নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.oputanvir.com

অপু তানভীর

আমার চোখে ঠোঁটে মুখে তুমি লেগে আছো

অপু তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

বুমার্সে দেখা মেয়েটি এবং আমাদের সম্ভাব্য প্রেমের গল্প !

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:০৮

-প্রোপোজ কি করে ফেলেছে নাকি আজকে করবে ?
-সরি ?

মেয়েটার চোখ টা চমকে উঠলো আমার কথা শুনে । ওয়াশ রুমের কাচের দিকে পিঠ করে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো কিছু টা সময় !

আমি ট্যাপে হাত ধুতে ধুতে বললাম
-বললাম যে প্রপোজ কি করে ফেলেছে তোমাকে ?
-আপনি কি বলছেন আমি বুঝতে পারছি না !

পকেট থেকে টিস্যু বের হাত মুছতে মুছতে মেয়েটার দিকে তাকালাম ! মেয়েটাকে আসেলে যত খানি পিচ্চি মনে করেছিলাম সামনা সামনি দেখতে ততখানি পিচ্চি মনে হচ্ছে না ! এই মেয়েকে আপনি করে বলার কোন কারন নেই ! আমি বললাম
-আমার ধারনা তুমি ঠিকই বুঝতে পারছো আমি কি মিন করেছি ! প্রপোজ কি করে ফেলেছে !
মেয়েটা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে রইলো চুপ করে । আমাকে বোঝার চেষ্টা করছে যেন । খনিকটা দ্বিধার ভেতরেই আছে মনে হচ্ছে । এভাবে চট করে ব্যাপার টা ধরে ফেলাতে আমাকে একেবারে ইগনোরও করতে পারছে না !

আমি মেয়েটাকে আরেকটু ভড়কে দেওয়ার জন্য বললাম
-আজকেই তো প্রথমেই দেখা ! তাই না ?
-জি !
-নেট এ পরিচয় ?
-হুম !
-কথা হয়েছে তো ফোনে ? নিশ্চই বলেছে তোমার সাথেই জীবনের প্রথম !
মেয়েটা এই প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে চুপ করে রইলো ।
আমি বললাম
-দেখো একটা কথা কেবল তোমাকে বলি ! যদি আজকে প্রপোজ করে তাহলে রাজি হোও না !
-কেন ? আপনি নাভিন কে চেনেন ?
মেয়েটা কেন শব্দটা বেশ তীক্ষ কন্ঠে বলল । স্পষ্টই বুঝতে পালাম ছেলেটার প্রতি মনে হয় সে খানিকটা এগিয়ে গেছে । বেশ খানিকটাই বলতে হবে !

আমি বললাম
-না চিনি না !
-তাহলে ? কিভাবে বলছেন ? আর কেনই বা বলছেন ?
-আমি তো তোমাকেও চিনি না !
-সো ! হোয়াটস দ্য পয়েন্ট ?
-আছে ! পয়েন্ট আছে !
-কি !
আমি বললাম
-নিশ্চই তুমি লক্ষ্য করেছো তোমাকে আমি দেখছিলাম ?
-হুম !
-এবং তুমি নিজেও আমার দিকে তাকিয়ে ছিলে ? তাই না ?
-জি না !
-হাহাহাহাহহা !
মেয়েটা কোন কথা না বলে চুপ করে রইলো ! আমি বললাম
-শুনো আমার বয়স তোমার থেকে বেশী কিন্তু । যাক সত্যি কথা বলি, তোমার চোখ আমার অনেক পছন্দ হয়েছে । অনেক বেশি ! নেশা ধরার মত ! বুঝেছো !
মেয়েটা এবারও কোন কথা না বলে চুপ করে রইলো । আমার এরকম কথায় খানিকটা ভড়কে গেছে যেন ! আমি বললাম
-কত দিন এরকম মাতাল করা চোখ আমি দেখি নি আমি বলতে পারবো না !
-তো আপনি কি চান ? আর কেন বলছেন নাভিনের প্রপোজ না করতে ?
-কারন যে ছেলে এমন মাতাল করা চোখকে সামনে রেখে নারী অন্যান্য দেহের দিকে লুলুপ দৃষ্টি তাকাতে পারে সে আর যাই হোক ......
মেয়েটা একদম চুপ করে রইলো ! আমি আবার বললাম
-এবং আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে তাহলে তুমি নিজেও ব্যাপার টা লক্ষ্য করেছো ! নয়তো আমার সাথে তোমার চোখা চোখি হত না !
মেয়েটি বলল
-সবার চোখই এমন করে । এটা স্বাভাবিক !
-তাই ? সবাই মেয়েদের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে না ।
এই বলে আমি মেয়েটার চোখের দিকে তাকালাম সরাসরি ।


-আচ্ছা দেখি তোমার মোবাইল টা ?

