গত পোস্টে আমি লিখেছিলাম আরবি ভাষা ও কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা উচিত । উচিত কারণ -
১। কোরআন একমাএ ধর্ম গ্রন্থ যা একজন মানুষের পরিপূর্ণ জীবন বিধান । এর মাধ্যমেই সবকিছুর সমাধান হওয়া সম্ভব । তাই মুসলিম দেশে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা উচিত ।
২। আরবি ভাষা বাধ্যতামূলক করা হলে ইংরেজির মত অনেকে শুধু পড়ার জন্য পড়বে, কিন্তু কোরআন কে পুরোপুরি বুঝতে হলে আরবি'র দরকার আছে । কেননা আরবিতে এরকম অনেক শব্দ আছে যার বিভিন্নরকম অর্থ হতে পারে । তাই বাংলায় অনুবাদ পড়ে পুরোপুরি কোরআনকে অনুভব করা সম্ভব নয় । এজন্য আরবি ভাষা শিখতে হবে । যাতে করে সঠিক ভাবে কোরআন শেখা যায় । আর বাংলাতে কোরআন চর্চা তো সাথে থাকবেই । কারণ মাতৃভাষাতেই সবকিছু সহজে পারা যায় । কিন্তু মুসলমান হিসেবে কোরআনকে উপলব্ধি করা ও কোরআন থেকে শিক্ষা নিতে হলে সঠিক ভাবে জানতে হবে । কোথায় কোন শব্দটা ঠিক কি অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে সেটা বুঝতে হবে । নতুবা বিতর্ক থেকেই যাবে ।
৩। স্কুলে কোরআন শিক্ষা শুরু করার পক্ষে যুক্তি হচ্ছে - অনেক পরিবারে দেখা যায় যিনি আরবি শিক্ষক অর্থাৎ যিনি কোরআন শিক্ষা পাঠদান করবেন তাকে রাখার বেলায় হিসেবি হতে । যামন কেউ যদি বাচ্চার বাংলা শিক্ষককে মাসে মাসে ৩০০০ টাকা করে দিতে পারে, সেই আবার আরবি শিক্ষককে মাসে ৫০০ টাকা বেতন দিতেই হিসেব করবে । এসব হিসেবের ঠেলায় কোরআন শিক্ষা লাভ অনেকের ক্ষেএতেই যথাযথ ভাবে হচ্ছে না । তাই যদি স্কুলগুলোতে কোরআন শিক্ষা প্রদান শুরু করা হয় তবে সবাই অন্তত কিছুটা হলেও কোরআন পাঠে মনযোগী হবে ।
৪। কেউ কেউ বলেন যে জোড় করে কিছু হয় না । কিন্তু আমি বলব জোড় করেও অনেক সময় অনেক কিছু হয় । যে দেশের ছেলেমেয়েরা কোরআন শিখতে অনিহা দেখায় তাদের কে যদি বাধ্য করা হয় তবে প্রথমে হয়ত দেখা যাবে অনেকে বিরক্ত হবে । কিন্তু একসময় দেখা যাবে এর মধ্য থেকেই কিছু ছেলেমেয়ে বেরিয়ে আসবে যারা সত্যিই কোরআনকে ভালোবেসে ফেলেছে এবং নিজের আগ্রহে জানার জন্যই কোরআন পাঠ করছে ।
এছাড়াও আরও অনেক কারণ আছে যার জন্য কোরআন শিক্ষা ও আরবি ভাষা বাধ্যতামূলক করা উচিত । আশা করছি বুদ্ধিমানেরা খুব শিঘ্রই উপলব্ধি করতে পারবেন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

