somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবারও ট্রানজিটের দাবি: এমাজউদ্দীন আহমদ

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ স্যারের ট্রানজিট নিয়ে গুরুত্বপুর্ন একটি লেখা পড়ুন ।

আবারও ট্রানজিটের দাবি
এমাজউদ্দীন আহমদ


গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই ২০০৮) বাংলাদেশে কর্মরত ভারতের হাইকমিশনার বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ট্রানজিট লাভের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জ্ঞাপন করেছেন। ইস্যুটি বহু পুরনো। নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যে সাতটি রাজ্য রয়েছে, সাত বোন হিসেবে যা পরিচিত, সেই অঞ্চলে ট্রানজিট সুবিধা লাভ করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া পর্যন্ত হস্তান্তর করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে। উদ্দেশ্য, গত ১৭-১৮ জুলাইয়ে দিল্লিতে সচিব পর্যায়ের যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল সেই বৈঠকে চুক্তিটি চূড়ান্ত করা। এ সম্পর্কে অনেক জায়গায় বক্তব্য রেখেছি। লিখেছিও অনেক প্রবন্ধ-নিবন্ধ। মনে হয়েছিল, এ বিষয়ে আর কোন উচ্চবাচ্য করতে হবে না। তারপরও লিখছি।

ভারতীয় হাইকমিশনার আরও ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ট্রানজিট বিষয়টি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক নয়। অর্থনৈতিক বলে সম্ভবত তিনি সমগ্র বিষয়টিকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চেয়েছেন। সত্যিই কি সমগ্র বিষয়টি এত নির্দোষ? সহজ? সরল? তবে এত বিতর্ক কেন? তাছাড়া, ট্রানজিট হিসেবে ভারতের হাইকমিশনার যা দাবি করেছেন তা কি সত্যি ট্রানজিট? তবে করিডোর কি? একই রাষ্ট্রের এক স্থান থেকে ওই রাষ্ট্রের অন্য স্থানে পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থা হলে তা কি ট্রানজিট থাকে? ট্রান্সশিপমেন্ট বা কি? শব্দার্থের জটিলতায় না গিয়ে ভারতের হাইকমিশনার যে দাবি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করেছেন সে সম্পর্কে কিছু কথা বলি।

ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে রয়েছে ভারত। তিন দিক কেন, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সীমান্তও ভারতীয় নৌবাহিনী কর্তৃক পরিবেষ্টিত। এক কথায় বলা যায়, বাংলাদেশ ভারতবেষ্টিত । জনসংখ্যা, আয়তন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামরিক শক্তি, এমনকি প্রযুক্তিগত প্রবৃদ্ধির মানদণ্ডে ভারত সত্যিই বিশাল। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য সাতটি রাষ্ট্রের সর্বমোট জনসংখ্যার তিনগুণ জনসমষ্টি বসবাস করে ভারতে। এ সংখ্যা বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় আট গুণ। দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৭০ ভাগ জুড়ে ভারতের অবস্থান। ভারতের মোট উৎপাদন দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক উৎপাদনের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ। শিল্পসমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে ভারতের বর্তমান স্থান পঞ্চম কি ষষ্ঠ। আগামী দুই দশকে এই অবস্থান উঠে আসতে পারে তৃতীয় স্থানে।
ভারতের মতো এমনি বৃহৎ প্রতিবেশীর সঙ্গে পররাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্পর্ক কি হবে বা হওয়া উচিত তা আবেগের পরিবর্তে যুক্তিকে সামনে রেখে অগ্রসর হওয়াই বাঞ্ছনীয়। যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই করে, বিশেষ করে জাতীয় স্বার্থের (National Interest) মানদণ্ডে বিচার করে অগ্রসর হতে হবে। তা না হলে বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের পক্ষে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ভারতকে যেমন শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয়, তেমনি ঠিক নয় অভিভাবক বা বড় ভাই হিসেবে গ্রহণ করা। ভারত তার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে। বাংলাদেশেরও উচিত জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখার লক্ষ্য নিয়ে অগ্রসর হওয়া। এক্ষেত্রে ভুল হলে অথবা ইতিহাস চেতনা বিস্মৃত হলে মোগল সম্রাটরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাণিজ্য সনদ দিয়ে যে ভুল করেছিলেন এবং যার মাশুল এই জনপদের জনসমষ্টিকে প্রায় দুইশ বছর গুনতে হয়েছিল তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

