লেখকের অন্যান্য পোস্ট
যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।
নির্মাণ-বীজতলা
লিখেছেন কানার বাজার, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩০
এক এক করে উঠিয়ে নেই সীমান্ত চৌকি
তারপর হাত দেই বেড়ার খুঁটিতে,
দুজনে মিলে চটপট তুলে নেই;
গোধূলি ক্লান্ত হলে -
শ্বাসের ছায়ায় শরীর জুড়াই !
কোঁদাল হাতে নেমে পড়ি তারপর
নিপুন হাতে উপড়ে ফেলি
আগাছা-পরগাছা-ক্ষেতের আইল ; -
অবিশ্বাস-সন্দেহ-ঘৃনা ।
ভোরের শিশিরের সাথে মাখি
আগুনের বীজ !
এই মাটিতেই ফলবে ফসল ---
তোমার আমার যৌথ খামার।।

- মন্তব্য লিখুন
- ০টি মন্তব্য
- ৬১বার পঠিত
আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না

















