notredamian group image যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।
 

কর্তৃপক্ষ, এহেন "নিরপেক্ষতা" দেখাবেননা, অসহ্য লাগে

লিখেছেন রিয়াজ শাহেদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

                       

সরাসরি বলছি (এখানে এতো রাখঢাক করার কিছুই নেই)- আপনারা পেয়েছেনটা কী? সুর বাংলা (যদিও আসলে কোন দেশী সুর লেখা পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়না মোটেও) নামক ব্লগার গত রাতে ১৫ মিনিটের ভেতর ৩টি আবর্জনা লিখে পোস্ট করেছে(ন), এগুলো কি এখনো আপনাদের চোখে পড়েনি? নাকি কোনো জামাতি টাইপ মডারেটরকে দায়িত্বে রাখা হয়েছে?

দুঃখের সাথে জানাচ্ছি আপনারা মাঝেমধ্যেই নিজেদেরকে অতিমাত্রায় প্রফেশনাল প্রমাণ করতে গিয়ে হাস্যকর রকম নিরপেক্ষ হয়ে ওঠেন; এমনিতে এসব নোংরা পোস্ট আপনাদের চোখে পড়েনা অথচ এর চেয়ে অনেক লঘু পোস্টের বেলায়ও আপনাদেরকে খড়গহস্ত হয়ে উঠতে দেখা যায়।

আপনারা কি ঐ তিনটি পোস্ট এবং পোস্টের মন্তব্যগুলো পড়ে দেখেছেন? যদি দেখে থাকেন, তবে কী করে প্রায় সাত ঘন্টা পরেও বহাল তবিয়তে আছে ওগুলো? কোথায় গেলো আপনাদের খড়গ? নাকি ব্যালেন্স করার মানসিকতায় আক্রান্ত হয়েছেন?

এতো নিরপেক্ষতা দেখাবেননা, অসহ্য লাগে।

  • ০ টি মন্তব্য
  • ৩৫বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি

আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না

 

notredamian group image

যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততম এলাকায় একঝাঁক সবুজের সমারোহ। ভেতরে ঢুকলেই বাইরের কোলাহল মুহূর্তেই মিলিয়ে যায়, মনে ভর করে অদ্ভুত এক অনাবিল প্রশান্তি। বোগেনভেলিয়ায় ঘেরা, সুনিবিড় সেই ক্যাম্পাসটি আমাদের, সকল নটরডেমিয়ানের। কুইজের জন্য ছুটতে ছুটতে সকালের ঘুমঘুম ভাব ত্যাগ, ফিজিক্স ল্যাবের গ্যাড়াকলে পড়ে ত্যানা হয়ে যাওয়া জীবন, কেমেস্ট্রী ল্যাবে এসি দাস স্যারের কটকটে ধমক, বায়োলজি ল্যাবে ভুঁইয়া স্যারের তিনপুরুষ ঝাঁকানো ঝাড়ি- সব ছাপিয়ে ক্লাস শেষে হুড়মুড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার আনন্দ। টেরেন্স স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনে বসে আলুর চপে কামড় দেয়ার পাশাপাশি সিগারেটে দেয়া নতুন দুয়েক টান, ফাদার পিশোতোর বাচ্চাসুলভ আর কেয়ারিং ব্যবহার আর সর্বোপরি শান্ত ক্যাম্পাসের মন্ত্রমুগ্ধ হাতছানি।
এখানে আমরা এক হবো সবাই। আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে...।

পোস্ট আর্কাইভ

সর্বমোট হিট

 ২৭৫৩

মোট সময় লেগেছে ০.০৩০৮ সেকেন্ড