আগেই বলেছি, আকার, আয়তন, জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক এবং সামরিক শক্তির নিরিখে ভারত মস্তবড়, কিন্তু সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ, উদার দৃষ্টিভঙ্গি, অপরের স্বার্থ সংরক্ষণের মনমানসিকতার মানদণ্ডে ভারতের নেতৃত্বের উচ্চতা তেমন বেশি নয়। ফলে তা শংকার সৃষ্টি করেছে। একদিকে যেমন ভারতের অভ্যন্তরে, বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে ভারতের জনসাধারণের মনে আশংকা দেখা দিয়েছে, তেমনি ভারতের প্রতিবেশীদের মনেও আশংকা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীতির ফলে ভারতের সর্বসীমান্তে তীব্র অসন্তোষ পুঞ্জীভূত হয়েছে। কাশ্মীরে জনজীবন অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে। আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, গুর্খাল্যান্ডে তীব্র অসন্তোষ। দক্ষিণে তামিলদের ঘরেও আগুন। অন্যদিকে ভারতের প্রতিবেশীদের দিকে তাকিয়ে দেখুন, শংকা আর অনিশ্চয়তা চারদিকেই। ফ্রান্স ও জার্মানির পাশাপাশি ছোট লুক্সেমবার্গ এবং ডেনমার্কের মতো ছোট রাষ্ট্র নিরাপত্তা অনুভব করে শান্তিতে কাল কাটাচ্ছে। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের মতো বৃহৎ প্রতিবেশীর পাশে যেমন সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই নিরাপত্তার আস্বাদ লাভ করছে, নেপাল, ভুটান বা শ্রীলঙ্কা তাদের প্রতিবেশীর কাছ থেকে তেমন নিরাপত্তার কোন আশ্বাস লাভ করেনি। ভারতের অন্য প্রতিবেশীর দিকে না তাকিয়ে শুধু বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যেসব অমীমাংসিত সমস্যা রয়েছে সেদিকে তাকালেই চলবে। দক্ষিণ তালপট্টি, ৫৩টি নদীর গতিপথ নিয়ন্ত্রণে ভারতের উদ্যোগ, এককভাবে গঙ্গা নদীর প্রবাহকে কলকাতামুখী করা, মিজোরাম-বাংলাদেশ, ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী চিহ্নিত করা, সীমান্ত বরাবর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ- গত সাড়ে তিন দশকে এগুলোর একটিরও সমাধান হয়নি। বেরুবাড়ী হস্তান্তর হল, কিন্তু সেই তিনবিঘা এখনও ভারতের দখলে। ছোট্ট বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমের এক বিরাট অংশ মরুকরণ প্রক্রিয়ার কবলে। ভারতীয় নেতৃত্বের অন্তকরণে কিন্তু এতটুকু দয়ার সঞ্চার হয়নি।