এইটা মনে হল একটু বেশিই হয়ে গেল । শত ভাগ সম্ভাবনা আছে মেয়েটা এখন আমার উপর বিরক্ত হয়ে চলে যাবে ! কিংবা এতোক্ষন বানানো ইম্প্রেশন টা মুহুর্তেই ভেঙ্গে যাবে । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম মেয়েটা তার মোবাইল টা আমার দিকে বাড়িয়ে দিলাম !

আমি ফোনটা নিয়ে আমার নাম্বার টা সেভ করে ওকে বললাম
-তোমার নাম আমি জানি না ! চানতে চাইবোও না ! এই আমার নাম্বার রইলো ! যদি আমার কথা গুলো সত্য না হয়ে তাহলে নাম্বার টা মুছে দিও ! আমিও কদিনের ভিতর তোমাকে ভুলে যাবো !

ব্যাস আর কোন কথা না বলার সুযোগ দিয়ে বেরিয়ে এলাম ।

মেয়েটাকে আমি ঠিক মত চিনি না । সজিবের ট্রিট বাকি ছিল । অন্যান্য ট্রিট গুলো আমরা বাংলা খাবার খেলেও আজকে কি মনে কিছু পশ্চিমা খাবার খাওয়া যাক । সেই প্লান করেই বুমার্স আসা । এখানে আসার পর থেকেই মেয়েটাকে দেখছি । বলতে গেলে একেবারে চোখের সামনে থেকে সরছেই না ।

আমি যেখানে বসে আছি মেয়েটি ঠিক আমার সোজাসুজি বসে আছে । আমার সাথে যেমন আমার বন্ধুরা রয়েছে ঠিক তেমনি মেয়েটার সাথেও ওর বন্ধুরা রয়েছে । আচার আচরন দেখে যা মনে হল তাতে দুই গ্রুপ প্রথম বারের মত দেখা করতে এসেছে । এবং মেয়েটি হচ্ছে সবার মধ্য মনি । তার মানে মেয়েটাকে কেন্দ্র করেই এখানে আসা ! মেয়েটার চেহারা একটা লজ্জার ভাব পরিস্কার বোঝা যাচ্ছিলো । মেয়েটিকে লক্ষ্য করার সাথে সাথে আমি তার কাছে বসা ছেলেটিকেও খনিকটা লক্ষ্য করলাম ! এদিক ওদিক ওর চোখ যাওয়াটাকেও আমার কেন জানি খুব বেশি সুবিধার মনে হল না !


ফোন এল না । আমি অনেকটা নিশ্চিত ছিলাম যে মেয়েটা মনে হয় আমাকে নিশ্চিত ভাবেই ফোন দিবে । কিন্তু ফোন এল না । সপ্তাহ খানের মধ্যেই অবশ্য আমি সব কিছু ভুলে গেলাম । আমি ভেবেছিলাম হয়তো আর কোন দিন মেয়েটার সাথে যোগাযোগ হবেও না ! কিন্তু ঠিক দশ দিনের মাথায় মেয়েটার ফোন এসে হাজির !

আমি প্রথমে চিনতেই পারলাম না কে ফোন করেছে । তখন বিকেল হবে হবে করেও হয় নি । সন্ধ্যার দিকে টিউশনী আছে আমি সেটার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি । তখনই একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন এসে হাজির !

-কে বলছেন ?
আমি সাধারনত ফোন ধরে হ্যালো বলি না ! ওপাশ থেকে কোন কথা নেই ! আমি আবারও বললাম
-কে বলছেন ?
আবারও বলতে যাবো কে বলছেন তখনই ওপাশ থেকে ক্ষিণ কন্ঠে কেউ বলে উঠলো
-আমি !
-আমি কে ? নাম নেই ?
-নাম বললে চিনবেন না !
-তাহলে কিভাবে চিনবো ?

