"নামাজ" আমাদের ছোট-বড় গুনাহ থেকে দূরে রাখে এবং ভুল পথের চাইতে ভাল কাজের দিকে বেশি ধাবিত করে,যা আমাদের ইসলামের অন্যান্য সকল হুকুম-আহকাম মানতে আল্লাহ'র ভয়ে থটস্ত রাখে এবং আমরা একটি সুন্দর ইসলামি জীবন যাপনে নিজেদের মধ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া উপলব্ধি করি।
নামাজ আমাদের মনকে সবসমই ভাল রাখে এবং শইতানের কুমন্ত্রনার স্পর্শ থেকে দূরে রাখে ; তাই আল্লাহ'র প্রভুত্থ ও আল্লাহ'র গোলামি করার সবচাইতে সহজ পন্থা "নামাজ"।।
উপরের ছবিটা( কক্সবাজার সী-বিচ) একজন আলোকিত মানুষের (ঝাল মুরি বিক্রেতা),যিনি রিযিক অন্বেষণ করার মাঝে আল্লাহ কে সমইমত স্মরণ করতে কখনও ভুলেনা।।
যার সাথে কথা বলে এমন কিছু কথা শুনলাম(মহান আল্লাহ'র প্রতি বিশ্বাস)।উনার থেকে এমন কিছু আল্লাহ'র প্রতি অসীম বিশ্বাসের কথা শুনে অবাক হৃদয়ে আমরা ৩বন্ধু ভাবলাম এই ধরনের আলোকিত মানুষ আছে বলেই পৃথিবীতে এত অন্যায়-জুলুম-চরিত্রহীনতা কর্ম কাণ্ডের পরও আল্লাহ আমাদের প্রতি রহম করছেন , কিন্তু শেষ বিচারের দিন অবশ্যই আমাদের সকল কর্ম ভেসে উঠবে এবং আমাদের কর্ম অনুযায়ী আমাদের বিচার কাজ সম্পন্ন হবে,সেইদিন কেও আমাদের চিনবেনা ।।
চোখ বন্ধ করে একবার ভাবুনতো ; চোখ বন্ধ করলেই তো সবকিছু শেষ !!
আখেরাতের তুলনাই দুনিয়ার লালসা যদি আমাদের এতই মধুর হয়ে থাকে তাহলে বেহেশ্ত কি জন্য ? আমাদের সৃষ্টি কি জন্য??? ক্ষনস্থায়ী এই পৃথিবীর কিছুই চিরস্থায়ী নই,আসল ঠিকানাটা সেটা, যেইটা নির্ভর করবে দুনিয়াই আমাদের কর্মের উপর । আমরা আর কিছু না পারি অন্তত...
১. শিরক / ইসলাম বিরোধী কর্ম থেকে সম্পুন্ন ভাবে দূরে থাকি(মহান আল্লাহ, আল্লাহ'র সাথে শিরিককারীকে কখনও বরদাশত করবেন না,তাই নিজেকে সবসমই শিরিক-বিদা-হ কর্ম থেকে অবশ্যই দূরে রাখি ) ;
২. বান্দার হক ঠিক ভাবে আদাই করি ;
৩. দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ সহীহভাবে আদায় করি ;
৪. হালাল-হারাম পার্থক্য করে চলি ;
৫. কবিরাহ গুনাহ থেকে দূরে থাকি ;
৬. চরিত্রহীনতা কাজ থেকে সম্পুন্নভাবে দূরে থাকি(আমাদের ঈমান নষ্ট করার শইতানের প্রধান এবং সবচাইতে সহজ পন্থা) ;।।
ইনশাআল্লাহ, যতদিন পর্যন্ত আমরা সহীহ ভাবে কুরআন-সুন্নাহ আকরে ধরে রাখব ততদিন পর্যন্ত আমারা কখনও পথ ভ্রষ্ট হবনা,আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।
আল্লাহ আমাকে ও আমাদের ক্ষমা করে দিয়ে সঠিক পথ বোঝার ও আমল করার তওফিক দান করুক এবং শেষ বিচারের দিন ঈমানদার মুমিনদের কাতারে থাকার তওফিক দান করুক। আমীন।
"এবং আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করবো কিছুটা ভয়,ক্ষুধা, জান ও মালের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্যে এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো। তারা সেসমস্ত লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এসব লোকই হেদায়েত প্রাপ্ত।" (সুরা বাকারা : ১৫৫-১৫৭)
সুত্র: সোনার বাংলাদেশ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



