somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজকের হট খবর -- রাজপুত্র জয়ের দূর্নীতি -- তৌফিক এলাহী ও জয়ের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ : শেভরনকে বিনা টেন্ডারে ৩৭০ কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দিতে উতকোচ গ্রহণের বিষয় তদন্ত করছে মন্ত্রণালয় :-*:-*:-*

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরীসহ জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন তেল কোম্পানি শেভরনকে বিনা টেন্ডারে ৩৭০ কোটি টাকায় একটি কম্প্রেসার স্টেশন বসানোর কাজ দেয়ার বিনিময়ে এ উেকাচ গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে তথ্য দেয়া হয়েছে। পেট্রোবাংলার প্যাডে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ অভিযোগপত্র পেশ করা হয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় অভিযোগটি তদন্তের জন্য পেট্রোবাংলাকে দায়িত্ব দিলেও তারা ‘উচ্চ পর্যায়ের লোক জড়িত এবং স্পর্শকাতর বিষয়’ বলে তদন্ত করতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ অভিযোগ তদন্ত করবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ মোহসিন। সচিব নিজেও অভিযুক্ত। তিনি বলেছেন, ‘অভিযোগের সত্যতা আছে বলে আমার মনে হয় না।’ এদিকে শেভরন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তদন্তের বিষয়ে তাদের জানা নেই।
আওয়ামী লীগের বিগত সরকারের আমলেও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সে সময় বিদ্যুত্ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করেছিলেন বর্তমান জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরী। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা বহুল আলোচিত নাইকো দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরী। নাইকোর এক সময়ের বাংলাদেশ প্রধান কাশেম শরীফের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার বিষয়টিও মন্ত্রণালয়ে বহুল আলোচিত। নাইকো মামলায়ও প্রধান অভিযোগ ছিল বিনা টেন্ডারে নাইকোকে গ্যাসক্ষেত্র বরাদ্দ দেয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল ক্ষতিসাধন।

মূল খবর আরো পড়ুনঃ Click This Link

----------
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
৪৩টি মন্তব্য ৪১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বৃহন্নলা-কথন এবং নিউটনের তৃতীয় সূত্রের একটি সামাজিক বাস্তবায়ন

লিখেছেন রূপম রিজওয়ান, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮



মধ্যরাত। মুহুরিপাড়ার জোড়া-খাম্বার সামনের সুনশান রাস্তাটায় দু'টো মাত্র প্রাণী। একটি আপনমনে পায়চারি করছে এদিক-সেদিক;অন্যটি খাম্বায় আলতো হেলান দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে।উভয়ের মধ্যেই অসম্ভব মিল। দু'টোই ম্যামিলিয়ান ভার্টিব্রেট। তাই একটা সময় পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

শ্রাউড অভ তুরিন অথবা যীশুর কাফন (প্রথম পর্ব)

লিখেছেন শের শায়রী, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৩



সন্ধ্যা তখন ঘনিয়ে এসেছে, সেদিন ছিল প্রস্ততির দিন অর্থ্যাৎ সাব্বাথের দিনের আগের দিন। সে জন্য আরিম্যাথিয়া নিবাসী জোসেফ সেখানে এলেন। ইনি ছিলেন ধর্ম সভার একজন সন্মানিত সদস্য। তিনি ঐশী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডে- ২০১৯

লিখেছেন শায়মা, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৮


"ব্লগ ডে" এ দু'টি শব্দ মনে পড়লে আমার চোখে ভাসে কৌশিকভাইয়ার অসাধারণ কন্ঠে উপস্থাপনার ছবিটি। চোখে ভাসে জানা আপুর ছিপছিপে শাড়ি পরা চেহারাটা। চোখে ভাসে প্রায় তুষার কন্যা টাইপ ধপধপে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (শেষ পর্ব)

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০২



আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-১৮)

বুঝেছি আমার নিশার স্বপন হয়েছে ভোর।
মালা ছিল তার ফুলগুলি গেছে, রয়েছে ডোর।
নেই আর সেই চুপি চুপি চাওয়া,
ধীরে কাছে এসে ফিরে ফিরে যাওয়া-... ...বাকিটুকু পড়ুন

শতাব্দী রায় ভালো আছেন, সুখে আছেন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৫৯


যাঁরা সম্প্রতি আমার পোষ্ট মোষ্ট পড়েছেন, তাঁরা নিশ্চয় শতাব্দী রায় সম্পর্কে কিছুটা জানেন: শুধু ব্লগার নুরু সাহেব অনেকবার পড়ার পরও শতাব্দী রায়কে মনে রাখতে পারেননি; নুরু সাহেব মানুষের জন্মদিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×