এই লাইন টুকু বলেই আমার মনে পড়ে গেল । আমি খানিকটা অবাক হয়ে বললাম
-তুমি ?
-হু !
-আমি তো ভেবেছিলাম তুমি আমাকে আর ফোনই দেবে না ! যাক ফোন দিয়েছো তাহলে ?
-আসলে .......
আমার কেন জানি মনে মল মেয়েটা আমাকে কোন দরকারে ফোন দিয়েছে । এমনি এমনি ফোন দেই নাই ! আমি বললাম
-বল । সমস্যা নেই !
-আপনি কোথায় থাকেন ?
-কেন ?
-আপনি কি এখন একটু একাডেমিয়ার সামনে আসতে পারবেন ?

আমি আসলেই একটু অবাক হলাম । সরাসরি মেয়েটা আমার সাথে দেখা করতে চাচ্ছে ঠিক বুঝলাম না !
আমি বললাম
একাডেমিয়া মানে মোহাম্মাদপুরের ঐ টা ?
-হুম !
খনিকক্ষন বিরতি দিয়ে মেয়েটা আবার বলল
-পারবেন আসতে ?
-তা তো পারবো ! আমার বাড়ির কাছেই ! কিন্তু বুঝতেছি হঠাৎ আসতে বলতেছো কেন ?
আবারও কিছু টা সময় নিরব্তা ! তারপর মেয়েটা বলল
-আসলে আপনার কথাই ঠিক ! নাভিন ওরকমই ! আমি ভাবতেই পারছি না ! গত পরশু দিন ও আমার সাথে এক প্রকার জোর জবস্তিই শুরু করে ! আমি কোন রকমে চলে আসি ! আজকে আবার আমার স্কুলের সামনে এসে দাড়িয়েছে ! ভেবেছিলাম বাসায় ফোন দেব । কিন্তু বাসায় জানাতে ইচ্ছে করছে না !
আমি বললাম
-একা এসেছে নাকি কাউকে সাথে নিয়ে এসেছে ?
-দুজন বন্ধু আছে !
-আচ্ছা তুমি চিন্তা কর না ! আমি আসতেছি ! ১০ মিনিট লাগবে !


ফোন রেখেই আমি সুজন আর রাফি কে ফোন দিলাম । কি করতে হবে বললাম ! ওরাও বলল এসে যাচ্ছে !

যখন একাডেমিয়ার সামনে এসে হাজির হলাম তখন দেখি রাফিরা আমার আগেই চলে এসেছে । আমাকে দেখে এগিয়ে এল । দেখলাম ওদের সাথে আরও দু তিন জন ছেলে । ওদের মেসে থাকে শুনলাম ! যাক ভালই হল !

আমার চোখ নাভিন কে খুজতেছিল । যদিও কেবল একদিন দেখেছি তবুও ওকে চিনতে আমার খুব বেশি কষ্ট হল না । একাডেমিয়ার গেটের কাছের দাড়িয়ে আছে । সামনে দাড়ানো দুজনের সাথে কথা বলছে ।


আমি রাফিদের কে দাড়াতে বলে একাডেমিয়ার সামনে চলে গেলাম ! ফোন দিলাম মেয়েটাকে !

-আপনি চলে এসেছেন ?
-হুম ! বাইরে আসো !
-আপনি শিওর ?
-আরে ভয় পেও না ! বাইরে আসো তো ! আমি আছি !

আমার ফোন রাখার দু মিনিট পরেই মেয়েটা গেট দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল ! আমার যেন সেদিনের মত আবারও একবার হার্ট বীট মিস হয়ে গেল । সেই মাতাল করা চোখ ! তবে ঐ দিনের থেকে মেয়েটাকে যেন আজকে একটু বড় মনে হচ্ছিল ।

আমি গেটের কাছে এগিয়ে গিয়ে মেয়েটার সামনা সামনি দাড়ালাম ! একটু হাসলাম ! মেয়েটাও চিন্তিত মুখে একটু হাসলো কিন্তু হাসি মিলিয়ে গেল আমার পেছনে কাউকে দেখে ! আমি নিশ্চিত জানি মেয়েটা কাকে দেখছে । আমি পেছনে ঘুরে তাকালাম । দেখি নাভিনও আমার দিকে তাকিয়ে বেশি খানিকটা অবাক হয়েছে । খানিকটা ভরকেও গেছে । অন্তত আমাকে সে এখানে আশা করে নি !

