রাজনীতির আসল নাটকের অভিনয় চলছিল লন্ডনে : সিরাজুর রহমান
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
বিশিষ্ট কলামিস্ট সিরাজুর রহমান এর লেখাটি পড়ুন । ধন্যবাদ সবাইকে ।
রাজনীতির আসল নাটকের অভিনয় চলছিল লন্ডনে
সিরাজুর রহমান
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আশা করেছিল তারা মূল সমস্যাটার সমাধান করে ফেলেছে। আওয়ামী লীগের সোচ্চার নেতারা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের অভিমত উপেড়্গা করে চিকিৎসার জন্যে শেখ হাসিনাকে বিদেশ পাঠানোর দাবি করছিলেন। সরকারের তাতে বিশেষ অসুবিধা ছিল না। তারাতো গত বছর বড় দুই দলের দুই নেত্রীকে বিদেশে নির্বাসিত করতেই চেয়েছিল। শেখ হাসিনাকে কয়েকটা শর্তে আট সপ্তাহের জন্যে প্যারোল দেয়া হয়েছে জুন মাসের ১১ তারিখে। সে মেয়াদ শেষ হবার কথা আগস্ট মাসের ৬ তারিখে। সরকারও জানে হাসিনা আবার গুটিশুটি সংসদ ভবন এলাকায় তার স্বর্ণ পিঞ্জির বিশেষ কারাগারে ফিরে আসবেন না। দিনরাত তারা বাংলাদেশের মিডিয়ায়ও দেখতে পাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেত্রী তাঁর প্যারোলের শর্তগুলো মেনে চলছেন না। কিন্তু সে ব্যাপারে তারা উচ্চবাচ্য করছে না। অনুরূপ শর্তে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকেও বিদেশে পাঠানো হবে বলে সরকার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু হাসিনার প্যারোলের ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এ ব্যাপারে বিশেষ কোনো অগ্রগতি হয়নি। মূল সমস্যাটা এই যে খালেদা জিয়া বিদেশে যাবেন না, নিজের দেশেই তিনি চিকিৎসা করাতে চান। সরকারকে তিনি আরো বলে দিয়েছেন, কোনো রকম মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি চান না। সরকারের মাইনাস টু ফর্মুলার চাকা তাই কাদায় আটকে যাচ্ছে। বিএনপি বলছে, নেত্রীকে বাদ দিয়ে তারা সংলাপে বসবে না, নির্বাচনে যাবে না। তারা আরো বলছে, সরকারের নতুন গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ তারা মানে না (বৃহস্পতিবার ২৪ জুলাই নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে পিঠটান দিয়েছে), জরম্নরি অবস্থা তুলে নেয়া না হলে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। তাদের আরেকটা অবস্থান, নবম সাধারণ নির্বাচনের আগে কিছুতেই উপজেলা নির্বাচন করা চলবে না। নতুন গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ, জরম্নরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং সর্বাগ্রে সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে এখনো আওয়ামী লীগের অবস্থান বিএনপির চাইতে অভিন্ন। এমনকি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ তো বলেছেন যে সাধারণ নির্বাচনের আগে উপজেলা নির্বাচন ডাকা হলে সেটাকে তারা জোর করে ঠেকাবেন। তবু সরকার বলছে, বিশেষ করে দুই উপদেষ্টা সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম কাদের এবং হোসেন জিলস্নুর রহমান প্রায় আস্থার সঙ্গেই বলছেন যে বিএনপির সঙ্গেও সংলাপ হবে এবং তাদের নির্বাচনগুলোতে বিএনপিও যোগ দেবে। কেউ কেউ ভাবতে পারেন, সরকারের হয়তো জাদু জানা আছে, মন্ত্র বলে তারা পর্বতকেও গলায় দড়ি বেঁধে ছাগলের মতো হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আসলে কিন্তু এ সরকারও অতীতের জনসমর্থনহীন ধিকৃত সরকারগুলোর মতোই চক্রান্ত এবং ষড়যন্ত্র করে গদি আঁকড়ে থাকতে চাইছে। বিগত কিছুদিন লন্ডনে যা ঘটেছে তাতে সে প্রমাণই পাওয়া যায়। চিকিৎসার জন্যে আমেরিকায় প্রেরিত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে এসেছিলেন। কয়েকদিন