একটি বিষয় অবশ্য উল্লেখযোগ্য এবং তা হল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ট্রানজিটের কথা এবারই প্রথম সুস্পষ্টভাবে কোন ভারতীয় কূটনীতিক উচ্চারণ করলেন। এর আগে বাংলাদেশের নেতারাই আগ বাড়িয়ে ট্রানজিট বা ট্রান্সশিপমেন্টের কথা বলেছেন। সবার মনে আছে হয়তো, ১৯৯৭ সালের ১০-১২ মার্চ দিল্লিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যে সম্মতিপত্র স্বাক্ষর করেন সেখানে ট্রানজিটের কথা বলা হয়েছিল। আইকে গুজরাল তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে এর বিরুদ্ধে সৃষ্ট তীব্র প্রতিক্রিয়ায় হতচকিত হয়ে সরকার পিছিয়ে গিয়েছিল। তারপর একটির পর আরেকটি ঘটনা ঘটতে থাকে। ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমে বাংলাবান্ধা নেপাল-বাংলাদেশ ট্রানজিট উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী, এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে, প্রচুর হাততালির মধ্যে। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ-ভারতের সুসম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন নতুন বাতায়ন উন্মুক্ত হবে। হয়নি কিন্তু। মাত্র পনের মিনিট পরে, নেপাল থেকে মাত্র ৩টি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের পরই তা বন্ধ হয়ে যায়। ভারত অবশ্য এর কারণ হিসেবে বলেছে, প্রথমে কলকাতায় ট্রাক ধর্মঘট (এ বিষয়ে যার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই), পরে আসামের উলফার (টখঋঅ) দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির (এক্ষেত্রে এরও কোন সংশ্লিষ্টতা থাকার কথা নয়) ফলে বাংলাদেশ-নেপাল ট্রানজিট বন্ধ হয়ে যায়। এসব ঘটনার আরও বছর দুই পরে, ১৯৯৯ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং সিলেটের এক জনসভায় বলেছিলেন, তার সরকার ভারতের সঙ্গে কোন ট্রানজিট চুক্তি করেনি। ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তি করেছে। এর একদিন আগে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা বলেছিলেন, ২৮ জুলাইয়ে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা ট্রানজিটও নয়, করিডোরও নয়। তা শুধু ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তি। ২০০৮ সালের ১০ জুলাই ভারতের হাইকমিশনার খোলামেলা বললেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারত ট্রানজিট চায়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের উত্তর খুব পজিটিভ। ইতিবাচক। বাংলাদেশের উচিত ভারতকে ট্রানজিট দেয়া যদি ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে অমীমাংসিত জটিল সমস্যাগুলো যেমন- তালপট্টি সমস্যার ন্যায়ানুগ সমাধান করে ফেলে। সাড়ে ছয় মাইল অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিতকরণ, তিনবিঘা বাংলাদেশের হাতে অবিলম্বে হস্তান্তর, ভারতভূমি থেকে উৎপন্ন নদীগুলোর সুষম পানিবণ্টনসহ নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশকে ট্রানজিট প্রদানে ভারতের একটি প্যাকেজ ডিলে সম্মতি জ্ঞাপন করে। বিশ্বায়নের একালে বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না। অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য বাংলাদেশের সামনে উন্মুক্ত থাকতে হবে হাজারও বাতায়ন। কিন্তু বাংলাদেশ শুধু দিয়েই যাবে তা হয় না। বাংলাদেশকে কিছু পেতেও হবে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অভিজ্ঞতা মোটেই সুখকর নয়। উদাহরণস্বরূপ, বেরুবাড়ী তিনবিঘার কথা অথবা গঙ্গার পানিবণ্টন ক্ষেত্রে শুধু ফারাক্কায় সঞ্চিত পানির বণ্টনের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। গঙ্গার সব পানি ফারাক্কায় সঞ্চিত হওয়ার আগেই নিঃশেষ করে শুধু অবশিষ্টটুকু বণ্টনের অপরিণামদর্শী বিভাজন যে চানক্য নীতির প্রহসন তা ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। ভারতভূমির উপর দিয়ে নেপাল এবং ভুটানে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে পারবে না। কিন্তু নিজের বুক চিরে উত্তর-পূর্ব ভারতে ভারতের নির্মম ট্রাকবহর চলাচল করবে এমন ধারণা যদি কেউ করেন তা হলে বলব, তিনি নির্বোধের স্বর্গে বাস করছেন। সার্কের বহুপাক্ষিক (গঁষঃরষধঃবৎধষ) কাঠামোয় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পণ্যের ক্ষেত্রে ট্যারিফের উঁচু দেয়ালকে খানিকটা নিচু করা হলেও, ননট্যারিফ বাধা দূর না হলে বাংলাদেশের পণ্য যে ভারতে প্রবেশ করবে না তা অন্য কেউ না বুঝলেও বাংলাদেশ ভালোভাবে টের পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এজন্য তো বলি, বাংলাদেশ অকৃপণভাবে দেবে, কিন্তু ভারতের কার্পণ্যভরা দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ভুগবে আর কতদিন? ভারতকেও পরিবর্তিত হতে হবে।

ভারতের হাইকমিশনার ট্রানজিটকে নিছক অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া বলে কোন ধূম্রজাল সৃষ্টি করতে চান? বাংলাদেশে ভারতের প্রথম ডেপুটি হাইকমিশনার এবং ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব জেএন দীক্ষিত তার গ্রন্থের ২৫৩ পৃষ্ঠায় লিখেছেনঃ নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রানজিট ব্যবস্থা কার্যকর হলে তা ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে। তার নিজের কথায় আমাদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক মহল অনুভব করেছেন যে, আমাদের ভূখণ্ডের উপর দিয়ে নেপাল ও ভুটানে বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশকে ট্রানজিট দিলে ভারত অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নিরাপত্তা সম্পর্কে যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে তা আরও বৃদ্ধি পাবে [Our security and political agencies felt that allowing transit facilities to Bangladesh through our territory to Bhutan and Nepal would only increasy the problems that India already faced in terms of illegal migration and security threat'] ভারতের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হবে এই আশংকায় ভারত বাংলাদেশকে ভারতের উপর দিয়ে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য ট্রানজিট দিতে নারাজ। ভারতের নিরাপত্তার জন্যই কিন্তু বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারত চায় তার এক অংশ থেকে অন্য অংশে নির্বিঘ্নে যেতে, বাণিজ্যিক দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে প্রথম এবং চূড়ান্ত মুহূর্তে, প্রয়োজন হলে, সামরিক সরঞ্জামসহ। বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চায় ভারতের উত্তর-পূর্বাংশে কোন বড়সড় সংঘর্ষ দেখা দিলে তার পশ্চাদভূমিরূপে। তা অবশ্য বলা যাবে না এখন এবং এজন্য ভারতের হাইকমিশনার ট্রানজিটকে শুধু অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া রূপে উপস্থাপন করেছেন। তা যাই হোক, নির্বাচিত সরকার দেশে প্রতিষ্ঠিত হলে সব দিক বিবেচনা করে তারাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। সেই সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×