লেখকের অন্যান্য পোস্ট
ভালোবাসা শাশ্বত, চিরঞ্জীব।
ভালোবাসো আপন স্রষ্টাকে।
ভালোবাসো দেশকে, মা-মাটি-মানুষকে ।
ভালোবাসো নিজেকে, নিজ পরিবারকে ।
ভালোবাসো সৎ ও সুন্দর জীবনধারাকে ।
ভালোবেসেই এগিয়ে চলো আপন লক্ষ্যে -
প্রিয় বসুন্ধরাকে ভরিয়ে তুলো মহৎ কর্মে ।
ভালোবাসা, ভালোবাসা, শুধুই ভালোবাসা
ভালোবাসার অপার বারিধারায় সিক্ত হোক ধরনীর অন্তর।।
ভালোবাসার সীমাহীন প্রকাশ ঘটুক আমাদের শব্দাঞ্চলে
"ভালোবাসা ভালোবাসা" হোক আমাদের অনুভূতির অনুভবাঞ্চল।।
মুখরিত হোক না বলা ভালোবাসার কথা,
ধ্বনিত হোক সুমধুর ভালোবাসার জয়গান।
ভালোবাসানলে পুড়ে অমিতলোকে গমনের কথামালা
ভালোবাসায় অবগাহনে পরিশুদ্ধি লাভের শুদ্ধলিপি।।
ভালোবাসার কোনো সীমা নেই- না কথায়, না গানে
অসীম শূন্যতায়ও ভালোবাসা বিরাজমান প্রাণে প্রাণে।
ভালোবাসা নাও হে সৃষ্টির ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর- ক্ষুদ্রতম,
ভালোবাসা নাও হে সৃষ্টির বৃহৎ হতে বৃহত্তর- বৃহত্তম,
সবাই ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না।।
আবার ভালোবেসেও হারিয়ে যেও না...
"ভালোবাসা ভালোবাসা" তীর্থাঞ্চলে এসো করি স্নান।।
এক ভন্ড প্রেমকাহিনী(পর্ব-৪)
লিখেছেন অন্তিম, ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৫
(পর্ব-১)
(পর্ব-২)
(পর্ব-৩)
নীলা এমন ভাবে ধইরা রাহে মনে হয় আমার হাত প্যারালাইসেস রোগীর মত অবশ হইয়া
বিছনায় পইড়া আছে। একটা গান আছে না মমতাজের, "ফাইট্টা যায় আমার বুকটা ফাইট্টা যায়
।"------------তহন আমি মনে মনে গাই, " ফাইট্টা যায় আমার হাতটা ফাইট্টা যায়
।"
এইযে নীলার সাথে এত ঘোরাঘুরি করি কোনদিন কোন ফ্রেন্ডরে কই না। না কওয়ার পিছে মূল কারন হইল গিয়া নীলা নিজেই না করছিল কইতে
। কথায় আছে না চোরের দশদিন সাউধের একদিন
। আরেকদিন বইমেলায় নীলা আমার হাত ধইরা হাটার সময় হাতেনাতে ধরা খাইলাম সব ফ্রেন্ডের কাছে
। তারা কইল--------
-----কিরে সাগর তুই যে বইমেলায় আসবি আমাদের বললি না যে
? আমি-ত তকে গত পরশুদিন ফোন করেছিলাম তুই-তো না করে দিলি।
----না দোস্ত মানে নীলাই ফোন কইরা আইজ কইল যে বইমেলায় আইতাম তার কাকলি আপুও আইব
। তাই আইছি। সরি দোস্তরা।
----কাকলি আপু কোথায়? উনাকে দেখছি না যে?
---- আপু একটা স্টলে ঢুকছে। তাই আর খুইজা পাইতাছি না।
সব ফ্রেন্ডরা একটু পরেই চইলা গেলগা। আমিও কিছুক্ষন নীলার সাথে ঘুইরা তারে বাসায় পৌছায়া দিয়া ঘরে আইছি।
নীলা রাইতে কল করলো-------------
----হ্যালো, সাগর।
----হা কও।
----কি কর?
----কিছুই না। শুইয়া শুইয়া টেনশন করতাছি
।
----কিসের টেনশান?
----এইযে আজকে শ্রাবনদের( বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুদের) কাছে হাতেনাতে ধরা খাইলাম
।
---- ধরা খাওয়ার কি আছে
? আমরা কি প্রেম করেছি নাকি? এখানে-তো আমি টেনশান করার কিছু দেখছি না?
----- না, তা ঠিক আছে। তোমার সাথে-তো আমার পীড়িত নাই। আইচ্ছা নাই টেনশন বাদ দেও।
----- তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছিল। ফতুয়ায় তোমাকে খুব ভাল দেখায়। আরেকদিন দেশাল থেকে তোমাকে ফতুয়া কিনে দেব।
----- দিলে-ত আর না করতাম পারতাম না। তয় তোমারেও সুন্দর লাগছে। নাকে নথ পড়লে তোমারে জানি কেমন কেমন লাগে;।
---- কেমন লাগে? বল না?
----- না আরেকদিন কইয়াম।
----- না, এখন বল। আমায় কি বিশ্রী লাগে?
----- আমি কি তাই কইছি
।
----- হাঃ হাঃ হাঃ
। আমি বলব আমাকে কেমন লাগে?
-----বল![]()
------ আমায় খুব সেক্সি লাগে?![]()
----- তুমি যে কি কও না![]()
----- লজ্জা পাওয়ার কি আছে? সেক্সি মানে হচ্ছে সুন্দর। তুমি আমার ফ্রেন্ড তাই আমায় বলতেই পার সেক্সি।
------ না, তা ঠিক আছে।
----- তুমি কি এখনও ফতুয়া পড়ে আছ?
----- হ লুঙ্গি আর ফতুয়া।
----- ফতুয়া পড়লে তোমাকে ভাললাগার আরেকটি কারন আছে
।
----- কি কারন?
---- না তোমাকে বলব না।
----- কও না প্লিজ। আইচ্ছা তুমি কি পড়ে আছ
?
---- থ্রি পিস।
----- থ্রি পিস-ত জামা, পায়জামা, ওড়না। তাই না?
----- আমি-ত ভাবছিলা তুমি আরও বেশি পিস পড়![]()
![]()
----- তুমি-ত সাংঘাতিক দুষ্ট
।
---- কও না![]()
--- চুপ
।
( পরবর্তী পর্বগুলো লিখব কিনা ভাবছি
---------------
। আচ্ছা গল্পটি কি আপনাদের ভাললাগছে? ও আরেকটি কথা, এটা নেহাতই গল্প বাস্তব জীবনের সাথে মিলাবেন না প্লিজ।)

- মন্তব্য লিখুন
- ০টি মন্তব্য
- ৩৬বার পঠিত
আপনি এই পোস্টটে কোন মন্তব্য করতে পারবেন না

















