কখনোই না থেমে পায়ে হাটাপথ হয়, সেখানে যদি পৃথিবীপৃষ্ঠের সমান মাধ্যাকর্ষণ থাকে এবং বছর যদি পৃথিবীর এক সৌরবছরের সমান হয়, তবে ঘন্টায় ৬ কিলোমিটার হিসেবে তা হবে প্রায় ২১ লাখ কিলোমিটার। পৃথিবীর পরিধি ৪০ হাজার কিলোমিটার। স্কয়ার এরিয়া হিসেবে জাহান্নামের ক্ষেত্রফল হবে বিশাল। এটা কি কেবল একটা দোজখ? অন্যগুলিও কি এর সমান?
৭. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৩১
উন্মনা রহমান বলেছেন: জাহান্নামের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ যদি পৃথিবীর মত হয়, অর্থাৎ ৯৮১ সেন্টিমিটার প্রতি বর্গসেকেন্ডে,এবং বাতাস বা অন্য কোন বাধা না থাকে, আদিবেগ যদি শূণ্য হয়, তবে ৭০ বছরে প্রায় ২৩৮.৭৮ কোটি কোটি কিলোমিটার, অর্থাৎ ২৩,৮৭৮ টেরা কিলোমিটার হবে পতনের দুরত্ব। ৭০ বছর অর্থাৎ প্রায় ২২১ কোটি সেকেন্ড সময়কাল ধরে পতনের পর বস্তুর গতিবেগ হবে ২.১৬ কোটি কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে। (অবশ্য এত দূর থেকে পৃথিবীর আকর্ষণ কাজ করবে না, অর্থাৎ মহাশূণ্যে বস্তুটি ছেড়ে দিলেও তা স্থির থাকবে!) আবার বস্তুর গতি আলোর গতির কাছাকাছি গেলেই আইনস্টাইনের ফর্মূলা অনুযায়ী সময় ধীর হতে থাকবে। আলোর গতি মাত্র ৩ লক্ষ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে। তাহলে ২.১৬ কোটি কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে গতিবেগ কিভাবে সম্ভব?
আর শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। জাহান্নামের পাথর পতনের শব্দ মহাশূণ্য দিয়ে আসবে কিভাবে?
৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:০৯
উন্মনা রহমান বলেছেন:
এবার আসুন আগুন বিষয়ে। নিম্নতম তাপমাত্রা হচ্ছে -২৭৩.১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা শূণ্য ডিগ্রী কেলভিন। উচ্চতর তাপমাত্রা অনেক হতে পারে, যা নির্ভর করে জ্বালানী কী ধরণের, তার ওপর। দহন আসলে আক্সিডেশন প্রক্রিয়া। আমরা যে শ্বাস নেই (অক্সিজেন নেই), সেটাও দহন। দহন প্রক্রিয়ায় আলো ও তাপের (ইনফ্রা রেড) ফ্রিকোয়েন্সী রেঞ্জে বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গরূপে শক্তি নির্গত হতে পারে। সব দহনের শিখা দেখা যাবে তা নয়। তাপমাত্রা বেশী হতে থাকলে শিখা লাল থেকে নীল, তারপর প্রায় সাদা দেখায়। যার দহন হচ্ছে তার কেমিকাল কম্পোজিশনের ওপরেও শিখার রঙ বদলায়। রঙ দেখে তাপমাত্রা বোঝা যায়। যারা কেমিষ্ট্রি ল্যাবে সল্ট টেস্ট করেছেন, তারা দেখেছেন বিষয়টা।
এলকোহলের সাথে পরিমানমত পানি মিশিয়ে যদি আগুন জ্বালানো হয়, তবে সে আগুনে হাত পুড়বে না, কারণ তাপমাত্রা খুব কম থাকে।

