somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের প্রথম আইন বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ website [www.clcbd.org]

২৯ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আইন বিষয়ে মানুষের ভোগান্তি আর কৌতুহলের শেষ নাই। অনেক সময়ই খুবই সামান্য ধরনের সমস্য আমাদের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়ায় এবং আমাদের না জানার কারণে এই সামান্য সমস্যাটিই বড় সমস্যা তৈরী করে। যেমন, পারিবারিক আইন। এইটা এমন কোন কঠিন বিষয় না, আমার বিশ্বাস সামান্য পরিমান মেধা থাকলে যে কেউ পারিবারিক বিরোধ বিষয়ক প্রাথমিক সমস্যাগুলোর সমাধান নিজে করতে পারবেন, আইনজীবি হতে হবে না। [আমি যেমন্ ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটার বিষয়ক নানা সমস্যার সমাধান করে ফেলি] তবে এজন্য আইনের বিধানগুলো সবার কাছে সহজলভ্য হওয়া দরকার। কিন্তু যেহেতু বিধানগুলো সহজলভ্য নয় সেহেতু আমাদের যন্ত্রনার শেষ থাকে না। রাত-বিরাতে ফোন, ঝগড়া ঝাটি, হৈ চৈ, "আমি হের ভাত খামু না", "এই রকম ঘসেটি বেগমরে নিয়া ঘর করমু না" ইত্যাদি, ইত্যাদি। কারণ পারিবারিক কলহ, তাই উকিলের সাথে কথা বলতে হবে। আমি এই একই বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতে হাপিয়ে গেছি। ব্যাপারটা এমন যে, বুক ফাটে তো মুখ ফাটেনা, মনের দুঃখে বনে যাই অবস্থা। কি করি ?

যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম তখন থেকে জেনে এসেছি যে, ‍‍‍‍"যে জানে যে আইন কোথায় আছে, সেই বড় আইনজীবি কারণ আইনের এই গাদা গাদা বই মুখস্ত করা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, তাই আইন না জেনে আইনের উৎসটা জানলেই কেল্লা ফতে"। কারণ ৯৯% ক্ষেত্রে মক্কেল তাৎক্ষণিক সমাধান চায় না। মক্কেল সমস্যায় পড়লে আপনার সাথে এসে আলোচনা করবে তার পর দু'একদিন পরে আপনার কাছ থেকে সমাধান চাইবে। এই সময়ে আপনি আপনার আইনের উৎস থেকে আইনটা দেখে নিলেন আর দু'দিন পরে মক্কেলকে জানিয়ে দিলেন। ব্যাস আপনার ও দু'পয়সা হয়ে গেল আর মক্কেলের ও উপকার হয়ে গেল। ;) তাই কোথায় আইন আছে অর্থ্যাৎ আইনের উৎস জানতে খুবই তৎপর থাকার পর ও কোন সুবিধা করতে পারেলাম না কারণ অনেকেই আমার মতোই আইনের উৎস খুজে পেতে জীবন শেষ করে দিচ্ছেন, উৎসের দেখা নাই। সময়ের সাথে সাথে বাড়ে হা হুতাশ। আহা, যদি একবার জানতাম তবে তো মাত্র দুই চার বছরের মধ্যে বড় আইনজীবি হয়ে যেতাম। বিজ্ঞ আইনজীবিদের কাছে যাওয়ার এবং জিজ্ঞাস করার সাহস নাই যদি বলে ফেলেন যে, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থ্যেইক্যা পড়ছ আর এইড্যা জানো না, সার্টিফিকেট জেনুইন তো?"। পড়লাম তো বেকায়দায়। কি করি, কি করি ? ?

বিদেশে পি.এইচ.ডি. করার খুব শখ ছিল। গতানুগতিক মুসলিম আইন বা সাংবিধানিক আইনের বাহিরে কোন বিষয় নিয়ে। ব্যাটে বলে হয় না । স্কলারশিপ পাই না, আবার কোথাও যদি কিছুটা পাই, প্রফেসর পাই না; প্রফেসর পেলে উনার টাইম নাই। আবার যে প্রফেসরের টাইম আছে তিনি নিরূপায় কারণ, তিনি বাংলাদেশের আইনই জানেন না। কি করি, কি করি, কি করি ? ? ?

"আইন" তাহলে কাকে বলে এইটা জানা দরকার। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- "আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি।

আবার সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধঃস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্য পালনীয় হইবে।” সুতরাং "আইন" মানে আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি এবং উচ্চ আদালতের রায়।

তাহলে এই হইল গিয়া কথা। এত কিছুর উৎস যিনি জানবেন তিনি তো বড় আইনজীবী হবেনই নাকি? কি করি, কি করি, কি করি, কি করি ? ? ? ?

দয়াপরাবশ হয়ে, উপরওয়ালা মুখ তুলে তাকালেন। বাংলাদেশের সকল মূল আইনের (আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ) সংকলন বাংলাদেশ কোডের কাজ শুরূ হবে বাংলাদেশ সরকার এবং কানাডিয়ান সিডা-র সহায়তায়। কোন ধরনের প্রত্যাশা না রেখে যোগ দিলাম আইনের উৎস জানার এই গুরূত্বপূর্ণ উদ্যোগে। আহা পড়াশুনা আর গবেষনা, বিশেষভাবে আইন নিয়ে গবেষনা এত মজার হতে পারে কোন দিন বুঝিনি। মনে আছে ঈদের দিনে ও অফিসে বেলা তিনটা পর্যন্ত কাজ করেছিলাম। আহা, আহ-হা । আইনের উৎস জানা আর নতুন কিছু আবিস্কারের নেশা আমাকে পাগল করে রেখেছিল। কাজটি শেষ হলো প্রায় চার বছর পরে। বাংলাদেশের সকল আইনের সংকলন বাংলাদেশ কোড আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ও পাওয়া যায় [http://bdlaws.minlaw.gov.bd/]।

যাই সম্পূর্ণ না হলে ও কিছু তো গতি হলো কিন্তু স্বস্তি হয় না। আইনের অন্যান্য ভাগের বিষয়গ্গুলোর (বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি এবং উচ্চ আদালতের রায়) উৎস জানি না, কিছু একটা করা দরকার। কি করব? কিভাবে করব? এই যখন চিন্তা করছিলাম তখনই চাকুরীর সুবাদে পেয়ে গেলাম মোক্ষম সুযোগটা। আমার অফিস প্রশাসনের আন্তরিক বদান্যতা এবং সহযোগিতায় শুরূ করলাম বাংলাদেশের প্রথম আইন বিষয়ক পুর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট [www.clcbd.org] এর তৈরী করা। কাজ চলছে পুরোদমে। এখন এই ওয়েবসাইটে আছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রায় ৫৫০০টি মামলার রায়। রয়েছে আইনবিষয়ক দু’টি অভিধান (একটি জুডিশিয়াল এবং একটি ল্যাজিজল্যাটিভ), শব্দসংক্ষেপ, আইনে বহুল প্রচলিত ল্যাটিন শব্দ এবং এর ইংরেজী সমার্থক শব্দ, জার্নাল, গ্লোসারী, বুক রিভিউ, দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় ফরম, ডিরেক্টরী, আইনি আলোচনার ফোরাম, আইনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক ও আইনজীবীদের জন্য আইন বিষয়ক দেশী-বিদেশী বৃত্তি, চাকুরী ও প্রশিক্ষণের খবরাখবর। আর ও রয়েছে কুইজ, ব্লগিং এবং চ্যাটিং এর সুযোগ। ওয়েবসাইটে যোগ করা হয়েছে ল’ কমিশনের বিভিন্ন রিপোর্ট, বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পাদিত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তিসমূহ। যেহেতু বাংলাদেশ কোডে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আইনসমূহ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে তাই এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে ২০০৮ সালের পরবর্তীতে প্রণীত সকল আইনসমূহ এবং এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন আইনের অধীনে তৈরি হওয়া বিধিমালা এবং প্রবিধি। আর সাম্প্রতিক সময়ে পাশ হওয়া আইন, সংসদে উত্থাপিত বিভিন্ন বিলের খসড়া, অনুবাদকৃত আইনসমূহ, বাংলাদেশ সরকারের নানাবিধ পলিসিসমূহ, হাতে লিখিত অলংকরণকৃত বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান।

উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমাদের নানাক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকলেও বাংলাদেশের উচ্চ আদালতের বেশ কিছু রায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে সমাদৃত হয়েছে যা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। বাংলাদেশী আইন ব্যবস্থাকে বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করার লক্ষ্য নিয়েই আমাদের যাত্রা শুরু হয়। দেশী বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে অধ্যয়রনরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থী, গবেষক, আইনজীবী, বিচারক, মানবাধিকার কর্মী সবার কাছে বাংলাদেশী আইন বিষয়ক প্রয়োজনীয় সব তথ্যকে একসাথে উপস্থাপন করে এবং বাংলাদেশের আইন বিষয়ে আগ্রহী সকলকে দ্রুততম সময়ে সেরা সেবা দিতেই আমাদের এই প্রয়াস। আমরা বিশ্বাস করি, আইন বিষয়ক সঠিক তথ্য ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগকে সহজ করে দিতে পারে। যাত্রা শুরুর আগে অসংখ্য উৎসাহদাতা যেমন ছিলেন, নিরুৎসাহিত করবার মত লোকও কম ছিল না। আমরা আশাবাদী ছিলাম, দৃঢ় বিশ্বাসী ও ছিলাম। অবশেষে আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং নিরলস পরিশ্রমের পর আমরা আজকের অবস্থানে আসতে পেরেছি যে জন্য আমি আমাদের পরিচালনা পর্ষদ, উপদেষ্ঠা পরিষদ এবং আমার প্রত্যেক সহকর্মীর কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের আইন বিষয়ে আগ্রহী মানুষের কৌতুহল মেটানোর সাথে সাথে বিদেশী বিনিয়োগকে উৎসাহিত এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য আইনি পরামর্শ পেতেও সাহায্য করবে ওয়েবসাইটটি। বাংলাদেশী আইনের সবকিছু একসাথে নিভূর্লভাবে একত্রিত করার প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ পেলে ওয়েবসাইটটি অদূর ভবিষ্যত গবেষকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় আর্কাইভে পরিণত হবে ইনশাল্লাহ। আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ এবং গঠনমূলক সমালোচনা চাই।

ওহ- হো একটা গুরূত্বপূর্ণ কথা। ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা ভোগ করতে চাইলে বাৎসরিক হারে সামান্য কিছু টাকা দিতে হবে। বিচারকদের জন্য ২,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা, ছাত্রদের জন্য ২,০০০ টাকা আর অন্যান্যদের ৭,৫০০ টাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এনজিওদের জন্য ২৫,০০০ টাকা আর লাভজনক প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য ৫০,০০০ টাকা।

রেগে গেলেন ? "ফ্রি পেলে আলকাতরা ও খায়" এই রকম অপবাদ দূর করার একটি চমৎকার উপায় হইল আমাদের ওয়েবসাইটের সদস্য হওয়া। ট্রায়াল দিতে চাইলে আমাদের অফিসে চলে আসুন। আমরা বসি ৩৩, তোপখানা রোডের, মেহেরবা প্লাজাতে, ১৫ তলায়। পছন্দ না হলে সদস্য হবেন না। সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার আপনার আছে। এর আগে ফোন ও করতে পারেন, ৯৫৫৩৭৪১, ৭১৭৩২১৮, ৯৫৫২১৩৩ বা ০১৯১১-০২৩৩৮৮ এই নাম্বারগুলোতে। আপনাকে স্বাগত জানাতে এবং সাহায্য করতে আমরা অপেক্ষা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১২ রাত ১২:৫৩
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিলেটে এমসি কলেজে স্বামীকে বেঁধে তরুনীকে গনধর্ষণ- সাধারণ মানুষ যা ভাবছেন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৩


এরা কারা? এরা সবাই ধর্ষক। এছাড়াও এদের আরও একটি বড় পরিচয় আছে। এরা হলো ছাত্রলীগের কর্মী।

১। ভাগ্যিস মেয়েটা হাজব্যান্ডের সাথে ঘুরতে গেছিল। আজ যদি ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্রম সাতক্ষীরা টু বেলগাছিয়া (পর্ব-৯/প্রথম খন্ডের পঞ্চম পর্ব)

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৪





দুজনের শরীরের উপর ভর দিয়ে টলতে টলতে কোনোক্রমে দাদির খাটিয়ার উদ্দেশ্যে পা বাড়ালাম। উঠোনের এক প্রান্তে দাদিকে শায়িত করা আছে।বুঝতে পারলাম দাদির দাফনের কাজটি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভুলে যাওয়া ঠিকানা

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৫০

তখন আমার অল্প বয়স, কতই বা আর হবে
মা-চাচি আর খালা-ফুপুর কোল ছেড়েছি সবে
তখন আমি তোমার মতো ছোট্ট ছিলাম কী যে
গেরাম ভরে ঘুরে বেড়াই বাবার কাঁধে চড়ে
সকালবেলা বিছনাখানি থাকতো রোজই ভিজে
ওসব... ...বাকিটুকু পড়ুন

হালচাল- ৩

লিখেছেন জাহিদ হাসান, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৩৩

১। দেশে দুর্নীতি, খুন, ধর্ষন আর চুরি-ডাকাতির বন্যা বইয়ে যাচ্ছে। গতকাল সিলেটের এমসি কলেজে কিছু নরপশু গণধর্ষনের যে ঘটনা ঘটালো তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি। দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জন্য আমার মাথায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগারদের মানবতাবোধ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্বভাব কি হারিয়ে যাচ্ছে? সবাই কি সব কিছুতে সহনশীল হয়ে যাচ্ছে?

লিখেছেন জাদিদ, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৩

গত কয়েকদিনে দেশে বেশ কয়েকটি ধর্ষন ও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনা এতটাই পৈশাচিক ও বর্বর যে আমি ভেতরে ভেতরে প্রতি মুহুর্তে ক্ষত বিক্ষত হয়েছি ঐ নির্যাতিতদের কথা ভেবে। অদ্ভুত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×