লেখকের অন্যান্য পোস্ট


dhakauniversity group image ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের স্মৃতি ভরা মুহূর্তগুলি আবারো আড্ডার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য আমাদের এই প্রয়াস “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রুপ ব্লগ” । সকলে মিলে আবার আড্ডায় মেতে উঠি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোর স্মৃতি রোমান্থনে ।  

যেভাবে বদলেছি আমরা

লিখেছেন আজহার ফরহাদ, ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২৭

                       

ফিরে আসি বারবার যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে
এমনটা হতেই থাকে মনস্থির করবার আগে কোথাও যাবার
যেখানেই যাওয়া হোক সেখানেতো নিবিড় আকাশ চাই
নীল আর থই থই মেঘ ভেজা পাউরুটির মতো কিছু।
অথচ আমার বাসা নিকটে শহরতলীর আছে
হাজরো আনন্দহীন ঘামজর্জর দিন, অসংখ্য রাত যন্ত্রণাকাতর।

আমি সেই দিনগুলি আর রাতগুলি একটা
খামের ভেতর ভরে ঠিকানায় লিখেছি যার নাম
সে নামে এ বিশ্বে থাকেনাতো কেউ, ফলে চিঠিটা
ফিরে আসে যথাস্থানে প্রেরকের ঠিকানা বরাবর।
আমার আট বছরের মেয়ে চিঠি খুলে অবাক হয়ে বলে
বাবা, এত রাত এত দিন আমাকে দিলেই হতো ভালো!

আমার মনোবিকলনের সেই পরিত্যাক্ত দিন আর রাত
তার স্কুলব্যাগে ভরে সে নিয়ে যায় বন্ধুদের কাছে
ভাগ করে বিলিয়ে দ্যায় সব
অন্যান্য শিশুদের থেকেও নিয়ে আসে- অন্যান্য রাত
অন্যান্য দিন।
যেভাবে বদলেছি আমরা শৈশবে ডাকটিকিট।

২৯.০৪.০৭ ঢাকা




এই কবিতার ইলাস্ট্রেশন হিসেবে যে ছবিটি ব্যাবহার করা হয়েছে তার শিল্পী আন্দ্রেই রেবোদযিনকো। ১৯৬১ সালে রাশিয়ার কিরঘিজিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এই ভাষ্কর ও চিত্রকর। আধুনিক-উত্তর মানসিকতা ও মানবিক শিল্প-উচ্চারণ তার কাজের কেন্দ্রীয় চরিত্র। পল ক্লি, মার্ক শাগাল, পার্সিয়ান মিনিয়েচার, ল্যাটিন আমেরিকান, আফ্রিকান, চীনা ও জাপানী চিরায়ত শিল্পের অনুপ্রেরণা তার কাজে পাওয়া যায়। সমকালীন বিশ্বে যে ক'জন শিল্পীদের মধ্যে মিথ, আধ্যাত্মিকতা ও অ্যাবসার্ডিটি'র প্রবণতা প্রবলভাবে প্রকাশ পাচ্ছে রেবোদযিনকো তাদেরই অন্যতম।

আর্টসক্যোটডটনেট এ দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি তার শিল্প ভাবনা সম্বন্ধে যা বলেন:

My paintings don’t express concrete situations. They are an attempt to connect with the unreachable, subtle side of being, something that is beyond a verbal vocabulary. When the connection happens I express it through colors, lines and images. This expression may be described as a careful preservation of a spiritual state. Explaining such painting is an unnecessary challenge. My titles are the answer to this challenge, more like a paying respect to tradition with a twist of irony, humor or sarcasm. That’s why they sound absurd. But they serve the purpose – to throw the viewer away from the concrete perception of the painting, to create an empty space where the subtle will have a chance to be born. My viewers have to be relaxed in terms of not seeking for an immediate answer. The subtle can’t be born and can’t survive in the reality of concrete questions and immediate answers.
We have enough rush and concreteness in our everyday life. So don’t rush and ask me what this or that painting means. I probably will diligently try to explain, but my verbal explanation will not give the whole spectrum of feelings already expressed on the canvas, perhaps it will do the opposite - to steer you away from the truth. To ask for the immediate answer from the piece of art is a steal.


তেল রঙে আঁকা এই ছবিটির শিরোনাম Behold!

View this link

  • ০ টি মন্তব্য
  • ৬১বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না

 

dhakauniversity group image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের স্মৃতি ভরা মুহূর্তগুলি আবারো আড্ডার মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য আমাদের এই প্রয়াস “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রুপ ব্লগ” । সকলে মিলে আবার আড্ডায় মেতে উঠি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোর স্মৃতি রোমান্থনে ।

পোস্ট আর্কাইভ

সর্বমোট হিট

 ১৬০৮৫

মোট সময় লেগেছে ০.০৮৫৮ সেকেন্ড