যাহোক, এই বর্ণনাগুলো আমজনতাকে ভয় দেখানোর জন্য করা হয়েছে। কিন্তু যারা করেছেন, তাদের পৃথিবী, মহাবিশ্ব, বস্তু ও শক্তিজগৎ এসব সম্পর্কে কোন সঠিক ধারণা ছিল না। অথচ কয়েকটি প্রাচীন সভ্যতায়ও দেখা যায়, জ্যোতির্বিজ্ঞান, রসায়ন ইত্যাদি বিষয়ে তাদের ভাল ধারণা ছিল।
৯. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১৬
উন্মনা রহমান বলেছেন:
বিজ্ঞানমনস্ক হোন। যুক্তি দিয়ে স্বাধীনভাবে ভাবতে শিখুন। মানুষের যে উন্নত মস্তিষ্ক আছে, পৃথিবীর অন্য কোন প্রাণীর তার কাছাকাছিও কিছু নেই। ইউজ দ্যাট গ্রে ম্যাটার, ম্যান!
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: সেই "গ্রে ম্যাটার" ব্যবহার করেই তো বুঝি যে এখানে যা বলেছেন আমার আল্লাহ এবং আমার রসূল (সাঃ), এসব সত্য। আপনাকে আপনার কথা দিয়েই আহ্বান করছি, ইউজ দ্যাট গ্রে ম্যাটার, উন্মনা রহমান !

১০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৫
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: এমন তো হতে পারে মানুষের মহাবৈশ্বিক বাস্তবতার জ্ঞানের উর্ধে রয়েছে জান্নাত জাহান্নামের বাস্তবতা! যেখানে সকল প্রকার পদার্থের থিওরিটিক্যাল হিসাব নিকাশ কার্যকর নয়!! বিজ্ঞানের নিত্য নতুন এ্যক্সপ্লোরেশনের সাথে সাথে মানুষের প্রজ্ঞা কি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে না? তাই ধর্মীয় ব্যাখ্যাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে মানুষের প্রজ্ঞার সীমার দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। @উন্মনা রহমান

আর বইপাগল ভাই,সালাম আলাইক। আপনাকে কেউ গ্রে ম্যাটার বললেই তো আর আপনি গ্রে ম্রাটার হয়ে যাবেন না। হা হা হা হা
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ ভাই
অনেক ধন্যবাদ

১১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৩
"কুদরত আলী" বলেছেন: ধোপা দীঘির পারের সমপাদক কি ওকালতি করেন নাকি? সবার পোষ্টে গিয়া দেখি এরে তারে ডিফেনড করেন ঘটনা কি?
১২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৬
মদনবাবু বলেছেন: কল্পকাহিনীতে বিজ্ঞান কেনো খুজছেন @ উন্মনা রহমান ।
১৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৯
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
ভাল পোস্ট। এখনি পড়ব ইনশা-আল্লাহ।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: ওয়ালাইকুম আসসালাম। ধন্যবাদ ভাই

১৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
কিবরিয়ারাফি বলেছেন: ভাইরে যত কথাই কওনা কেন একদিন সবাইরে মরতে হবে।
১৬. ১৮ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
পেনড্রাইভ বলেছেন: ধন্যবাদ বই পাগল ভাই - পরকালের ভয়াবহতা স্মরন করানোর জন্য-
ধন্যবাদ সারওয়ার ভাই । অতি চমৎকার বলেছেন।
ভাই উন্মান মানুষ চাঁদের দেশে অথবা মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার জন্য দুনিয়ার মটোর যান বা বিমানে চড়ে শুধু কোর্ট-প‌্যান্ট-জুতা পড়ে যেতে পারে না। যে চাঁদ চোখে দেখা যায় সেখানে যেতেও বিশেষ ব্যবস্থার গ্রহন করতে হয়। আর জাহান্নাম সেতো দৃষ্টির আড়ালে-এর ভয়াবহতা বুঝার জন্য আল্লাহ্ তায়ালা দুনিয়ার ভাষায়- মানুষ যেন ধারণা করতে পারে সে ভাবে বুঝিয়েছেন। আপনি আল্লাহ্ ভাষা বুঝার চেষ্টা করেন না তাই বুঝেন না। যারা আল্লাহকে মানে তারা আল্লাহর এমন ভাষা খুব সহজেই বুঝে।
১৭. ১৪ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৫৬
আমিনুল ইসলাম বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ। তবে কুরআন-হাদীসে পাওয়া জাহান্নামের এসব বিবরণকে বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে খণ্ডনের যেসব চেষ্টা উপরে দেখলাম, তা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল। মানুষ কেন বুঝে না? বিশেষ করে মুসলমান হয়েও..
১৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৯
নির্ণয় বলেছেন:
উন্মনার জন্য হাততালি। লেখকের জন্য ভালবাসা, লিখতে থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০২৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"... তোমরা যা কিছু করছো আল্লাহ তায়ালা তার সব কিছুই দেখছেন।" (সূরা আল হাদীদঃ আয়াত ৪)
/////////
"তিনি চোখের খেয়ানত সম্পর্কে (যেমন)...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