লেখকের অন্যান্য পোস্ট


notredamian group image যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।
 

কে আছো হে নটরডেমিয়ান...

লিখেছেন ধুসর গোধূলি, ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

                       

যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।

এখানে আমরা এক হবো সবাই।

নতুনের ঝংকার মুষলধারে বেজে যাবে পুরনোর উষ্কানীতে। প্রিয় কলেজের মাঠে এক শামীয়ানার নীচে নাইবা হতে পারলাম একীভূত, নাইবা হলো আমাদের পুনর্মিলনী, নাইবা হলো এলামনাই। আমরা এখান থেকে আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। একে অন্যের সান্নিধ্যে থেকে এখানেই হবে আমাদের পুনর্মিলনী, হাসি, ঠাট্টা, গুঞ্জন। এখান থেকেই আবার পুরনো তালে ভিখু খুঁজে তুলবো খুনসুটির টর্নেডো!

তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে আমাদের, সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে... এখানে, এই ভার্চুয়াল শামিয়ানার তলে

  • ৮ টি মন্তব্য
  • ১৩০বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৬
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন:

পোস্টটিকে গ্রুপের প্রথম পোস্ট হিসেবে রাখা হলো (আপাতত)।

কী লিখা হবে এই গ্রুপে?

- খুব স্বাভাবিক লেখা। গ্রুপটির উদ্দেশ্য আসলে লেখা নয়। মূল উদ্দেশ্য হলো অন্তর্জালে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে থাকা সকল নটরডেমিয়ানের জন্য 'ওয়ানস্টপ' মিলন মেলা।

তবে, গ্রুপের সদস্যরা ইচ্ছে করলে তাঁদের যেকোন লেখা এই গ্রুপেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

সবাইকে শুভেচ্ছা।
জয় নটরডেমিয়ান
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: জুবাঈর_সাঈদ বলেছেন: দারুন হয়েছে, তবে মুখটার স্যারকে মিস করছিলাম।

ভাইয়া, আপনি কোন ব্যাচের? আমি ০৩


কে আছো হে নটরডেমিয়ান ... হও আগুয়ান ...
নবযুগ (সামহ্যোয়ার-ইন) ডাকিছে তোমারে ... (মিললো না, না?)
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
comment by: আশিক মাহমুদ বলেছেন: একটা দুঃখের সংবাদ দেই ... অামার ধারণা সবাই-ই জানেন ... তবু বলি । গত বছর শ্রদ্ধেয় টেরেন্স পিনেরু স্যার মারা গেছেন ।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: আশিক মাহমুদ বলেছেন: অারেকটা শোকের খবর ... গত বছর কেমিস্ট্রির বিদ্যাসাগর স্যারও মারা গেছেন ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪
comment by: সুখন বলেছেন: টেরেন্স পিনেরো আর বিদ্যা সাগর স্যার মারা গেছে শুনে খুব খারাপ লাগছে। তাঁরা তাঁদের বিষয়ে দু'জনই অসাধারণ ছিলেন। আমরা সবাই ব্যথিত... ... ...
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৩
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন:
বিদায়ের খবর গুলো খুব তাড়িয়ে যায়। টেরেন্স স্যারের সঙ্গে এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজ ছাড়া কেবল কলেজের প্রথম দিন ক্লাসে দেখা হয়েছিলো। তবে বিদ্যাসাগর স্যারের কাছে কেমিস্ট্রি পড়তে যেতাম। গোল গলার টিশার্ট পরা মল্লিক স্যার এখনো জীবিত আছেন মানসপটে। গোল গ্লাসের আড়ালে চোখ পাকিয়ে বুঝি এখনি বলবেন, 'তোমারে দিমু ধইরা একটা মিয়া'!
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:০৪
comment by: তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: টেরেন্স স্যারকে খুব মিস করি। উনার মৃত্যুর খবর পেয়ে খুব কস্ট পেয়েছিলাম। সাথে বিদ্যাসাগর স্যারকেও।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
comment by: নীল বাউল বলেছেন: পুরানো দিনগুলার কথা মনে পড়ে গেল। বিদ্যাসাগর স্যার, যিনি অকালে অামাদের ছেড়ে চলে গেলেন :( এবং অন্য স্যারদের খুব মিস্ করি। :( :( :(

আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না

 

notredamian group image

যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।

পোস্ট আর্কাইভ

সর্বমোট হিট

 ২৭৫৭

মোট সময় লেগেছে ০.০৪৫৮ সেকেন্ড