আমি আবারও মেয়েটার দিকে তাকিয়ে অভয় দেওয়ার চোখে তাকালাম ! তারপর এগিয়ে গেলাম নাভিনের দিকে !

-নাভিন, রাইট ?
নাভিন কিছু বলল না ! ওর পাশের দুজনও খানিক টা অবাক হয়েছে ! আমি নাভিনের কাধে হাত রাখলাম ! বললাম
-এসো আমার সাথে ?
-কোথায় ?
-আরে ভয় পেও ! এই তো ঐ সিগারেটওয়ালার কাছে । সিগারেট খাও তো নাকি !

আমি জানি ও খায় !
-কোন ব্র‌ান্ড ?
-লাইট !

আমি নিজের টাকায় কিনে দিলাম ওকে । ধরিয়েও দিলাম !

দুরে দাড়িয়ে মেয়েটা সাথে নাভিনের সাথে আসা দুজনই আমাদের দেখছে । তারপর আমি ঠান্ডা কন্ঠে নাভিন কে বললাম
-দেখ যা হয়েছে হয়েছে । এর পর থেকে ওর পেছনে লাগা বন্ধ কর !
তারপর নাভিনের মাথা ঘুরিয়ে রাফিদের দেখালাম ! আমি হাত নাড়াতে ওরাও হাত লাড়লো !

বললাম
-আমি এই খানেই থাকি ! ওদের দেখছো না, এরকম আরও চারটা গ্রুপ এই আসেপাশে আছে । আমি কেবল ডাক দিলেই চলে আসবে ! আর যদি কোন দিন এখানে তোমাকে দেখি কিংবা ও যদি কোন দিন আমাকে ফোন করে তোমার নামে কোন অভিযোগ করে তাহলে তোমাকে দুই হাত মাটির তলে পুতে ফেলবো বলে দিলাম ! বুঝেছো ?

একে তো আমি নাভিনের থেকে বয়সে বড় তার উপরে রাফিদের কে দেখে নাভিন এমনিতেই একটু ঘবরে গেছে । তার উপর আমি ওকে হাসতে হাসতে এমন করে হুমকি দিলাম যে ওর অবস্থা সত্যিই খারাপ হয়ে গেল । আর কোন কথা না বলে ও সোজা হাটা দিল । সঙ্গে করে নিয়ে আসা ছেলে দুটোকে ডাকতেও যেন ভুলে গেল !


মেয়েটার কাছে আসতেই মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-আপনি ওকে কি বললেন হাসি মুখে যে ও ওতোটা ঘাবড়ে গেল ?
-আমি কিছুই বলি নি তো । কেবল সিগারেট কিনে দিলাম দেখলে না ?
-তাই ?
-হুম !

মেয়েটা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল
-থ্যাঙ্কস !
-ইউ আর ওয়েলকাম ! ইয়ে মানে তোমার নাম টা আমি এখনও জানি না !
-আমিও আপনার নাম জানি না !
-তাই নাকি ? ঐ দিন আমি আমার নাম বলি নাই ?
-নাহ ! বলেন নি ! আর পরে হয়তো আমাদের আর দেখা নাও হতে পারে ! নাম জেনে কি হবে !

এই বলে মেয়েটা হাসলো ! মেয়েটার চোখের ভাষা বলে দিল আমাদের পরে আবার দেখা হবে কি না !
কিন্তু সেটা !!
সেটা অন্য কোন গল্প !!



মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:৩৪

ঘুম হ্যাপি বলেছেন: চরম....

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:৪২

অপু তানভীর বলেছেন: :D :D :D :) :) :)

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:১২

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: পরের পর্ব লিখে ফেলেন।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:২৩

অপু তানভীর বলেছেন: দেখা যাক !! পরের পর্ব লেখা নাকি !!

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:২৯

নাজমুল হাসান মজুমদার বলেছেন: পহেলা বৈশাখ নিয়ে কোন প্রেমের গল্প লেখবেন না ?

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

অপু তানভীর বলেছেন: এখন আর আগের মত গল্প লিখতে মন চায় না!

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৩

এনামুল রেজা বলেছেন: চমৎকার।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৪

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ!!

