লেখকের অন্যান্য পোস্ট


notredamian group image যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।
 

জয়িতা আমার কল্পনার জয়িতা (২)

লিখেছেন জিয়ান, ১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৫

                       

দিনটি ছিল ১৪ই সেপ্টেম্বর , আমার জন্মদিন , আমি একা একা ধানমন্ডি লেকে বসে আছি । কিছুক্ষন আগে আমার ক্লাস শেষ হয়েছে তাই চলে গেলাম লেকে । বসে বসে ভাবছি , জীবনের ২১ টি বছর কেটে গেল একটা প্রেম করলাম না এখনও। ওমনি জয়িতা এসে আমার পাশে বসলো এবং আমার হাতে চিমটি কেটে বললো "আমি থাকতে তুমি আবার কার সাথে প্রেম করতে চাও?" ওর সেই এলোমেলো করা হাসিটা আবার আমাকে এলোমেলো করে দিল। আমার চারদিকে কম করে হলেও ৪/৫ টা couple ছিল । ওরা সবাই হয়তো ভাবছে আমি একা একা লেকে বসে কি করছি। ভাবারই কথা , ওরা তো আর আমার জয়িতাকে দেখতে পারছে না। কিছুক্ষন পরে আমার কাছে রুমু(আমার ক্লাসমেট) আসলো । এসে বললো "কই তোমার জয়িতা কোথায় ? " জয়িতা আবার আমার পাশে কাউকে দেখতে পারে না । আমার পাশে কেউ থাকলে ও আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তারপরে একের পর এক আমার সব friends আসতে লাগলো আমার পার্টিতে । সবার সাথে থাকলেও আমি কিন্তু জয়িতাকে ভুলে যাইনি , ওকে আমি আমার মনের মধ্যে করে নিয়েই পার্টি এনজয় করেছিলাম....পার্টি শেষ হতেই জয়িতা আমার কানের কাছে এসে বললো ," Many many happy returns of the day Jaantus.".......(চলবে)

  • ১ টি মন্তব্য
  • ৮৫বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:১৬
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন:

আররে ঝাক্কাস জিনিষতো!

এটাকে টেনেটুনে একটা আদল দিয়ে গল্প বানিয়ে ফেলেন না! আগুন হবে।

আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না

 

notredamian group image

যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।

পোস্ট আর্কাইভ

সর্বমোট হিট

 ২৭৫৬

মোট সময় লেগেছে ০.০৩০৭ সেকেন্ড