লেখকের অন্যান্য পোস্ট
একটি সংবাদ, একজন সাংবাদিকের বোধ।
লিখেছেন বাতিঘর, ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
তিন থেকে সাড়ে তিনফুট ব্যাসের একটি বাংকার, গভীরতা হবে প্রায় নয় ফুট। কে কল্পনা করেছিলো একটি হোটেলের কক্ষে এমন একটি বাংকার থাকতে পারে। সে বাংকারে অসহায় তরুনীদেরকে লুকিয়ে রাখা হয়। যাদেরকে চাকুরী দেয়ার নাম করে নিয়োজিত করা হয় দেহ ব্যবসায়ে।
সংবাদটি পড়ে শিউরে উঠেছিলাম। প্রতিদিন শিউরে ওঠার মত অনেক সংবাদ চোখে পড়ে তবে এটা একটু ব্যতিক্রম। বাংলাদেশের আশ্চর্যজনক মেধাগুলো তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তির স্বাক্ষর রেখেই চলছে। বাংকারে লুকিয়ে রেখে প্রয়োজনমত দেহ ব্যবসায় কাজে লাগিয়ে আবার বাংকারে লুকিয়ে রাখা। খবরটা দেখেছিলাম যুগান্তরের কয়েকদিন আগের একটা সংখ্যায়।
খবরের সাথে সেই বাংকারের ছবি। বাংকারে দাড়িয়ে আছে সেই নির্যাতিত নারী। সেই নির্যাতিত নারীর ছবি দেয়াটা কি খুব কি দরকার ছিলো। সচেতন সাংবাদিক মাত্রই একটা নীতিতে বিশ্বাস করেন যে নির্যাতিত নয়, নির্যাতনকারীকেই চিনিয়ে দেয়া উচিত। মুখোশ খুলে দেয়া উচিত নির্যাতনকারীর। আর যেখানে নির্যাতীত একজন নারী..
পত্রিকার পাতায় গ্রেফতারকৃত হোটেল ম্যানেজারের ছবি ছাপা হতে পারত, সহযোগীর ছবি ছাপা হতে পারতো। তা হয়নি বরং কোটি পাঠকের সামনে সেই নির্যাতিত নারীর ছবি নামসহ পরিচয় করিয়ে দেয়া হলো যে কিনা একটি প্রতারক চক্রের হাতে পড়ে তার জীবনের সকল স্বপ্নকে হারালো।
যুগান্তরের সেই সমাজ সচেতন (!) সাংবাদিকের হাতে আজীবনের জন্য চুড়ান্তভাবে নির্যাতিত হয়ে রইল সেই নারী।

- মন্তব্য লিখুন
- ২টি মন্তব্য
- ৪৯বার পঠিত
কোলাহল বলেছেন:
সাংবাদিকদের আরো দ্বায়িত্ববান হওয়া উচিত।
'প্রবাল গ্রুপ' বলেছেন:
যুগান্তরের সেই সমাজ সচেতন (!) সাংবাদিকের হাতে আজীবনের জন্য চুড়ান্তভাবে নির্যাতিত হয়ে রইল সেই নারী।দুখজনক
আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না


