অবস্থানের পর ভাগ্নের বিয়ে উপলড়্গে ফিনল্যান্ডে যান। সেখান থেকে আবার লন্ডনে ফিরে এসেছেন। এ সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের কয়েকটি সভা-সমাবেশে বক্তৃতা দিয়েছেন তিনি, একাধিক নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন। সেসব অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দেড় বছরের শাসন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিকদের শিড়্গা নেয়া এবং দুর্নীতি সম্বন্ধে হুঁশিয়ার থাকা উচিত। হাসিনা আরো বলেছেন যে, তিনি কখনো দুর্নীতি করেননি, তার বিরম্নদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও মামলাগুলো সবই ভিত্তিহীন এবং আবারো তিনি বলেছেন যে, স্থানীয় নির্বাচনের আগে সংসদ নির্বাচন করতে হবে এবং জরম্নরি অবস্থায় নির্বাচন চলবে না। কিছু অনুক্ত খবর কিন্তু লন্ডনে শেখ হাসিনাকে ঘিরে যেসব কর্মকাণ্ড চলছে বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে তার খবর পাওয়া যাবে না। কয়েকটা অনুক্ত খবর হচ্ছেঃ একটি গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্যে লন্ডনে এসেছিলেন এবং এ সময়ে তিনি মূলত শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন। এরপর এলেন ১৯৮২ সালের সেনা অভ্যুত্থানের নায়ক এবং পরবর্তী নয় বছর স্থায়ী সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদ। তার সফরের প্রকাশ্য কারণ যাই দেখানো হোক তিনি তার হোটেলে এক গোপন বৈঠক করেছেন। শুনেছি শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন সামরিক কর্মকর্তা, ভারতীয় দূতাবাসের একজন এবং ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরের একজন কর্মকর্তাও সে বৈঠকে হাজির ছিলেন। ধরে নেয়া যেতে পারে যে, নিছক কুশলাদি বিনিময়ের জন্য সে বৈঠক হয়নি। আরো জানা গেছে, বাংলাদেশের কোনো এক প্রভাবশালী পত্রিকার সম্পাদক লন্ডনে আছেন এবং উপরোক্ত বৈঠকগুলো অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তার গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিএনপিও সংলাপে এবং নির্বাচনে অংশ নেবে বলে সরকারের যে উপদেষ্টা সবচাইতে বেশি আশাবাদ ব্যক্ত করেন সে হোসেন জিলস্নুর রহমানও এসেছিলেন এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে তারও দীর্ঘ বেঠক হয়েছে বলে শুনেছি। প্রবাসীদের কেউ কেউ আমাকে বলেছেন ড ফখরম্নদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবাসীদের নিয়ে পরিহাস করে। যখন তাদের স্বীকার করতে হয় যে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সেই মূলত সরকার চলে তখন হতভাগ্য প্রবাসীদের গুণকীর্তন তারা করে। প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেবার অছিলায় দুজন নির্বাচন কমিশনার বিলেতে এসে বেরিয়ে এবং সওদাপাতি করে ফিরে গেলেন। ভোটার তালিকায় তাদের নাম উঠলো না। তারপর কথা হলো যে ভিডিও লিংকে প্রবাসীদের সঙ্গে সংলাপ হবে-সম্ভবত এ কারণে যে, সরকারের অর্থকষ্ট চলছে। বলাই বাহুল্য, সেটাও হয়নি। উপরোক্ত প্রবাসীদের মতে, শেখ হাসিানর সঙ্গে দর কষাকষি (অথবা ষড়যন্ত্র)গুলো টেলিফোনেও করা যেতো। এতোগুলো আনাগোনার প্রয়োজন ছিল না। বরং সে অর্থে প্রবাসীদের সঙ্গে মুখোমুখি সংলাপ এবং ভোটার তালিকায় তাদের নাম সহজেই অন্তর্ভুক্ত করা যেতো। প্রবাসীরা চোখ-কান খোলা তবে অনেক দেখেশুনে প্রবাসীদের চোখ-কান খুলে গেছে। দেশ থেকে ভিআইপিদের আনাগোনা এবং গোপন বৈঠকগুলোর কারণগুলো তারা ঠিকই আঁচ-অনুমান করতে পারেন। তারা ভালো করেই বোঝেন যে, দেশবাসীর চোখে ধুলো দেয়া এবং সরকারের গদি বাঁচানোই হচ্ছে এসব ঢাক-ঢাক-গুড়-গুড় বৈঠকের আসল লড়্গ। