বেশি খাওয়ার বিড়ম্বনা
২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
এমন অনেক মানুষ আছে যাদের পেট ভরলেও চোখ ভরতে চায় না! ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ তাদের এক প্রকার বদভ্যাসে পরিণত হয় । এর উপকারী দিক একটিও না থাকলেও অপকারী দিক আছে অনেক। পুষ্টিবিদরা বলে থাকেন, মানুষ বাচার জন্য খায়, খাবার জন্য বেঁচে থাকে না। আসলেই তাই । শরীরবিদদের মতে, কম খেয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে । একই সাথে বাড়ে মনের শক্তি । তবে এই কম খাবার হতে হবে যথাযথ পুষ্টিমান যুক্ত। 'দারুণ স্বাদ হয়েছে' এই যুক্তিতে যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার গলধকরণ করেন তো তা আপনার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি বয়ে আনবে। দিনের পর দিন বাড়তি খাবার খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় । উপরন্তু শরীরে বাসা বাধে নানা জটিলতা। পাকস্থলির হজম প্রক্রিয়া বেশ জটিল। প্রত্যেক মানুষের পাকস্থলি মোটামুটি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবারকে প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। বাড়তি খাবারটা তাই ঠিকমতো হজম হয় না। এ অবস্থায় বোঝা যায় যে বদহজম হয়েছে। যে খাবার গ্রহণ করছেন তার ঘ্রাণযুক্ত ঢেকুর উঠতে থাকে বার বার যা খুবই বিরক্তিকর। বদহজম পেটে গ্যাস সৃষ্টি করে। শুরুহয় অস্বস্থি। তাছাড়া আপনার গ্রহণ করা খাবার যদি হয় উচ্চ ক্যালরি যুক্ত তাহলে বাড়তি খাবার শরীরে চর্বি জমাট বাধতে সাহায্য করবে। বেড়ে যাবে ওজন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের কম খাবার গ্রহনের অভ্যাস তাদের গড় আয়ু তাদের চেয়ে বেশি যারা বেশি পরিমাণে খাবার খেয়ে থাকেন। এছাড়া বাড়তি খাবারের জন্য বাড়তি ব্যয় তো আছেই। আরেকটি খারাপ দিক হল, এটি একসময় অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। খেতে খেটে পেট উঁচু না হলে পেট ভরেনি এমন কেটা ধারণা সৃষ্টি হয়ে যায়। আর এই ধারণাটাই মস্ত বড় একটি কুফল । এই পর্যায়ে বেশি খাবার অভ্যাস ছেড়ে কম খাবারের দিকে ঝুকতে গেলে মানসিক একটা অতৃপ্তির ভাব সৃষ্টি হবে। সুস্বাদু খাবার অল্প খেলেও যা, উদরপুর্তি খেলেও তা। তাই কম খাবার গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলুন আপনার পরিবার থেকেই উপকার হবে নিজের এবং ভবিষ্যত বংশধরদের।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে। খুলনা...
...বাকিটুকু পড়ুনআমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন