ইসলামের নামে গণতন্ত্র সম্পূর্ণ করা হারাম। কারণ মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এর সূরা আলে ইমরান-এর ১৯ এবং ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ এবং সূরা ফাতাহ-এর ২৮ নম্বর আয়াত শরীফ-এর মাধ্যমে পূর্বের সকল আসমানী কিতাব এবং পরের সকল মানব রচিত মতবাদকে রদ করে ইসলামকে একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে প্রেরণ করার কথা উল্লেখ করেছেন।
আব্রাহাম লিঙ্কন তার সংস্কারকৃত গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় বলেছিল, Government of the people, by the people and for the people. অর্থাৎ সরকার জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য। অথচ আজকের বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর দিকে তাকালে তার এই সংজ্ঞার কোন প্রতিফলন দেখতে পাওয়া যায় না। আর গণতন্ত্র যেহেতু স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠার একটি তন্ত্র, তাই গণতন্ত্রে তা কামনা করাও বোকামী। গণতন্ত্রে জনগণ স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠাকারীদের ঘুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই জনগণ শুধুমাত্র ভোট দেয়াতেই অংশগ্রহণ করতে পারে। তার পরে নির্বাচিত সরকার জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে নিজের মনমত সিদ্ধান্ত, আইন, প্রকল্প, বাজেট ইত্যাদি কর্মকাণ্ডগুলো করে থাকে, যাতে জনগণের কোন মতামতের গুরুত্বই দেয়া হয় না।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাংলাদেশ সরকার কয়জন জনগণের মতামত নিয়েছিল তথাকথিত বিদ্যুৎ সাশ্রয়কারী প্রকল্পের নামে সময় আগ-পিছ করার ব্যাপারে? এভাবে জনগণ প্রতিক্ষেত্রে অবমূল্যায়িত হচ্ছে। তাই আসলে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হবে, “Government off the people, buy the people and far the people.
অর্থাৎ সরকার জনগণ বাদ দিয়ে, জনগণকে বিকিয়ে দিয়ে এবং জনগণ হতে দূরে। মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে ইসলামের নামে হারাম গণতন্ত্রের নিপীড়ন থেকে রক্ষা করুন। আমিন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