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা আগেই তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন- যেমনটা আগেই বলা হলো। অর্থাৎ তারা জরম্নরি অবস্থা প্রত্যাহার, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ২০০৮ বাতিল এবং উপজেলা নির্বাচনের আগে সংসদ নির্বাচন চান। কিন্তু তারাই আবার বলছেন, লন্ডন সফররত দলের অস্থায়ী মহাসচিব সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম শেখ হাসিনার নির্দেশ নিয়ে যাবেন, তারপরেই তারা কর্মপন্থা ঘোষণা করবেন। অর্থাৎ চূড়ান্ত কর্মপন্থা প্রেসিডিয়ামের কিংবা নেতাদের নয়, সে সিদ্ধান্তের মালিক শেখ হাসিনা। আরেকটা ব্যাপার এখানে লড়্গ্য করা যায়। আগেও তারা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন যে হাসিনার নিঃশর্ত মুক্তি (প্যারোল নয়) এবং জরম্নরি অবস্থা প্রত্যাহার না হলে তারা সরকারের সঙ্গে সংলাপে যাবেন না এবং নির্বাচনেও অংশ নেবেন না। দলের বর্ধিত সভা এবং কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সভাতেও সে সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছিল। কিন্তু ডেলিগেটদের সকলের বাড়ি ফিরে যাবার আগেই সে সিদ্ধান্ত পাল্টে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সংলাপে যাবার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, সরকারের ৪/৫ জন উপদেষ্টা সুধা সদনে গিয়ে হাসিনার সঙ্গে সংলাপ করেন। এখন আবার এক ধরনের সংলাপ চলছে লন্ডনে। কথা হচ্ছে, লন্ডন থেকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাচনিক কি নির্দেশ পাঠাবেন শেখ হাসিনা, যার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম তাদের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করবে? এমনও কি হতে পারে যে লন্ডনে যে গোপন বৈঠকগুলো চলছিল হাসিনার নির্দেশের খসড়া সেসব বৈঠকেই স্থিরিকৃত হচ্ছিল? বাংলাদেশের শিড়্গিত মধ্যবিত্তের মতো বৃটেনে প্রবাসী বাংলাদেশীরাও দেশে কি হচ্ছে, কি হতে পারে, সেসব বিষয়ে আঁচ-অনুমান এবং জল্পনা-কল্পনা করে থাকেন। এদের আঁচ-অনুমান ও চিন্তার কিছু ফসল এখন উপহার দিতে যাচ্ছি পাঠকদের। তারা বলছেন, খালেদা জিয়াকে নিয়ে সরকার বেকায়দায় পড়েছে। বিএনপি নেত্রী নির্বাসনে যাবেন না, শর্তাধীনে মুক্তিও নেবেন না তিনি। সর্বশেষ সংসদে তাঁর নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সংখ্যা ছিল প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। তাঁর দল ও জোট ছাড়া নির্বাচন হলে সে নির্বাচনের ফলাফল সরকারের বিদেশী প্রভুদেরও গ্রহণযোগ্য হবে না। মরিয়ার্টির থ্রি-ডি ভাষণ এর কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টির একটা বক্তৃতা থেকেও। সে বক্তৃতায় তিনি বলেছেন থ্রি ডি-র কথা। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সন্ত্রাস বিরোধিতা। লড়্গণীয় যে দুর্নীতি কথা টা সে বক্তৃতায় রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্ট উলেস্নখ করেননি। অর্থাৎ বর্তমান সরকার তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা অনুযায়ী যেভাবে জরম্নরি আইনে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতির অভিযোগে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চাইছে সেটা আর মার্কিন সরকারের অনুমোদন পাচ্ছে না, তারা নিরঙ্কুশ গণতন্ত্র চায়। লন্ডন জল্পনাগুলোর সার কথা এ রকমঃ সরকার যে কোনো প্রকারে তাদের শর্তে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে রাজি করাতে চায়; তাহলে চাপে পড়েও বিএনপি পথে আসতে রাজি হবে বলে তারা আশা