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৭

মাসুম সোহাগ বলেছেন: তাহসানের নাটকের কাহিনী মনে হচ্ছে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৪

অপু তানভীর বলেছেন: তাই নাকি?
ভালু!!

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৫

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: সেই অন্য গল্প শুনতে মঞ্চায়।

ভালো লাগছে। +

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৫

অপু তানভীর বলেছেন: সেই গল্পও হবে কোন দিন!!

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৩

গেন্দু মিয়া বলেছেন: ভাল গল্প। :)

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৫

অপু তানভীর বলেছেন: থেঙ্কু!!

৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০০

ওয়ালী আশরাফ বলেছেন: চমৎকার লিখনী। আপনার হাত আর মগজ যদি দেখতে পেতাম!!!!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

অপু তানভীর বলেছেন: আপনার নামে থানা জিডি করিয়া এলুম কিন্তু ;)

৯| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৬

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন:
বাহ! ভালোই তো।

এরপর কিছু একটা হোক, কিছুতো একটা হোক। তাইলে আরেকটা গল্প পাওয়া যাইতেও পারে। এইবার হিরোগিরি হইলো, পরেরবার দুই বাসায় জানাজানি, এরপর দিল নিয়া টানাটানি, এমনেই চলতে থাকুক। :)

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৭

অপু তানভীর বলেছেন: দেখা যাক কোন কিছু হয় নাকি! অপেক্ষায় থাকুন!!

১০| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩২

মায়াবী রূপকথা বলেছেন:
সুন্দর গল্প। ভালোলেগেছে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৮

অপু তানভীর বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:০১

প্রকাশক পপি চৌধুরী বলেছেন: ভালো লেগেছে গল্পটি। আরো লিখুন।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৯

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ!!
দেখা যাক সামনে কিছু লিখতে পারি কি না!!

১২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১২:২৯

এস কাজী বলেছেন: শেষ টা কইরে দিয়েন। নাইলে তো দম আটকাইয়া থাকব!! ;) ;) ;)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১২:৪৮

অপু তানভীর বলেছেন: থাকুক না হয় একটু দম বন্ধ হয়ে.।

১৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ১০:১৩

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: ভালো লাগল। সুখপাঠ্য।
কিছু হোক !:#P

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০০

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ। আমিও চাই কিছু একটা হোক ;)

১৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:০৮

মুহাম্মদ তাইফ বলেছেন: লেখার মাঝে অন্যরকম একটা ভাব আছে।।ভালই লাগল।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০১

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ!! :)

১৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেকদিন পর আপনার একটি 'সম্ভাব্য' প্রেমের গল্প পড়লাম.... B-)

‌'সংঘটিত' প্রেমের গল্প পড়ে হয়রান 8-|

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০৩

অপু তানভীর বলেছেন: বলতে পারেন আমিও সংঘটিত প্রেমের গল্প লিখে লিখে হয়রান হয়ে গেছি। তাই সম্ভাব্য ;)

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ছোট্ট গল্পে বেশ কিছু অসামাঞ্জস্য। ভালো লাগে নাই।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৩

অপু তানভীর বলেছেন: :( :(

১৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:১০

শায়মা বলেছেন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা ভাইয়ু!!!!!!!

সারাবছর ও বাকী জীবনটা কাটুন আনন্দে আর সাফল্যে!!!!!!!!:)

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:১৮

অপু তানভীর বলেছেন: হুম কাটুক !

কিন্তু এই বছর টা আনন্দে কাটবে না মনে হয় !

:(:(

১৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৬

কলমের কালি শেষ বলেছেন: মোটামুটি লেগেছে ।

২০ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৪৮

অপু তানভীর বলেছেন: :)
কি লেগেছে ;)

১৯| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:৩২

নক্ষত্রচারী বলেছেন: পড়ে ভালোই তো লাগলো ।
চালিয়ে যান ।

শুভকামনা রইল ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ১:৫৫

অপু তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২০| ০৩ রা মে, ২০১৫ রাত ২:৪৭

মুশফিক আব্দুল্লাহ বলেছেন: সেই অন্য গল্প কই?? :(

০৪ ঠা মে, ২০১৫ রাত ১০:৪৮

অপু তানভীর বলেছেন: হয়তো আসবে কোন দিন !
অন্য কোন দিন !!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.