লেখকের অন্যান্য পোস্ট
যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।
জয়িতা আমার কল্পনার জয়িতা(১)
লিখেছেন জিয়ান, ১২ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
ছোটবেলা থেকে আমার মনের ভিতর একটাই ভাবনা , বলতে পার আমার ভাললাগা , আমার ভালবাসা, জয়িতা আমার সব ভাল লাগার একমাত্র অবলম্বন । সবাই হয়তো ভাবছো জয়িতা আমার প্রেমিকা ! প্রেমিকা কিন্তু আমার বাস্তবতায় না , আমার কল্পনায়। আমি আমার জিবনের সব কিছু ওর সাথে share করি। আমি যখনই একা থাকি , ও আমার সাথে এসে বসে আমার পাশে , হাতে হাত রেখে একটা মিষ্টি হাসি দি্য়ে আমার সবকিছু এলোমেলো করে ফেলে, আমারও খুব ভাললাগে ওর ঐ হাসিতে এলোমেলো হয়ে যেতে। .................

- মন্তব্য লিখুন
- ১টি মন্তব্য
- ৭৩বার পঠিত
আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না


















জ-য়ি-তা'র জয় হোক।