করে। সরকার আশা করে, আওয়ামী লীগ একতরফা সংসদ দখল করে নেবে, সে ভয়েও বিএনপি সরকারের শর্তগুলো মনে নিতে বাধ্য হবে। লন্ডনের বিভিন্ন গোপন বৈঠকে সে লড়্গ্যেই শেখ হাসিনাকে দলাই-মলাই করা হচ্ছিল। কথা হচ্ছে কি শর্তে হাসিনাকে রাজি করানো যাবে? তার নিজের অবস্থানের দুর্বলতার কথা হাসিনা নিজেও জানেন। এ সরকার কিছুতেই সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব করার সুযোগ তাকে দিতে পারে না। তাছাড়া লন্ডন, আমেরিকা আর কানাডায় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং মাঝে মাঝে বিশ্ব ভ্রমণে তার অনীহা নেই। তবে সব কিছু নির্ভর করছে বিনিময়ে সরকার তাকে কি মূল্য দিতে চায়। কোনো কোনো প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী শেখ হাসিনা তার ঘনিষ্ঠজনদের বলেছেন যে, পরিবারতন্ত্র বর্জন করার পরিবর্তে তিনি পরিবারতন্ত্রকে আরো পোক্ত করতেই চান। কেউ কেউ এই বলে তার অর্থ করছেন যে, তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব শেখ রেহানার হাতে ছেড়ে দেবার কথা ভাবছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতায় আসার বিনিময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ সম্ভাবনাকে লুফে নেবে। নজির আছে ড়্গমতাসীনদের সঙ্গে আপোস করা, তাদের শর্তে রাজি হবার নজির আওয়ামী লীগে অনেক আছে। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবের সরকারের আটজন মন্ত্রী খোন্দকার মুশতাক আহমাদের সরকারে যোগ দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা স্বয়ং ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সময়ের বেশির ভাগ জেনারেল এরশাদের সামরিক স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে সহযোগিতা করেছেন, অন্য সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে তিনি ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এবং কিছু পরিমাণে হলেও বৈধতা দিয়েছিলেন এরশাদের স্বৈরশাসনকে। লড়্গণীয় যে, এসব ষড়যন্ত্রের রাজনীতি দীর্ঘ মেয়াদে আওয়ামী লীগের জন্যে সুফল বয়ে আনেনি। জেনারেল এরশাদ ১৯৮৬ সালে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক গুরম্নত্ব দেননি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জনসাধারণ স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে হাত মেলানোর শাস্তি আওয়ামী লীগকে দিয়েছিল। তারা ড়্গমতা হাসিনার হাতে তুলে দেয়নি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে একবার ড়্গমতা দিলেও দেশবাসী পরে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছিল। এমন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল যে নবম সাধারণ নির্বাচনেও তারা আওয়ামী লীগকে ড়্গমতা দেবে না। সেজন্যেই ২০০৬ সালে নির্বাচনের বিনিময়ে হাসিনা লগি-লাঠি-বৈঠা এবং দেশকে অচল করে দেয়ার পথ বেছে নিয়েছিলেন। একথা স্মরণ রাখতেই হবে যে হাসিনা কয়েকবারই প্রকাশ্যে বলেছেন যে, বর্তমান সরকারকে তিনিই ড়্গমতায় এনেছেন।
আঁধার রাতের মুসাফির বলেছেন:
ভালো লাগলো। কে + কেপিট্যাল এস = ক্ষ। এখানে টাইপিং এ আপনার দূর্বলতা লক্ষণীয়।
সাংবাদিক বলেছেন:
সিরাজুর রহমানের এই কলাম আগেও পড়েছিলাম দিনকালেও..........জনগণের জন্যই তো সব...... বুঝে নিবেন বাকি কথা....


















তাইতো দেশের ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয়.. বিগত ৩৬ বছরে..
আবার চলছে ঘসেটি ষড়যন্ত্র... দেখাযাক...
বুঘলকপুর এই বাঙলায় কোন ষড়যন্ত্র বেশিদিন টেকে না। আল্লাহর রহমত আর অলি আউলিয়াদের দোয়ার বরকতে।
ইনশাল্লাহ.. এবারও বিজয় জনগনেরই হবে।