আবার শুরু হয়েছে । রাস্তায় বের হলেই একধরনের আতঙ্ক সবার মধ্যে কাজ করে । যেকোন মুহুর্তে হতে পারে ছিনতাই । পকেট টা হঠাৎ করে খালি হয়ে যেতে পারে । এমন কি এ প্রাণ টাও যেতে পারে ।
ভয় দেখিয়ে, কেড়ে নিয়ে যে যেভাবে পারছে আদায় করে ছাড়ছে । কারণ দিন শেষে ঘরে ফিরে খেতে হবে । আর ঘরে ফিরে সামনে চাই খাবার । বাঁচতে হলে খাবার খেতে হবে । আর খাবার খেতে হলে অবশ্যই যেকোন উপায়ে টাকা থাকতে হবে । নতুবা বাঁচার আর কোন উপায় নেই ।
কিছুদিন ধরে এই যে প্রতি নিয়ত অপরাধ বেড়ে চলেছে , তার একমাএ কারণ হল মানুষের অভাব । মানুষের হাতে এখন টাকা নেই । বেঁচে থাকার জন্য ন্যূনতম যেটুকু না হলেই নয় সেটুকু চাহিদা মেটাতেই অধিকাংশ মানুষ ব্যর্থ হচ্ছে, হিমশিম খাচ্ছে । ফলস্বরূপ তাদেরকে বিকল্প পন্থা বেছে নিতে হচ্ছে । কারণ তাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই । তাই নিরুপায় এসব মানুষ শুধুমাএ বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরণের অপরাধমুলক কাজ করে চলেছে ।
সরকার ব্যর্থ হচ্ছে মানুষের বেঁচে থাকবার ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করতে । ব্যর্থ হচ্ছে মানুষের মৌলিক চাহিদা যেসব না হলেই নয় তার জোগান দিতে । তাই অপরাধ বেড়েই চলেছে । প্রতিদিন অসংক্য মানুষ এসব অপরাঢের শিকার হচ্ছে । অনেকে তাদের সব কিছু হারাচ্ছে । আবার অনেকে প্রাণ টা নিয়েও ফিরে আসতে ব্যর্থ হচ্ছে ।
এদের মধ্যে কিছু মানুষ আছে যারা সুযোগের অসৎ ব্যবহার করছে । আর কিছু মানুষ আছে যারা আগে থেকেই বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের সাথে জড়িত । এখন তাদের অপরাধের মাত্রাটা শুধু বাড়ছেই । কারণ তাদের কে দমন করার জন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না ।
অবশ্যই এসব অপরাধ দমন করার জন্য দ্রত ব্যবস্থা নেয়া উচিত । নয়তো ...
সরকার যদি এসব অস হায় মানুষদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে চায় তবে অবশ্যই তাদেরকে কাহাবরের নিশ্চয়তা দিতে হবে । মৌলিক চাহিদা মেটাবার ব্যবস্থা করতে হবে ।
যেসব অসহায় মানুষ নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের সাথে জড়িত হচ্ছে, না এদের প্রতি কোন ঘৃণা নয় , এদের জন্য আমাদের স হানুভূতি থাকা প্রয়োজন । সহযোগিতার হাত বাড়ানো প্রয়োজন । কেননা বেঁচে থাকতে হলে তাদেরকে এমন কিছু করতে হবে যার বিনিময়ে পেটে খাবার জোটবে । কেননা এসব অসহায় মানুষদের আমরা আর কোন বিকল্প পথ দেখাতে পারছি না ।
তাই ওদেরকে ঘৃণা করার কোন অধিকার আমাদের নেই ...
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


